পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নয়ডায় পেট্রোটেক ২০১৯ সম্মেলনে নিম্নলিখিত বক্তব্য পেশ করেছেন।
নমস্তে,
পরিবহনের সমস্যায় এখানে আসতে বিলম্ব হওয়ায় আমি মার্জনা চাইছি।
আমি আপনাদের সবাইকে ভারতের ত্রয়োদশ হাইড্রোকার্বন সম্মেলন, পেট্রোটেক ২০১৯- এ স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত।
আমি মাননীয় ডঃ সুলতান আল জাবেরকে শক্তিক্ষেত্রে তাঁর অবদান এবং ভবিষ্যত বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির জন্য অভিনন্দন জানাই।
আমরা আমাদের দেশগুলিতে নাগরিকদের জন্য সুলভে পরিচ্ছন্ন এবং নিশ্চিত শক্তির সরবরাহ করতে চাই।
এই ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এবং অনুসন্ধিৎসার প্রতিফলন ঘটেছে এই সম্মেলনে ৬০টিরও দেশের ৭ হাজার প্রতিনিধির উপস্হিতির মধ্যে।
জনজীবনে কয়েকটি দেশক অতিবাহিত করার মধ্য দিয়ে আমি বুঝতে পেরেছি, শক্তিই হচ্ছে আর্থ-সামাজিত বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হচ্ছে, যথাযথ মূল্যে স্হিতিশীল ও সুষম শক্তির সরবরাহ। এছাড়া সমাজের দরিদ্র এবং বঞ্চিত শ্রেণীর জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রেও শক্তির সহায়ক ভূমিকা রয়েছে।
ব্যাপক অর্থে শক্তিক্ষেত্র হচ্ছে বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রধান বিষয়।
বন্ধুগণ,
আজ যখন আমরা এখানে বিশ্বের শক্তিক্ষেত্রের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ পরিস্হিতি আলোচনার জন্য সমবেত হয়েছি, সেইসময় বিশ্বের শক্তিক্ষেত্রে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে।
শক্তির সরবরাহ, শক্তির উৎসগুলি এবং শক্তি ব্যবহারের ধরণ বদলে যাচ্ছে। হয়ত এক ঐতিহাসিক উত্তরণের অঙ্গ হিসাবেই এটা ঘটছে।
শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বর্তমান প্রবণতা পশ্চিত থেকে পূর্ব দিকে সরে যাচ্ছে।
শেল বিপ্লবের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম তেল এবং গ্যাস উৎপাদক দেশ হিসেবে উঠে এসেছে।
সৌরশক্তি এবং অন্যান্য পুনঃর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎসগুলি বর্তমানে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে।। তারা চিরাচরিত ধরণের শক্তির সুষম বিকল্প হয়ে উঠতে চলেছে।
প্রাকৃতিক গ্যাসও বিশ্বের শক্তিক্ষেত্রে অন্যতম বৃহৎ জ্বালানী হয়ে উঠছে।
স্বল্প মূল্যের পুনঃনর্বীকরণযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি এবং এগুলির ডিজিটাল প্রয়োগ যেন একত্রিত হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত মিলছে। দ্রুত সুষম উন্নয়নের লক্ষ অর্জনে এই প্রবণতা বিশেষ সহায়ক হতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ একজোট হয়েছে। ভারত এবং ফ্রান্সের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সৌরজোটের মতো বিশ্বব্যাপি অংশিদারিত্বের মধ্যে এর প্রতিফলন ঘটেছে।
আমরা আরও বেশি শক্তি প্রাপ্তিযোগ্যতার এক যুগে প্রবেশ করেছি।
কিন্তু এখনও সারা বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি মানুষের নাগালে বিদ্যুৎকে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। বহু মানুষের জন্য এখনও পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানীর ব্যবস্হা করা যায়নি।
ভারত সবার জন্য শক্তির ব্যবস্হা করার ক্ষেত্রে উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমাদের সাফল্যের মধ্যে আমি পৃথিবীর মানুষের শক্তির সমস্যার সমাধানের আশা দেখতে পাই।
প্রত্যেক মানুষেরই পরিচ্ছন্ন সুলভ, সুষম এবং সমানভাবে শক্তি সরবরাহের সুযোগ পাওয়া দরকার।
শক্তি সংক্রান্ত সুবিচার ভিত্তিক একটি যুগে ভারতের অবদান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূণ
বর্তমানে ভারত বিশ্বের মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল বৃহৎ এক অর্থনীতি হয়ে উঠেছে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক সংস্হাগুলি অনুমান করছে যে আগামী বছরগুলিতেও ভারতীর অযর্থনীতির বৃদ্ধির এই প্রবণতা বজায় থাকবে।
