পিএমইন্ডিয়া
নতুন দিল্লি, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
দেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক চালচিত্রের এক স্মরণীয় লগ্নে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় পবিত্র শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দিরের শিখরে আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেন। ধ্বজারোহণ উৎসব মন্দির নির্মাণের সমাপ্তি এবং সাংস্কৃতিক উদযাপন ও জাতীয় ঐক্যের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনার প্রতীক। এই উপলক্ষে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ অযোধ্যা শহর ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার আরেকটি শিখর প্রত্যক্ষ করছে। “আজ সমগ্র ভারত এবং সমগ্র বিশ্ব ভগবান শ্রীরামের চেতনায় পরিপূর্ণ”, শ্রী মোদী বলেন, প্রতিটি রাম ভক্তের হৃদয়ে অনন্য তৃপ্তি, অসীম কৃতজ্ঞতা এবং অপরিসীম আনন্দ বিরাজ করছে। শতাব্দীর পুরনো ক্ষত নিরাময় হচ্ছে, শতাব্দীর যন্ত্রণার অবসান ঘটছে এবং শতাব্দীর সংকল্প আজ পূর্ণতা পাচ্ছে। এটি এমন একটি যজ্ঞের সমাপ্তি যার আগুন ৫০০ বছর ধরে প্রজ্জ্বলিত ছিল, এমন এক যজ্ঞ যার বিশ্বাস কখনও টলে যায়নি, এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস ভাঙেনি। আজ ভগবান শ্রীরামের গর্ভগৃহের অসীম শক্তি এবং শ্রীরামের পরিবারের ঐশ্বরিক মহিমা এই ধর্মধ্বজের আকারে এই ঐশ্বরিক এবং মহৎ মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
শ্রী মোদী বলেন, “এই ধর্মধ্বজ নিছক একটি পতাকা নয়, এটি ভারতীয় সভ্যতার নবজাগরণের পতাকা”, এর গেরুয়া রঙ, এতে উৎকীর্ণ সৌর রাজবংশের গৌরব, পবিত্র ওঁ চিহ্ন এবং খোদাই করা কোভিদার গাছ রাম রাজ্যের মহত্ত্বের প্রতীক। এই পতাকা হল সংকল্প, এই পতাকা হল সাফল্য, এই পতাকা হল সংগ্রামের মাধ্যমে সৃষ্টির গাথা, এই পতাকা হল শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এগিয়ে যাওয়া স্বপ্নের মূর্ত প্রতীক এবং এই পতাকা হল সাধুদের তপস্যা এবং সমাজের অংশগ্রহণের অর্থপূর্ণ পরিণাম।
আগামী শতাব্দী এবং সহস্রাব্দ ধরে, এই ধর্মধ্বজ ভগবান রামের আদর্শ এবং নীতি ঘোষণা করবে। এটি কেবল সত্যের জয় ঘোষণা করবে, মিথ্যার নয়। এটি ঘোষণা করবে যে সত্য নিজেই ব্রহ্মের রূপ এবং সত্যের মধ্যেই ধর্ম প্রতিষ্ঠিত। এই ধর্মধ্বজ যা বলা হচ্ছে, তা পূরণ করার সংকল্পকে অনুপ্রাণিত করবে। এটি এই বার্তা প্রদান করবে যে পৃথিবীতে কর্ম এবং কর্তব্যকে প্রাধান্য দিতে হবে। এটি বৈষম্য ও দুঃখ থেকে মুক্তি এবং সমাজে শান্তি ও সুখের উপস্থিতির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করবে। এই ধর্মধ্বজ আমাদের এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার সংকল্পে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করবে যেখানে দারিদ্র্য থাকবে না এবং কেউ দুঃখী বা অসহায় থাকবে না।
