Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬-র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাংস্কৃতিক সদ্ভাবনা পুরস্কার দিয়েছেন স্বামী বিবেকানন্দ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো মানুষের জন্যই পরাধীনতার শৃঙ্খল সত্ত্বেও ভারতীয় সংস্কৃতি অক্ষুন্ন থেকেছে- প্রধানমন্ত্রী মোদী

রাষ্ট্রপতি  ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬-র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাংস্কৃতিক সদ্ভাবনা পুরস্কার দিয়েছেন


স্বামী বিবেকানন্দ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো মানুষের জন্যই পরাধীনতার শৃঙ্খল সত্ত্বেও ভারতীয় সংস্কৃতি অক্ষুন্ন থেকেছে- প্রধানমন্ত্রী মোদী


ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রী রামনাথ কোবিন্দ আজ নতুন দিল্লীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬-র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাংস্কৃতিক সদ্ভাবনা পুরস্কার প্রদান করেছেন। তিনি বিশিষ্ট মনিপুরী নৃত্যশিল্পী রাজকুমার সিংহজিৎ সিং, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট এবং বিশিষ্ট ভাস্কর শ্রী রাম ভানজী সুতারের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের জুরি কমিটি পুরস্কার প্রাপকদের নাম নির্বাচন করেছে। এই কমিটিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি শ্রী রঞ্জন গগৈ, প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী এন গোপালস্বামী এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিষয়ক ভারতীয় পরিষদের সভাপতি শ্রী বিজয় সহস্রবুদ্ধে সদস্য ছিলেন। 

 

এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, সংস্কৃতি হচ্ছে যে কোন জাতির জীবনরুধির এবং এর মাধ্যমেই একটি জাতির নিজস্ব পরিচয়ের প্রতিফলন ঘটে। তিনি বলেন, ঔপনিবেশিক শোষন এবং বিদেশী আগ্রাসন সত্ত্বেও ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষিত থেকেছে। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং স্বামী বিবেকানন্দ মতো মানুষের অসামান্য অবদানের জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। 

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টির মধ্যে ভারতের বহুমাত্রিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটেছে। রবীন্দ্র সঙ্গীতের মধ্যে দেশের সব রঙ মিশে আছে এবং কোনও একটি ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই। গুরুদেবের শিক্ষাকে তিনি সময় নিরপেক্ষ বলে বর্ণনা করেন এবং তাঁর সৃষ্টি থেকে সমগ্র বিশ্বের শিক্ষা নেওয়ার রয়েছে। গুরুদেব লোকশিল্প এবং চিরাচরিত নৃত্যশৈলীকে ভারতীয় সংস্কৃতির ইঙ্গিতবাহী বলে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষনে মন্তব্য করেন। 

 

 

২০১৪ সালের জন্য মনিপুরী নৃত্যশিল্পী শ্রী রাজকুমার সিংহজিৎ সিং, ২০১৫ সালের জন্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটকে এবং ২০১৬ সালের জন্য বিশিষ্ট ভাস্কর শ্রী রাম ভানজী সুতারকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ২০১২ সালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে এই পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়। বার্ষিক এই পুরস্কারে প্রাপককে ১ কোটি টাকা, একটি শংসাপত্র, একটি ফলক এবং চিরাচরিত হস্তশিল্প অথবা হাতে বোনা তাঁতশিল্পের নিদর্শন পুরস্কার হিসাবে দেওয়া হয়।

CG/PB/NS/