পিএমইন্ডিয়া
আমার প্রিয় দেশবাসী, নমস্কার। মন কি বাতে আবার একবার স্বাগত জানাই আপনাদের। নভেম্বর মাস অনেক প্রেরণা নিয়ে এসেছে, কিছুদিন আগেই ২৬শে নভেম্বর সংবিধান দিবসে সেন্ট্রাল হলে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল। বন্দেমাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতে গোটা দেশে অনুষ্ঠিত হতে চলা কার্যক্রমের চমকপ্রদ সূচনা হয়। ২৫শে নভেম্বর অযোধ্যায় রামমন্দিরে ধর্মধ্বজার উত্তোলন হয়। এই দিনেই কুরুক্ষেত্রের জ্যোতিসরে পাঞ্চজন্য স্মারক জাতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত হয়।
বন্ধুরা, কিছুদিন আগেই আমি হায়দ্রাবাদে দুনিয়ার সবথেকে বড় লীপ ইঞ্জিন এমআরও ফেসিলিটির উদ্বোধন করেছি। বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামতি এবং পুন:প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এটা এক বড় পদক্ষেপ ভারতের। গত সপ্তাহে মুম্বাইতে এক অনুষ্ঠান চলাকালীন আইএনএস ‘মাহে’ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গত সপ্তাহেই ভারতের মহাকাশীয় ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্তের সূচনা করল স্কাইরুটের ইনফিনিটি ক্যাম্পাস। এটা ভারতের নতুন ভাবনাচিন্তা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং যুবশক্তির প্রতিফলন।
বন্ধুরা, কৃষিক্ষেত্রেও বড় সাফল্য পেয়েছে দেশ। ভারত ৩৫৭ মিলিয়ন (৩৫কোটি ৭০লক্ষ) টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের সঙ্গে-সঙ্গে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড তৈরি করেছে। তিনশো সাতান্ন মিলিয়ন টন! দশ বছর আগের পরিস্থিতির তুলনায় ভারতের খাদ্যশস্য উৎপাদন ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) টন বৃদ্ধি পেয়েছে। খেলাধুলোর জগতেও ভারতের ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা উড্ডীন হয়েছে। কিছুদিন আগেই কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হিসাবে ভারতের নাম ঘোষিত হয়েছে। এই সাফল্য দেশের, দেশবাসীর। আর মন কি বাত দেশের মানুষের এমন সাফল্য, মানুষের সমষ্টিগত প্রয়াসকে লোকসমক্ষে আনার এক অনুপম প্রচেষ্টা।
বন্ধুরা, মনে যদি উদ্যম থাকে, সমষ্টিগত শক্তি নিয়ে একটা দলের মত কাজ করার বিশ্বাস থাকে, পড়ে গিয়ে ফের উঠে দাঁড়ানোর সাহস থাকে, তবে কঠিন থেকে কঠিনতর কাজেও সাফল্যলাভ সুনিশ্চিত হয়। আপনারা সেই পর্বের কল্পনা করুন যখন স্যাটেলাইট ছিল না, জিপিএস সিস্টেম ছিল না, নেভিগেশনের কোনো সুবিধে ছিল না। তখনও আমাদের নাবিকরা বড়-বড় জাহাজ নিয়ে সমুদ্রে রওনা দিতেন, আর নির্দিষ্ট জায়গাতে পৌঁছে যেতেন। এখন সমুদ্র ছাড়িয়ে নানা দেশ অন্তরীক্ষের অসীমতাকে বোঝার চেষ্টা করছে। চ্যালেঞ্জ সেখানেও একইরকম, না আছে জিপিএস সিস্টেম, না আছে যোগাযোগের তেমন সুবিধে, তাহলে আমরা এগোব কীভাবে?