আমাদের ধর্মগ্রন্থগুলি স্মরণ করে শ্রী মোদী বলেন, যারা যেকোনো কারণে মন্দিরে এসে এর পতাকার সামনে মাথা নত করতে পারে না তারাও সমান যোগ্যতা অর্জন করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এই ধর্মধ্বজ মন্দিরের উদ্দেশ্যের প্রতীক, দূর থেকে এটি রাম লালার জন্মস্থানের দর্শন প্রদান করবে এবং ভগবান শ্রীরামের আদেশ এবং অনুপ্রেরণা যুগ যুগ ধরে মানবতার কাছে বহন করবে। এই অবিস্মরণীয় এবং অনন্য অনুষ্ঠানে তিনি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি রাম ভক্তদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি ভক্তদের প্রতি প্রণাম জানান এবং রাম মন্দির নির্মাণে অবদান রাখা প্রতিটি দাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি মন্দির নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি কর্মী, প্রতিটি কারিগর, প্রতিটি পরিকল্পনাকারী এবং প্রতিটি স্থপতিকে অভিবাদন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অযোধ্যা হল সেই ভূমি যেখানে আদর্শ আচরণে রূপান্তরিত হয়”, এই শহর থেকে শ্রীরাম তাঁর জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলেন। অযোধ্যা বিশ্বকে দেখিয়েছে যে কীভাবে একজন ব্যক্তি, সমাজের শক্তি এবং মূল্যবোধের মাধ্যমে, পুরুষোত্তম হয়ে ওঠে। শ্রীরাম যখন অযোধ্যা থেকে নির্বাসনের জন্য অযোধ্যা ত্যাগ করেছিলেন, তখন তিনি ছিলেন যুবরাজ রাম, কিন্তু যখন তিনি ফিরে আসেন, তখন তিনি ‘মর্যাদা পুরুষোত্তম’ হয়ে ফিরে আসেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শ্রীরামের মর্যাদা পুরুষোত্তম হওয়ার ক্ষেত্রে, মহর্ষি বশিষ্ঠের জ্ঞান, মহর্ষি বিশ্বামিত্রের দীক্ষা, মহর্ষি অগস্ত্যের নির্দেশনা, নিষাদরাজের বন্ধুত্ব, মা শবরীর স্নেহ এবং ভক্ত হনুমানের ভক্তি – এই সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
উন্নত ভারত গঠনের জন্য সমাজের সম্মিলিত শক্তি অপরিহার্য বলে মত প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, রাম মন্দিরের ঐশ্বরিক প্রাঙ্গণ ভারতের সম্মিলিত শক্তির চেতনার কেন্দ্র হয়ে উঠছে। তিনি উল্লেখ করেন যে এখানে সাতটি মন্দির নির্মিত হয়েছে, যার মধ্যে মাতা শবরীর মন্দিরও রয়েছে, যা আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রেম এবং আতিথেয়তার ঐতিহ্যের প্রতীক। নিষাদরাজ মন্দিরটি বন্ধুত্বের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে যা উপায় নয়, বরং উদ্দেশ্য এবং তার অনুভূতির পূজা করে। এখানে এক জায়গায় মাতা অহল্যা, মহর্ষি বাল্মীকি, মহর্ষি বশিষ্ঠ, মহর্ষি বিশ্বামিত্র, মহর্ষি অগস্ত্য এবং সন্ত তুলসীদাস রয়েছেন, রাম লালার ভক্তরা তাঁদেরও দর্শন পাবেন। তিনি জটায়ু এবং কাঠবিড়ালির মূর্তির উল্লেখ করেন, যা মহান সংকল্প অর্জনে ক্ষুদ্রতম প্রচেষ্টারও গুরুত্ব প্রদর্শন করে। তিনি প্রতিটি নাগরিককে রাম মন্দির পরিদর্শন করার জন্য অনুরোধ করে বলেন যে এই মন্দিরগুলি আমাদের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বন্ধুত্ব, কর্তব্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধকেও শক্তিশালী করে।
শ্রী মোদী বলেন, “আমাদের রাম পার্থক্যের মাধ্যমে নয়, বরং আবেগের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করেন”, শ্রীরামের কাছে, বংশের চেয়ে ব্যক্তির ভক্তি বেশি গুরুত্বপূর্ণ, মূল্যবোধ পূর্বপুরুষের চেয়েও বেশি প্রিয় এবং সহযোগিতা শক্তির চেয়েও বড়। আজ আমরাও একই চেতনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে গত ১১ বছরে, নারী, দলিত, অনগ্রসর শ্রেণী, উপজাতি, বঞ্চিত, কৃষক, শ্রমিক এবং যুবসমাজ – সমাজের প্রতিটি অংশ উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান পেয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যখন প্রতিটি ব্যক্তি, প্রতিটি অংশ এবং জাতির প্রতিটি অঞ্চল ক্ষমতায়িত হবে, তখন সকলের প্রচেষ্টা সংকল্প পূরণে অবদান রাখবে এবং এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ভারত গড়ে উঠবে।
