Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

শুক্রবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা ২০১৫-পরবর্তী উন্নয়নসূচি সম্পর্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

শুক্রবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা
২০১৫-পরবর্তী উন্নয়নসূচি সম্পর্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

শুক্রবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা
২০১৫-পরবর্তী উন্নয়নসূচি সম্পর্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


শুক্রবার ২০১৫-পরবর্তী উন্নয়নসূচি সম্পর্কিত রাষ্ট্রসঙ্ঘের শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি তাঁর ভাষণে ভারতে গৃহীত তাঁর সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পদক্ষেপের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, ‘জলবায়ুর প্রতি ন্যায় বিচার’ – এই ধারণাই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে দরিদ্র মানুষকে রক্ষা করার সংকল্প গ্রহণে আমাদের উদ্ভূদ্ধ করে। ভারতে আর্থিক তথা অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যক্তিগত শিল্পোদ্যোগ এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে তাঁর সরকার যে সমস্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তারও একটি চিত্র প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে তুলে ধরেন।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট মিঃ জিম ইয়ং কিমের সঙ্গেও বৈঠক করেন। ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এ প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের বিশেষ প্রশংসা করেন মিঃ কিম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত এমন এক ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে চলেছে, যা সমগ্র বিশ্বই প্রত্যক্ষ করছে। প্রধানমন্ত্রী পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, গঙ্গা শোধন এবং শৌচাগার নির্মাণে তাঁর সরকারের অঙ্গীকার সম্পর্কে বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রশাসনিক তথা পরিচালন কাঠামো প্রসঙ্গেও তাঁদের মধ্যে মতবিনিময় হয়। এক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাঙ্কে ভারতের যথপোযুক্ত প্রতিনিধিত্ব থাকা উচিত বলে প্রধানমন্ত্রী মতপ্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী দেখা করেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব বান কি মুন-এর সঙ্গেও। রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তি রক্ষা সংক্রান্ত কাজকর্ম এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার প্রসঙ্গেও তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়। জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে এ ব্যাপারে আস্থার অভাব রয়েছে। শুধুমাত্র দুষণ নির্গমনের ওপরই নয়, দৃষ্টি দেওয়া উচিত ইতিবাচক লক্ষ্যের দিকেও।

জর্ডন-এর রাজা আব্দুল্লা আল হোসেন-এর সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। আই.এস.আই.এস.-এর বিপদ এবং সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়। সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় সারা বিশ্বকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে প্রধানমন্ত্রী মতপ্রকাশ করেন।

মিশরের প্রেসিডেন্ট মিঃ আবদেল ফাতা এল-সি-সি’র সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারকালে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হয়।

সেন্ট লুইসিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিঃ কেনি ডেভিস অ্যান্টনির সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী দেখা করেন।

PG/SKD/SB/