Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে বিবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে বিবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে বিবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে বিবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


 

ভারতমাতার জয়

ভারতমাতার জয়

মঞ্চে উপস্থিত সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং আমাকে আশীর্বাদ প্রদানের জন্য বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।

আমার প্রিয় হাজারিবাগের ভাই ও বোনেরা, আগেও আমি হাজারিবাগ এসেছি, আপনারা আমাকে বিপুল সংখ্যায় আশীর্বাদ দিতে এসেছেন। আর প্রত্যেকবারই আগের বারের রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে। আজও আমি দেখতে পাচ্ছি, যাঁরা মঞ্চ নির্মাণ করেছেন, তাঁরা হয়তো ভেবেছিলেন, এদিকে মঞ্চ বানালে মাঠটা ভরা ভরা দেখাবে। কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি যে, ওদিকেও শ্রোতার ঘনত্ব অনেক বেশি আর এখনও অনেকে আসছেন। ঝাড়খন্ডের মাটি বিপ্লবের মাটি। ভগবান বীরসা মুন্ডার নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে এই মাটি অনেক সৈনিক ও বিপ্লবী দিয়েছে। আমি এই মাটির সুসন্তান শহীদ বিজয় সোরেঙ্গ-কে আরেকবার শ্রদ্ধা জানাই। আমি গুমলায় বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সদস্যদের অন্তর থেকে প্রণাম জানাই। তাঁর সন্তানরা অত্যন্ত বীরত্বের সঙ্গে এই কঠিন সময়ের সম্মুখীন হচ্ছেন। আমাদের উচিৎ কৃতজ্ঞতা-স্বরূপ তাঁদের জীবনের প্রতিটি স্তরে অভিভাবকের মতো তাঁদের পরিবারের দেখাশোনা করা।

বন্ধুগণ, আজ আমি এখানে ঝাড়খন্ডের উন্নয়নকল্পে বিগত সাড়ে চার বছর ধরে যত কাজ করেছি, সেগুলিকে আরও গতি প্রদান করতে এসেছি। মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পানীয় জলের সমস্যা থেকে মুক্তি প্রদানের লক্ষ্যে পাইপ লাইন, নমামি গঙ্গে প্রকল্পের শিলান্যাস এবং বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে এখানকার বুনিয়াদী পরিষেবার পরিকাঠামো উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। সেজন্য আমি আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা জানাই। আমি এখানে উপস্থিত হাজার হাজার কৃষককে শুভেচ্ছা জানাই, যাঁদের সরকার স্মার্ট ফোন কেনার জন্য অনুদান দিয়েছে।

বন্ধুগণ, আগেরবার যখন এসেছিলাম, এই ঝাড়খন্ডের মাটি থেকেই বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত, পিএমজে-র শুভ সূচনা করেছিলাম। আপনাদের সকলের আশীর্বাদে এই প্রকল্প আজ সারা দেশের লক্ষ লক্ষ গরিব পরিবারকে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি দিচ্ছে। ঝাড়খন্ড তো এই প্রকল্পের মাধ্যমে সবার আগেই উপকৃত হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই রাজ্যের ৫৭ হাজার মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতে পেরেছেন। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি, আয়ুষ্মান যোজনার সাহায্যে জামশেদপুরে দেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ টিউমার অপারেশন করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পর আমার রাঁচিতে এই প্রকল্পের উপকৃতদের সঙ্গে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হবে।

বন্ধুগণ, ঝাড়খন্ডে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে উন্নত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার মিলেমিশে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেওঘরে এইমস্‌ হাসপাতাল স্থাপনের পর আজ তিনটি জেলায় মেডিকেল কলেজ উদ্বোধন এই প্রচেষ্টারই পরিণাম। মাত্র তিন বছর আগে ঝাড়খন্ডে মাত্র তিনটি মেডিকেল কলেজ ছিল। আর আজ একদিনেই দুমকা, হাজারিবাগ এবং পালামৌ-তে তিনটি মেডিকেল কলেজ চালু হ’ল। পাশাপাশি, হাজারিবাগ, দুমকা, পালামৌ এবং জামশেদপুরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন হাসপাতালেরও শিলান্যাস করা হয়েছে।

ভাই ও বোনেরা, স্বাস্থ্যের সঙ্গে পানীয় জল এবং পরিচ্ছন্নতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ঝাড়খন্ডে পরিচ্ছন্ন পানীয় জল সরবরাহের জন্য সরকার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য আমাদের সরকার ৯ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে ৩৫০টি প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। এরকম আরও ১১টি প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাসের সৌভাগ্য আজ আমার হয়েছে।