রাম লালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জাতির সংকল্পকে ভগবান রামের সঙ্গে সংযুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, আগামী হাজার বছরের জন্য ভারতের ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যারা কেবল বর্তমানের কথা ভাবেন তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি অবিচার করেন এবং আমাদের কেবল আজকের কথা নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথাও ভাবতে হবে, কারণ জাতি আমাদের আগেও ছিল এবং আমাদের পরেও থাকবে। একটি প্রাণবন্ত সমাজ হিসেবে আমাদের দূরদর্শিতা নিয়ে কাজ করতে হবে, আগামী দশক এবং শতাব্দীর কথা মাথায় রেখে, এবং এর জন্য আমাদের ভগবান রামের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে – তাঁর ব্যক্তিত্ব বুঝতে হবে, তাঁর আচরণকে আত্মস্থ করতে হবে এবং মনে রাখতে হবে যে রাম আদর্শ, শৃঙ্খলা এবং জীবনের সর্বোচ্চ চরিত্রের প্রতীক। রাম হলেন সত্য ও বীরত্বের সঙ্গমস্থল, ধর্মের পথে চলার মূর্ত প্রতীক, যিনি মানুষের সুখকে সর্বোপরি স্থান দেন, ধৈর্য ও ক্ষমার সমুদ্র, জ্ঞান ও প্রজ্ঞার শিখর, নম্র দৃঢ়তা, কৃতজ্ঞতার সর্বোচ্চ নিদর্শন, মহৎ সঙ্গ বেছে নেওয়ার কর্তা, মহান শক্তির মধ্যে নম্রতা, সত্যের অটল সংকল্প এবং সতর্ক, সুশৃঙ্খল এবং আন্তরিক মন। রামের এই গুণাবলী আমাদের এক শক্তিশালী, দূরদর্শী এবং সুস্থিত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পথ দেখাবে।
শ্রী মোদী বলেন, “রাম কেবল একজন ব্যক্তি নন, একটি মূল্যবোধ, একটি শৃঙ্খলা এবং একটি দিকনির্দেশনা”, যদি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত হতে হয় এবং সমাজের ক্ষমতায়ন ঘটাতে হয়, তাহলে আমাদের প্রত্যেকের অন্তরে রামকে জাগ্রত করতে হবে, আমাদের হৃদয়কে পবিত্র করতে হবে। এই ধরণের সংকল্প গ্রহণের জন্য আজকের চেয়ে ভালো দিন আর হতে পারে না। তিনি উল্লেখ করেন যে ২৫শে নভেম্বর আমাদের ঐতিহ্যে গর্বের আরেকটি অসাধারণ মুহূর্ত নিয়ে এসেছে, যার প্রতীক ধর্মধ্বজে খোদাই করা কোভিদার গাছ। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কোভিদার গাছ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, যখন আমরা নিজেদের আমাদের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করি, তখন আমাদের গৌরব ইতিহাসের পাতায় চাপা পড়ে যায়।
প্রধানমন্ত্রী সেই ঘটনার কথা স্মরণ করেন যখন ভরত তার সেনাবাহিনী নিয়ে চিত্রকূটে পৌঁছেছিলেন এবং লক্ষ্মণ দূর থেকে অযোধ্যার বাহিনীকে চিনতে পেরেছিলেন। শ্রী মোদী বাল্মীকির বর্ণনা উল্লেখ করে বলেন, লক্ষ্মণ রামকে বলেছিলেন যে একটি মহান গাছের মতো উজ্জ্বল, সুউচ্চ পতাকাটি অযোধ্যার, যা কোভিদারের শুভ প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আজ যখন রাম মন্দিরের আঙিনায় কোভিদার আবারও পবিত্র হচ্ছে, তখন এটি কেবল একটি গাছের প্রত্যাবর্তন নয় বরং স্মৃতির প্রত্যাবর্তন, পরিচয়ের