পিএমইন্ডিয়া
সম্মানীয় ডঃ অ্যাঞ্জেলা মার্কেল!
বেঙ্গালুরু’তে আপনার সঙ্গে মিলিত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। ভারত-জার্মান শীর্ষ বৈঠকে আপনাকে স্বাগত। গত এপ্রিলে হ্যানোভার ও হ্যানোভার মেস শহরে আমার সফরের ঘটনা আমি খুব ভালোভাবেই স্মরণ করতে পারি।
১৫টি দেশ অনেক সি.ই.ও. এবং ভারতের শত শত সংস্থা ঐ সময় অংশগ্রহণ করেছিল। হ্যানোভার মেস-এ আলোচনা ও মতবিনিময়ের ফলশ্রুতিতে আমরা যা পেয়েছি, তা নির্মাণ শিল্প সম্পর্কে আমাদের দর্শন ও প্রকৌশলকে এক নতুন রূপ ও আকার দান করবে। বিশেষত, যে সময়ে আমরা ভারত’কে বিশ্বের নির্মাণ শিল্পের একটি পীঠস্থান হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছি, তখন এই বিষয়টি খুবই তাৎপর্যময়।
ডঃ মার্কেল এবং বন্ধুগণ, ভারত-জার্মানি অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বিশাল। ভারতে বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে জার্মানি রয়েছে সপ্তম স্থানে। আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা সঠিক লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছি। বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সাম্প্রতিক তথ্য ও পরিসংখ্যানে আমাদের এই প্রত্যয় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র তাতেই আমাদের সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। এই সমস্ত বিশ্লেষণী তথ্যকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে সম্ভাব্য সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে আমরা তাই অঙ্গীকারবদ্ধ।
এক মুক্ত মানসিকতা ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে ভারত’কে একটি সহজ ও সুলভ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা গত ১৫ মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম চালিয়ে গেছি। শিল্প বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারণ আমরা বিশ্বাস করি যে, তা সম্ভব হলে ভারতের সাধারণ নাগরিকদের জীবন ধারণের মান আরও উন্নত হয়ে উঠবে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক গোষ্ঠীর এক সাম্প্রতিক সমীক্ষায় প্রকাশ যে আমাদের বিভিন্ন রাজ্যের সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যকে সহজতর করে তুলতে যথোচিত গুরুত্বের সঙ্গে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় মানসিকতা নিয়ে রাজ্যগুলি কাজ করে চলেছে। এক স্বচ্ছ, অন্তর্ভেদী ও অনুকূল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যাতে দ্রুত চালু করা যায়, সেই লক্ষ্যে রাজ্যগুলি এখন পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সম্মুখীন।
বন্ধুগণ! আজকের দিনে ভারতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দেশের যুবসমাজকে উৎপাদনমুখী কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত করা। এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে নির্মাণ শিল্পের ওপর আমাদের খুব বেশি রকম জোর দিতে হবে। গত কয়েক দশক ধরে এই শিল্পটি মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাত্র ১৬ শতাংশের মধ্যেই আবদ্ধ ছিল। স্বল্প ও মধ্য মেয়াদে শতাংশের এই হারকে আমাদের অবশ্যই ২৫-এ উন্নীত করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
এই কাজ সফল করে তুলতে বাণিজ্যিক কাজকর্মকে আরও সহজ করে তোলা ছাড়াও শিল্প ও পরিকাঠামোর অনুমোদন ও অনুমতি দানের বিষয়টিও আমরা দ্রুত সম্পন্ন করে ফেলেছি। কয়লা, লৌহ আকরিক এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থের মতো প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদের নিলাম ও বন্টনের বিষয়টিকে স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালনা করে গত ১৫ মাসে বিনিয়োগকারীদের উপযোগী একটি ক্ষেত্র আমরা প্রস্তুত করে ফেলেছি।
আমরা জানি, আমাদের দেশে যে আর্থিক সহায়সম্পদ রয়েছে আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় তা অপর্যাপ্ত। তাই, বিদেশি বিনিয়োগকে অধিকতর করে তুলতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত নীতিকে আমরা আরও উদার করে তুলেছি। এর ফলে, রেলে ১০০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে অনুমতি দেওয়া ছাড়াও বিমা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের মাত্রাকে আমরা ৪৯ শতাংশে উন্নীত করেছি। নির্মাণ ও চিকিৎসার সাজসরঞ্জাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়টিকে আমরা সংশোধিত রূপ দিয়েছি। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কিত আরও বেশ কিছু বিষয়কে আমরা বাস্তবমুখী করে তুলেছি।
