Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

লক্ষ্ণৌ-তে বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

লক্ষ্ণৌ-তে বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


উপস্থিত সকল সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং নবীন বন্ধুরা,

আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন সমারোহে আসতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। বাবাসাহেব আম্বেদকর দেশকে অনেক কিছু দিয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে বাবাসাহেব আম্বেদকর সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন শিক্ষার ওপর। তিনি সবাইকে বলতেন, জীবনের সকল কষ্ট থেকে মুক্তির উপায় হল শিক্ষিত হওয়া। তাঁর মন্ত্র ছিল, ‘শিক্ষিত হও, সংগঠিত হও, সংঘর্ষ কর’। এ সংঘর্ষ নিজের সঙ্গেও করতে হবে। বাবাসাহেব আম্বেদকর ভগবান বুদ্ধের দর্শন থেকে প্রেরণা নিয়েছিলেন। ভগবান বুদ্ধের বার্তা ছিল – ‘অপ্প দীপ ভবঃ’। নিজেকে শিক্ষিত কর। আমরা অনেকেই বাবাসাহেব আম্বেদকরের লেখা বইগুলি পড়িনি বলে তাঁকে ভালোমতো বুঝতে পারি না। তিনি ছিলেন বিরাট মাপের মানুষ। একজন বিশ্বমানের ব্যক্তিত্ব। তাঁর মূল বার্তা ছিল “আমরা যদি ভাবি জীবন অনেক কঠিন, জীবনে কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে, তা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ছটফট করতে থাকি। সবার আগে অভিযোগ দিয়ে শুরু করি অথবা কোথাও থেকে পাওয়ার অপেক্ষায় থাকি। আমাদের আগে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। আর নিজের পায়ে দাঁড়াতে সবচাইতে বড় ভিত্তি হবে শিক্ষা। তাহলেই কারোর প্রতি অভিযোগও করতে হবে না, ভিক্ষাও চাইতে হবে না।” বাবাসাহেব আম্বেদকর তাঁর নিজের জীবন দিয়ে এই মনোভাবকে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি যে পশ্চাৎপদ পারিবারিক প্রেক্ষিত থেকে উঠে এসেছেন সেখানে শিক্ষা এবং সামাজিক সম্মান – কোনটাই ছিল না। কিন্তু এই মহাপুরুষের মনের ভিতর ছিল একটি জ্যোতি, একটা ছটফটানি, একটা সামর্থ্য। তিনি অভিযোগে সময় নষ্ট করেননি। নিজের উন্নতির রাস্তা নিজেই খুঁজে নিয়েছেন। শিক্ষাকে হাতিয়ার করে সকল সঙ্কটের মোকাবিলা করেছেন, সকল অবরোধ পার করেছেন, সকল উপেক্ষা ও অপমানের মাঝেও নিজের সঙ্কল্পকে বিচলিত হতে দেননি।

আমাদের মধ্যে অধিকাংশই জানি যে তিনি ভারতের সংবিধানের নির্মাতা ছিলেন। কিন্তু অনেকেই জানি না যে তার আগে তিনি আমেরিকা থেকে অর্থশাস্ত্রে পি এইচ ডি করেছিলেন। তাঁর সামনে বিশ্বের সকল সুখ ও বৈভব প্রাপ্তির সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তিনি দেশের কল্যাণে নিজেকে সমর্পিত করে দেন। দেশে ফিরে দলিত, পীড়িত, শোষিত, বঞ্চিত মানুষের স্বার্থে বাকি জীবন ব্যতীত করেন।