পুনরুত্থান এবং একটি গর্বিত সভ্যতার নবায়ন। কোভিদার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে যখন আমরা আমাদের পরিচয় ভুলে যাই, তখন আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলি, কিন্তু যখন পরিচয় ফিরে আসে, তখন জাতির আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। দেশকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, তার ঐতিহ্যের উপর গর্ব করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত হওয়ার পাশাপাশি আমাদের দাসত্বের মানসিকতা থেকেও মুক্ত হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ১৯০ বছর আগে, ১৮৩৫ সালে, মেকলে নামে একজন ইংরেজ সংসদ সদস্য ভারতকে তার শিকড় থেকে উপড়ে ফেলার বীজ বপন করেছিলেন এবং মানসিক দাসত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ২০৩৫ সালে, সেই ঘটনার ২০০ বছর অতিবাহিত হতে চলেছে এবং আগামী ১০ বছর ভারতকে এই মানসিকতা থেকে মুক্ত করার জন্য উৎসর্গ করতে হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন যে সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হল মেকলের ধারণার ব্যাপক প্রভাব ছিল – ভারত স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, কিন্তু হীনমন্যতা থেকে মুক্তি পায়নি। মানসিক বিকৃতির দরুন বিদেশী সবকিছুকে শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়েছে, অন্যদিকে আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য এবং ব্যবস্থার কদর করা হয়নি।
শ্রী মোদী বলেন, দাসত্বের মানসিকতা এই ধারণাটিকে আরও দৃঢ় করে চলেছে যে ভারত বিদেশ থেকে গণতন্ত্র ধার করেছে এবং এমনকি সংবিধানও বিদেশী-অনুপ্রাণিত, কিন্তু সত্য হল ভারত গণতন্ত্রের জননী এবং গণতন্ত্র আমাদের ডিএনএতে রয়েছে। তিনি উত্তর তামিলনাড়ুর উত্তিরমেরুর গ্রামের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে হাজার বছরের পুরনো শিলালিপিতে লেখা রয়েছে, কীভাবে শাসন ব্যবস্থা গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হত এবং সেই যুগেও লোকেরা কীভাবে তাদের শাসকদের নির্বাচিত করত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেগনা কার্টার ব্যাপক প্রশংসা করা হলেও, ভগবান বাসভান্নার অভিজ্ঞতা মন্তপের কথা বিশেষ বলা হয়নি। অভিজ্ঞতা মন্তপ এমন একটি মঞ্চ যেখানে সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক বিষয়গুলি নিয়ে প্রকাশ্যে বিতর্ক হত এবং ঐকমত্যের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দাসত্বের মানসিকতার কারণে, ভারতের একের পর এক প্রজন্ম তাদের নিজস্ব গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দাসত্বের মানসিকতা আমাদের ব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ছিল। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতীয় নৌবাহিনীর পতাকায় এমন প্রতীক ছিল যার সঙ্গে ভারতের সভ্যতা, শক্তি বা ঐতিহ্যের কোনও সম্পর্ক ছিল না। এখন নৌবাহিনীর পতাকা থেকে দাসত্বের প্রতিটি প্রতীক সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি কেবল নকশার পরিবর্তন নয় বরং মানসিকতার রূপান্তরের একটি মুহূর্ত, একটি ঘোষণা যে ভারত এখন থেকে অন্যদের উত্তরাধিকারের মাধ্যমে নয়, নিজস্ব প্রতীকের মাধ্যমে তার শক্তি সংজ্ঞায়িত করবে।
