পিএমইন্ডিয়া

এখানে উপস্থিত আমার প্রিয় বন্ধুগণ,
আপনারা তো গবেষণাগারে জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন। আর আপনাদের মধ্যে পাইলট প্রকল্পের পরম্পরা রয়েছে। এই পাইলট প্রকল্পের সাফল্য পরিমাপযোগ্য। তারপর বাস্তবায়নের প্রশ্ন আসে। এখনই একটি পাইলট প্রোজেক্ট হ’ল। আর এর বাস্তবায়ন হ’ল, যখন সবাই উঠে দাঁড়িয়ে পুরস্কার বিজেতাদের হাততালি দিয়ে স্বাগত জানালেন।
আজ জাতীয় বিজ্ঞান দিবসে আপনাদের সকলের মাঝে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। আপনারা সবাই ভালোভাবেই জানেন যে, আজকের দিনটি মহান বৈজ্ঞানিক ডঃ সি ভি রমন দ্বারা ‘রমন এফেক্ট’ আবিষ্কারের স্মৃতি হিসাবে পালন করা হয়। এই আবিষ্কার দেশকে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রথম নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছিল। আমি ডঃ রমনকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে বিজ্ঞান দিবসে দেশের প্রত্যেক বৈজ্ঞানিক ও বিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
প্রার্থনা করি, যেন আপনাদের গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সকল প্রয়াস সফল হয়, আর তা দেশের মানুষের উপকারে লাগে। আজ যাঁরা শান্তি স্বরূপ ভাটনাগর পুরস্কার পেলেন, তাঁদের ও তাঁদের পরিবারবর্গকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আপনাদের আবিষ্কারগুলির জন্য ভারতবাসী গর্বিত। তাঁদের পরিবারবর্গকে এজন্য বিশেষ শুভেচ্ছা জানানোর কারণ হ’ল – বৈজ্ঞানিকরা গবেষণাগারে জীবন কাটীয়ে দেন আর সেজন্য সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেন, তপস্যা করেন পরিবারের মানুষেরা। আপনাদের প্রচেষ্টায় আপনাদের কাজের মাধ্যমে দেশ ও সমাজ উপকৃত হয়েছে, আর তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষের উপকারে লাগবে। ‘জয় জওয়ান, জয় কিষাণ’, ‘জয় বিজ্ঞান’ এবং ‘জয় অনুসন্ধান’ – এর পথে নতুন ভারতের বিজয়পথ গড়ে উঠবে। সেজন্য এ ধরণের এবং জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের মতো আয়োজনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ বছরের ‘থিম’ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমি নিজেও বিজ্ঞানের সঙ্গে মানুষের প্রয়োজনকে মেলানোর পক্ষপাতি। আমাদের সরকারের যাবতীয় কর্মসূচি এবং প্রকল্পের মাধ্যমেও আমরা এই লক্ষ্যে কিছু না কিছু করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বন্ধুগণ, আমাদের ‘ডেমোক্রেসি, ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ডিমান্ড’ – এর ‘ডিভিডেন্ট’ হ’ল আজ ভারত বিশ্বে সর্বাধিক দ্রুতগতিতে অগ্রসরমান অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠেছে। আমাদের যুবসম্প্রদায়ের উচ্চাকাঙ্খা, সমস্ত ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠার তীব্র আকাঙ্খা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই প্রেক্ষিতে আমাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বা উদ্ভাবনকে জনগণের সঙ্গে যুক্ত করে তাঁদের সমাজের আকাঙ্খাসমূহ ও প্রয়োজনের অনুরূপ করে তুলতে হবে। এ বছর জলন্ধরে ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে আমি বলেছিলাম যে, ভারতের সত্যিকারের শক্তি এটাই যে, এদেশে বিজ্ঞানকে সমাজের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। আর আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, আপনারা সবাই আমাদের প্রত্যেক বৈজ্ঞানিক পরমাণুশক্তি, মহাকাশ বিজ্ঞান এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গবেষণা নিজেদের দক্ষতাকে প্রতিনিয়ত উন্নত করে যাবেন।
