পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা কামরূপে (উত্তর গুয়াহাটিরাজস্ব এলাকা) একটি নতুন এইমস (এ.আই.আই.এম.এস.) স্থাপনের অনুমোদন দিল| এইপ্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ১১২৩ কোটি টাকা এবং তা প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসুরক্ষা যোজনার (পি.এম.এস.এস.ওয়াই) অধীনে স্থাপিত হবে|
এইনতুন এইমসটি ভারত সরকারের অনুমোদনের দিন থেকে ৪৮ মাসের মধ্যে নির্মিত হবে| যারমধ্যে রয়েছে ১৫ মাসের নির্মাণ-পূর্ব সময়, ৩০ মাসের নির্মাণ সময় এবং তিন মাসেরপরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সম্পূর্ণ সজ্জা সমাপ্ত (স্টেবিলাইজেশন/কমিশনিং) করার সময়|
বিবরণ:
এইপ্রতিষ্ঠানটি ৭৫০ শয্যার হাসপাতাল, যেখানে নয়া দিল্লির এইমসের মত ট্রমা সেন্টারেরসুবিধা, প্রতি বছর ১০০ জন এম.বি.বি.এস. ছাত্র-ছাত্রী ও ৬০ জন বি.এস.সি. (নার্সিং)ছাত্র-ছাত্রীর পড়াশোনার সুবিধা সহ মেডিক্যাল কলেজ, আবাসিক এলাকা এবং সম্পর্কিতসুবিধা/পরিষেবা থাকবে| এই হাসপাতালে ১৬টি অপারেশন থিয়েটার সহ ২২টিস্পেশালিটি/সুপার-স্পেশালিটি বিভাগ থাকবে| এখানে প্রথাগত চিকিত্সা পদ্ধতিতেচিকিত্সা পরিষেবা প্রদানের জন্য ৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আয়ুষ বিভাগও থাকবে|
প্রভাব:
এইনতুন এইমস স্থাপনের মাধ্যমে মূলত দু’টি উদ্দেশ্য পূরণ হবে| অর্থাত এর মধ্য দিয়েমানুষকে সুপার স্পেশালিটি স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে জাতীয়স্বাস্থ্য অভিযানের (এন.এইচ.এম.) অধীনে প্রাথমিক ও মাঝারি স্তরে যেসব স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান/সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তার জন্য প্রয়োজনীয় একটি বড় সংখ্যায় চিকিত্সক ওঅন্যান্য স্বাস্থ্য-কর্মী তৈরিতে সহায়তা করবে|
প্রেক্ষাপট:
এই প্রকল্পের অধীনেভূবনেশ্বর, ভোপাল, রায়পুর, যোধপুর, হৃষিকেশ ও পাটনায় এইমস স্থাপিত হয়েছে এবংরায়বারেলির এইমস তৈরির কাজ চলছে| তাছাড়া ২০১৫ সালে নাগপুর (মহারাষ্ট্র), কল্যাণী(পশ্চিমবঙ্গ) ও গুনটুরের মঙ্গলাগিরিতে (অন্ধ্রপ্রদেশ) তিনটি এইমস এবং ২০১৬ সালেভাটিন্ডা ও গোরখপুরে দুটি এইমস স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে|
SK/A.D.