আমরা আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বাবা-মা যখন সন্তানকে জন্ম দেন, সেই সময় তাদের যত আনন্দ হয় তার চাইতে অনেক বেশি আনন্দ হয় যখন তার সন্তান বা সন্ততি শিক্ষিত হয়ে সমাজজীবনে প্রবেশ করে। আজ তেমনই একটি মুহূর্ত। আজ আপনাদের বাবা-মা সবচাইতে বেশি খুশি যে আপনারাও সাফল্যের সঙ্গে শিক্ষা সম্পূর্ণ করে সমাজজীবনে পা রাখতে চলেছেন। আমাদের দেশে এই সমাবর্তন উৎসবের পরম্পরা তৈতরেয় উপনিষদের সময় থেকে চলে আসছে। আমরা তৈতরেয় উপনিষদেই প্রথম কয়েক হাজার বছর আগে সমাবর্তন সমারোহের উল্লেখ পেয়েছি। তখন গুরুকুলে শিক্ষা সমাপনে একে দীক্ষান্ত সমাবর্তন সমারোহ বলা হত। আপনাদের শ্রেণীকক্ষে বলা হয়েছে এটা করতে হবে, সেটা করতে হবে, এটা করতে হবে না। কিন্তু আসলে কোন ক্ষেত্রে কী করতে হবে সেটা যদি না বুঝে থাকেন তাহলে আপনাদের শিক্ষা অসম্পূর্ণ। করণীয় এবং অকরণীয়ের ভেদ নির্ণয়ে সিদ্ধহস্ত ব্যক্তিদেরই দীক্ষিত বলা হয়। এর জন্য বই যথেষ্ট নয়। বইয়ে যা জ্ঞান রয়েছে তার থেকে বেশি আজকাল গুগ্‌ল গুরু-র কাছ থেকে পেয়ে যাবেন। এই তথ্যের যুগে যার কাছে যত বেশি তথ্য রয়েছে তাকেই বেশি শক্তিশালী মানা হয়। আমার জন্য কোন তথ্যটি বেশি প্রয়োজনীয় সেটি আমাদের বেছে নিতে হয়। আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেনীকক্ষে বসে পুস্তকের বাইরে শিক্ষকদের কাছ থেকে যা যা শিখেছেন সেগুলি জীবনে প্রয়োগ করার পথে আজ পা বাড়াচ্ছেন।

কখনও আমাদের মনে হয় যে, আমি অনেক পরিশ্রম করেছি। দিনরাত পড়াশোনা করেছি বলেই আমি মেডেল পাচ্ছি, ডিগ্রি পাচ্ছি। কেউ কেউ হয়তো ভাবেন যে মা-বাবা আমাদের জন্য কতকিছু করেছেন, আমাদের সামনে এই সুযোগটা এনে দিয়েছেন যে আমি লেখাপড়া করে এতদূর পৌঁছাই। কেউ কেউ হয়তো ভাবেন, আমার শিক্ষকরা আমাদেরকে ভালোভাবে পড়িয়েছেন বলেই আজ আমরা এতদূর পৌঁছেছি। কিন্তু কেউ হয়তো এটা ভাবেন না, আপনারা যে বই পড়েন, যে খাতায় লেখেন সে কাগজ কোন কারখানায় তৈরি হয়। যে মজুররা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এই কাগজ তৈরি করেন তারা হয়তো নিজের ছেলে-মেয়েকে পড়ানোর সুযোগ পান না। কিন্তু তারা আমাদের জন্য কাগজ বানিয়েছেন। কোন দরিদ্র মানুষ ছাপাখানায় বসে কম্পিউটারে টাইপ করেছেন, বইয়ের আকার দিয়েছেন – তাদের কথা ক’জন ভাবেন। আজ আপনারা স্নাতক উপাধি পাচ্ছেন, তার পেছনে এরকম অসংখ্য দেশবাসীর পরোক্ষ অবদানের কথা যদি আপনারা মনে না রাখেন তবে একটা বড় ভুল থেকে যাবে। সমাজের কাছে আমাদের ঋণের কথা ভুললে চলবে না। আপনারা এই ক্যাম্পাসে থাকতেন, রাত জেগে পড়াশোনা করতেন, রাত ২টোয় চা খাওয়ার ইচ্ছা হল, হস্টেল থেকে বেরিয়ে কোন গাছের তলায় শুয়ে থাকা চাওয়ালাকে জাগিয়ে চা খেয়েছেন। প্রবল শীতে বুড়ো মানুষটি উঠে আপনার জন্য চা বানিয়েছেন। এখন আপনি লেখাপড়া শিখে বাবু হয়ে তার কথা যদি ভুলে যান সেটা কী ঠিক হবে ? আমার এসব কথা বলার তাৎপর্য হল, আমরা জীবনে যা-ই হই না কেন, তার পেছনে শুধু নিজের কৃতিত্ব থাকে না, শুধু বাবা-মা ও শিক্ষকের কৃতিত্ব থাকে না, গোটা সমাজের অবদান থাকে। আজ এই সমাবর্তন সমারোহের সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চার দেওয়াল, শ্রেণীকক্ষ, শিক্ষক, বই, পাঠ্যক্রম, পরীক্ষা, পরীক্ষার ফল, স্বর্ণ পদক – এসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গোটা সমাজকে নিজের বলে ভাবতে শিখুন। ভাবুন, আমি আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। যে ব্যক্তি বিশ্বের সর্বোত্তম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি এইচ ডি ডিগ্রি লাভ করেও ভারতকে ভালোবেসে ফিরে এসেছিলেন, তাঁর নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমি। আমারও সমাজের জন্য কিছু করা উচিত। এই বার্তা নিয়ে আজ বিশ্ববিদ্যালের‍ চত্বর থেকে বাইরে পা রাখবেন। কোন কিছু পাওয়া এবং হয়ে ওঠা তেমন কঠিন কাজ নয় বন্ধুরা, কঠিন হল কারোর জন্য কিছু করা। প্রবল ইচ্ছাশক্তি না থাকলে কারোর জন্য কিছু করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। কোন কিছু পাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যদি কিছু করেন তাহলে আমি বলব সে কাজ করে তেমন আনন্দ পাবেন না। কোন কিছু না পাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যদি করেন তাহলে জীবনে যে আনন্দ পাবেন সেটি অমূল্য। এই আনন্দ জীবনে অনেক কিছু দেবে। বিশ্বে যত মহাপুরুষ রয়েছেন, তাঁরা নিজেরা সহজ-সরল জীবনযাপন করে আমাদের জন্য অনেক কিছু দিয়ে গেছেন।