বন্ধুগণ, আমাদের দেশের মানুষের এখন শ্রেষ্ঠ থেকে কম কিছু পেয়ে খুশি হওয়া উচিৎ নয়। আমাদের মান এখন অনেক উপরে উঠে এসেছে। আমাদের সংস্থাগুলির ভাবনা যদি পুরনো হয়, তা হলে আমরা দেশবাসীর আকাঙ্খা বাস্তবায়িত করতে পারব না। বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকেও ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয়তা বুঝে মৌলিক শক্তি অক্ষত রেখে ভবিষ্যতের সমাজ এবং অর্থনীতির উপযোগী করে নিজেদের গড়ে নিতে হবে। আমি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য বিজ্ঞান পরামর্শদাতাকে এ বিষয়ে সামগ্রিক প্রকল্প রচনা করে এগিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছি। আর এক্ষেত্রে আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
বন্ধুগণ, ইচ্ছাশক্তি থাকলে সীমিত সম্পদ থেকেও অদ্ভূত পরিণাম যে পাওয়া যেতে পারে তার উদাহরণ হ’ল আমাদের মহাকাশ প্রকল্পের সাফল্য। আমাদের চন্দ্র অভিযান, মঙ্গল অভিযান কিংবা উপগ্রহ উৎক্ষেপণ ক্ষেত্রে আমাদের বিজ্ঞানীদের গবেষণালব্ধ সাফল্য বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়েছে। আমাদের প্রথম প্রচেষ্টাতেই মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে মঙ্গলযানকে প্রেরণ করা একটি অভূতপূর্ব সাফল্য। এক্ষেত্রে ভারত প্রথম এশিয়ার দেশ। এই সাফল্য থেকে আমার দৃঢ় বিশ্বাস গড়ে উঠেছে যে, ২০২২ সালের মধ্যে আপনারা সাফল্যের সঙ্গে গগণ যান অভিযানের মাধ্যমে দেশের ছেলেমেয়েদের অন্তরিক্ষে নিয়ে যাবেন আর মহাকাশে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা ওড়াবেন।
বন্ধুগণ, আমাদের বৈজ্ঞানিকরা সর্বদাই মানবতার স্বার্থে অবদান রেখেছেন। দেশের সাধারণ মানুষের জীবনকে সহজ করে তোলার জন্য আপনাদের প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুফলদায়ক। ওষুধ নির্মাণ ক্ষেত্রে আপনাদের সাফল্য ভারতকে আজ ষষ্ঠ বৃহত্তম বাজার ও তৃতীয় বৃহত্তম দ্রুতগতিতে সম্প্রসারমান বাজারে পরিণত করেছে। আজ ভারত ২০০টিরও বেশি দেশে ভারতীয় ওষুধ রপ্তানি করে।
বন্ধুগণ, আমাদের ওষুধ উৎপাদন ক্ষেত্রে উন্নয়নের পেছনে সিএসআইআর গবেষণাগারের মতো প্রযুক্তিগত শক্তি রয়েছে। তাঁরা বিশ্বের অনেক দেশে উৎপাদিত দামি ওষুধকে দেশে সুলভমূল্যে উৎপাদন করছে। তাদের ওষুধ নির্মাণের জ্ঞান ও ভারতের অরণ্যে ঔষধি বৃক্ষের সম্পদ এই সংস্থার কাজের পরিধি ভবিষ্যতে আরও বিস্তার করবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি মনে করি, এখন আমাদের ওষুধ নির্মাণ ক্ষেত্র আর জৈব প্রযুক্তিকে আরও গতিশীল করার সময় এসে গেছে। আর সেজন্য জেনেরিকস্ ও বায়ো সিমিলার থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার সঙ্গে উদ্ভাবনকে জুড়তে হবে।
বন্ধুগণ, সিএসআইআর এর মাধ্যমে আরেকটি প্রশংনীয় প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, সেটি হ’ল অরোমা মিশন। এর মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তর-পূর্ব ভারত ও ছত্তিশগড়ের আদিবাসী এলাকায় আমাদের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। আর আমাকে বলা হয়েছে যে, বিগত ১৮ মাসে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ঔষধি বৃক্ষগুল্মের চাষ শুরু হয়েছে। সেজন্য আমি সিএসআইআর – এর সম্পূর্ণ টিমকে অভিনন্দন জানাই।