বন্ধুরা, কিছু দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ার এক ভিডিও আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই ভিডিও ছিল ইসরোর এক অভূতপূর্ব ড্রোন প্রতিযোগিতা নিয়ে। এই ভিডিওতে আমাদের তরুণ-তরুণীরা, বিশেষ করে আমাদের জেন-জী মঙ্গল গ্রহের মত পরিস্থিতিতে ড্রোন ওড়ানোর চেষ্টা করছিল। ড্রোন উড়ছিল, কিছু সময়ের জন্য ভারসাম্য রক্ষা করছিল, আবার মাটিতে পড়ে যাচ্ছিল। জানেন, কেন হচ্ছিল এমন? কারণ, এখানে যে সব ড্রোন উড়ছিল, তাতে জিপিএস ব্যবস্থা একেবারেই ছিল না। মঙ্গলগ্রহে জিপিএস পাওয়া সম্ভব নয়, এইজন্য বাইরের কোনো সাহায্য পাওয়া সম্ভব নয় ড্রোনের পক্ষে। নিজের ক্যামেরা এবং নিজস্ব সফটওয়্যারের সাহায্য নিয়ে উড়তে হবে ড্রোনকে।
ঐ ক্ষুদ্র drone-টির মাটির pattern জানার ছিল, উচ্চতা মাপার ছিল, বাধা গুলি বুঝতে হত তারপর নিজেকেই সুরক্ষিত ভাবে অবতরনের রাস্তা খুঁজতে হত। এইজন্যই drone গুলো একের পর এক ভেঙে পড়ছিল।
বন্ধুরা, এই প্রতিযোগিতায়, পুণের যুবাদের একটি দল কিছু মাত্রায় সাফল্য পেয়েছিল। তাদের drone ও বেশ কয়েকবার পড়ে গিয়েছিল, crash হয়েছিল , কিন্তু তারা হার মানে নি। কয়েকবার চেষ্টার পর এই দল টির drone মঙ্গলগ্রহের মত পরিস্থিতিতে কিছু ক্ষণ উড়তে সফল হয়।
বন্ধুরা, এই video টি দেখার সময়, আমার মনে আরো একটি দৃশ্য ভেসে উঠেছিল। সেই দিন টি, যেদিন চন্দ্রযান-2 যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছিল। সেদিন গোটা দেশ, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিকের দল কিছু সময়ের জন্য নিরাশার অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিলেন। কিন্তু বন্ধুরা, অসফলতা তাঁদের থামাতে পারে নি। ঐ দিনই তাঁরা চন্দ্র যান-3 এর সফলতার কাহিনী লিখতে শুরু করে দেন। এই জন্যই, যখন চন্দ্র যান-3 সফল ভাবে অবতরন করে তখন তা শুধু একটি mission এর সফলতা ছিল না, তা ছিল অসফলতা থেকে বেরিয়ে এসে বিশ্বাসের ভিতের ওপর তৈরী হওয়া সফলতা। এই video টি তে যে যুবক কে দেখা যাচ্ছে, তাঁর চোখে আমি সেই চমক লক্ষ্য করেছিলাম। প্রতিবার যখন আমি আমাদের যুবাদের নিষ্ঠা এবং বৈজ্ঞানিকদের সমর্পণ লক্ষ্য করি তখন মন উৎসাহে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যুবাদের এই নিষ্ঠাই বিকশিত ভারতের খুব বড় শক্তি।
আমার প্রিয় দেশবাসী , আপনারা সবাই মধুর মিষ্টত্বের সঙ্গে নিশ্চয়ই পরিচিত। কিন্তু, প্রায়ই আমরা জানতে পারি না এর পেছনে কত লোকের পরিশ্রম আছে, আছে কত পরম্পরা এবং প্রকৃতির সঙ্গে কি অসাধারণ বোঝাপড়া।
বন্ধুরা, জম্মু কাশ্মীরের পাহাড়ী এলাকায় বন তুলসী অর্থাৎ সুলাই এর ফুল থেকে সেখানকার মৌমাছিরা অত্যন্ত অসাধারণ মধু তৈরী করে। এই মধু সাদা রঙের হয়, যাকে রামবন সুলাই মধু বলা হয়। কয়েকবছর আগেই রামবন সুলাই মধু GI tag পেয়েছে। এরপর এই মধুর কথা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
বন্ধুরা, দক্ষিণ কন্নাড়া জেলার পুত্তুর, সেখানকার বনস্পতি, গাছপালা মধু উৎপাদনের জন্য উৎকৃষ্ট বলে মনে করা হয়। এখানে ‘গ্রামজন্য’ নামের কৃষক সংস্থা এই প্রাকৃতিক উপহার কে নতুন দিশা দেখাচ্ছে। ‘গ্রামজন্য’ এখানে একটি আধুনিক processing unit নির্মাণ করেছে, lab, bottling, storage এবং digital tracking এর মত সুবিধা গুলির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন এই মধু branded পণ্য হিসাবে গ্রাম থেকে শহরে শহরে পৌঁছচ্ছে। এই প্রচেষ্টার লাভ আড়াই হাজারের ও বেশি কৃষকেরা পাচ্ছেন।
বন্ধুরা, কর্ণাটকেরই টুমকুর জেলায় ‘শিবগঙ্গা কালংজিয়া’ নামক সংস্থা টির প্রচেষ্টাও খুব প্রশংসনীয়। এনাদের মাধ্যমে এখানে প্রত্যেক সদস্য কে প্রাথমিক ভাবে দুটি মৌমাছি বাক্স দেওয়া হয়। এইভাবে এই সংস্থা টি অনেক কৃষক কে নিজেদের এই প্রচেষ্টায় সংযুক্ত করে নিয়েছেন। এখন এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কৃষকেরা সম্মিলিত ভাবে মধু উৎপাদনের কাজ করেন, চমৎকার প্যাকেজিং করেন এবং স্থানীয় বাজারে পৌঁছে দেন।এর থেকে ওঁরা লক্ষ লক্ষ টাকাও আয় করছেন। এইরকমই আরো একটি উদাহরণ নাগালান্ডের cliff-honey hunting. Nagaland এর চোকলাংগন গ্রামে খিয়ামনি-ইয়াঙ্গন জনজাতি শতাব্দী পর শতাব্দী ধরে মধু উৎপাদনের কাজ করে যাচ্ছে। এখানে মৌমাছি গাছে নয়, বরং উঁচু পাথরের ওপর নিজেদের বাসা বানায়। এইজন্য মধু সংগ্রহের কাজও খুব বিপজ্জনক। এইজন্য স্থানীয়রা প্রথমে খুব আন্তরিক ভাবে মৌমাছিদের সঙ্গে কথা বলে, তাদের অনুমতি নেয়। তাদের বলে যে, আজ তারা মধু নিতে এসেছে, তারপর মধু নেয়।