অনিশ্চিত বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্য ভারত যেন বিশ্ব অর্থনীতির নোঙ্গর হিসাবে স্হিতিশীল এক ভূমিকা দেখিয়েছে।
সম্প্রতি ভারত বিশ্বের মধ্যে ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসাবে মর্যাদা লাভ করেছে। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে জানা গেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠতে পারে।
আমরা বর্তমানে শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম স্হানে রয়েছি। এছাড়া আমাদের দেশে শক্তির চাহিদা প্রতি বছর ৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০৪০ সালের মধ্যে আমাদের দেশে শক্তির চাহিদা যেহেতু দ্বিগুনেরও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবন রয়েছে, ভারত শক্তি কোম্পানীগুলির কাছে এক আকর্ষনীয় বাজার হয়ে উঠেছে।
শক্তি পরিকল্পনার লক্ষে আমরা একটি সুসংহত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছি। ২০১৬-র ডিসেম্বর মাসে গত পেট্রোটেক সম্মেলনের সময় আমি ভারতের শক্তির ভবিষ্যতের জন্য চারটি স্তম্ভের কথা উল্লেখ করেছিলেন। এগুলি হল, সবার নাগালে শক্তির ব্যবস্হা করা, শক্তিক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি, শক্তির সুষমতা এবং শক্তির নিরাপত্তা।
বন্ধুগণ,
শক্তির ক্ষেত্রে সুবিচার আমার জন্য একটি প্রধান লক্ষ্য এবং ভারতের জন্য শীর্ষস্হানীয় অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্যে আমরা বহু নীতি গ্রহণ করেছি এবং তা রূপায়ণ করেছি। এই নীতি রূপায়ণের সুফল এখন দেখা যাচ্ছে।
আমাদের সমস্ত গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে।
এই বছরেই আমরা ভারতে পরিবারগুলিকে ১০০ শতাংশ বিদ্যুতায়নের লক্ষ্য অর্জন করতে চলেছি।সৌভাগ্য নামে এক সুনির্দিষ্টি কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা এই লক্ষ্য অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
যখন আমরা আমাদের শক্তি উপাদন বাড়াচ্ছি, সেইসময়, তা পরিবহন এবং সরবরাহ ক্ষেত্রে যাতে নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করারও লক্ষ্য নিয়েছি। উদয় নামে আমাদের এক কর্মসূচির অধীনে আমরা এই লক্ষ্য অর্জনের দিকে এগিয়ে চলেছি।
সহজে বিদ্যুৎ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাঙ্কের ক্রমতালিকায় ভারতের স্হান ২০১৪ সালে ছিল ১১১, ২০১৮-য় এই স্হান ২৯-এ উঠে এসেছে।
উজালা কর্মসূচির অধীনে সারা দেশ জুড়ে এলইডি বাল্ব বিতরণের ব্যবস্হা হয়েছে। এরফলে প্রতি বছর ১৭ হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় হয়েছে, যা প্রায় ২৫০ কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল।
মহিলা এবং শিশুদের ধোঁয়া জনিত দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানী বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। উজ্জ্বলা কর্মসূচিতে মাত্র তিন বছরে দেশের ৬.৪ কোটি পরিবারে রান্নার গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ‘একটি নীল শিখার বিপ্লব চলেছে।’ ৫ বছর আগে যেখানে সারা দেশে ৫৫ শতাংশ পরিবারে রান্নার গ্যাসের সংযোগ ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে ৯০ শতাংশেরও বেশি হয়েছে।
পরিচ্ছন্ন পরিবহনের ব্যবস্হাও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা ২০২০-এ এপ্রিলের মধ্যে যানবাহনে শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের দেশ বিএস-৪ থেকে বিএস-৬ এর পর্যায়ে উন্নীত হবে। এটি আন্তর্জতিক ক্ষেত্রের ইউরো-৬-এর সমতুল।