ঔষধি বৃক্ষগুল্মের চাষ ছাড়াও জৈব জ্বালানির ক্ষেত্রেও সিএসআইআর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সিএসআইআর যে বিমানের জ্বালানি উৎপাদন করেছে, তার সফল মহড়াও সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৮-র ২৭ আগস্ট প্রথমবার দেরাদুণ থেকে দিল্লি পর্যন্ত এই জৈব-জ্বালানি চালিত বিমানযাত্রা সফল হওয়ায় ভারত সেই হাতেগোণা দেশগুলির অন্যতম হয়ে উঠেছে যে দেশে জৈব-জ্বালানি চালিত বিমানযাত্রা চালু হয়েছে। শুধু অসামরিক ক্ষেত্রে নয়, এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসে জৈব-জ্বালানি চালিত ভারতীয় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানও আকাশে উড়েছে।
বন্ধুগণ, এখন একটি নতুন ধরণের জ্বালানির প্রয়োজন হবে। আগামী দু’দশকে বিগ ডেটা, মেশিন লার্নিং, ব্লক চেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তির যুগ আসছে। এই সকল প্রযুক্তি ডেটা-ভিত্তিক হবে। আর সেজন্য বলা হচ্ছে যে, বিশ্বে ‘ডেটা’ই নতুন ধরণের জ্বালানি হয়ে উঠতে চলেছে। এই নতুন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আমাদের সরকারও ন্যাশনাল মিশন অন ইন্টার ডিসিপ্লিনারি সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম অভিযান শুরু করেছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা এই অভিযানের জন্য খরচ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে রোবোটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডিজিটাল, ম্যানুফ্যাকচারিং বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস কোয়ান্টাম কম্যুনিকেশন এবং ইন্টারনেট অফ থিংস – এর গবেষণা ও উন্নয়নকে উৎসাহ প্রদান করা হবে।
বন্ধুগণ, কেন্দ্রীয় সরকার একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টাস্কফোর্স-ও গড়ে তুলেছে, যাতে ভারত ইন্ডাস্ট্রি ফোর পয়েন্ট জিরোর জন্য প্রস্তুত হতে পারে। আমি দেশের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তি বিশারদদের প্রতি আবেদন জানাই, এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গোড়ার দিকে বিশ্বকে পথপ্রদর্শনকারী নতুন প্রযুক্তিগুলির বিকাশ ঘটান, যাতে ভারত নির্মাণ ক্ষেত্র, জ্ঞান ও প্রযুক্তি-নির্ভর শিল্পে গ্লোবাল হাব হয়ে উঠতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের মাধ্যমে দেশে কৃষি থেকে শুরু করে পরিবহণ ও স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে আবহাওয়া বিজ্ঞান পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের পথ নির্ধারণ আর নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করা যায়।
আজ যে প্রযুক্তিগুলির বিকশিত হচ্ছে, সেগুলিকে কোনও সীমায় বেঁধে রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য নতুন ধরণের ভাবনার প্রয়োজন। ক্রস ডিসিপ্লিনারি গবেষণা এই ভাবনাকে আরও পোক্ত করতে পারে, যাতে এমন গবেষণার আবহ গড়ে তোলা যায়, যেখানে ইঞ্জিনিয়াররা সেল বায়োলোজিস্টদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ ক্রতে পারেন। রসায়নবিদ্যা কলা ও সংস্কৃতি থেকে প্রেরণা নিতে পারেন। পদার্থবিদরা সমাজবিদদের সঙ্গে মিলেমিশে উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারেন। ভিন্ন ভিন্ন শাখা ও ভাবনার সঙ্গমে নিশ্চিতভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন-ভিত্তিক উদ্ভাবনের এক নতুন সংস্কৃতি গড়ে উঠতে পারে।