আমরা ভবিষ্যতের উপযোগী ব্যবহারিক ও সামাজিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে আগ্রহী। আর্থিক সহায়সম্পদ পরিচালনার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা নিয়ে এসে পরিকাঠামো ক্ষেত্রের জন্য আমরা আরও বেশি করে সম্পদ বন্টন করতে পেরেছি। এছাড়াও, আমরা গঠন করছি ভারতীয় বিনিয়োগ ও পরিকাঠামো তহবিল। আমাদের নিজস্ব সহায়সম্পদ থেকে এই তহবিলে ২০ হাজার কোটি টাকার (প্রায় ২.৭ বিলিয়ন ইউরো) বার্ষিক সংস্থান রাখার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি। সম্পদ পরিচালনার ক্ষেত্রে আমরা এক পেশাদার টিমকেও কাজে লাগাচ্ছি।
রেল, সড়ক এবং সেচ প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে আমরা করমুক্ত পরিকাঠামো বন্ড ছাড়ারও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
বেশ কয়েকটি কর ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু থাকার ফলে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়টি প্রতিকূল অবস্থায় ছিল। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কাগুলি দূর করতে আমরা বেশ কিছু দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।
কয়েকটি দৃষ্টান্ত আপনাদের সামনে তুলে ধরছি :-
> নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ছাড়পত্র সহ অনুমতিদানের বিষয়টি আমরা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করেছি।
> শিল্প লাইসেন্সের মেয়াদ আমরা বৃদ্ধি করেছি।
> বেশ কিছু প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে আমরা লাইসেন্স প্রথা তুলে নিয়েছি এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণগুলিকে আরও খোলামেলা করে তুলেছি।
> প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত শিল্প লাইসেন্সের মেয়াদ আমরা ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে করেছি ১৮ বছর পর্যন্ত।
> আমরা সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছি যে, অতীতের কোনও তারিখ থেকে আমরা কর প্রথা চালু করবো না।
> বিকল্প বিনিয়োগ তহবিলের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে আমরা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছি, যাতে এই ধরণের তহবিলে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়টি আরও সহজ হয়ে ওঠে।
> রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ ট্রাস্টের ক্ষেত্রে মূলধনী লাভের ওপর কর ধার্যের বিষয়টিকে আমরা আরও বাস্তবসম্মত করে তুলেছি।
> স্থায়ী প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত নিয়ম-কানুনও আমরা সংশোধন করেছি।
> কর ফাঁকি দেওয়ার বিরুদ্ধে সাধারণ আইন বলবৎ করার বিষয়টিকেও আমরা দু’বছর পিছিয়ে দিয়েছি।
> সংসদে আমরা জি.এস.টি. বিল পেশ করেছি। আশা করছি, ২০১৬ সালের মধ্যে তা অনুমোদনের মাধ্যমে আইনে রূপান্তরিত হবে।
> দেউলিয়া সংক্রান্ত একটি নতুন আইন রচনার কাজে আমরা ব্যস্ত রয়েছি; কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল খুব শীঘ্রই গঠিত হচ্ছে।
আমি এখানে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আমাদের কর ধার্যের বিষয়টি খুবই স্বচ্ছ ও অন্তর্ভেদী। সৎ করদাতা এবং প্রকৃত বিনিয়োগকারী যাতে কর সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত ও ন্যায্য বিচার পান, তা নিশ্চিত করতে আমরা আগ্রহী।
আমাদের এই সমস্ত উদ্যোগ গ্রহণের ফলে বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। আমাদের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ। বিগত বছরের সমতুল সময়কালের তুলনায় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের মাত্রা ৪০ শতাংশের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্ব ব্যাঙ্ক, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার, ও.ই.সি.ডি. সহ বহু আন্তর্জাতিক অর্থ প্রতিষ্ঠানের মতে, বৃদ্ধির হার আগামী বছরগুলিতে আরও ত্বরান্বিত হবে। MOODY’s ভারতের ক্ষেত্রে রেট ধার্য করেছে পজিটিভ, অর্থাৎ, ইতিবাচক।