১০০ শতাংশ বিদ্যুতায়ন এবং বর্ধিত হারে রান্নার গ্যাসের সংযোগের মতো লক্ষ্য অর্জনের কাজ সম্ভব হয়েছে। এরসঙ্গে মানুষের যুক্ত থাকার ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা শক্তিক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশে গড়ে তুলতে হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান এবং লাইসেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। রাজস্ব ভাগাভাগির ক্ষেত্রেও নিলামে অংশগ্রহণের পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়েছে। এরফলে এই ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ কমানো সম্ভব হয়েছে। ওপেন একারেজ লাইসেন্সিং পলিসি এবং ন্যাশনাল ডেটা রিপোজিটরির মাধ্যমে ভারতে হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানে আগ্রহ বেড়েছে।
এছাড়া প্রাকৃতিক গ্যাসের দামের ক্ষেত্রে সংস্কার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। বর্ধিত তেল উদ্ধার নীতির মাধ্যমে সাম্প্রতিকতম প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের আপস্ট্রিম তৈলক্ষেত্রগুলিতে উপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে।
আমাদের ডাউনস্ট্রিম তৈল ক্ষেত্রকে সম্পূর্ণভাবে উদারীকরণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অপরিশোধিত খনিজ তেলের মূল্যের ওপর নির্ভর করে খোলা বাজারের চাহিদা অনুসারে পেট্রেল ও ডিজেলার দাম নির্ধরণ করা হয়েছে। সারা বিশ্বের মধ্যে অপরিশোধিত খনিজ তেল পরিশোধনের ক্ষেত্রে ভারত চতুর্থ স্হান দখল করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই পরিশোধন ক্ষমতা আরও ২০ কোটি মেট্রিক টন বাড়বে।
গত বছর একটি জাতীয় জৈব জ্বালানী নীতি কার্যকর হয়েছে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্রজন্মের জৈব জ্বালানী বিষয়ে গবেষনায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। দেশের ১১টি রাজ্যে ১২টি দ্বিতীয় প্রজন্মের জৈব শোধনাগার স্হাপন করা হচ্ছে। ইথানল মিশ্রন এবং জৈব ডিজেল কর্মসূচি ফলে কার্বন নির্গমন কমেছে এবং এরফলে কৃষকের আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের অসামরিক উড়ান ক্ষেত্রে জৈব বিমান জ্বালানীর ব্যবহার সাফল্যের সঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে।
আমাদের সরকার সমগ্র তেল এবং গ্যাসের মূল্য শৃঙ্খলে বেসরকারি অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে। ভারত এই ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের এক আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠছে। সৌদি অ্যারামকো, অ্যাডনক, টোটাল, এক্সন-মোবিল, বিপি এবং শেল-এর মতো কোম্পানীগুলি আমাদের দেশের তৈলক্ষেত্রে তাদের লগ্নী বাড়িয়েছে।
ভারত গ্যাস ভিত্তিক অর্থনীতিতে দ্রুত অগ্রগতি ঘটিয়েছে। ১৬ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছে এবং ১১ হাজার কিলোমিটার পাইপলাইনের কাজ চলছে। পূর্ব ভারতে ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্যাস পাইপলাইনের কাজ চলছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে উত্তর-পূর্ব ভারত জাতীয় গ্যাস গ্রীডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।
আগামী ১ মাসের মধ্যে বিভিন্ন শহরে গ্যাস সরবরাহের জন্য দশম রাউন্ডের নিলাম সম্পূর্ণ হবে। এর মাধ্যমে আমাদের দেশের চারশোর-ও বেশি জেলা গ্যাস সংযোগের আওতায় আসবে। আমাদের দেশের জনসংখ্যার ৭০ শতাংশই শহরের গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্হার আওতায় আসবে।
আমরা চতুর্থ প্রজন্মের শিল্পের জন্য তৈরি হচ্ছি। নতুন প্রযুক্তি এবং কৃৎকৌশল ব্যবহারের ফলে, শিল্প পরিচালনের ধরনটাই বদলে যাবে। আমাদের কোম্পানীগুলি তাদের কর্মদক্ষতা, নিরাপত্তা বাড়াতে এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর জন্য আধুনিকতম প্রযুক্তি গ্রহণ করছে। খুচরো ব্যবসা, তেল এবং গ্যাস উৎপাদন, সম্পদ পরিচালন এবং দূরসংবেদী নজরদারির ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আমরা আন্তর্জাতিক শক্তিসংস্হা ও ওপেক-এর মতো সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করেছি। ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আমরা আন্তর্জাতিক শক্তি মঞ্চের চেয়ারম্যান ছিলাম। দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে লগ্নির মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্রেতা-বিক্রেতার পুরনো ধরনের যোগাযোগকে কৌশলগত অংশিদারিত্বে পরিবর্তন করেছি। নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান এবং মায়নমারের মতো দেশগুলির সঙ্গে শক্তিক্ষেত্রে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে আমরা আমাদের ‘প্রতিবেশি প্রথম’ নীতি রূপায়ণ করেছি।
