পিএমইন্ডিয়া
হরিয়ানার রাজ্যপাল শ্রদ্ধেয় সত্যদেব নারায়ণ আর্যজি, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় মনোহরলাল খট্টরজি, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহযোগী চৌধরী বীরেন্দ্র সিংহজি, রাও ইন্দ্রজিৎ সিংহজি, রাজ্য সরকারের সকল মন্ত্রীমণ্ডলী; আপনারা কেউ কেউ এদিকে বসে আছেন আবার কেউ কেউ ওদিকে, আর বিপুল সংখ্যায় আগত আমার হরিয়ানার ভাই ও বোনেরা।
একটু আগেই হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী বলছিলেন যে, এই প্রধানমন্ত্রী অনেকবার আপনাদের মাঝে এসেছেন আর এবার তো অত্যন্ত অল্প সময়ের ব্যবধানে এসেছি।কিছুদিন আগেই আমার চৌধরী ছোটুরামের বিশাল মূর্তির আবরণ উন্মোচণের সৌভাগ্য হয়েছিল।এই মূর্তি হরিয়ানার গৌরবের প্রতীক।আজ আরেকবার হরিয়ানাবাসীকে ৩,৩০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগে গড়ে তোলা প্রকল্প উপহার দিতে এসেছি।আজ হরিয়ানা চতুর্মুখী উন্নয়নের লক্ষ্যে আরেকটি শক্তিশালী পদক্ষেপ নিয়েছে।বন্ধুগণ, হরিয়ানার এই মাটিতে জ্ঞানের আলো আছে, সাহসের গৌরবগাঁথাও এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।গতকাল লাদাখের রেজাং লা-য় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় লড়াইয়ের ৫৬ বছর পুরো হয়েছে।ওই লড়াইয়ে হরিয়ানার সুপুত্ররা পরবর্তীকালে পরমবীর চক্র বিজেতা মেজর শয়তান সিংহের নেতৃত্বে মহাবিক্রমে লড়াই করেছিল।ঐ যুদ্ধের শহিদদের অনেকেই হরিয়ানার এই অঞ্চলের মানুষ।তাঁরা দেখিয়ে দিয়েছেন যে হরিয়ানা মানে হিম্মত, সাহস এবং সহযাত্রী! আমি রেজাং লা পোস্টে শহিদ হওয়া দেশের বীর জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানাই, প্রণাম জানাই।
বন্ধুগণ, আজকের দিনটি হরিয়ানার জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আজ কুন্ডলী, মানেসর, পলবল এক্সপ্রেসওয়ে দেশবাসীকে সমর্পনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে।এর প্রথম পর্যায়ে নির্মিত অংশটি দুবছর আগেই সম্পূর্ণ হয়েছিল।আজ উদ্বোধন হল দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত অংশটি যা কুন্ডলী থেকে মানেসর পর্যন্ত ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ।এভাবেই এই ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হল।এর সঙ্গেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বল্লভগড় –মুজেসর মেট্রো লাইনেরও কাজ শুরু হল।এই দুই প্রকল্প যেখানে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন বিপ্লব আনবে, তেমনই শ্রী বিশ্বকর্মা কৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে এখানকার যুবকযুবতীরা নতুন শক্তি পাবেন।
ভাই ও বোনেরা, আজ এখানে দুটি চিত্র স্মরণ করতে হবে।প্রথম চিত্রটি বর্তমানের।সেই চিত্রটি হল, যখন সংকল্প নিয়ে কোনও কাজ করা হয়, তখন সিদ্ধিও পাওয়া যায়।এই চিত্রটি হল, ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারগুলির কর্মসংস্কৃতির চিত্র, আমাদের কাজের ধরণ।আর দ্বিতীয় চিত্রটি হল, পূর্ববর্তী সরকারগুলির কর্মসংস্কৃতির চিত্র, তাদের কাজের ধরণ।সেই চিত্র মনে করিয়ে দেয় যে, এই এক্সপ্রেসওয়ের কাজ ১২ বছর ধরে চলছিল, আট-নয় বছর আগেই এটির কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু এমনটি হয়নি।পূর্ববর্তী সরকারগুলির কাজের ধরণই এই বিলম্বের জন্যে দায়ী।
বন্ধুগণ, কমনওয়েলথ গেমসের সময় এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের লক্ষ্য রাখা হয়েছিল।কিন্তু কমনওয়েলথ গেমসের ব্যবস্থাপনায় যেসব অনিয়ম সেই সরকারের মুখ পুড়িয়েছে, এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ঢিমেতেতালও একইভাবে সেই সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।আমার মনে আছে, যখন অসম্পূর্ণ প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিয়ে আমরা সমীক্ষা চালাচ্ছিলাম, তখন কত জটিলতার কথা জানতে পেরেছিলাম।কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মিত তদারকি এবং হরিয়ানায় বিজেপি সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর এর কাজের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ আমরা কাজ শেষ করতে পেরেছি।অনেক বছরের অপেক্ষা শেষ হয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, ভাবুন, আটকানো, ঝোলানো আর বিভ্রান্ত করার সংস্কৃতি হরিয়ানার জনগণ তথা গোটা দিল্লি এন.সি.আর.-এর কত বড় ক্ষতি করেছে!
পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে এই প্রকল্পে কাজ হয়েছে, তাকে ক্ষেত্র সমীক্ষার বিষয় করে তুললে টের পাওয়া যাবে যে, কিভাবে জনগণের টাকা নষ্ট করা হয়েছে! কিভাবে জনগণের সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে! এই প্রকল্প যখন শুরু হয়েছিল তখন অনুমান করা হয়েছিল যে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ হবে! কিন্তু এত বছরের বিলম্বে এর খরচ বেড়ে তিনগুণ থেকেও বেশি হয়েছে।
বন্ধুগণ, এই ওয়েস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ের কাজ সময়ে শেষ হলে আজ দিল্লির ট্র্যাফিক ব্যবস্থাও অন্যরকম হতো।এই এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হয়ে গেলে অন্য রাজ্যের পণ্যবোঝাই ভারী ট্রাকগুলিকে আর দিল্লির ভেতর দিয়ে যেতে হবে না! ফলে তাঁদের যেমন গতি অনেক বাড়বে তেমনি দিল্লির যানজটও হ্রাস পাবে।
পাশাপাশি, এই এক্সপ্রেসওয়ে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির দূষণ হ্রাসেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।অন্যদিক থেকে দেখলে এই এক্সপ্রেসওয়ে অর্থনীতি, পরিবেশ, সহজভাবে বাঁচার দর্শনের বাস্তবায়নেও গতি এনে দেবে।আমি সেজন্য হরিয়াণা, দিল্লি এন.সি.আর. জনগণকে এই এক্সপ্রেসওয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।আজ দিল্লির চারপাশে প্রায় ২৭০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ের নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ হল।
ভাই ও বোনেরা, আজ বল্লবগড়ের সঙ্গে মুজেসরকেও মেট্রোপথে যুক্ত করা হল। ফলে এখানকার মানুষের দিল্লি যেতে অনেক বেশি সুবিধা হবে, সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হবে। বন্ধুগণ, আমাদের সরকার মনে করে, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিছকই একটি প্রয়োজন নয়, দেশের সমৃদ্ধি, সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের মাধ্যমও বটে। সেজন্য আমরা দেশে সড়ক যোগাযোগ, রেল যোগাযোগ, জলপথ, মহাসড়ক এবং আই-ওয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যা একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী হয় এবং পরস্পরের পরিপূরক হয়। এই সময় দেশে অনেক রেলপথ এবং মহাসড়কপথ করিডরের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশের অনেক শহরে সুসংহত যান চলাচল পরিচালন ব্যবস্থার কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। মানুষের যাতায়াতের সময় হ্রাস করা, শহরগুলির যানজট দূর করা, আমাদের শিল্প এবং বাণিজ্য উদ্যোগগুলির পণ্য পরিবহণে আধুনিক এবং সুলভ ব্যবস্থার বিকল্প যাতে থাকে সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এই সমস্ত প্রচেষ্টা যাতে পরিবেশ-বান্ধব হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। প্রদূষণ কম করার জন্য রেল বৈদ্যুতিকরণ ও অন্যান্য যানবাহনকেও বিদ্যুৎচালিত করার যথাসম্ভব প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বন্ধুগণ, দেশে নতুন নতুন আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য আমরা গতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। বিগত চার বছরে সরকার ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নতুন মহাসড়ক নির্মাণ করেছে। বিগত সরকার শেষ সারে চার বছরে যত মহাসড়ক নির্মাণ করেছে তার থেকে অনেক বেশি মহাসড়ক আমরা চার বছরে নির্মাণ করেছি। বন্ধুগণ, আগে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাই কাজ করছেন। বিভাগ, দপ্তর, ফাইল চালাচালি – সবই আগের ব্যবস্থাতেই চলছে। কিন্তু প্রবল ইচ্ছাশক্তি, সঙ্কল্পশক্তি থাকলে লক্ষ্যসাধন অসম্ভব নয়। সেজন্যই ২০১৪ সালের আগে একদিনে যেখানে ১২ কিলোমিটার মহাসড়কপথ নির্মিত হত, আজ তা গড়ে দিনে ২৭ কিলোমিটারে পৌঁছে গেছে। এই গতিতেই ‘ভারতমালা’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে ৩৫ হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক নেটওয়ার্ক