ভাই ও বোনেরা, আজ এখানে বেশ কয়েকটি সেচ প্রকল্পেরও শিলান্যাস হ’ল। এগুলি সম্পন্ন হলে হাজারিবাগের পাশাপাশি, রামগড়, পালামৌ, গোরা এবং পশ্চিম সিংভূমের হাজার হাজার হেক্টর জমি সেচের আওতায় চলে আসবে। গতবার যখন আমি পালামৌ গিয়েছিলাম, তখন কয়েক দশক ধরে ঝুলে থাকা মণ্ডল বাঁধ ও উত্তর কোয়েল প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করেছিলাম। এই সকল প্রকল্প এই অঞ্চলের কৃষকদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে তুলবে।

বন্ধুগণ, ঝাড়খন্ড রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষকদের স্বার্থে চালু করা ‘বীজ থেকে বাজার’ পর্যন্ত অভিযানকে গতি দিয়েছে। আজ এখানে কৃষক পরিবারদের স্মার্ট ফোন দেওয়ার প্রকল্প শুরু হয়েছে। অনেক কৃষক চেক-ও পেয়েছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ২৭ লক্ষ কৃষক উপকৃত হবেন। এই স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে এখন কৃষকদের ফসল বিক্রি সংক্রান্ত ডিজিটাল লেনদেন সহজ হবে। তাঁরা এর মাধ্যমে আবহাওয়ার খবর নিতে পারবেন। চাষের নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবেন। পাশাপাশি, অন্যান্য প্রকল্পের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত হতে পারবেন।

বন্ধুগণ, কেন্দ্রীয় সরকার হোক কিংবা ঝাড়খন্ড রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য হ’ল কৃষক ও গরিবদের দালালদের কবল থেকে মুক্ত করা। রেশন থেকে শুরু করে ছাত্রবৃত্তি, পেনশন এবং সমস্ত সরকারি অনুদান এখন সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে। এই অভিযানকে সম্প্রসারিত করে সম্প্রতি ছোট কৃষকদের জন্য একটি বড় প্রকল্প চালু করা হয়েছে – প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি। এর মাধ্যমে যে কৃষকদের ৫ একর কিংবা তারচেয়ে কম জমি রয়েছে, তাঁদেরকে তিন কিস্তিতে বছরে মোট ৬ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। এভাবে আগামী ১০ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকা জমা করবে। এই টাকা দিয়ে তাঁরা যথাসময়ে বীজ, সার ও নিজেদের অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে ওষুধ কিনতে পারবেন। আর মহাজনদের থেকে চড়া সুদে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ১২ কোটি কৃষক উপকৃত হবেন, তার মধ্যে ঝাড়খন্ডের ২২ লক্ষ কৃষক পরিবার লভবান হবেন।

বন্ধুগণ, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মন্ত্র নিয়ে আমাদের সরকার গরিব, শোষিত, বঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া মানুষ, জনজাতি, মহিলা এবং নবীন প্রজন্মের সকলকে ক্ষমতায়নের চেষ্টা করছে। এই ভাবনা থেকেই আজ দুটি বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন বা শিলান্যাস করা হ’ল। এর মধ্যে রয়েছে মহিলাদের জন্য রামগড় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং হাজারিবাগে আচার্য বিনোবাভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে জনজাতি সমাজের উন্নয়নের স্বার্থে সেন্টার ফর ট্রাইবাল স্টাডিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

বন্ধুগণ, ঝাড়খন্ড মহিলা ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। হাজারিবাগের কন্যা ক্যাপ্টেন শিখা সুরভি এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বাইক চালিয়ে যে অদ্ভূত কলাকৌশল প্রদর্শন করেছেন, তা সারা ভারতে মানুষের মুখে মুখে ফিরছে। রামগড়ের মহিলা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও ভবিষ্যতে ক্যাপ্টেন শিক্ষা সুরভির মতো অনেক কন্যাকে দেশের জন্য উৎসর্গ করবে। যাঁরা নতুন ভারতে নতুন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এটি শুধুই মহিলাদের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানোর জন্য পূর্ব ভারতে প্রথম আর দেশের তৃতীয় মহাবিদ্যালয়।

ভাই ও বোনেরা, কেন্দ্রীয় সরকার জনজাতি সমাজে বিদ্যালয় শিক্ষা থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত আর দক্ষতা উন্নয়ন শিক্ষার ক্ষেত্রেও সমস্ত রকম সাহায্য প্রদান করছে। আচার্য বিনোভাভাবে বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর ট্রাইবাল স্টাডিজ এই অঞ্চলের জনজাতিদের সমাজ ও সংস্কৃতিকে বিস্তারিতভাবে জানতে এবং তাঁদের সংস্কারগুলিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এভাবে ঝাড়খণ্ড সহ দেশের সমস্ত আদিবাসী অঞ্চলে একলব্য মডেল স্কুল খোলা হচ্ছে। ঝাড়খন্ডে এরকম প্রায় দুই ডজন স্কুল ইতিমধ্যেই আমরা চালু করেছি। আর অদূর ভবিষ্যতেই আরও ৭০টি নতুন স্কুল খোলার কাজ এগিয়ে চলেছে।