বিনিয়োগ আকর্ষণের দিক থেকে আঙ্কটাড ভারতের মর্যাদাকে আরও উন্নীত করেছে। এ পর্যন্ত ১৫টি দেশের মধ্যে আমরা রয়েছি নবম স্থানে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সূচক অনুযায়ী ভারত ১৬টি স্থান অতিক্রম করে নিজের স্থান প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে, যেখানে গত ৫ বছর ধরে ভারতের স্থান ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছিল। অন্যদিকে, গ্রিন ফিল্ড ইনভেস্টমেন্টের দিক থেকে ২০১৫’র প্রথমার্ধে ভারত রয়েছে এক নম্বর স্থানে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন পলিসি সাময়িক পত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের একটি স্থান হিসেবে ভারত’কে রাখা হয়েছে প্রথম স্থানে।
এইভাবেই মাত্র গত ১৫ মাসে বিশ্বের কাছে আমরা সাফল্যের সঙ্গেই নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতাকে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি।
আমি বরাবরই বলে এসেছি যে, ব্যবসা-বাণিজ্য করার কথা সরকারের নয়। এই কারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কিংবা অন্যান্য উপায়ে বিদেশি বিনিয়োগকে আমরা উৎসাহদান করেছি। এই সমস্ত ক্ষেত্রে আগে শুধুমাত্র সরকারের পক্ষ থেকেই বিনিয়োগ করা হতো। বিপণন ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিতে আমাদের অংশীদারিত্বের মাত্রাও আমরা ক্রমশ কমিয়ে আনছি।
বন্ধুগণ, আমি আপনাদের এই মর্মে আশ্বস্ত করতে চাই যে, উদ্ভাবন ও শিল্পোদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত সকলের মেধা সম্পত্তির অধিকারকে আমরা সুরক্ষিত রাখতে চাই। মেধা সম্পদ সম্পর্কিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং অনলাইন ব্যবস্থায় প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করতে আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। একটি সুসংহত জাতীয় মেধা সম্পদ অধিকার সংক্রান্ত নীতিও চূড়ান্ত হওয়ার পথে। গত সপ্তাহে আমি নিজে বিষয়টির পর্যালোচনা করেছি। একথা আমি বলতে পারি যে, এই ব্যবস্থা হয়ে উঠবে প্রগতিশীল ও এগিয়ে চলার একটি নীতি।
বন্ধুগণ! আমাদের স্বপ্নকে সফল করে তুলতে আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আমরা প্রার্থনা করি। দ্রুত ও কার্যকরভাবে লক্ষ্যমাত্রায় উপনীত হতে আমাদের অঙ্গীকার ও আগ্রহ জার্মান সংস্থাগুলির কাছে অফুরন্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। ৫ কোটি গৃহ নির্মাণ থেকে ১০০টি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলা, রেল নেটওয়ার্ক ও স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে নতুন নতুন রেল করিডর গড়ে তোলা, ১৭৫ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন থেকে শুরু করে সংবহন ও বন্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জাতীয় মহাসড়ক, সেতু ও মেট্রোরেল স্থাপন করা সহ বিভিন্ন সুযোগ আপনাদের সামনে এখন উপস্থিত। উৎপাদন ও সৃজনশীলতার এই বিশাল সম্ভাবনা একত্রে অন্য আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, পৃথিবীতে এমন কোনও স্থান নেই যেখানে এতো ব্যাপকভাবে এই অনন্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায়।
‘ডিজিটাল ভারত’ এবং ‘দক্ষ ভারত’ অভিযানের মধ্য দিয়ে আমরা এই সম্ভাবনার মধ্যে আরও গতি ও শক্তি সঞ্চার করতে চাই।
আমাদের এই চলার পথে এক সক্রিয় অংশীদার হিসেবে এগিয়ে আসার জন্য ন্যাসকম’কে আমি ধন্যবাদ জানাই। সম্প্রতি সিলিকন ভ্যালির পরিবেশের মধ্যে কর্মরত আমাদের যুবসমাজের মধ্যেও এই শক্তিকে আরও উজ্জীবিত করে তোলার চেষ্টা আমরা করেছি। সত্যি কথা বলতে কি, ভারত এখন এক বিরাট তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লবের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। আমরা চলে এসেছি এমন এক উচ্চতায় যেখানে আমাদের ১২৫ কোটি নাগরিকের আশা-আকাঙ্কা পূরণ হতে চলেছে। এই সমস্ত উদ্যোগ আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবসম্পদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্রে আবিষ্কার করে চলেছে।
বন্ধুগণ! আমাদের দেশ তরুণ ও যুবসমাজের দেশ। আরও বহু বছর ধরে ভারত থাকবে তারুণ্যের একটি দেশ হয়ে। ভারতে দেশীয় বাজারের ক্ষেত্র ব্যাপক ও বিশাল। এক দশক আগের মতো মেধাবী তরুণরা এখন আর বিরাট অঙ্কের বেতনের চাকরির মুখাপেক্ষী নয়। পরিবর্তে তারা এখন ঝুঁকি গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। নিজেদের শিল্পোদ্যোগ গড়ে তোলাই তাদের এখন পছন্দের বিষয়। সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কিছু প্রথম শিল্পোদ্যোগ গড়ে ওঠার ঘটনা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। এর মধ্যে অনেকগুলিই এখন বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত শিল্পোদ্যোগগুলিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