বন্ধুরা, আজ ভারত মধু উৎপাদনে নতুন রেকর্ড তৈরী করছে। এগারো বছর আগে দেশে মধুর উৎপাদন ৭৬ হাজার মেট্রিক টন ছিল। এখন সেটা বেড়ে দেড় লাখ মেট্রিক টনের ও বেশি হয়ে গেছে। বিগত কিছু বছরে মধুর রপ্তানিও তিনগুনের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। Honey Mission যোজনা অনুযায়ী খাদি গ্রামোদ্যেগ ও সওয়া দু লাখের ও বেশি মৌমাছি বাক্স লোকেদের মধ্যে বিতরণ করেছে। এর ফলে হাজার হাজার মানুষ জীবিকার নতুন সুযোগ পেয়েছে। অর্থাৎ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মধুর মিষ্টতাও ছড়িয়ে পড়েছে, আর এই মিষ্টত্ব কৃষকদের আয় ও বাড়াচ্ছে।
আমার প্রিয় দেশবাসী, হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে মহাভারতের যুদ্ধ হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। কিন্তু যুদ্ধের এই অনুভুতি কে এখন আপনারা ওখানকার ‘মহাভারত অনুভব কেন্দ্রে’ গিয়ে অনুভব করতে পারেন। এই অনুভব কেন্দ্রে, মহাভারতের গাথা কে 3D, Light & Sound Show এবং digital technique এর মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে। ২৫শে নভেম্বরে যখন আমি কুরুক্ষেত্রে গিয়েছিলাম, তখন এই ‘অনুভব কেন্দ্রের ‘ অনুভব আমাকে আনন্দে ভরপুর করে তুলেছিল।
বন্ধুরা, কুরুক্ষেত্রের ব্রহ্ম সরোবরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক গীতা মহোৎসবে সামিল হওয়া ও আমার কাছে বিশেষ একটি ক্ষণ ছিল। আমি খুব প্রভাবিত হয়েছিলাম এটা দেখে যে কিভাবে সমগ্র বিশ্বের লোক দিব্য গ্রন্থ গীতা দ্বারা অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। এই মহোৎসবে ইউরোপ এবং সেন্ট্রাল এশিয়া সহ বিশ্বের বহু দেশের লোকেরা অংশগ্রহণ করেন।
এই মাসের শুরুর দিকে সৌদি আরবে প্রথম বার কোন সার্বজনিক মঞ্চে গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়। ইউরোপের লাটাভিয়াতেও এক স্মরণীয় গীতা মহোৎসবের আয়োজন করা হয়। এই মহোৎসবে লাটাভিয়া, এস্টোনিয়া, লিথুআনিয়া ও আল্জীরিয়ার শিল্পীরা খুব উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন।
বন্ধুরা, ভারতের মহান সংস্কৃতিতে শান্তি এবং করুণার ভাব সর্বোপরি। আপনারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা কল্পনা করুন, যখন চারিদিকে ভয়াবহ বিনাশলীলার বিভীষিকা ছিল, এইরকম কঠিন সময়ে গুজরাতের নওয়ানগরের জাম সাহেব, মহারাজা দিগ্বিজয় সিংহজী যে অতুলনীয় কাজ করেছেন, তা আজও আমাদের প্রেরণা যোগায়। সেই সময় জাম সাহেব কোন সামরিক জোট বা যুদ্ধের রণনীতি নিয়ে ভাবছিলেন না। বরং তাঁর ভাবনা এটা ছিল যে কী করে বিশ্ব যুদ্ধের মধ্যে পোল্যান্ডের ইহুদি বাচ্চারা রক্ষা পায়। উনি গুজরাতে সেই সময়ে হাজার হাজার শিশুকে আশ্রয় দিয়ে তাদের নতুন জীবন দেন, যা আজও উদাহরণ হয়ে আছে।
কিছু দিন আগে দক্ষিণ ইসরায়েলের মোশাব নেবাতিমে জাম সাহেবের প্রতিমার উন্মোচন করা হয়। এটি একটি বিশেষ সম্মান ছিল। গত বছর পোল্যান্ডের ওয়ারশ্-তে আমি জাম সাহেবের স্মারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করার সৌভাগ্য লাভ করেছিলাম। আমার কাছে সেই মুহূর্তটি অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আমার প্রিয় দেশবাসী, কিছুদিন আগেই আমি ন্যাচারাল ফার্মিং বিষয়ে একটি বিরাট সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে কোয়েম্বাটুর গিয়েছিলাম। দক্ষিণ ভারতে ন্যাচারাল ফার্মিং নিয়ে চলতে থাকা প্রচেষ্টা দেখে আমি খুব প্রভাবিত হয়েছি। কত যুবক-যুবতী, উচ্চমেধা সম্পন্ন পেশাদার লোকজন ন্যাচারাল ফার্মিং ফিল্ডকে নিজের কাজের ক্ষেত্র করে নিচ্ছেন। আমি ওখানে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছি, ওঁদের অভিজ্ঞতা শুনেছি। ন্যাচারাল ফার্মিং ভারতবর্ষের প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ থেকেছে আর ধরিত্রীমায়ের রক্ষার জন্য একে অনবরত চালিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের সকলের কর্তব্য।
