Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। এই বৈঠকে আপনাদের সকলকে আমি স্বাগত জানাই। গতকাল অধিবেশনে যে সমস্ত আলোচনা হয়েছে এবং আজ এখানে আবার যে সমস্ত বিষয়ে আলোচনা হবে, তা এই অঞ্চলের দ্রুত বিকাশে বিশেষ সাহায্য করবে বলেই আমি আশা করি।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিকাশ ও উন্নয়নে সাহায্য ও সমর্থন নিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদ এগিয়ে এসেছে জেনে আমি বিশেষভাবে আনন্দিত। এই অঞ্চলে বেশ কয়েকটি সংস্থা গড়ে তোলাএবং পরিকাঠামো প্রকল্প রূপায়ণেরকাজে এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের সূচনা ১৯৭২ সালে। সেই সময়কাল থেকেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিকাশে সচেষ্ট রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কতটা সাফল্য অর্জিত হয়েছে সে সম্পর্কে পর্যালোচনা করে দেখা উচিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের। পরিষদকে আরও সংহত ও উন্নীত করে তোলা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও সহায়সম্পদের যোগানের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির স্বার্থে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদকে একটি অত্যাধুনিক সহায়সম্পদ কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলার বিষয়টি আপনারা ভেবে দেখতে পারেন। যথাযথভাবে পরিকল্পনা রচনার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের রূপায়ণে সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও সংস্থাগুলিকে সাহায্য করতে পারে এই ধরনের সহায়সম্পদ কেন্দ্র। সেইসঙ্গে, গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিষয়টিকে উৎসাহদান এবং এই অঞ্চলের জন্য এক কৌশলগত নীতি রচনার কাজেও বিশেষ দায়িত্ব পালন করতে পারে এই কেন্দ্রটি।

উন্নয়ন পরিকল্পনার কাজে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিকে সহায়তাদানের পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এক বিশেষ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করে দেখতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদ। এর সুবাদে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সুপ্রশাসন ও সুপরিচালন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। জীবিকার্জন, শিল্পোদ্যোগ, ভেঞ্চার তহবিল, স্টার্ট আপ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলিতেও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া উচিত পরিষদের। কারণ, এ সমস্ত কিছুই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সাহায্য করবে।

‘পূর্বের জন্য কাজ করো’ – এই নীতি গ্রহণের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বের বিকাশ ও উন্নয়নে সরকার বিশেষভাবে আগ্রহী। নীতির একটি অঙ্গ হিসেবে রেল,সড়ক, টেলিযোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জলপথ ক্ষেত্রগুলির উন্নয়নের মধ্য দিয়ে এই অঞ্চল যাতে আর কোনভাবেই দেশের অন্যকোন অংশের থেকে বিচ্ছিন্ন না থাকে, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছি আমরা।

দেশের পশ্চিমাঞ্চল যদি উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে, অন্যান্য অঞ্চলও যদি বিকাশ লাভ করে, তাহলে উন্নয়নের দিক থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরপিছিয়ে থাকার কোন কারণ নেই। উত্তর-পূর্বাঞ্চল সহ দেশের সবক’টি অঞ্চল যদি উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়, তাহলে ভারতও এগিয়ে যাবে দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যে। কৌশলগত বিভিন্ন কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্ব আমাদের কাছে অনেকখানি। তাই দেশের অন্যান্য উন্নত অঞ্চলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই অঞ্চলটিরও বিকাশ ও উন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন।

বর্তমান বাজেটে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য আমরা সংস্থান রেখেছি ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই অঞ্চলের বিকাশে বরাদ্দকৃত অর্থের যাতে সদ্ব্যবহার হয়, তা নিশ্চিত করতে আমরা সচেষ্ট।

প্রতিযোগিতামূলক অথচ সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বাসী। শক্তিশালী যে রাজ্যগুলি আরও এগিয়ে যেতে চায় তাদের যথেষ্ট মাত্রায় ক্ষমতা ও সহায়সম্পদ দেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, যে রাজ্যগুলি এখনও ততটা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারেনি, সেগুলিকে দিতে হবে প্রয়োজনীয় সাহায্য ও সহায়তা। মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত এক কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে ৯০:১০ এবং অন্যান্য কর্মসূচিগুলির ক্ষেত্রে ৮০:২০ অনুপাতে সাহায্য ও সহযোগিতা দিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে আমরা অবিচল রয়েছি।