পরিশেষে, আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই যে, আপনাদের মতামত, উদ্ভাবন ক্ষমতা ও শিল্প প্রতিষ্ঠার মানসিকতাকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত। এর আগে হ্যানোভারে আমি যা বলে এসেছি, সে কথারই পুনরাবৃত্তি করছি এখানে – তা হল, আমাদের নীতি ও পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতেও আমরা দ্বিধা করবো না। আমি আরও বলতে চাই যে, ভারত এর আগে আর কখনও বাইরের কোনও মেধা, প্রযুক্তি বা বিনিয়োগকে এতো সাদরভাবে গ্রহণ করেনি।
আমরা অনুভব করেছি যে, ভারতীয় অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ভারতে এখন সৃষ্টি হয়েছে। আপনাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য আমি অধীরভাবে আগ্রহী।
বেঙ্গালুরু’তে আমার অবস্থানকালে আমি জানাতে চাই যে, এটি হল ভারতের একটি সফ্টওয়্যার কেন্দ্র, যা সমগ্র বিশ্বের হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করতে পারে। ভারতের ও মেধা ও প্রতিভা এই প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা লাভ করতে পারে। ভারতের বাজার ও বিপণন ব্যবস্থা নির্মাণ শিল্পকে উৎসাহদান করতে পারে।
তাই, ভারতে থেকে কাজ করা মানেই বোঝায় দৃঢ় বাণিজ্যিক ইচ্ছার প্রতিফলন। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় অংশগ্রহণ করা মানেই উন্নততর বাণিজ্যিক লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া।
আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
PG/SKD/SB/S
PM @narendramodi begins his speech by recalling India's participation at the @hannover_messe earlier this year. https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
There is tremendous potential in India-Germany economic collaboration: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
At a time of global slowdown, India represents a bright spot for investments: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
We are committed to creating favourable conditions for business and industry: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
We have fast tracked approvals and clearances for industry and infrastructure: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
We have taken very decisive steps to remove a number of long pending concerns of investors: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
We have expedited regulatory clearances including security and environmental clearance: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
Across the board we have increased the validity period of Industrial Licences: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
We have introduced the GST Bill in parliament; we are hopeful to roll it out in 2016: PM @narendramodi https://t.co/l9wzvMgprS
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
Such a huge potential for creation and production will not be available in any one country: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 6, 2015
The Business Forum organised by @nasscom & Frauenhofer Institute illustrated the strong potential in India-Germany economic collaboration.
— Narendra Modi (@narendramodi) October 6, 2015
I spoke at length on how India has emerged as a bright spot for investments, even at a time of a global slowdown. http://t.co/5LDMA4ImRF
— Narendra Modi (@narendramodi) October 6, 2015
India's software will move hardware across the world. India's talent will master technology & our market will motivate manufacturing.
— Narendra Modi (@narendramodi) October 6, 2015
I laud Chancellor Merkel for her vision where German engineering & Indian IT fuse to create world class products.
— NarendraModi(@narendramodi) October 6, 2015
Witnessing the various technological innovations at Bosch. pic.twitter.com/s5sx61O4ce
— NarendraModi(@narendramodi) October 6, 2015
As she leaves India, gratitude to Chancellor Merkel. This has been a productive visit, which has taken India-Germany ties to newer heights.
— NarendraModi(@narendramodi) October 6, 2015