স্থাপিত করার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি, রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রেও অনেক দ্রুততা এসেছে। যেখানে রেললাইন পাতা ছিল না, সেখানে নতুন নতুন রেলপথ বিস্তার হচ্ছে। বন্ধুগণ, আমাদের সরকার দেশের প্রয়োজন এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। রেল চলাচলের গতি বৃদ্ধি হয়েছে। রেলগাড়ি ও স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। আপনারা হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে ইতিমধ্যেই দেশে নির্মিত ইঞ্জিনবিহীন আধুনিক ট্রেনও যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত। এই রেলগাড়িগুলি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ঔজ্জ্বল্যকে আরও বৃদ্ধি করবে।
ভাই ও বোনেরা, সরকার দেশের জনগণের শক্তি, দেশের জলসম্পদের সম্পূর্ণ ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দেশে ১০০টিরও বেশি নতুন জলপথ চালু করা হচ্ছে। কিছুদিন আগেই বেনারসে নদীপথে প্রথম কার্গো কন্টেনার এসেছে। বেনারস-হলদিয়া জলপথে এখন জাহাজের মাধ্যমে পণ্য পরিবহণ শুরু হয়েছে। গঙ্গা নদীর মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশকে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিমান পরিষেবাকে সুলভ করে তোলার জন্য ‘উড়ান-এন’ প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এখানে হিসারে নতুন বিমানবন্দর গড়ে তোলা হয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, আমাদের সরকারের নীতি এমনই যে আজ হাওয়াই চপ্পল পরিহিত ভাই ও বোনেরা বিমানযাত্রা করার উৎসাহ পেয়েছেন। বন্ধুগণ, ডিজিটাল ভারত অভিযানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পঞ্চায়েতকে ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে যুক্ত করার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। বিগত সরকার যেখানে শেষ চার বছরে মাত্র ৫৯টি পঞ্চায়েতকে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে যুক্ত করতে পেরেছিল, আমাদের সরকার বিগত চার বছরে ইতিমধ্যেই ১ লক্ষেরও বেশি পঞ্চায়েতকে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে যুক্ত করেছে। কোথায় ৫৯, কোথায় ১ লক্ষেরও বেশি! বন্ধুগণ, এই সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার ফলে কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সুযোগ গড়ে উঠছে। নতুন মহাসড়ক, মেট্রো, রেল এবং জলপথ উন্নত হওয়ার ফলে পণ্য পরিবহণ নির্মাণ ক্ষেত্র থেকে শুরু করে উৎপাদন শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে হরিয়ানার রাজ্য সরকার নবীন প্রজন্মের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি, তাদের আধুনিক ক্ষেত্রগুলিতে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলার জন্য দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিয়েছে। ‘শ্রী বিশ্বকর্মা কৌশল বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এই লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ। এই বিশ্ববিদ্যালয় হরিয়ানা এবং সন্নিহিত অঞ্চলের যুবক-যুবতীদের পরিবর্তমান কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এই বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের নবীন প্রজন্মের মানুষদের নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নিজস্ব শিল্প ও বাণিজ্য শুরু করার উপযোগী প্রশিক্ষণ এবং শক্তি যোগাবে। আমি সম্পূর্ণ আশাবাদী যে দক্ষতার দেবতা ভগবান বিশ্বকর্মার আশীর্বাদে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের পথ আরও সুগম হবে।
ভাই ও বোনেরা, আজ হরিয়ানা রপ্তানি ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম অগ্রণী রাজ্য। এই রাজ্যের ২২ হাজারেরও বেশি ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই কৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এখানকার ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। এখান থেকে পাশ করে বেরিয়ে ছাত্রছাত্রীরা ‘জিরো ডিফেক্ট, জিরো এফেক্ট’ পণ্য উৎপাদনে সহায়ক হয়ে উঠবে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ঔজ্জ্বল্য আরও বৃদ্ধি পাবে।