বন্ধুরা, বিশ্বের সবথেকে পুরনো ভাষা এবং বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো শহরগুলির মধ্যে একটি শহর, এই দুইয়ের মিলন সব সময় চমৎকার হয়। আমি কথা বলছি কাশী তামিল সংগমম নিয়ে। দোসরা ডিসেম্বর থেকে কাশীর নমো ঘাটে চতুর্থ কাশী তামিল সংগমম উৎসব শুরু হতে চলেছে। এইবারের কাশী তামিল সঙ্গমম-এর থিম খুবই আকর্ষণীয় “তামিল শেখো, তামিল করকলম।” তামিল ভাষাকে ভালোবাসেন এমন মানুষদের জন্য কাশী-তামিল সঙ্গমম একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। কাশীর মানুষদের সঙ্গে যখনই কথা হয় ওঁরা সব সময় বলেন কাশী-তামিল সঙ্গমমের অংশ হওয়া ওঁদের জন্য খুবই আনন্দের । এখানে ওঁরা কিছু নতুন শিখতে পারেন এবং নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। এই বছরও কাশীর অধিবাসীরা উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে তামিলনাড়ু থেকে আসা নিজেদের ভাইবোনেদের স্বাগত জানানোর জন্য খুবই আগ্রহী হয়ে রয়েছেন। আমার আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ যে আপনারা অবশ্যই কাশী-তামিল সঙ্গমমের অংশ হোন। এর সঙ্গেই এমন আরও অনেক ক্ষেত্রের বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করুন যার মাধ্যমে এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা শক্তিশালী হয়। এখানে আমি আবার বলতে চাই
তামিল কলাচ্চরাম ওয়ুর্বানদ
তামিল মৌলি ওয়ুর্বানদ
তামিল ইন্দিয়াবিন পেরুমিদম।
তামিল সংস্কৃতি অতি সুন্দর
তামিল ভাষা অত্যন্ত চমৎকার
তামিল ভারতের গর্ব
আমার প্রিয় দেশবাসী, ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যখন শক্তিশালী হয় তখন প্রত্যেক ভারতবাসীই গর্বিত হন। গত সপ্তাহে মুম্বাইতে আইএনএস মাহেকে ভারতীয় নৌ সেনায় শামিল করা হয়েছে। এর স্বদেশী ডিজাইন নিয়ে অনেকেই চর্চা করেছেন। অপরদিকে পুদুচেরি এবং মালাবার উপকূলের মানুষজন এর নামকরণ নিয়ে খুশি হয়েছেন। আসলে মাহে নামের একটি জায়গার নাম অনুসারে রাখা হয়েছে যেখানকার এক সমৃদ্ধ, ঐতিহাসিক পরম্পরা রয়েছে। কেরালায় এবং তামিলনাড়ুর অনেক মানুষেরা এই বিষয়টি খেয়াল করেছেন যে এই যুদ্ধযানটির ক্রেস্ট উরুমী এবং কলারিপট্টুর ঐতিহ্যশালী নমনীয় অস্ত্রটির মতো দেখতে। এটা আমাদের সকলের জন্য গর্বের বিষয় যে আমাদের নৌ সেনারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন। ৪ঠা ডিসেম্বর আমরা নৌ-সেনা দিবস পালন করতে চলেছি। এই দিনটি আমাদের সৈনিকদের অদম্য সাহস এবং পরাক্রমের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
বন্ধুরা, যাঁরা নৌবাহিনী সম্পর্কিত পর্যটনে আগ্রহী তাঁদের জন্য আমাদের দেশে এমন বহু স্থান রয়েছে যেখানে গিয়ে তাঁরা অনেক কিছু শিখতে পারবেন। দেশের পশ্চিম উপকূলে, গুজরাতের সোমনাথের পাশেই ‘দীউ’ জেলা। দীউ-এ INS-খুখরীর উৎসর্গে সমর্পিত রয়েছে Khukri Memorial and Museum। আবার গোয়া’য় আছে Naval Aviation Museum, এশিয়ায় এই ধরনের সংগ্রহশালা প্রায় বিরল। Fort- Kochi-র INS-দ্রোণাচার্যে Indian Naval Maritime Museum আছে। সেখানে আমাদের দেশের সামুদ্রিক ইতিহাস এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর বিবর্তনকে চাক্ষুষ করা যায়। শ্রীবিজয়াপুরম, মানে যাকে আগে পোর্ট ব্লেয়ার বলা হতো, সেখানে ‘সমুদ্রিকা- Naval Marine museum’ আছে, যা ওই অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস কে তুলে ধরার জন্য সুপরিচিত। কারোয়ার-এর রবীন্দ্রনাথ টেগর সৈকতে অবস্থিত warship museum-এ ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্রশস্ত্রর replica রাখা হয়েছে। বিশাখাপত্তনামেও ভারতীয় নৌবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত একটা সাব-মেরিন, হেলিকপ্টার এবং এয়ারক্রাফ্ট মিউজিয়াম আছে। আমি আপনাদের সকলকে, বিশেষ করে যাঁরা সামরিক ইতিহাসে উৎসাহী, তাঁদের অনুরোধ করবো যে এই মিউজিয়ামগুলো একবার অবশ্যই দেখতে যাওয়ার।
আমার প্রিয় দেশবাসী, শীত পড়েছে, আর তার সঙ্গে সঙ্গে শীতকালীন পর্যটনের সময়ও শুরু হয়ে গেছে। পৃথিবীর বহু দেশ এই শীতকালীন পর্যটন, মানে winter tourism-কে নিজেদের অর্থনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি বানিয়ে তুলেছে। অনেক দেশেরই বৈশ্বিকভাবে সফল শীতকালীন উৎসব ও শীতকালীন ক্রীড়া মডেল আছে। এই দেশগুলো Skiing, Snow-boarding, Snow trekking, Ice climbing এবং Family Snow Parks-এর মতো অভিজ্ঞতা-লাভের বিষয়গুলোকে নিজেদের পরিচিতি হিসেবে গড়ে তুলেছে। তারা নিজেদের শীতকালীন উৎসবগুলোকেও বিশ্বের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
