পিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ইনস্টিটিউটঅফ কোম্পানি সেক্রেটারিজ অফ ইন্ডিয়া’র সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের উদ্বোধনে কোম্পানিসেক্রেটারিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ইনস্টিটিউটঅফ কোম্পানি সেক্রেটারিজ অফ ইন্ডিয়া’র সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের উদ্বোধনে কোম্পানিসেক্রেটারিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ইনস্টিটিউটঅফ কোম্পানি সেক্রেটারিজ অফ ইন্ডিয়া’র সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের উদ্বোধনে কোম্পানিসেক্রেটারিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ইনস্টিটিউটঅফ কোম্পানি সেক্রেটারিজ অফ ইন্ডিয়া’র সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের উদ্বোধনে কোম্পানিসেক্রেটারিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিজ অফ ইন্ডিয়া(আইসিএসআই)-এর সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের উদ্বোধনে ভাষণ দেন।

এই উপলক্ষেআয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আইসিএসআই-এর সঙ্গে যুক্ত সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনিবলেন, যাঁরা কোম্পানিগুলিকে আইনানুগভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করেন এবং এইসব কোম্পানিরহিসাবনিকাশ যথাযথভাবে বজায় রাখেন, সেইসব ব্যক্তিদের মাঝে আসতে পেরে তিনি অত্যন্তখুশি। তিনি বলেন, তাঁদের কাজ দেশের কর্পোরেট সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকানিয়েছে। তাঁদের উপদেশ দেশেরকর্পোরেট সংস্থাগুলি পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষভাবেগুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীবলেন, আমাদের দেশে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা আমাদের সামাজিক কাঠামোরসততাকে দুর্বল করার ও দেশের মর্যাদা হানিরও চেষ্টা চালায়। তিনি বলেন, সরকার আমাদেরব্যবস্থার মধ্য থেকে এই ধরনের ব্যক্তিদের অপসারণের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শ্রী মোদীবলেন যে সরকারের উদ্যোগের ফলে বর্তমানে দেশের অর্থনীতি কম নগদে কাজ করে যাচ্ছে।জাতীয় আয়ের সঙ্গে নগদের অনুপাত বিমুদ্রাকরণের আগেকার ১২ শতাংশ থেকে কমে ৯ শতাংশহয়েছে। যাঁরা কেবল নৈরাশ্যের ধারণা ছড়াতে চায়, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বিরুদ্ধেসাবধানবাণী উচ্চারণ করেন।চলতি অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার কমে৫.৭ শতাংশ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অতীতেও এই ধরনের আয় বৃদ্ধির হার কমার উদাহরণ তুলেধরেন। তিনি বলেন, সেই সময়ে কম আয় বৃদ্ধির হারের সঙ্গে সঙ্গে ছিল, উচ্চহারেমুদ্রাস্ফীতি, চলতি খাতে উচ্চ হারে ঘাটতি এবং বেশি পরিমাণে রাজকোষ ঘাটতি।

প্রধানমন্ত্রীবলেন, এমন একটা সময় ছিল যখন ভারতকে সবচেয়ে দুর্বল পাঁচটি অর্থনীতির দেশ হিসেবেগণ্য করা হত। এই দেশগুলি বিশ্ব অর্থনীতির অগ্রগতিকে টেনে ধরত।

এর আগেরত্রৈমাসিকে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার কমার বিষয়টি স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে,সরকার এই প্রবণতা পরিবর্তন করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণসংস্কার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি জোরেরসঙ্গে বলেন, দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা যে কোন মূল্যে বজায় রাখা হবে। তিনি সমবেতসকলকে আশ্বাস দেন যে, সরকারের গৃহীত বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপের ফলে আগামী কয়েক বছরেরমধ্যেই দেশকে উন্নয়নের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, সততাকেউৎসাহিত করা হবে এবং সৎ মানুষদের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হবে।

বিগত তিনবছরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বরাদ্দ এবং বিনিয়োগে বিপুল বৃদ্ধির বিষয়টিপ্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন। এই সময়কালে ২১টি ক্ষেত্রে ৮৭টি সংস্কারমূলক পদক্ষেপকার্যকর হয়েছে বলে তিনি জানান। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল বৃদ্ধির বিষয়টিকে তুলেধরতে তিনি বেশ কিছু তথ্য-পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীবলেন যে, সরকারের নীতি এবং পরিকল্পনার ক্ষেত্রে, দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণী যাতেসঞ্চয় করতে পারে তা বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।এইসব মানুষের জীবন যাতে উন্নত হয়, সেইবিষয়টিকেও মাথায় রাখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীজোরের সঙ্গে বলেন যে, তিনি মানুষ এবং জাতির ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেন। যদিও এই কাজকরতে গিয়ে তাঁকে বেশ কয়েকবার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু তাঁর নিজের‘বর্তমান’-এর জন্য কোনভাবেই তিনি দেশের ‘ভবিষ্যৎ’কে বন্ধক রাখতে পারেন না।

PG/PB/DM/