শ্রী মোদী বলেন, একই রূপান্তর আজ অযোধ্যায় দৃশ্যমান। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে দাসত্বের এই মানসিকতাই এত বছর ধরে রামত্বের সারমর্মকে অস্বীকার করেছে। ভগবান রাম নিজেই একটি সম্পূর্ণ মূল্যবোধ ব্যবস্থা – ওড়ছার রাজা রাম থেকে রামেশ্বরমের ভক্ত রাম, শবরীর প্রভু রাম থেকে মিথিলার পাহুনা রাম জি। রাম প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে এবং ভারতের প্রতিটি কণায় বাস করেন। তবুও, দাসত্বের মানসিকতা এতটাই প্রাধান্য পেয়েছে যে ভগবান রামকেও কাল্পনিক ঘোষণা করা হয়েছে।
শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, আমরা যদি আগামী দশ বছরের মধ্যে দাসত্বের মানসিকতা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হওয়ার সংকল্প করি, তাহলে এমন আত্মবিশ্বাসের শিখা প্রজ্বলিত হবে যে ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নকে কোনো শক্তিই থামাতে পারবে না। আগামী হাজার বছরের জন্য ভারতের ভিত্তি তখনই শক্তিশালী হবে যখন মেকলের মানসিক দাসত্বের প্রকল্প আগামী দশকের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অযোধ্যার রাম লালা মন্দির চত্ত্বর আরও মহৎ হয়ে উঠছে এবং অযোধ্যাকে সুন্দর করার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। তিনি ঘোষণা করেন যে, অযোধ্যা আবারও এমন একটি শহরে পরিণত হচ্ছে যা বিশ্বের জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে। ত্রেতা যুগে, অযোধ্যা মানবতাকে তার আচরণবিধি দিয়েছে এবং একবিংশ শতাব্দীতে, অযোধ্যা মানবতাকে উন্নয়নের একটি নতুন মডেল প্রদান করছে। তখন অযোধ্যা ছিল শৃঙ্খলার কেন্দ্র, এবং এখন অযোধ্যা উন্নত ভারতের মেরুদণ্ড হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে অযোধ্যা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক সঙ্গমস্থল হবে, যেখানে সরযূর পবিত্র প্রবাহ এবং উন্নয়নের ধারা একসঙ্গে চলবে। অযোধ্যা আধ্যাত্মিকতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মধ্যে সামঞ্জস্য প্রদর্শন করবে। রাম পথ, ভক্তি পথ এবং জন্মভূমি পথ একযোগে এক নতুন অযোধ্যার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে। তিনি বিশাল বিমানবন্দর এবং দুর্দান্ত রেলস্টেশনের কথা তুলে ধরেন, যেখানে বন্দে ভারত এবং অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি অযোধ্যাকে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে অযোধ্যার জনগণকে সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং তাদের জীবনে সমৃদ্ধি আনার জন্য নিরন্তর কাজ করা হচ্ছে। রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় ৪৫ কোটি ভক্ত দর্শনের জন্য এসেছেন, এতে অযোধ্যা এবং আশেপাশের অঞ্চলের মানুষের উপার্জন বেড়েছে। একসময় অযোধ্যা উন্নয়নের মানদণ্ডে পিছিয়ে ছিল, কিন্তু আজ এটি উত্তর প্রদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শহর হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে।
