পিএমইন্ডিয়া

বন্ধুগণ,
গত ৩৫ ঘন্টা ধরে আপনারা বিভিন্ন সমস্যার একনাগারে সমাধান করে চলেছেন।
আপনাদের প্রাণশক্তিকে কুর্নিশ জানাই। আমিতো কোনও ক্লান্তিই দেখতে পাচ্ছিনা, আপনারা সকলেই তরতাজা অবস্হায় রয়েছেন।
আমি একটি শক্ত কাজ সম্পন্ন করার সন্তুষ্টি দেখতে পাচ্ছি। আমার মনে হয় এই সন্তুষ্টি এসেছে চেন্নাইয়ের বিশেষ প্রাতরাশ- ইডলি, ধোসা, বড়া সম্বর থেকে। চেন্নাই শহর যে আতিথেয়তা দিয়ে থাকে তা অতুলনীয়। আমি নিশ্চিত সিঙ্গাপুর থেকে আসা আমাদের দর্শকরা সহ প্রত্যেকে চেন্নাইকে উপভোগ করেছেন।
বন্ধুরা,
আমি হ্যাকাথনের বিজয়ীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি বিশেষত ছাত্রবন্ধুদের এবং প্রত্যেক তরুণ বন্ধুদের- যাঁরা এখানে এসেছেন তাঁদেরকে অভিনন্দন জানাই। আপনাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার ইচ্ছে এবং কোনও সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে উৎসাহ, যেকোনও প্রতিযোগিতার বিজয়ী হওয়ার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আমার তরুণ বন্ধুরা, আজ আমরা এখানে অনেকগুলি সমস্যার সমাধান করলাম। আমার বিশেষ করে ভালো লেগেছে সেই ক্যামেরার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে পাওয়ার বিষয়টিতে- যে ক্যামেরা চিহ্নিত করতে পারে কারা মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন। আর জানেন এতে কি হবে? আমি সংসদে আমার অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলবো, আর আমি নিশ্চিত সংসদের ক্ষেত্রে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আমার মতে আপনারা সকলেই বিজয়ী। কারণ আপনারা কেউ কোনও ঝুঁকি নিতে ভয় পাননি। আপনারা ফলের চিন্তা না করে যেকোনও উদ্যোগ গ্রহণ করতে পিছু পা হননা।
এই অবকাশে আমি সিঙ্গাপুরের শিক্ষামন্ত্রী মি. ওং ইয়ে কুং এবং নানিয়াং টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিকে (এনটিইউ) ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এদের সহযোগিতা এবং সমর্থনের ফলেই ভারত-সিঙ্গাপুর হ্যাকাথন সাফল্য পেয়েছে।
দ্বিতীয় ভারত-সিঙ্গাপুর হ্যাকাথনকে সফল করে তোলার লক্ষ্যে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের উদ্ভাবন শাখা, আইআইটি ম্যাড্রাস এবং সর্ব ভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পর্ষদ দারুন কাজ করেছে।
আমার গতবার সিঙ্গাপুর সফরের সময় আমি এই যৌথ হ্যাকাথনের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। গত বছর এটি সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর এই বছর আইআইটি ম্যাড্রাসের ঐতিহাসিক কিন্তু আধুনিক ক্যাম্পাসে এই হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হল।
বন্ধুগণ,
গত বছর আমাকে বলা হয়েছিল, এই হ্যাকাথন একটি প্রতিযোগিতা। এবছর প্রতিটি দলে উভয় দেশের ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান একসঙ্গে করেছেন। তাই আমরা বলতেই পারি, এটি প্রতিযোগিতা থেকে সহযোগিতায় রূপান্তরিত হয়েছে।
আমাদের দুটি দেশের একযোগে নানা সমস্যার মোকাবিলার শক্তি এখানই অন্তর্নিহিত রয়েছে।
বন্ধুগণ,
এই ধরণের হ্যাকাথন যুব সম্প্রদায়ের কাছে দারুন গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নানা সমস্যার সমাধানের জন্য প্রতিযোগিরা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেটা একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করতে হয়।
অংশগ্রহণকারীরা তাদের উদ্ভবন ক্ষমতার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন। আর আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আজকের হ্যাকাথনে যে সমাধানগুলি পাওয়া গেছে, এগুলির মাধ্যমে আগামী দিনের নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠবে।
ভারতে আমরা গত কয়েক বছর ধরে স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথনের আয়োজন করে আসছি।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এবং সব প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানগুলি একযোগে এই উদ্যোগে সামিল হয়। স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন থেকে আমরা নানা চিন্তাভাবনা, তহবিল এবং চটজলদি সমস্যার সমাধান করে থাকি। একইভাবে আমি আশা করি এই হ্যাকাথন থেকে নানিয়াং টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক এবং এআইসিটিই নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি করবে।
বন্ধুগণ,
আজ ভারত ৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। এজন্য উদ্ভাবন ও নতুন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যেই প্রথম তিনটি পরিবেশ বান্ধব নতুন উদ্যোগের মধ্যে ভারত জায়গা করে নিয়েছে। বিগত ৫ বছর ধরে আমরা উদ্ভাবন এবং সেগুলি পালন করার ব্যাপারে উৎসাহ দিয়ে আসছি।
