Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

গুজরাটের রাজকোটে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

গুজরাটের রাজকোটে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

গুজরাটের রাজকোটে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

গুজরাটের রাজকোটে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয়সুরেন্দ্রনগর জেলার ভাই ও বোনেরা,

আপনারা দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিকেজিজ্ঞেস করুন, যার কাছে বাড়ি নেই তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, বাড়ি চাই ? তিনি বলবেন,হ্যাঁ, চাই! আর গরিব মানুষকে বাড়ি বানিয়ে দিতে হলে উন্নয়ন ছাড়া তা সম্ভব নয়।উন্নয়ন আগেও হতো, কিন্তু কোনও গ্রামের কোনও পাড়ায় হ্যান্ডপাম্প বসালে নেতামশাইএকের পর এক তিনটি নির্বাচনে সেই উন্নয়নের দোহাই দিয়ে ভোট চাইতেন। অর্থাৎ পানীয়জলেরজন্য হ্যান্ডপাম্প লাগানো ছিল উন্নয়নের পরিভাষা।

আজ এমন সরকার কে আপনারা নির্বাচনকরেছেন, যারা এত বড় পাইপলাইনের মাধ্যমে মা নর্মদার জল প্রত্যেক গ্রামের প্রতিটিঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। আর গোটা গুজরাটে নর্মদা যোজনার মাধ্যমে সবচাইতে বেশি লাভ যে জেলার মানুষের হবে, সেই জেলারনাম হল সুরেন্দ্রনগর। এই জেলার ঊষর ভূমিকে সুজলা সুফলা নন্দনবন করে তুলতে মানর্মদাকে আপনাদের দরজায় দরজায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আর এমনটি নয় যে শুধুই গ্রামীণএবং কৃষিজীবন এর দ্বারা প্রভাবিত হবে। এই জল একটি এমন শক্তি যা সুরেন্দ্রনগরজেলাকে আগামিদিনে শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রেও একটি বড় কেন্দ্র করে গড়ে তুলবে।কর্মসংস্থানের সর্বাধিক সম্ভাবনা এই সুরেন্দ্রনগর জেলাতেই গড়ে উঠবে। এই এলাকা একটিবড় শিক্ষাধামে পরিণত হবে। কারণ জলের জোগান থাকলে নানা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সেই ক্ষমতার পরিণামস্বরূপ -ই এই বিমানবন্দর গড়ে ওঠা। আগামীদিনে এইসুরেন্দ্র নগর জেলা আর রাজকোট জেলা পরস্পরের সঙ্গে উন্নয়নের প্রতিযোগিতায় না মবে । থান এগিয়ে যাবে, মোরও উন্নত হবে। আরএই স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই দুই জেলার সাধারণ মানুষের আর্থিক উন্নয়নহবে। সেই উন্নয়নের কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় সরকার এই দুই জেলার মাঝে এই সুরম্য ওঅত্যাধুনিক বিমানবন্দর নির্মান করাচ্ছে। কিছু মানুষ আছেন, যারা এতে অসন্তুষ্টহবেন। তাদেরকে বলুন, আপনারা কেন প্লেনে ওঠেন, বাসে যাতায়াত করতে পারেন! তাঁরা জবাবদেবেন, আমার তাড়া আছে! তাঁদের তাড়া আছে তাই তাঁরা প্লেনে যাবেন, সাধারণ মানুষপ্লেনে যাওয়ার সুযোগ পেলেই দোষ!

আগে রাজা মহারাজা আর বড়লোকেরাই প্লেনেযাতায়াত করতেন। এখন আর সেই দিন নেই। আর সেজন্যেই আমি বলেছিলাম যে, বিমান পরিষেবাক্ষেত্রটির এমন উন্নয়ন করতে চাই যে হাওয়াই চপ্পল পরিহিত সাধারণ মানুষও প্লেনেযাতায়াত করবেন। আজ গোটা বিশ্বে বিমানপরিবহনের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু ভারতে স্বাধীনতার পর থেকে কোনও বিমান পরিবহননীতিই ছিল না। আমরা সরকারের দায়িত্ব পেয়ে প্রথম বিমান পরিবহন নীতি নির্ধারণ করি।আর বিমান পরিষেবা যেন আমেদাবাদ, মুম্বাই, চেন্নাইয়ের মতো বড় বড় শহরগুলিতেসীমাবদ্ধনা থাকে, সেই প্রচেষ্টা শুরু করি। যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন ভাল নেই , বড় শহরগুলি থেকে প্লেনে একঘণ্টার মধ্যেপৌঁছে যাওয়া যায় এমন বিমানযাত্রা, যার ভাড়া হবে ১৫০০টাকা মাত্র – সেরকম বিমানপরিষেবা চালু করার কাজ শুরু করেছি। ছোট ছোট শহরে নতুন নতুন বিমানবন্দর নির্মান করাহচ্ছে। ইতিমধ্যে এরকম আটটি রুটে বিমান পরিষেবা ও চালু করা হয়েছে। গুজরাটে কান্ডলাআর মীঠাপুর লাভবান হয়েছে। আজ ভারতের অনেক রাজ্যে দুই কিম্বা ততোধিক বিমানবন্দরনেই। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতেই এমন পরিস্থিতি আসবে যে সেই সব রাজ্যে দশ- পনের কিম্বাকুড়িটা বিমান বন্দর বানাতে হবে, আর সেগুলিতে অসংখ্য মানুষ নিয়মিত বিমানে যাতায়াতকরবেন। আর আ পনা রা শুনে খুশি হবেনযে, আমাদের এই উদ্যোগে ইতিমধ্যেই দেশে বিমান যাত্রীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ বৃদ্ধিপেয়েছে। আর সেজন্যেই আজ রাজকোটে এই গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর প্র কল্প গড়ে উঠছে।

আমি গুজরাটের এই এলাকার জনগণকে শুভেচ্ছাজানাই। আমি খুশি যে এতবড় বিমানবন্দরের জন্য মাত্র ৪ শতাংশ জমি কৃষকদের থেকেঅধিগ্রহণ করতে হয়েছে। ৯৬ শতাংশ জমি ছিল ধু ধু ফাঁকা ঊষর নিষ্ফলা জমি।সুরেন্দ্রনগরের মাটি এখন কৃষির জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, তাই এইনিষ্ফলা জমিকেই বিমানবন্দরের জন্যে কাজে লাগানো হয়েছে। একটু আগেই বিজয়ভাই বলছিলেনযে রাজকোট বাস স্টেশন থেকে এই বিমানবন্দরের এলাকা অনেক বেশি। রাজকো ট এবং সন্নিহিত অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উন্নয় নে র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই অঞ্চলেরভবিষ্যতের কথা ভেবে এই বিমান বন্দর গড়ে উঠছে। এখান থেকে আন্তর্জাতিক বিমানপরিষেবারও পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে যাওয়ার জন্যে রাজকোটচোউটিলার মাঝে নির্মীয়মান এই বিমানবন্দর উপযোগী হয়ে ঊঠবে। সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটিরশুভ সূচনা হল আজ।

PG /SB/ SB