Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রদেশের ভোপালে একগুচ্ছ রেল প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন

প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রদেশের ভোপালে একগুচ্ছ রেল প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন


নয়াদিল্লি, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
 
 
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মধ্যপ্রদেশের ভোপালে একগুচ্ছ রেল প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। তিনি ভোপালে নবরূপে সজ্জিত রানী কমলাপতী রেল স্টেশন জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। এর পর, প্রধানমন্ত্রী একাধিক রেল প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। এর মধ্যে রয়েছে – গেজ রূপান্তরিত এবং বিদ্যুতায়িত উজ্জয়িনী – ফতেহবাদ চন্দ্রবতীগঞ্জ ব্রডগেজ শাখা, ভোপাল বারখেরা শাখায় তৃতীয় লাইন, গেজ রূপান্তরিত এবং বিদ্যুতায়িত মাথেলা – নিমার খেরি ব্রডগেজ তথা বিদ্যুতায়িত গুনা – গোয়ালিয়র শাখা। প্রধানমন্ত্রী উজ্জয়িনী – ইন্দোর এবং ইন্দোর – উজ্জয়িনীর মধ্যে দুটি নতুন মেম্যু ট্রেন পরিষেবারও যাত্রা সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রেল মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। 
 
এক জনসভায় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোপালে ঐতিহাসিক রেল স্টেশনটি কেবল নবরূপে সুসজ্জিত করাই হয়নি, সেই সঙ্গে রানী কমলাপতীজীর নামে নামাঙ্কিত হওয়ায় স্টেশনটির গুরুত্বও বেড়েছে। আজ ভারতীয় রেলের গৌরবের সঙ্গে গন্ডওয়ানার গর্ব যুক্ত হয়েছে। শ্রী মোদী আধুনিক রেল প্রকল্পগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করার বিষয়টি গৌরবময় ইতিহাস ও সমৃদ্ধ আধুনিক ভবিষ্যতের সংমিশ্রণকেই প্রতিফলিত করে বলে অভিমত প্রকাশ করেন। জনজাতীয় গৌরব দিবস উপলক্ষে তিনি সকলকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, রেলের এই প্রকল্পগুলির ফলে মধ্যপ্রদেশবাসী লাভবান হবেন। 
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং কিভাবে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে – রেল তার প্রকৃত উদাহরণ। আজ ৬-৭ বছর আগে ভারতীয় রেলের সঙ্গে যারা ছিল, তাঁদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। সাধারণ মানুষ রেল ব্যবস্থায় পরিবর্তনের আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু, দেশ যখন আন্তরিকতার সঙ্গে তার লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে চলে, তখন উন্নয়ন আসে ও পরিবর্তন ঘটে, গত কয়েক বছরে আমরা ধারাবাহিকভাবে এটাই দেখে এসেছি বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের প্রথম আইএসও শংসাপত্র সম্বলিত, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দেশের প্রথম রানী কমলাপতী রেল স্টেশনটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। এক সময় যে সুযোগ-সুবিধা কেবল বিমানবন্দরে ছিল, এখন তা রেল স্টেশনেও পাওয়া যাচ্ছে।
 
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত আজ আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণে কেবল রেকর্ড পরিমাণ বিনিয়োগই করছে না, সেইসঙ্গে এটাও সুনিশ্চিত করা হচ্ছে যে, প্রকল্প রূপায়ণের কাজে যাতে কোনও বিলম্ব না ঘটে বা বাধা-বিপত্তি না দেখা দেয়। সম্প্রতি শুরু হওয়া পিএম গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগ বাধা-বিপত্তিহীন প্রকল্প রূপায়ণের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করবে। একটা সময় ছিল, যখন ড্রয়িং বোর্ড থেকে রেলের কোনও পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবে রূপ পেতে কয়েক বছর লেগে যেত। কিন্তু, আজ ভারতীয় রেল নতুন প্রকল্প রূপায়ণে তৎপরতা দেখাচ্ছে। সর্বোপরি সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করছে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় রেল কেবল দূরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং রেল দেশের সংস্কৃতি, পর্যটন ও তীর্থস্থানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠছে। স্বাধীনতার বেশ কয়েক দশক পর এই প্রথম ভারতীয় রেলের পূর্ণ সম্ভাবনাকে খুঁজে বের করে ব্যাপকভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে। আগে রেলকে যখন পর্যটনের কাজে ব্যবহার করা হ’ত, তখনও এই পরিষেবা নির্দিষ্ট কয়েকটি অংশেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু, এই প্রথম সাধারণ মানুষ এখন ন্যায্য মূল্যে পর্যটন ও তীর্থ যাত্রার মাহাত্ম্য অনুভব করছেন। রামায়ণ সার্কিট ট্রেন এই লক্ষ্যে একটি প্রয়াস বলে প্রধানমন্ত্রী অভিমত প্রকাশ করেন। 
 
পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় রেলের প্রশংসা করেন। 
 
 
CG/BD/SB