সাম্প্রতিক অতীতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প আমরা স্থাপন করেছি অসমে – ব্রহ্মপুত্র ক্র্যাকার অ্যান্ড পলিমার লিমিটেড এবং রুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডের ওয়াক্স ইউনিট। এই দুটি বড় প্রকল্প থেকে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে। এই প্রকল্প সম্পূর্ণ করতে বহু সময় ব্যয় হয়েছে। আমাদের এখন নিশ্চিত করতে হবে যে সঠিক সময়ে এবং ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আগেই প্রকল্পগুলির কাজ যাতে সম্পূর্ণ হয়। একমাত্র তখনই এই সমস্ত প্রকল্পের প্রকৃত সুফল আমরা উপলব্ধি করতে পারব।
উত্তর-পূর্ব ভারত হল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেশ তোরণ। এই সুযোগকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আমরা সড়ক ও রেলপথ স্থাপন করতে চলেছি। কারণ, তা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য আমরা ‘জাতীয় মহাসড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম’ নামে এক বিশেষ মহাসড়ক নির্মাণ সংস্থা গড়ে তুলেছি যা নথিবদ্ধ হয় ২০১৪-র ১৮ জুলাই। তখন থেকে এর শাখা অফিস খোলা হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের সবক’টি রাজ্যে। বর্তমানে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে ৩৪টি প্রকল্প রূপায়ণের কাজে যুক্ত রয়েছে এই সংস্থাটি। ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১,০০১ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণের কাজ বর্তমানে চলছে।
সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের জমি ও জলবায়ু পরিস্থিতির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অধিকাংশ স্থানেই বৃষ্টিপাত হয় প্রচুর। একইসঙ্গে, এই অঞ্চলগুলি হল ভূমিক্ষয় সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়প্রবণ এলাকা। তাই, এই অঞ্চলে সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি যাতে ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতায় আমরা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য এক উন্নত ইন্টারনেট সংযোগ কর্মসূচি রূপায়িত করেছি। এই ব্যবস্থায় ১০ জিবি-র মতো ব্যান্ডউইড্‌থ পাওয়া যাবে এই অঞ্চলের জন্য। উত্তর-পূর্ব ভারতকে অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত করবে এই কর্মসূচিটি।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিদ্যুৎ সংবহন প্রকল্প গড়ে তোলার কাজে হাত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলশ্রুতিতে এই অঞ্চলের আরও বহু এলাকায় পৌঁছে যাবে বিদ্যুতের সুযোগ। বিশ্বনাথ-চোরিয়ালি-আগ্রাসংবহন লাইনটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। এর ফলে, অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে এই অঞ্চলে।

১০ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যয়ে এই অঞ্চলে এক বড় ধরনের সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল। ২০১৪-র নভেম্বরে অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়কে নিয়ে আসা হয়েছে দেশের রেল মানচিত্রে। ত্রিপুরার আগরতলাকেও যুক্ত করা হয়েছে ব্রডগেজ রেললাইনের মাধ্যমে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সবক’টি রাজ্যকেই অনতিবিলম্বে রেল মানচিত্রে নিয়ে আসার জন্য আমরা বিশেষভাবে সচেষ্ট রয়েছি।

ভারতীয় রেল গত দু’বছরে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার ব্রডগেজ লাইন চালু করেছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে আর মাত্র ৫০ কিলোমিটার মিটার গেজ লাইন ব্রডগেজে রূপান্তরিত করার কাজ বাকি। এছাড়াও, উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে ১৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এক তৃতীয় বিকল্প সংযোগ রুট (নিউ ময়নাগুড়ি-যোগিঘোপা)চালু করা হয়েছে।
শক্তির দিক থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সম্ভাবনা প্রচুর। এই অঞ্চলের সুস্থ ও সার্বিক বিকাশে আমরা সেই শক্তিকে কাজে লাগাতে চাই। এই অঞ্চলের সবক’টি রাজ্য নৈসর্গিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক তথা সুপ্রাচীন ঐতিহ্যে আশীর্বাদধন্য। এ সমস্ত কিছুই এই অঞ্চলের পর্যটনের বিকাশে বিশেষভাবে সহায়ক। উত্তর-পূর্ব ভারতকে যদি সঠিক উপায়ে উন্নত করে তোলা যায়, তাহলে তা হয়ে উঠতে পারে এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির এক বিশেষ উৎস। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আয় ও উপার্জন বৃদ্ধিতেও তা বিশেষভাবে সাহায্য করতে পারে।