বন্ধুরা, আমাদের দেশেও শীতকালীন পর্যটনের সমস্ত সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের এখানে পাহাড়’ও আছে, সু-সংস্কৃতি’ও আছে এবং অ্যাডভেঞ্চারের সম্ভাবনাও আছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত, এই সময় উত্তরাখণ্ডের শীতকালীন পর্যটন মানুষকে ভীষণ আকর্ষিত করছে। শীতকালে আউলি, মুন্সিয়ারী, চোপতা, দেয়ারার মত জায়গাগুলো অন্তত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে পিথোরাগড় জেলায় সাড়ে চৌদ্দ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায় আদি কৈলাসে রাজ্যের প্রথম হাই অলটিটিউড আল্ট্রা রান ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছিল। এখানে সারা দেশের ১৮টা রাজ্য থেকে ৭৫০ এরও বেশি অ্যাথলিটরা অংশ নিয়েছিল। ৬০ কিলোমিটার লম্বা এই ‘আদি কৈলাশ পরিক্রমা রান’ শুরু হয়েছিল ভোর পাঁচটার কনকনে ঠান্ডায়। এত ঠান্ডা সত্ত্বেও মানুষের উৎসাহ দেখার মত ছিল। মাত্র তিন বছর আগে আদি কৈলাসের যাত্রায় যেখানে দুহাজারেরও কম পর্যটক আসতো এখন সেখানে সংখ্যাটা বেড়ে ত্রিশ হাজারেরো বেশি হয়ে গেছে।
বন্ধুরা, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উত্তরাখণ্ডে উইন্টার গেমসের আয়োজনও হতে চলেছে। সারা দেশজুড়ে খেলোয়াড়, অ্যাডভেঞ্চারে-প্রেমী এবং খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন এই আয়োজন নিয়ে অত্যন্ত উৎসাহিত। Skiing হোক বা Snow Boarding, বরফের ওপর আয়োজন করা যায় এমন বহু খেলার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। উত্তরাখন্ড শীতকালীন পর্যটনের প্রসার ঘটাতে কানেক্টিভিটি এবং পরিকাঠামোর মতো বিষয়গুলোতেও গুরুত্ব দিয়েছে। হোমস্টে নিয়ে নতুন পলিসি তৈরি করা হয়েছে।
বন্ধুরা, শীতে Wed in India অভিযানেও একটা রমরমা পড়ে যায়। শীতের সুন্দর রোদ্দুর হোক, পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা কুয়াশার চাদর হোক, destination wedding-এর জন্য পাহাড় এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেক বিবাহ অনুষ্ঠান তো এখন গঙ্গার তীরে করা হচ্ছে।
বন্ধুরা শীতকালের এই দিনগুলোয় হিমালয়ের উপত্যকা এমন একটা অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে ওঠে যা জীবন-ভর সঙ্গে থেকে যায়।
যদি আপনি এই শীতে কোথাও যাবার কথা ভেবে থাকেন তাহলে হিমালয় উপত্যাকার কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন।
বন্ধুরা, কয়েক সপ্তাহ আগে আমি ভুটান গিয়েছিলাম। এই ধরনের সফরে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা এবং আলোচনার সুযোগ হয়। আমার এই সফরে আমি ভুটানের রাজা, বর্তমান রাজার বাবা যিনি আগে রাজা ছিলেন, ওখানকার প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য লোকেদের সঙ্গে মিলিত হয়েছি। এই সময় সকলের কাছ থেকে একটা বিষয় অবশ্যই শুনেছি। সকলেই ওখানে Buddhist relics অর্থাৎ ভগবান বুদ্ধের পবিত্র অবশেষ পাঠানোর জন্য ভারতবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছিলেন। আমি যখনই এটা শুনছিলাম আমার গর্ব হচ্ছিল।
বন্ধুরা, ভগবান বুদ্ধের পবিত্র অবশেষ সম্পর্কে অন্যান্য অনেক দেশেই আমি এই প্রকার উৎসাহ দেখেছি। গত মাসে ন্যাশনাল মিউজিয়াম থেকে এই পবিত্র অবশেষ রাশিয়ার কলমীকিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে বৌদ্ধ ধর্মের বিশেষ গুরুত্ব আছে। এই পবিত্র অবশেষ দর্শনের জন্য রাশিয়ার দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এখানে এসেছেন বলে আমাকে জানানো হয়েছে। মঙ্গোলিয়া, ভিয়েতনাম এবং থাইল্যান্ডেও এই পবিত্র অবশেষ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সব জায়গাতেই লোকেদের মধ্যে এই নিয়ে খুব উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। থাইল্যান্ডের রাজাও এই অবশেষ দর্শন করতে পৌঁছেছিলেন। ভগবান বুদ্ধের পবিত্র অবশেষের প্রতি সমগ্র বিশ্বের এই রকম বিশেষ সম্মান দেখে মন ভরে যায়। এটা শুনে খুব ভালো লাগে যে এই ধরনের কোনো উদ্যোগ সারা পৃথিবীর মানুষকে এক সূত্রে বাঁধার মাধ্যম হয়ে ওঠে।
