Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচী—১২ নভেম্বর ২০১৫


ধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার ১২ নভেম্বর, ২০১৫ লন্ডন এসে পৌঁছলেন| কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়| আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে স্বাগত জানান ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী শ্রী ডেভিড ক্যামেরন|

প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে| এই আলোচনার পর সংবাদ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন সফরে এসে তিনি আনন্দিত|

প্রধানমন্ত্রী হিন্দিতে বলেন, “এই সম্পর্ক আমাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ| আমাদের ঐতিহাসিক নৈকট্য, দুই দেশের জনগনের মধ্যে ব্যতিক্রমী বন্ধন এবং আমাদের গভীর মূল্যবোধ এই সম্পর্ককে বিশেষ চরিত্রের রূপ দিয়েছে| আমাদের মধ্যে গভীর ও ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা রয়েছে—বানিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ও শিক্ষা, পরিশ্রুত বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, সংস্কৃতি সহ সমস্ত ক্ষেত্রেই| আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দু’দেশের স্বার্থ সংস্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে আমাদের মধ্যে সহযোগিতা রয়েছে|

আমরা আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা আরও বাড়াতে এবং নিয়মিতভাবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে সম্মত হয়েছি| পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য আমরা আমাদের মূল্যবোধকে সম্পর্কের শক্তিতে পরিনত করার সিদ্ধান্তও নিয়েছি| এবং আমরা সমস্ত ক্ষেত্রেই সহযোগিতার সম্পর্ক গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ|

অসামরিক পরমানু চুক্তির সিদ্ধান্ত আমাদের পারস্পরিক বিশ্বাস এবং আবহাওয়া পরিবর্তন মোকাবিলার সংকল্পের প্রতীক| পরিছন্ন শক্তি সহযোগিতামূলক ভারতের আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের লক্ষ্যে সহযোগিতার চুক্তি বিশ্বের পারমানবিক শিল্প ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে|

নিয়মিত মহড়া, প্রতিরক্ষা বানিজ্য ও সহযোগিতা সহ নানা বিষয়ে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্রিটেনের সঙ্গে সহযোগিতার অপর আমরা বিশেষ মূল্য দেই| এই সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে| আমি আনন্দিত যে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক ফ্লিট পর্যালোচনায় ব্রিটেন যোগ দেবে| নিরাপত্তা ক্ষেত্রে আমাদের মেক ইন ইন্ডিয়া পদক্ষেপ সহ ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ পরিকল্পনায় ব্রিটেন এক শক্তিশালী সহযোগী হয়ে উঠবে|

আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অনেক বেশি মজবুত এবং তা আমাদের সহযোগিতার সম্পর্কের মূল ভিত্তি| আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, আগামী দিনগুলিতে ভারত ও ব্রিটেনের অর্থনৈতিক শক্তি বিস্তৃতি ও সুযোগের দিক দিয়ে আরও বৃদ্ধি পেয়ে এই সম্পর্ক আরও উন্নত হবে| ভারতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্রিটেন ইতোমধ্যেই তৃতীয় স্থানে রয়েছে| অন্যদিকে গোটা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ভারতের যত বিনিয়োগ, তার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ রয়েছে ব্রিটেনে| ভারতে ব্রিটেনের বিনিয়োগের জন্য আমরা নতুন গতিশীল পদ্ধতির সূচনা করব| ভারত-ব্রিটেনের সি.ই.ও. ফোরাম-এর পুনরুজ্জীবন এক্ষেত্রে স্বাগতিক উদ্যোগ|

এর পাশাপাশি আমরা খুব দ্রুততার সঙ্গে লন্ডন অর্থনৈতিক বাজারে আমাদের তহবিল বাড়াব| আমি আনন্দিত যে আমরা লন্ডনে রেলওয়ে রুপি বন্ড চালু করব, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এটা স্বাভাবিক| কারণ এখান থেকেই ভারতীয় রেলের সূচনা হয়েছিল|”

যৌথ সংবাদ বিবৃতির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের মৌলিক মূল্যবোধকে লঙ্ঘন করে এমন কোনো ঘটনাকে ভারত সহ্য করবে না| তিনি বলেন, ভারত শক্তিশালী গণতন্ত্রের দেশ, যে দেশ সংবিধানের মাধ্যমে প্রত্যেকের অধিকারের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ|

ব্রিটেনের সংসদে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের জাতির দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর মূল ভাব| যার মধ্যে রয়েছে প্রত্যেক নাগরিক, তাঁদের অংশগ্রহন এবং সবার সমৃদ্ধি|

এটা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির আহ্বান নয়|

এটা আমাদের বৈচিত্র্য, সামাজিক সম্প্রীতির বিশ্বাস এবং প্রত্যেকের স্বাধীনতা ও অধিকারের প্রতিশ্রুতির উদযাপন|

এটা আমাদের আবহমান সংস্কৃতির ধারা, আমাদের সংবিধানের মূল প্রাণশক্তি, এবং এটা হবে আমাদের ভবিষ্যতের মূল ভিত্তি”|

প্রধানমন্ত্রী লন্ডন শহরের ব্যবসায়ী সমাজের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন গিল্ডহলে|

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ব্রিটেন বহু শতাব্দী থেকেই পরস্পরের সঙ্গে ভালোভাবে পরিচিত| আমাদের সরকার পরিচালনার বেশিরভাগ পদ্ধতিও ওয়েস্টমিনিস্টার মডেল-এর ওপর ভিত্তি করেই হয়েছে| আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলি পরস্পরের সঙ্গে আদানপ্রদানের জন্য পরিচিত, আমাদের জনগণ পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে পরিচিত এবং আমাদের ব্যবসায়ীরা পরস্পরের সঙ্গে মিলেমিশে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিচিত|

আর এই কারণেই ব্রিটেন ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক সহযোগী| ব্রিটেনও ভারতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে| এবং আমি অবশ্যই বলব, এটা একতরফা নয়| ভারতও ব্রিটেনে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে| যাইহোক, ভারত ও বৃটেনের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে|

এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আমাদের পরস্পরের জন্যই আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে| ব্রিটেন যেসব ক্ষেত্রে বেশি এগিয়ে আছে, আমরা সেইসব দিকগুলিকে আরও উন্নত করার জন্য আগ্রহী| এই সহযোগিতার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে কঠোরভাবে কাজ করছি| এখানে থাকা ভারতীয়রা আমাদেরকে ব্রিটেনের সঙ্গে আরও বেশি সংযুক্তির জন্য প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছেন|”

প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্ট স্কোয়ারে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন| টাওয়ার ব্রিজ সহ লন্ডনের সমস্ত বিখ্যাত জায়গায় ভারতের ‘গেরুয়া,সাদা,সবুজ’ রঙে ছয়লাপ এবং সবার নজর সেদিকেই নিবদ্ধ| প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন চেকার্সে অবস্থিত তাঁর অবসরকালীন বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্মানার্থে এক বিশেষ নৈশভোজের আহ্বান করেছেন|

SC/AD