এতদিন আপনারা সুরক্ষিত ছিলেন। পড়াশোনা করতেন বলে বাবা-মা আপনাদের ওপর কোন কিছু বেশি চাপ দিতেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আপনারাও অনেক কষ্ট করেছেন। জ্ঞান আহরণের জন্য শিক্ষকদের দ্বারস্থ হয়েছেন। বন্ধু-বান্ধবদের সাহায্য পেয়েছেন। আজ এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর সেই পরিবেশ আর পাবেন না। সবাই এখন আপনার দিকে অন্য প্রত্যাশা নিয়ে তাকাবে। বাবা-মা জিজ্ঞাসা করবেন এখন কি ভেবেছ ? তিন মাস পর বলবেন, কিছু হচ্ছে না কেন ? ঠিকমতো ঘুরাঘুরি করছ না। যেভাবেই হোক কাজে লেগে পর। অর্থাৎ এখন আপনারা সত্যিকারের জীবনের সমস্যাগুলির সম্মুখীন হবেন। অনেক কথা যখন শ্রেণীকক্ষে মাস্টারমশাইরা বলতেন তখন হয়তো হাসি পেত। এখন পথে বেরিয়ে তাঁদের অনেক কথা মনে পড়বে। একটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাবেন। কোনরকম অসাফল্যে নিরাশ হবেন না। অসাফল্যই সফলতার ক্ষেত্রে সারের কাজ করবে। অসফলতাকে ভয় পেলে চলবে না, লজ্জা পেলেও চলবে না। অসফলতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তাকে সাফল্যের সিঁড়িতে পরিবর্তিত করতে হবে।

বিগত তিন থেকে পাঁচ বছর ধরে আপনারা এখানে যা-ই শিখেছেন আমার বিশ্বাস, আপনাদের জীবনে নিরাশার সম্মুখীন হতে হবে না। যারা ভালো সময়ে অসৎ পথে চালিত হয়নি, যারা কঠিন সময়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েনি, তারা অবশ্যই জীবনে কিছু করে দেখাবে। একবিংশ শতাব্দী ভারতের শতাব্দী হতে চলেছে। ভারত বিশ্বের সর্বাধিক নবীন দেশ। এর ৬৫ শতাংশ জনসংখ্যার বয়স ৩৫ বছরের নিচে। যে দেশ নবীন, তার স্বপ্ন নবীন, সঙ্কল্পও নবীন। এই যুবশক্তি দেশের সম্পদ। সেজন্য যখন শুনি আমাদের দেশের নবীন প্রজন্মের মেধাবী ছাত্র রোহিত আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে তখন খুব কষ্ট পেয়েছি। তাঁর পরিবারের ওপর দিয়ে কি ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ভারতমাতা তার এক সুসন্তানকে হারাল। এর পেছনে যে কারণই থাকুক না কেন, যে রাজনীতিই থাকুক না কেন, সত্য কথা এটা যে দেশের এক মা তার সন্তানকে হারিয়েছে। সে মায়ের বুকের যন্ত্রণা আমি অনুভব করছি।