আমার প্রিয় দেশবাসী, আমি আপনাদের সব সময় Vocal for Local মন্ত্র সঙ্গে নিয়ে চলার কথা বলি। এই কয়েকদিন আগে G-20 শিখর সম্মেলনের সময় যখন বিশ্বের অনেক নেতাদের উপহার দেওয়ার কথা হচ্ছিল তখন আমি আবার বললাম Vocal for Local আমি দেশবাসীর তরফে বিশ্বের নেতাদের যে উপহার দিয়েছি সেখানে এই ভাবনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। G-20 সম্মেলনে আমি দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতিকে ব্রোঞ্জের নটরাজ মূর্তি উপহার দিয়েছি। এটি তামিলনাড়ুুর তাঞ্জাবুরের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের সঙ্গে যুক্ত চৌলদের সময়ের শিল্পকলার এক চমৎকার উদাহরণ। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে রুপোর তৈরি ঘোড়ার প্রতিকৃতি দেওয়া হয়। এটি রাজস্থানের উদয়পুরের উল্লেখযোগ্য শিল্পকলার নিদর্শন। জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে রুপোর বুদ্ধের প্রতিকৃতি উপহার দেওয়া হয়। এতে তেলেঙ্গনা এবং করিমনগরের প্রসিদ্ধ সিলভার ক্রাফটের সূক্ষ্ম কাজ সম্পর্কে জানা যায়। ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের আকৃতির রুপোর আয়না উপহার দেওয়া হয়। এটিও করিমনগরের ঐতিহ্যবাহী ধাতু শিল্পকলার নিদর্শন। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে আমি পেতলের ওরলি উপহার দিয়েছি। এটি কেরালার মুন্নারের একটি উৎকৃষ্ট শিল্প। আমার উদ্দেশ্য ছিল যে বিশ্ব যেন ভারতীয় শিল্প, কলা এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে অবগত হয়, আমাদের শিল্পীদের প্রতিভা যেন বিশ্বের মঞ্চ পায়।
বন্ধুরা, আমি খুশি যে ভোকাল ফর লোকালের এই ভাবনা দেশের কোটি কোটি মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিয়েছেন। এই বছর যখন আপনারা উৎসবের কেনাকাটার জন্য বাজারে গিয়েছিলেন তখন একটি বিষয় আপনারা সকলে নিশ্চয়ই অনুভব করেছেন। সকলের পছন্দ এবং বাড়িতে নিয়ে আসা সামগ্রীর মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট যে দেশ স্বাদেশিকতার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। মানুষ স্বেচ্ছায় ভারতে উৎপাদিত সামগ্রী বেছে নিচ্ছেন। ছোট ছোট দোকানদাররাও এই পরিবর্তন অনুভব করেছেন। তরুণরাও এবার ভোকাল ফর লোকাল অভিযানকে ত্বরান্বিত করেছেন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে বড়দিন এবং নববর্ষের কেনাকাটার নতুন উদ্যম শুরু হবে। আমি আপনাদের আবার মনে করিয়ে দেব যে ভোকাল ফর লোকালের মন্ত্র মনে রাখবেন। সেই জিনিস কিনবেন যা আমাদের দেশে তৈরি। সেই জিনিসই বিক্রি করবেন যার সঙ্গে দেশবাসীর পরিশ্রম যুক্ত।
আমার প্রিয় দেশবাসী, ভারতীয় খেলাধুলার ক্ষেত্রে এই মাস ছিল সুপারহিট। ভারতীয় মহিলা দলের আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ জয় দিয়ে শুরু হয়েছিল এই মাস। কিন্তু এরপরেও মাঠে আরো বেশি অ্যাকশন দেখা গেছে। কিছুদিন আগে টোকিওতে ডেফ অলিম্পিকস আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে ভারত এখনও পর্যন্ত সর্বশ্রেষ্ঠ প্রদর্শনের মাধ্যমে ২০টি পদক জিতেছে। আমাদের মহিলা খেলোয়াড়রাও কবাডি ওয়ার্ল্ড কাপ জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। পুরো টুর্নামেন্টে তারা উন্নত মানের প্রদর্শন করে প্রত্যেক ভারতবাসীর মন জিতে নিয়েছে। ওয়ার্ল্ড বক্সিং কাপ ফাইনালেও আমাদের খেলোয়াড়দের উল্লেখযোগ্য প্রদর্শন ছিল যেখানে তাঁরা কুড়িটি পদক জিতেছেন।
বন্ধুরা, যে বিষয়টি নিয়ে আরো বেশি আলোচনা চলছে সেটি হল আমাদের মহিলা দলের ব্লাইন্ড ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ জয়। সবথেকে উল্লেখযোগ্য যে আমাদের এই টিম একটিও ম্যাচ না হেরে এই টুর্নামেন্ট জিতেছে। এই টিমের সব খেলোয়াড়কে নিয়ে দেশবাসী গর্বিত। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এই টিমের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। এই টিমের সংকল্প, তাদের ভাবাবেগ আমাদের অনেক কিছু শেখায়। আমাদের খেলাধুলার ইতিহাসে এই জয় সবথেকে বড় জয়ের মধ্যে একটি, যা সব ভারতীয়কে প্রেরণা জোগাবে।