একবিংশ শতাব্দীর আসন্ন যুগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও ভারতীয় অর্থনীতি বিশ্বে একাদশতম স্থানে ছিল। কিন্তু গত ১১ বছরে ভারত পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়, যখন ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আগামী সময় নতুন সুযোগ এবং নতুন সম্ভাবনার সময়, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভগবান রামের চিন্তাভাবনা জাতিকে অনুপ্রাণিত করে চলবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন ভগবান শ্রী রাম রাবণের মুখোমুখি হয়েছিলেন, তখন রথের চাকা হিসেবে বীরত্ব এবং ধৈর্যের প্রয়োজন ছিল, এর পতাকা ছিল সত্য এবং সদাচার, এর ঘোড়া ছিল শক্তি, প্রজ্ঞা, সংযম এবং দানশীলতা, এবং এর লাগাম ছিল ক্ষমা, করুণা এবং সমতা, যা রথকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করার জন্য এমন একটি রথের প্রয়োজন যার চাকা বীরত্ব এবং ধৈর্য, অর্থাৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সাহস এবং ফলাফল অর্জন না হওয়া পর্যন্ত অবিচল থাকার অধ্যবসায়। এই রথের পতাকা সত্য এবং সর্বোচ্চ আচরণ হতে হবে, যা নির্দেশ করে যে নীতি, অভিপ্রায় এবং নৈতিকতার সঙ্গে কখনও আপস করা উচিত নয়। এই রথের ঘোড়াগুলি শক্তি, প্রজ্ঞা, শৃঙ্খলা এবং দানশীলতা হতে হবে, যার অর্থ শক্তি, বুদ্ধি, সংযম এবং অন্যদের সেবা করার মনোভাব থাকা উচিত। এই রথের লাগাম ক্ষমা, করুণা এবং সমতা হতে হবে, যার অর্থ সাফল্যে কোনও অহংকার থাকা উচিত নয় এবং ব্যর্থতার পরেও অন্যদের প্রতি অশ্রদ্ধা থাকা উচিত নয়। শ্রী মোদী বলেন, সময় এসেছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর, এ হলো ক্রমবর্ধমান গতির এবং রাম রাজ্য অনুপ্রাণিত ভারত গড়ে তোলার মুহূর্ত। এটি কেবল তখনই সম্ভব, যখন জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে রাখা হয়।
উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল শ্রীমতী আনন্দীবেন প্যাটেল, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসঙ্ঘচালক ড. মোহন ভাগবত প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
SC/SD/SKD
आज अयोध्या नगरी भारत की सांस्कृतिक चेतना के एक और उत्कर्ष-बिंदु की साक्षी बन रही है। श्री राम जन्मभूमि मंदिर के शिखर ध्वजारोहण उत्सव का यह क्षण अद्वितीय और अलौकिक है। सियावर रामचंद्र की जय! https://t.co/4PPt0rEnZy
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
आज सम्पूर्ण भारत, सम्पूर्ण विश्व…राममय है: PM @narendramodi pic.twitter.com/NaWcE8NAED
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
ये धर्म ध्वजा केवल एक ध्वज नहीं… ये भारतीय सभ्यता के पुनर्जागरण का ध्वज है: PM @narendramodi pic.twitter.com/3sI3HsusQe
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
अयोध्या वह भूमि है, जहां आदर्श...आचरण में बदलते हैं: PM @narendramodi pic.twitter.com/elzUvALvUr
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
राम मंदिर का ये दिव्य प्रांगण... भारत के सामूहिक सामर्थ्य की भी चेतना स्थली बन रहा है: PM @narendramodi pic.twitter.com/mWvkzabhki
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
हमारे राम...भेद से नहीं, भाव से जुड़ते हैं: PM @narendramodi pic.twitter.com/d1TdWQEYee
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
हम एक जीवंत समाज हैं... हमें दूरदृष्टि के साथ ही काम करना होगा...
