Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

গুজরাটের খরা ও জলসঙ্কট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

গুজরাটের খরা ও জলসঙ্কট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে গুজরাটের খরা ও জলসঙ্কট পরিস্থিতির পর্যালোচনা করলেন ঐ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী আনন্দীবেন প্যাটেলের সঙ্গে। কেন্দ্র ও রাজ্যস্তরের পদস্থ কর্তা-ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এই পর্যালোচনা বৈঠকে।

জল সংরক্ষণে রাজ্যের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার কথা বৈঠকে তুলে ধরেন শ্রীমতী আনন্দীবেন প্যাটেল। তিনি জানান, ১ লক্ষ ৬৮ হাজার বাঁধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ২ লক্ষ ৭৪ হাজার কৃষিকাজে ব্যবহারযোগ্য জলাশয় এবং ১ কোটি ২৫ লক্ষ বড় বাঁধের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাঁর রাজ্যে। ৪২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট জল মজুত করে রাখার মতো ব্যবস্থাও গড়ে তুলেছে তাঁর সরকার। এর ফলে, ৬ লক্ষ ৩২ হেক্টর জমিতে জলসেচের যোগান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

বৈঠকে আরও জানানো হয় যে রাজ্যের ৭৭ শতাংশ গৃহস্থ বাড়িতেই এখন পাইপলাইন মারফৎ জল সরবরাহ করা হচ্ছে। পর পর দু’বছর বৃষ্টিপাতে ঘাটতি সত্ত্বেও রাজ্যের জল পরিস্থিতি এতটাই উন্নত করে তোলা হয়েছে যে গ্রামীণ প্রত্যন্ত এলাকায় মাত্র ৫৬৮টি ট্যাঙ্কারের সাহায্যেই জল পৌঁছে দেওয়া গেছে।

রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ ও কর্মপ্রচেষ্টার বিশেষ প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে, ট্যাঙ্কারের সাহায্যে জলের যোগান দেওয়ার মতো পরিস্থিতি যাতে আর না দেখা দেয় তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে পর্যালোচনাকালে প্রকাশ পায় যে অতিক্ষুদ্র সেচ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে গুজরাট উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির স্বাক্ষর রেখেছে। রাজ্যের ৩,৭৮৯টি গ্রামে এই ব্যবস্থায় সেচ সম্প্রসারিত হয়েছে।

বৃষ্টিপাতে ঘাটতি সত্ত্বেও রাজ্য সরকার গৃহীত বিভিন্ন ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে খরা মোকাবিলা করার মতো অবস্থায় এখন পৌঁছে গেছে গুজরাট। উপর্যুপরি দুটি বছরে বৃষ্টিপাতের অভাবে খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও রাজ্যে শস্য উৎপাদিত হয়েছে মোট স্বাভাবিক উৎপাদনের ৯৫ শতাংশ।

সর্দার সরোবর সেচ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ক্যানেল নেটওয়ার্ককে জোরদার করে তোলায় শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়ে উঠেছে। এর ফলে, কৃষিজীবী মানুষের আয় ও উপার্জনও আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রসঙ্গের অবতারণাকালে রাজ্যের উদ্যানপালন এবং নগদ শস্য ফলনের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

মৎস্যচাষ, মৌমাছি পালন, মুক্তোচাষ ইত্যাদি সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয় আজকের বৈঠকে। উদ্ভুত পরিস্থিতির মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করে যাবে এই সঙ্কল্প গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এদিনের পর্যালোচনা বৈঠক।

PG/SKD/DM/