অটল ইনোভেশন মিশন, প্রধানমন্ত্রী রিসার্চ ফেলোশিপ, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া অভিযানের মতো কর্মসূচিগুলি ২১ শতকে ভারতের মূল ভিত্তি। দেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবনে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। আমরা মেশিন লার্নিং, কৃত্রিম মেধা, ব্লকচেন ব্যবস্হার মাধ্যমে আমাদের ছাত্ররা যাতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত হতে পারে, সেই চেষ্টা করছি। উদ্ভাবনের উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যালয় স্তর থেকে উচ্চশিক্ষার গবেষণা পর্যন্ত একটি ব্যবস্হাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।
বন্ধুগণ,
আমরা উদ্ভাবন এবং তাকে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় চিন্তা করি। প্রথমত আমরা চাই জীবনযাত্রাকে সহজ করার লক্ষ্যে ভারতের নানা সমস্যার সহজ সমাধান খুঁজে বের করা। আর দ্বিতীয়ত আমরা চাই ভারত সারা বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করুক।
আমাদের লক্ষ্য এবং অঙ্গীকার হল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যার ভারতীয় পন্হায় সমাধান করা।
আমরা চাই স্বল্পমূল্যের সমাধানের মাধ্যমে দরিদ্র রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে সক্ষম হোক। ভারতীয় উদ্ভাবন দরিদ্র এবং অবহেলিত মানুষদের সাহায্য করবে।
বন্ধুগণ,
আমি বিশ্বাস করি প্রযুক্তি দেশ, মহাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে। আমি মন্ত্রী ওং-এর পরামর্শগুলিকে স্বাগত জানাই।
আর এই অবকাশে আমি এনটিইউ, সিঙ্গাপুর এবং ভারত সরকারের সহযোগিতায় এশিয়ার উৎসাহী দেশগুলিকে নিয়ে এরকম একটি হ্যাকাথনের আয়োজন করার প্রস্তাব করছি।
আসুন ‘উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন’ এর সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে এশিয়ার দেশগুলির সেরা মগজগুলি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নানা সমাধান খুঁজে বের করুক।
শেষে আমি আবারও এই উদ্যোগকে সফল করার জন্য সকল অংশগ্রহণকারী এবং আয়োজককে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আপনারা চেন্নাইতে রয়েছেন। এই শহর তার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং খাদ্যের জন্য বিখ্যাত। আমি সিঙ্গাপুরের বন্ধুরা সহ সকল অংশগ্রহণকারীকে অনুরোধ করবো, আপনারা চেন্নাই সফরের পাশাপাশি মহাবলিপুরম ঘুরে আসুন। সেখানে পাথর কেটে নির্মিত বিখ্যাত মন্দির করা রয়েছে। এই জায়গাটিকে ইউনেসকো ‘ওয়াল্ড হেরিটেজ সাইট’-এর তকমা দিয়েছে।
ধন্যবাদ, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/CB/NS
For me, each of you is a winner.
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019
You are winners because you are not afraid of taking risks.
You are committed to your efforts without worrying about the results: PM
For me, each of you is a winner.
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019
You are winners because you are not afraid of taking risks.
You are committed to your efforts without worrying about the results: PM
There are few things as satisfying as seeing an effort one is associated from the very beginning become vibrant and successful.
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019
I had suggested this idea of a Joint Hackathon during a previous visit to Singapore: PM
There are few things as satisfying as seeing an effort one is associated from the very beginning become vibrant and successful.
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019
I had suggested this idea of a Joint Hackathon during a previous visit to Singapore: PM
We in India have been doing the Smart India Hackathon for the last few years.
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019
This initiative brings together Government Departments, people associated with Industry, all premier Institutes like ISRO: PM
Let me take this opportunity to propose a similar Hackathon involving those Asian countries that may be interested in participating, with support from NTU, Government of Singapore and Government of India: PM
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019
To conclude, I once again congratulate all the participants and organizers for making this initiative a grand success: PM
— PMO India (@PMOIndia) September 30, 2019