পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যেসমঝোতা স্মারক (মউ) নিয়ে অবহিত করল| এই মউটি ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে নয়া দিল্লিতেস্বাক্ষরিত হয়েছিল|
এই মউ মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং রিমোট সেন্সিং অফ দ্য আর্থ,উপগ্রহ যোগাযোগ, উপগ্রহ নির্ভর ন্যাভিগেশন, মহাকাশ বিজ্ঞান ও গ্রহ অনুসন্ধান,মহাকাশযান ও স্পেস সিস্টেম ও গ্রাউন্ড সিস্টেমের ব্যবহার এবং মহাকাশ প্রযুক্তিরব্যবহার ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতায় সক্ষম করবে|
এই মউ-এ মাধ্যমে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হবে| যারসদস্য হবেন মহাকাশ বিভাগ/ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ডি.ও.এস./ইসরো) এবংবাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (বি.টি.আর.সি.) থেকে| যে গ্রুপ এই মউ-এর সময়সীমাও রূপায়ণের উপায় সহ অন্যান্য কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করবে|
এই মউ নতুন গবেষণা কার্যক্রম অন্বেষণ এবং রিমোট সেন্সিং অফ দ্যআর্থ, উপগ্রহ যোগাযোগ, উপগ্রহ নির্ভর ন্যাভিগেশন, মহাকাশ বিজ্ঞান ও মহাকাশঅনুসন্ধানের ক্ষেত্রে ব্যবহার সম্ভাবনায় বিশেষ অনুপ্রেরণা যোগাবে|
সংশ্লিষ্ট নির্বাহী সংস্থার দ্বারা জাতীয় নিয়ম-নীতিরযথোপযুক্ত বিবেচনার সঙ্গে দুই দেশের বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থাপনা এবং উপলব্ধ সম্পদসীমার মধ্যে এই মউ-এর কাজের ক্ষেত্রে অর্থের যোগান হবে| এই মউ-এর অধীনে করা যৌথপ্রকল্প ও কাজ যা এর প্রকার ও ক্ষেত্রের ওপর নির্ভরশীল, তা হবে অ-বাণিজ্যিক অথবাবাণিজ্যিক ভিত্তিতে এবং তা পারস্পরিক অর্থপ্রদান ছাড়া অথবা ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থাবা চুক্তির ওপর ভিত্তি করে হবে|
মানব সভ্যতার মঙ্গলের জন্য মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহারেরক্ষেত্রে এই মউ একটি যৌথ কর্মকাণ্ডকে বিকশিত করবে| এর ফলে দেশের সমস্ত অংশ ও অঞ্চলউপকৃত হবে|
ভারত ও বাংলাদেশ মহাকাশ ক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করারজন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিল| সে অনুযায়ী মহাকাশ ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য একটি মউ-এরপরিকাঠামোর মানদণ্ড সরকারি পর্যায়ে আরও প্রক্রিয়াকরণের জন্য বাংলাদেশে নিযুক্তভারতীয় হাই কমিশন এবং বিদেশ মন্ত্রকের কাছে ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে পাঠানো হয়|বাংলাদেশের পক্ষ যা নিয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তাদের সম্মতি জানায়| পরবর্তীতেমহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যেএকটি মউ ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল নয়া দিল্লিতে স্বাক্ষর হয়|
SK/A.D…