তেল এবং গ্যাস ক্ষেত্রে সিইওদের সঙ্গে আমি নিয়িমিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এবং সিইওদের সঙ্গে আমার আলোচনায় আমি বরাবরই বলেছি, তেল এবং গ্যাস কেবলমাত্র পণ্য বাণিজ্য নয়, এটি এক প্রয়োজনও বটে। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের জন্যই হোক অথবা বিমানের জন্য, সর্বক্ষেত্রেই শক্তি বিশেষভাবে প্রয়োজন।
অনেকদিন ধরে অপরিশোধিত তেলের দাম নিয়ে বিশ্বকে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয়। আমাদের দায়িত্বশীল মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্হার দিকে এগোতে হবে। উৎপাদক এবং গ্রাহক উভয়ের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য আনতে হবে। তেল এবং গ্যাসের বাজারের ক্ষেত্রে আমাদের আরও বেশি করে স্বচ্ছ এবং স্হিতিস্হাপক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে। কেবলমাত্র তার মাধ্যমেই আমরা মানবজাতির শক্তির প্রয়োজন যথাযথভাবে মেটাতে পারবো।
আরও একটি প্রধান বিষয় হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে পৃথিবীর সকলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া। সবাই মিলে একজোট হলেই আমরা প্যারিসে সিওপি-২১ সম্মেলনে গৃহিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবো। ভারতে এই লক্ষ অর্জনের দিকে দ্রুত অগ্রসর হয়েছে এবং লক্ষ্য অর্জনে অনেকদুর এগিয়ে গেছে।
শক্তি ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য পেট্রোটেক সম্মেলন একটি উপযুক্ত মঞ্চ। আগামীদিনে এই ক্ষেত্রের পরিবর্তন, নীতি, নতুন প্রযুক্তি কিভাবে বাজারের স্হিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ লগ্নির সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করবে তা নিয়ে এখানে আলোচনা করা সম্ভব।
আমি আপনাদের সকলের জন্য একটি সফল ও ফলপ্রসু সম্মেলনের কামনা জানাই।
ধন্যবাদ
CG/PB/NS
Winds of change are evident in the global energy arena.
— PMO India (@PMOIndia) February 11, 2019
Energy supply, energy sources & energy consumption patterns are changing. Perhaps, this could be a historic transition.
There is a shift in energy consumption from West to East: PM
There are signs of convergence between cheaper renewable energy, technologies & digital applications. This may expedite the achievement of sustainable development goals.
— PMO India (@PMOIndia) February 11, 2019
Nations are coming together to tackle climate change: PM
Energy justice is also a key objective for me and a top priority for India. Towards this end, we have developed and implemented many policies. The results of these efforts are now evident.
— PMO India (@PMOIndia) February 11, 2019
Electricity has reached all our rural areas: PM
LPG connections have been given to over 64 million house-holds in just under three years under the Ujjwala Scheme.
— PMO India (@PMOIndia) February 11, 2019
A ‘Blue Flame Revolution’ is under-way. LPG coverage has reached more than 90% percent, from 55% five years ago: PM
We need to move to responsible pricing, which balances the interests of both the producer and consumer.
— PMO India (@PMOIndia) February 11, 2019
We also need to move towards transparent and flexible markets for both oil and gas.
Only then can we serve the energy needs of humanity in an optimal manner: PM