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
हमें आने वाले दशकों, आने वाली सदियों को ध्यान में रखना ही होगा: PM @narendramodi pic.twitter.com/UWtTRWAEfv
राम यानी आदर्श, राम यानी मर्यादा, राम यानी जीवन का सर्वोच्च चरित्र। pic.twitter.com/OtgvIBIOi8
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
राम सिर्फ एक व्यक्ति नहीं... राम एक मूल्य हैं, एक मर्यादा हैं, एक दिशा हैं। pic.twitter.com/srviB91AME
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
अगर भारत को साल 2047 तक विकसित बनाना है… अगर समाज को सामर्थ्यवान बनाना है…
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
तो हमें अपने भीतर “राम” को जगाना होगा: PM @narendramodi pic.twitter.com/BvDFjwN92l
देश को आगे बढ़ना है तो अपनी विरासत पर गर्व करना होगा: PM @narendramodi pic.twitter.com/BxfDP129pE
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
हमें आने वाले दस वर्षों का लक्ष्य लेकर चलना है कि हम भारत को गुलामी की मानसिकता से मुक्त करके रहेंगे: PM @narendramodi pic.twitter.com/MclchQMORs
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
भारत...लोकतंत्र की जननी है... लोकतंत्र हमारे DNA में है: PM @narendramodi pic.twitter.com/2GdyoGnqVP
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
विकसित भारत की यात्रा को गति देने के लिए ऐसा रथ चाहिए... pic.twitter.com/Oz81LjdNc5
— PMO India (@PMOIndia) November 25, 2025
आज अयोध्या में रामलला मंदिर के ध्वजारोहण अनुष्ठान से पूर्व मंदिर परिसर में सप्त मंदिरों के दर्शन कर आशीर्वाद लेने का सौभाग्य भी मिला। महर्षि वशिष्ठ, महर्षि विश्वामित्र, महर्षि अगस्त्य, महर्षि वाल्मीकि, देवी अहिल्या, निषादराज एवं माता शबरी के सप्त मंदिरों से वह बोध एवं भक्ति… pic.twitter.com/SkyS8BmYXD
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
सप्त मंदिरों के सभी सात ऋषियों एवं महा भागवतों की उपस्थिति से ही रामचरित पूर्ण होता है। महर्षि वशिष्ठ एवं महर्षि विश्वामित्र ने प्रभु रामलला के विद्याध्ययन की लीला पूरी कराई। महर्षि अगस्त्य से वन गमन के समय ज्ञान चर्चाएं हुईं एवं राक्षसी आतंक के विनाश का मार्ग प्रशस्त हुआ। आदिकवि… pic.twitter.com/m1Fl5WwBQ4
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
Today, before the Dharma Dhwajarohan Utsav at the Shri Ram Janmabhoomi Mandir in Ayodhya, I was blessed with the opportunity to pray and seek blessings at the Sapt Mandir complex within the temple premises. pic.twitter.com/9lZ1cdXlgw
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
These seven sacred shrines, dedicated to Maharishi Vashishtha, Maharishi Vishwamitra, Maharishi Agastya, Maharishi Valmiki, Devi Ahalya, Nishadraj and Mata Shabari offer us both wisdom and devotion. It is this divine grace that helps us become worthy of following the ideals of… pic.twitter.com/eXuQ8sb9K9
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
अयोध्या के पावन धाम में श्री राम जन्मभूमि मंदिर में ध्वजारोहण समारोह का हिस्सा बनना मेरे लिए अत्यंत भावविभोर करने वाला अनुभव रहा। शुभ मुहूर्त में संपन्न हुआ यह अनुष्ठान हमारे सांस्कृतिक गौरव और राष्ट्रीय एकता के नए अध्याय का उद्घोष है। राम मंदिर का गौरवशाली ध्वज, विकसित भारत के… pic.twitter.com/1uwYN2NXHW