পর্যটন মন্ত্রক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য একটি পর্যটন সার্কিট চিহ্নিত করেছে। এই কর্মসূচির সুযোগ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি উৎসাহের সঙ্গেই গ্রহণ করবে বলে আমি আশা করি। এর ফলশ্রুতিতে, বিশ্বের এক বিশেষ পর্যটন আকর্ষণ গড়ে উঠবে এই অঞ্চলটিতে। প্রতিবেশী দেশগুলির কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এই সার্কিটের সঙ্গে যুক্ত হলে তা হয়ে উঠবে পর্যটকদের কাছে এক অতিরিক্ত আকর্ষণ।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তরুণ ও যুবকদের অধিকাংশই ইংরেজিভাষী। উন্নত যোগাযোগ এবং ভাষায় দখল ও দক্ষতার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলে বিপিও শিল্প গড়ে তোলার সম্ভাবনার দিকটিও আপনারা ভেবে দেখতে পারেন।

ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য বিপিও শিল্প গড়ে তোলার কর্মসূচি অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিই এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবক’টি রাজ্য নিজের নিজের এলাকায় এই ধরনের বিপিও চালু করার সুযোগ অবশ্যই গ্রহণ করবে। এর ফলে, একদিকে যেমন এই অঞ্চলের সমৃদ্ধি ঘটবে, অন্যদিকে তেমনই তরুণ ও যুবকদের জন্য প্রসারিত হবে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

উত্তর-পূর্ব ভারত হল ফলমূল, শাকসব্জি, ফুল, সুগন্ধি ও ভেষজ গাছাপালার আকর স্থান। এ সমস্ত কিছুই জৈব কৃষি পদ্ধতিতে গড়ে ওঠে। তাই, জৈব পদ্ধতিতে কৃষিকর্মের বিষয়টি যদি আমরা আমাদের উন্নয়নের কৌশলের সঙ্গে যুক্ত করতে পারি, তাহলে বিশেষভাবে উপকৃত হবে এই অঞ্চলটি।

কয়েক মাস আগে সিকিমকে দেশের প্রথম জৈব কৃষি রাজ্য বলে ঘোষণা করার জন্য ঐ রাজ্যের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সুযোগ ঘটেছিল আমার। তাই, জৈব কৃষি পদ্ধতির বিষয়ে সিকিম পথ দেখাতে পারে দেশের অন্য রাজ্যগুলিকে। এই অঞ্চলে জৈব কৃষি পদ্ধতির প্রসার ও উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদ। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারত হয়ে উঠতে পারে সারা দেশের এক খাদ্যভাণ্ডার। জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত পণ্যের কদর ও চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে উত্তরোত্তরভাবে। সুতরাং, এই অঞ্চলে জৈব কৃষি পদ্ধতিতে পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদ। এর ফলে, এই অঞ্চলের জনসাধারণের আয় ও উপার্জনও বৃদ্ধি পাবে বহুগুণে।

উত্তর-পূর্ব ভারতে রয়েছে এক বিশাল সংখ্যক গ্রামীণ জনসাধারণ। শুধুমাত্র অসমের কথাই যদি আমরা ধরি, ঐ রাজ্যের ৮৬ শতাংশ মানুষই বাস করেন গ্রামে। দেশের পল্লী অঞ্চলে আর্থ-সামাজিক ও প্রাথমিক উন্নয়নের চাহিদা পূরণে আমরা চালু করেছি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি মিশন। এই অঞ্চলের রাজ্যগুলির উচিত মিশনের এই কর্মসূচিগুলি গ্রহণের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গ্রামীণ এলাকার বিকাশ ও উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা।

পরিশেষে, শিলং-এ সাফল্যের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ বৈঠক পরিচালনার জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের চেয়ারম্যান সহ সমস্ত সদস্যকেই জানাই আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
1এই বৈঠকের উদ্যোগ-আয়োজনের জন্য আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই মেঘালয়ের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীকে। বৈঠকের বিভিন্ন আলোচনা ও মতবিনিময় এই অঞ্চলের বিকাশ ও উন্নয়নে পথ দেখাবে বলে আমি নিশ্চিত। ধন্যবাদ।