আমরা এই দেশকে নতুন আশার পথ দেখাতে চাই, নতুন সঙ্কল্প ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে যাতে আমাদের নতুন প্রজন্মের সন্তানরা যুঝতে পারেন সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তাহলেই বাবাসাহেব আম্বেদকরের স্বপ্ন সফল হবে। আমাদের দেশের উন্নয়নে এতদিন দুটো ক্ষেত্রেই জোর দেওয়া হত। প্রথমটি হল সরকারি ক্ষেত্র, আর দ্বিতীয়টি বেসরকারি ক্ষেত্র – কর্পোরেট দুনিয়া। বাবাসাহেব আম্বেদকর যে অর্থ ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখতেন সেই অর্থ ব্যবস্থা ছাড়া এ দেশের সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি ব্যক্তিগত ক্ষেত্র উন্নয়নের কথা ভাবতেন। আমার পরিভাষা একটু আলাদা। আমি চাই প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের পায়ে দাঁড়াক। দেশের নবীন প্রজন্মের কোন ব্যক্তি চাকুরি প্রার্থী না হয়ে প্রত্যেকেই কাজ সৃষ্টি করুক। কিছুদিন আগেই দলিত শিল্পপতিদের সম্মেলনে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। দলিত শিল্পপতিদের একটি আলাদা ‘চেম্বার অফ কমার্স’ রয়েছে। সেখানে গিয়ে আমি বাবাসাহেব আম্বেদকরের স্বপ্ন সাকার হতে দেখে খুব খুশি হয়েছি। দক্ষতা উন্নয়ন এবং ‘স্টার্ট আপ’কে মন্ত্র করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছি। ব্যাঙ্কগুলিকে আমরা প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি। দেশে মোট ১ লক্ষ ২৫ হাজার ব্যাঙ্কের শাখা রয়েছে। তাদের সকলকে নির্দেশ দিয়েছি যাতে প্রত্যেকে তাদের এলাকার অন্তত একজন জনজাতির পুরুষ ও একজন স্ত্রীকে ‘স্টার্ট আপ’-এর জন্য ঋণ দেয়। কোনরকম গ্যারান্টি ছাড়া ২০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ঋণদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে নতুন কিছু করার উৎসাহ যোগাতে এবং আবিষ্কারের ক্ষেত্রে প্রেরণা যোগাতে বলা হয়েছে। এই ঋণপ্রাপ্ত যুবকযুবতীরা ‘স্টার্ট আপ’-এর মাধ্যমে নতুন সংস্থার জন্ম দিয়ে ২ থেকে ১০ জন মানুষের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করবেন। এভাবে আমরা ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া’ অভিযান শুরু করেছি। করার অনেক কিছুই রয়েছে। কেবল প্রবল ইচ্ছাশক্তি চাই। বাকি ব্যবস্থা নিজে থেকেই জুটে যাবে। আজ আপনারা এখান থেকে একটি প্রবল ইচ্ছাশক্তি নিয়ে বাইরের জগতে পা রাখুন। আপনারা এযাবৎ যা পেয়েছেন তার থেকে বেশি দেওয়ার ইচ্ছে নিয়ে এগিয়ে যান, দেখবেন একটি বিশাল কাজের জগৎ আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সেই জগতে আপনারা এক একটি বৃক্ষ হয়ে উঠুন, মহীরুহের মতো অনেককে ছায়া দিন, আশ্রয় দিন। আপনাদের সকলকে আমার শুভেচ্ছা।

আমি প্রার্থনা করি, আপনারা যাতে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন। নিজের জীবনের সঙ্কল্পগুলিকে পূর্ণ করার শক্তিপ্রাপ্ত হোন, এই আশা নিয়ে আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা জানাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

PG/SB/DM