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, এই সংস্কৃতি আমাদের সরকারের উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রচেষ্টা দ্বারা শক্তিশালী হবে। গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ যোগাতে আমরা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্বায়ত্ত্বশাসন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এই প্রক্রিয়ায় ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় সহ ৬০টি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গ্রেডেড অটোনমি দেওয়া হয়েছে। এই ভাবনা থেকেই আইআইএম-গুলিকে স্বায়ত্ত্বশাসনের অধিকার দেওয়া হয়েছে। একইভাবে, ‘ইন্সটিটিউটস্ অফ এমিনেন্স’ গড়ে তোলারো কাজ শুরু হয়েছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও স্বায়ত্ত্বশাসন প্রদান করা হয়েছে, যাতে তারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে স্থান করে নিতে পারে। আমাদের যুবসম্প্রদায়ের ভাবনাকে প্রেরণা যোগানো এবং বৈজ্ঞানিক মেজাজ গড়ে তোলা একটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। কারণ, তারাই আমাদের ভবিষ্যৎ ভারতকে নেতৃত্ব দেবে।
বন্ধুগণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রভাবে সমাজের প্রান্তিক মানুষ ও বঞ্চিতরা যখন সুফল পান, তখনই কোনও দেশ এগিয়ে যেতে পারে। সেজন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে দেশের সমস্যাগুলির সমাধানে কাজে লাগানোর জন্য সকল বৈজ্ঞানিক সংস্থাকে এই অভিযানের অংশ করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। সেজন্য আমাদের গবেষণাকে সমাধানমুখী করে তুলতে হবে। স্বাস্থ্য পরিষেবা, সুলভ গৃহ নির্মাণ, পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বৈদ্যুতিক পরিবহণ ব্যবস্থা, সাইবার নিরাপত্তা ও মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে কোনও রকম সমঝোতা করা যাবে না। বিজ্ঞান হবে মৌলিক আর প্রযুক্তি হবে স্থানীয়। এই অভিযানকে সাফল্যমণ্ডিত করতে ঢিমেতালে কাজ করার অভ্যাস ছাড়তে হবে। খন্ডিত চিন্তাকে সামগ্রিক চিন্তায় রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের স্থির লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে, তবেই আমরা সঠিক পথ দেখতে পাব। এই প্রতিযোগিতামূলক প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা পরিবেশে আমাদের বড় পদক্ষেপ নিতে হবে। সমাজের এই সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন পরামর্শদাতা পর্ষদ পূর্ণ উদ্যমে কাজ করে চলেছে।
বন্ধুগণ, আপনাদের ক্ষমতা, দক্ষতা এবং সামর্থ্যে আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এই সামর্থ্য থেকেই নতুন ভারতের জন্য নতুন নতুন আবিষ্কার হবে। নতুন প্রযুক্তি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা ও বিজ্ঞানের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্য দেশ এগিয়ে যাবে। তখনই আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের সৈনিক ও কৃষকরা উপকৃত হবেন। যে মহান ব্যক্তিরা এই বিজ্ঞান ক্ষেত্রে সাধনা করে গেছেন, তাঁদেরকে আরেকবার শ্রদ্ধা জানিয়ে আর যে ঋষিতুল্য বৈজ্ঞানিকরা আজ পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে আপনাদের সবাইকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবসে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
SSS/SB/SB
Honouring the winners of the Shanti Swarup Bhatnagar Prizes. https://t.co/uNp48mbhAt
— PMO India (@PMOIndia) February 28, 2019