Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কায় মহাবোধি সোসাইটিতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


s2015031363056 [ PM India 174KB ]

s2015031363055 [ PM India 173KB ]

s2015031363054 [ PM India 235KB ]

s2015031363051 [ PM India 271KB ]

s2015031363049 [ PM India 207KB ]

নয়াদিল্লি, ১৩ মার্চ, ২০১৫ আমার বড় সৌভাগ্য যে আজ মহাবোধি সোসাইটির এই পবিত্রস্থলে এসে সমস্ত পূজ্য সন্তদের আশীর্বাদ গ্রহণের সুযোগ পেয়েছি আর আমি এজন্য বিশেষভাবে মহাবোধি সোসাইটির অধ্যক্ষজি’কে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই। আমি আপনার কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ যে আপনি আমাকে সাঁচি রেলিক্স – এর দর্শন করার আর পূন্যার্জনের সুযোগ দিয়েছেন। বৌদ্ধভিক্ষুদের আশীর্বাদ পেয়েছি। তাঁরা আমার জন্য, ভারত আর শ্রীলঙ্কার জন্য, আমাদের একতার জন্য, আমাদের প্রগতির জন্য প্রার্থনা করেছেন – এটা আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে, আমি আরেকবার সবাইকে প্রণাম জানাই। শ্রীলঙ্কার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পুনর্জাগরণে শ্রীমদ অনগারিকা ধর্মপালার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বৌদ্ধধর্মের পুনরুত্থানের জন্য মহাবোধি সোসাইটি গঠনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। এই সোসাইটি বৌদ্ধগয়াস্থিত মহাদেবী বর্মার প্রাচীন মন্দিরের মহিমাকে বহাল করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। কথিত আছে, পৃথিবীতে সব থেকে প্রাচীন বৌদ্ধধর্মালম্বী দেশ হল শ্রীলঙ্কা। আজ পৃথিবীর অনেক দেশেই আমরা শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধভিক্ষুদের সেখানকার পবিত্রকর্মে নেতৃত্ব দিতে দেখতে পাই। বুদ্ধ আমাদের সকলকে জুড়েছেন, আর আমার সৌভাগ্য যে স্বামীজি যেমন বললেন, যখন আমি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম তখন একটি আন্তর্জাতিক বৌদ্ধসভার আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিলাম। পৃথিবীর ২০টিরও বেশি দেশ থেকে মহানুভব ব্যক্তিরা এসেছিলেন, আপনারাও এসেছিলেন, কেননা সাধারণত মানুষের মনে ধারণা রয়েছে যে বুদ্ধ ভারতের পূর্বাঞ্চলকেই প্রভাবিত করেছিলেন কিন্তু আমি তো গুজরাট থেকে, ভারতের পশ্চিম প্রান্ত থেকে এসেছি, কিন্তু সেখানেও বুদ্ধের ততটাই প্রভাব রয়েছে। আমার সৌভাগ্য যে আমার জন্ম যে গ্রামে হয়েছে – বর্ণগড়, চিনা দার্শনিক হিউ এন সাঙ প্রায় ৮০০ বছর আগে যখন ভারতে এসেছিলেন তিনি ৮০০ বছর আগেকার ভারতের যে বর্ণনা লিখেছেন, তাতে আমার গ্রামের উল্লেখ রয়েছে। তিনি একটি দীর্ঘ সময় আমার গ্রামে থেকেছেন। তিনি লিখেছেন, যে গ্রামে আমার জন্ম সেখানে বৌদ্ধভিক্ষুদের একটি বড় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল। ১০ হাজারেরও বেশি বৌদ্ধভিক্ষু যেখানে থাকতে পারে সেরকম বড় ছাত্রাবাস ছিল। হিউ এন সাঙ – এর একথা পড়ে আমি যখন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি, তখন আমার গ্রামে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন করিয়েছি। আর আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, ঐ খননের ফলে যা পাওয়া গেল – সেই বড় বড় ছাত্রাবাস, সেই বৌদ্ধভিক্ষুদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, আমাদের গুজরাটের দেব কি মোরি নামক স্থানে খনন করিয়ে একটি সোনার বাক্সে আমরা একটি বুদ্ধের রেলিক্স পেয়েছি। আর আমি থেরোজি’কে নিয়ে গিয়েছিলাম, সেই সমস্ত জিনিস দেখানোর জন্য, তাঁকে দর্শন করাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। আর আমার মনে স্বপ্ন ছিল, মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন যেখান থেকে আমরা ভগবান বুদ্ধে রেলিক্স পেয়েছি সেখানে ভগবান বুদ্ধের একটি বড় মন্দির বানানো যায় কিনা। আমি সবসময় অনুভব করি, আজ বিশ্ব যে সব সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যে সন্ত্রাসবাদের ছায়া সমস্ত পৃথিবীকে সন্ত্রস্ত করে রেখেছে, কেবল বুদ্ধের পথেই এই যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আমি আরেকবার এই পবিত্রস্থানের সমস্ত সন্তদের আশীর্বাদ নিয়ে …… আমি আরেকবার সকলকে প্রণাম জানাই। স্বাগত সম্মানের জন্য সকলকে প্রণাম জানাই, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।