বন্ধুগণ, আপনারা সবাই হয়তো জানেন যে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রকে উৎসাহ প্রদানের জন্য সম্প্রতি সরকার ১২টি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে জিএসটি-র সঙ্গে যুক্ত হরিয়ানা তথা দেশের ছোট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ মাত্র ৫৯ মিনিটে পাবে। তাছাড়া, উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য, তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার প্রসারিত করতে, এই প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করে তুলতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভাই ও বোনেরা, এই সরকার দেশের ব্যবসায়ীদের শক্তি বাড়ানোর জন্য, যুবসম্প্রদায়ের জীবনে গতি আনার জন্য, যুবসম্প্রদায়কে ‘উদ্ভাবন থেকে উৎপাদন’ তথা শিল্পের লক্ষ্যে এগিয়ে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে যাতে মূলধনের অভাব কখনও না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। ‘স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া’, ‘স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া’র মতো প্রকল্পগুলির মূলে এই ভাবনাই রয়েছে। এই ভাবনা থেকেই দেশের যুবসম্প্রদায়কে ‘মুদ্রা’ যোজনার মাধ্যমে কোনরকম গ্যারান্টি ছাড়া ব্যাঙ্ক থেকে ৬ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল ‘মুদ্রা’ যোজনার মাধ্যমে ঋণ গ্রহণকারীদের মধ্যে ৭০ শতাংশেরও বেশি হলেন মহিলা। তাই, এই প্রকল্প দেশের মহিলা স্বরোজগার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এর দ্বারা নিশ্চিতভাবে আমার হরিয়ানার বোন ও মেয়েরা উপকৃত হচ্ছেন।
বন্ধুগণ, আমাদের সরকার মহিলাদের জীবন আরও সহজ করে তোলার জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছে। ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর মাধ্যমে নির্মিত ৯ কোটি শৌচালয় কিংবা ‘উজ্জ্বলা’ যোজনার মাধ্যমে প্রদত্ত প্রায় ৬ কোটি বিনামূল্যে গ্যাস সংযোগ – এই দুটি প্রকল্পই সাধারণ মহিলাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই দৃষ্টিকোণকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হরিয়ানা রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্প এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের সাফল্য এর বড় উদাহরণ। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের সর্বাধিক মেডেল এই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরাই আনছেন। কমনওয়েল্থ গেম্স হোক কিংবা এশিয়ান গেম্স – হরিয়ানার যুবক-যুবতীরা ভারতের জয়ধ্বজা ওড়ানোর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা যে সব রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে – হরিয়ানা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, উত্তরপ্রদেশ, অসম ও ত্রিপুরায় ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ মন্ত্রক সম্বল করে কাজ করে চলেছে। এর উদ্যোগগুলি সারা দেশে সুফল এনে দিয়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত, হরিয়ানার জনগণ এই সকল প্রচেষ্টায় অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছেন। আরেকবার আপনাদের সবাইকেই এই এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন মেট্রো এবং দক্ষতা উন্নয়ন বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন ও শিলান্যাসের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আপনাদের সকলকে অন্তর থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।
SSS/SB/DM/
अभी कुण्डली- मानेसर-पलवल एक्सप्रेस-वे को देश को समर्पित करने का मौका मिला है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