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
To witness the Dharma Dhwajarohan Utsav at Shri Ram Janmabhoomi Mandir is a moment crores of people in India and the world have waited for. History has been made in Ayodhya and this inspires us even more to walk the path shown by Prabhu Shri Ram. pic.twitter.com/3K9j6CQS68
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
आज अयोध्या में माता अन्नपूर्णा मंदिर में पूजा-अर्चना का सौभाग्य प्राप्त हुआ। देवी मां से समस्त देशवासियों के उत्तम स्वास्थ्य और समृद्धि की कामना की। माता अन्नपूर्णा अन्न, आनंद और अभय की अधिष्ठात्री देवी हैं। मेरी प्रार्थना है कि उनका आशीर्वाद, विकसित भारत के हर प्रयास को यश और… pic.twitter.com/11Q1ofjRE7
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
अलौकिक श्री राम जन्मभूमि मंदिर में श्री राम परिवार के दर्शन का सुअवसर मिला। यह क्षण श्रद्धा और भक्ति से भावविभोर कर गया। प्रभु श्री राम, माता जानकी, शेषावतार लक्ष्मण जी और सकल परिवार का दिव्य ये स्वरूप, भारत की चेतना की साक्षात प्रतिमूर्ति सा है। ये असंख्य रामभक्तों की तपस्या का… pic.twitter.com/HV2TKciM04
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
अयोध्या की पावन भूमि पर दिव्य-भव्य श्री राम जन्मभूमि मंदिर में श्री राम लला के दर्शन-पूजन का अलौकिक क्षण मन को अद्भुत आनंद से भर गया। रामलला की ये बाल प्रतिमा, भारत की चेतना का जागृत स्वरूप है। हर बार रामलला का ये दिव्यतम विग्रह, मुझे एक असीम ऊर्जा देने का माध्यम बनता है। ये… pic.twitter.com/AUj3mHdfdT
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
श्री राम लला मंदिर के गर्भगृह की अनंत ऊर्जा और उनका दिव्य प्रताप धर्म ध्वजा के रूप में दिव्यतम-भव्यतम श्री राम जन्मभूमि मंदिर में प्रतिष्ठापित हुआ है। ये धर्म ध्वजा केवल एक ध्वज नहीं, बल्कि भारतीय सभ्यता के पुनर्जागरण का प्रतीक है। pic.twitter.com/MO4YMod4Su
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
मुझे बहुत खुशी है कि राम मंदिर का दिव्य प्रांगण भारत के सामूहिक सामर्थ्य की चेतना स्थली बन रहा है। हर देशवासी से मेरा आग्रह है कि वे यहां सप्तमंदिर के दर्शन अवश्य करें, जो हमारी आस्था के साथ-साथ मित्रता, कर्तव्य और सामाजिक सद्भाव के मूल्यों को दर्शाता है। pic.twitter.com/gTio9Vsf7o
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
राम एक मूल्य हैं, एक मर्यादा हैं, एक दिशा हैं। भारत को 2047 तक विकसित और समाज को सामर्थ्यवान बनाने के लिए हमें अपने भीतर के राम की प्राण-प्रतिष्ठा करनी होगी। pic.twitter.com/OCof5lUyx6
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
मैं इसलिए कहता हूं कि हमारे देश को आगे बढ़ना है तो हमें अपनी विरासत पर गर्व करना होगा… pic.twitter.com/ZzQsmZ0pSU
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
भारत के हर घर में, हर भारतीय के मन में और भारतवर्ष के हर कण में राम हैं। लेकिन गुलामी की मानसिकता इतनी हावी हो गई कि प्रभु राम को भी काल्पनिक घोषित किया जाने लगा। pic.twitter.com/x8uEZ37r5N
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025
हमें वैसा भारत बनाना है, जो रामराज्य से प्रेरित हो। ये तभी संभव है, जब स्वयंहित से पहले देशहित हो और राष्ट्रहित सर्वोपरि हो। pic.twitter.com/lVGgOWWJ0A
— Narendra Modi (@narendramodi) November 25, 2025