বন্ধুরা, আজকাল আমাদের দেশে endurance sports-এর একটি নতুন ধারা খুব তাড়াতাড়ি উঠে আসছে। Endurance sports বলতে আমি সেই সব স্পোর্টস অ্যাক্টিভিটির সম্পর্কে বলছি যেখানে আপনার ক্ষমতা যাচাই করা হয়। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত ম্যারাথন এবং বাইকথনের মত বিশেষ ইভেন্ট কিছু বিশেষ মানুষদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আমাকে বলা হয়েছে যে সমগ্র দেশে প্রতিমাসে ১৫০০র বেশী endurance sports-এর আয়োজন করা হয়। এই ইভেন্টে অংশগ্রহণ করার জন্য অ্যাথলেটরা দূর-দূরান্তে পাড়ি দেন।
বন্ধুরা, endurance sports-এর এক উদাহরণ আইরনম্যান ট্রায়াথ্যালন। কল্পনা করুন, যদি বলা হয় আপনাকে একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে তিনটি কাজ সম্পন্ন করতে হবে। যথা সমুদ্রে চার কিলোমিটার সাঁতরানো, একশো আশি কিলোমিটার সাইকেল চালানো ও প্রায় ৪২ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ানো। তখন আপনি ভাববেন তা কি করে সম্ভব। কিন্তু যারা অসমসাহসী তারা এই কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। তাই এর নাম আইরনম্যান ট্রায়াথ্যালন।
সম্প্রতি গোয়ায় এমনই এক খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। ইদানিং এই ধরনের অনুষ্ঠানে অনেকেই উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। এইরকম আরো অনেক প্রতিযোগিতা রয়েছে যা আমাদের তরুণ বন্ধুদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইদানিং অনেকেই ফিট ইন্ডিয়া সানডেস অন সাইকেলের মত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য একত্রিত হচ্ছেন। এই সমস্ত বিষয়ই ফিটনেস এর মানসিকতাকে উৎসাহিত করছে।
বন্ধুরা, প্রতিমাসে আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ আমার জন্য সবসময়ই এক নতুন অভিজ্ঞতা। আপনাদের গল্প, আপনাদের প্রচেষ্টা, আমাকে নতুন প্রাণশক্তিতে উদ্বুদ্ধ করে। চিঠিতে আপনাদের পাঠানো পরামর্শ, আপনাদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা, ভারতের বৈচিত্র্যকে আমাদের এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে অনুপ্রাণিত করে। আগামী মাসে আমাদের যখন দেখা হবে তখন ২০২৫ সাল প্রায় শেষের পথে। দেশের বেশিরভাগ অংশে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকবে। শীতের এই মরশুমে নিজের এবং পরিবারের বিশেষ যত্ন নিন। আগামী মাসে আমরা অবশ্যই কিছু নতুন বিষয় এবং নতুন ব্যক্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করব। অনেক অনেক ধন্যবাদ। নমস্কার।
#MannKiBaat has begun. Do hear. https://t.co/0Wp9vjJWUm
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
The month of November brought many inspirations. #MannKiBaat pic.twitter.com/Ml3tYfgBhj
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
India has set a historic record with food grain production. #MannKiBaat pic.twitter.com/yiRNFMMvBb
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
PM @narendramodi highlights how a team of youngsters from Pune succeeded in a unique drone competition organised by ISRO. #MannKiBaat pic.twitter.com/fH0I4PtPFG
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
A sweet revolution across India! #MannKiBaat pic.twitter.com/jeYbz2UHdA
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
From Europe to Saudi Arabia, PM @narendramodi shares how the world is celebrating the Gita. #MannKiBaat pic.twitter.com/YCDMLt4s76
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
The incredible contributions of Jam Saheb that the world is honouring today... #MannKiBaat pic.twitter.com/KbUxibRiRW
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
Glad to see that many young, highly qualified professionals are now adopting the field of natural farming, says PM @narendramodi in #MannKiBaat pic.twitter.com/aVa0mB7dzI
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
The fourth Kashi-Tamil Sangamam is commencing on the 2nd December at Namo Ghat in Kashi.