इसका पहला चरण 2 वर्ष पहले पूरा हो गया था।
दूसरा चरण, जो कुण्डली से मानेसर तक, 83 किलोमीटर लंबा है, उसका आज लोकार्पण किया गया है।
इसके साथ ही अब 135 km का ये एक्सप्रेसवे पूरा हो गया है: PMA
इसके साथ ही करीब 500 करोड़ की लागत से बनी बल्लभगढ़ मुजेसर मेट्रो लाइन की शुरुआत भी हो गई है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
ये दोनों योजनाएं जहां कनेक्टिविटी को लेकर इस क्षेत्र में नई क्रांति लाएंगी,
वहीं श्री विश्वकर्मा कौशल विश्वविद्यालय के जरिए यहां के युवाओं को नई ताकत मिलेगी: PM
आज का ये अवसर दो तस्वीरों को याद करने का भी है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
एक तस्वीर वर्तमान की है।
ये तस्वीर भाजपा सरकारों की कार्यसंस्कृति की है, हमारे काम करने के तरीके की है।
वहीं दूसरी तस्वीर हमें पहले की सरकार के समय में कैसे काम होता था, इसकी याद दिलाती है: PM
वो तस्वीर याद दिलाती है कि इस एक्सप्रेसवे पर 12 साल से काम चल रहा था।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
वो तस्वीर याद दिलाती है कि ये एक्सप्रेसवे आपको 8-9 साल पहले ही मिल जाना चाहिए था।
लेकिन ऐसा हुआ नहीं.. पहले की सरकारों के जो तौर-तरीके थे, उसने इस एक्सप्रेसवे को पूरा होने में 12 साल लगा दिए: PM
इस एक्सप्रेस-वे का इस्तेमाल कामनवेल्थ गेम्स में होना था। लेकिन कामनवेल्थ खेल जो गति की गई, वही कहानी इस एक्सप्रेस वे की भी है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
मुझे ध्यान है कि जब प्रगति की बैठकों में मैंने इस प्रोजेक्ट की समीक्षा करनी शुरु की थी, तो कितने सारे पेंच पता चले थे: PM
पहले की सरकार में जिस तरह काम हुआ, वो एक केस स्टडी है कि कैसे जनता के पैसे को बर्बाद किया जाता है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
जब ये प्रोजेक्ट शुरू हुआ था, तो अनुमान लगाया गया था कि इस पर 1200 करोड़ रुपए खर्च होंगे।
आज इतने वर्षों की देरी की वजह से इसकी लागत बढ़कर 3 गुना से ज्यादा हो गई: PM
ये एक्सप्रेसवे, दिल्ली और आसपास के इलाके में प्रदूषण को कम करने में बड़ी भूमिका निभाएगा।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
एक तरह से देखें, तो ये एक्सप्रेसवे
Economy
Environment
Ease of Travelling के साथ ही
Ease of living की सोच को भी गति देगा: PM
लोग वहीं हैं, काम करने वाले वही हैं, लेकिन जब इच्छाशक्ति हो, संकल्पशक्ति हो, तो कोई भी लक्ष्य हासिल किया जा सकता है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
यही वजह है कि जहां साल 2014 से पहले देश में एक दिन में सिर्फ 12 किलोमीटर हाईवे बनते थे, आज लगभग 27 किलोमीटर हाईवे का प्रतिदिन निर्माण हो रहा है: PM
किसी भी क्षेत्र में बढ़ती हुई कनेक्टिविटी, अपने साथ, रोजगार के नए अवसर भी लेकर आती है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
ये हाईवे का बनना, मेट्रो या रेल का बनना, जल मार्ग का विकसित होना, एक पूरा इकोसिस्टम बनाता है।
इस का फायदा, ट्रांसपोर्ट, कंस्ट्रक्शन से लेकर मैन्यूफैक्चरिंग और सर्विस सेक्टर तक को होता है: PM
ये सरकर देश में कारोबारियों को ताकत देना चाहती है, युवाओं को गति देना चाहती है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
युवाओं को इनोवेशन से इंडस्ट्री की दिशा में आगे बढ़ा रही है। उनके कांसेप्ट को कैपिटल की कमी न हो इसका ध्यान रख रही है।
स्टार्ट अप इंडिया, स्टैंड अप इंडिया योजनाएं इसी सोच के साथ चल रहीं हैं: PM
केंद्र सरकार के विजन को आगे बढ़ाने में हरियाणा ने पूरा सहयोग दिया है।
— PMO India (@PMOIndia) November 19, 2018
बेटी बचाओ - बेटी पढ़ाओ योजना और खेलो इंडिया की सफलता इसका बड़ा उदाहरण हैं।
खेलों में देश के लिए सबसे ज्यादा मेडल यहां के ही बेटी और बेटे ही ला रहे हैं।
हरियाणा के युवाओं का डंका पूरे दुनिया में बजा है: PM