বন্ধুগণ, জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় ক্রীড়া পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। ঝাড়খন্ড, দেশকে শ্রেষ্ঠ তীরন্দাজ সহ অন্যান্য ক্রীড়া ক্ষেত্রেও অনেক বড় বড় খেলোয়াড় উপহার দিয়েছে। নতুন ক্রীড়া পরিকাঠামো ঝাড়খন্ডের যুবসম্প্রদায়ের এই প্রাকৃতিক শক্তিকে দক্ষতার মিশ্রণে আগামীদিনে আরও সাফল্য এনে দেবে।

বন্ধুগণ, আজ এখানে শিশু পুষ্টি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সূত্রপাত হ’ল। এর মাধ্যমে স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের প্যাকেটে করে দুধ দেওয়া হবে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মহোদয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দুধ ও মাখন খাওয়ার কথা মনে রেখে ‘কানহা’ দুগ্ধ যোজনা’ নামের এই প্রকল্প চালু করেছেন। আমি আশা করব যে, এর মাধ্যমে এখানকার শিশুদের পুষ্টি বৃদ্ধির ফলে তারা আরও শক্তিশালী ও মেধাবী হয়ে উঠবে, যাতে তাদের জন্য গোটা দেশের মাথা গর্বে উঁচু হয়। কেন্দ্রীয় সরকার যে রাষ্ট্রীয় পোষণ অভিযান চালু করেছে, সেটিও এই প্রকল্পের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

বন্ধুগণ, শিক্ষা, কর্মদক্ষতা এবং পুষ্টির পাশাপাশি আদিবাসী নায়কদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য, স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁদের অবদানের কথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জানানোর জন্য ঝাড়খন্ডে বীরসা মুন্ডা সংগ্রহালয় গড়ে উঠছে। দেশের অন্যান্য প্রান্তেও এ ধরণের অনেক সংগ্রহালয় গড়ে তুলতে রাজ্য সরকারগুলিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সংগ্রহালয় আমাদের আদিবাসী নায়কদের স্মৃতি সঞ্জীবিত রাখার পাশাপাশি, পর্যটকদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

বন্ধুগণ, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, ঝাড়খন্ডে পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে অনেক প্রশংসনীয় কাজ করেছে। সাড়ে চার বছর আগে এ রাজ্যে পরিচ্ছন্নতার পরিধি ছিল মাত্র ২০ শতাংশ। কিন্তু এখন ঝাড়খন্ড উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম মুক্ত রাজ্য হিসাবে ঘোষিত। সেজন্য রঘুবর দাসজী এবং তাঁর সম্পূর্ণ টিমকে, তাঁর প্রশাসনের সমস্ত কর্মচারীদের আমার পক্ষ থেকে লক্ষ লক্ষ ধন্যবাদ। রেকর্ড সময়ের মধ্যে এই রাজ্যে ৩৩ লক্ষেরও বেশি শৌচাগার গড়ে তোলা হয়েছে। এই অভিজ্ঞতার জন্য আমি আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

বন্ধুগণ, আজ বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাসের মাধ্যমে নদীর জল পরিশ্রুত করার কাজ শুরু করা হয়েছে। সাহেবগঞ্জে সিওর ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের উদ্বোধন হয়েছে। রামগড়ে আজ তেমনই সিওর ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের শিলান্যাস হয়েছে। নমামি গঙ্গে প্রকল্পের অন্তর্গত জল পরিশোধনের পাশাপাশি ঘাটগুলিতে সৌন্দর্যায়নের কাজও শুরু হয়েছে। এর মধ্যে মধুসূদন ঘাটের সৌন্দর্যায়নের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। এই সমস্ত কাজ এত দ্রুত করতে পারছি কারণ আপনারা সাড়ে চার বছর আগে দেশকে একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার নির্বাচন করেছিলেন।

আমি দেশের সমস্ত ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সম্পূর্ণ নিষ্ঠা ও সততার মাধ্যমে দিনরাত যতটা সম্ভব কাজ করে যাই। আপনাদের আশীর্বাদ আমার ওপর এইভাবেই বজায় থাকবে – এই আশা নিয়েই আজ আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি। আমার সঙ্গে দু’হাত উঁচু করে সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে বলুন –

ভারতমাতার জয়

ভারতমাতার জয়

ভারতমাতার জয়

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

CG/SB/SB