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
PM @narendramodi urges everyone to be a part of the Kashi-Tamil Sangamam. #MannKiBaat pic.twitter.com/Mrk4BsjnVE
INS Mahe has been inducted into the Indian Navy. Its indigenous design is drawing wide appreciation. #MannKiBaat pic.twitter.com/9lYxib1hUj
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
Winter tourism in Uttarakhand is attracting many people. #MannKiBaat pic.twitter.com/uOhMd1qgHM
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
Enthusiasm for the sacred relics of Bhagwan Buddha has been observed in many countries. World over, people expressed gratitude to India for sending Buddhist relics. #MannKiBaat pic.twitter.com/0t0MpWvwtl
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
Vocal for Local! #MannKiBaat pic.twitter.com/qau8x27hgi
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
India's superhit sports month! #MannKiBaat pic.twitter.com/5EzYrg0GkF
— PMO India (@PMOIndia) November 30, 2025
The month of November has been one of many occasions which will make 140 crore Indians proud, some of which are:
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
Dharma Dhwajarohan Utsav in Ayodhya.
150th birth anniversary celebrations of Bhagwan Birsa Munda.
150 years of Vande Mataram.
India moved closer to being a global… pic.twitter.com/QDL0LahcSU
India’s Gen Z is doing wonders when it comes to tech and innovation. Highlighted an effort which showcases our youth’s passion towards drones.#MannKiBaat pic.twitter.com/xlfIHyvCa3
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
From Jammu and Kashmir to Karnataka and Nagaland, India’s farmers are achieving remarkable success in honey production. Also appreciated KVIC for their efforts in this sector. #MannKiBaat pic.twitter.com/14JhzVd1bt
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
Gita Mahotsavs in Saudi Arabia and Latvia are noteworthy efforts, which deepen cultural connect with the Indian diaspora and those passionate about Indian culture and spirituality.#MannKiBaat pic.twitter.com/JIwGa4tSSM
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
Talked about a special gesture in Israel which paid tributes to Jam Saheb Digvijaysinhji for his humanitarian spirit.#MannKiBaat pic.twitter.com/r2XTsx1PQt
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
Kashi looks forward to hosting the Kashi Tamil Sangamam!#MannKiBaat pic.twitter.com/ZdszXjdZUy
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
Come, wed in India!#MannKiBaat pic.twitter.com/sCz2VhLS2M
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
Buddhist relics from India have received a very special welcome in Bhutan, Thailand, Russia, Mongolia and other nations indicating how the thoughts of Lord Buddha connect us and inspire us.#MannKiBaat pic.twitter.com/OWrfVRCff1
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
ಜಮ್ಮು ಮತ್ತು ಕಾಶ್ಮೀರದಿಂದ ಕರ್ನಾಟಕ ಮತ್ತು ನಾಗಾಲ್ಯಾಂಡ್ ವರೆಗೆ, ಭಾರತದ ರೈತರು ಜೇನು ಉತ್ಪಾದನೆಯಲ್ಲಿ ಉತ್ತಮ ಯಶಸ್ಸನ್ನು ಕಾಣುತ್ತಿದ್ದಾರೆ. ಈ ವಲಯದಲ್ಲಿ ಕೆವಿಐಸಿಯ ಪ್ರಯತ್ನಗಳನ್ನೂ ಶ್ಲಾಘಿಸಿಲಾಯಿತು. #MannKiBaat pic.twitter.com/ywG30BAxZS
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
காசி தமிழ் சங்கமத்தை நடத்துவதற்கு, காசி நகரம் ஆவலுடன் எதிர்நோக்கியுள்ளது!#MannKiBaat pic.twitter.com/S2jJ2qknnr
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
उत्तराखंड में ‘आदि कैलाश परिक्रमा रन’ के बाद अब यहां लोगों में Winter Games को लेकर भारी उत्साह है। राज्य में Winter Tourism को बढ़ावा देने के लिए जिस तरह से कनेक्टिविटी और इंफ्रास्ट्रक्चर पर फोकस किया गया है, वो पूरे देश को प्रेरित करने वाला है।#MannKiBaat pic.twitter.com/tbO3ThOyZe
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025
यह देखकर बहुत संतोष होता है कि आज ‘Vocal for Local’ की भावना को देश के करोड़ों लोगों ने अपने जीवन का हिस्सा बना लिया है। मैंने भी दक्षिण अफ्रीका में हुए G-20 शिखर सम्मेलन के दौरान देशवासियों की ओर से विश्व के नेताओं को जो उपहार भेंट किए, उनमें इसी भावना का ध्यान रखा है।… pic.twitter.com/VdvFY8O2rM
— Narendra Modi (@narendramodi) November 30, 2025