পিএমইন্ডিয়া
ভারতমাতার জয়,
ভারতমাতার জয়,
ভারতমাতার জয়,
মঞ্চে উপস্থিত উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল শ্রদ্ধেয় রাম নায়েক মহোদয়, এই রাজ্যের জনপ্রিয় ও প্রাণশক্তিতে ভরপুর যশস্বী মুখ্যমন্ত্রী আদিত্য যোগীরাজ, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ দীনেশ শর্মা, সাংসদ অধ্যাপক রামশঙ্কর কাঠরিয়া মহোদয়, ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ অধ্যক্ষ এবং সংসদে আমার সহযোগী ডঃ মহেন্দ্র পান্ডেজী, চৌধরী বাবুলালজী, শ্রী অনিল জৈন, সমস্ত মাননীয় ব্যক্তিবর্গ এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
নতুন বছরে উত্তর প্রদেশে এটি আমার প্রথম জনসভা। আপনাদের সবাইকে নতুন বছরের অভিনন্দন জানাই। আমি আপনাদের মাঝে আসতে পারে নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি। যখনই আমার সমর্থনের প্রয়োজন হয়েছে, গোটা উত্তর প্রদেশ আমাকে আশীর্বাদে ভরিয়ে দিয়েছে। আপনাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণের জন্য আমি প্রতিনিয়ত সৎ প্রচেষ্টা করে যাই এবং চাই যে ভবিষ্যতেও এইভাবে আপনারা আমাকে আশীর্বাদ করে যাবেন। আর আমিও সমর্পণ ভাব নিয়ে দেশের সেবা করে যাব।
আপনাদের সকলের আস্থা ও সহযোগিতার পরিণাম আমাদের ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ আন্দোলন একটি নতুন পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। একটু আগেই এখানে আগ্রার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করা হয়েছে, সেগুলি নির্মাণ করতে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। এই প্রকল্পগুলি পানীয় জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পয়ঃপ্রণালী, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আগ্রাকে স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার প্রকল্প। এগুলির জন্য আমি আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা জানাই। এগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্পে জাপান সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, সেজন্য আমি জাপানকেও অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।
ভাই ও বোনেরা, আপনারা সবাই জানেন যে, বৃহত্তর আগ্রা ও মথুরা অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। এখানে ভূগর্ভস্থ জলের স্বাদ পানের উপযুক্ত নয়। যে যমুনার ধারা এখানকার জীবনকে এক সময়ে সুজলা সুফলা করে তুলেছিল, আজ সেই নদীর জল দূষিত হয়ে পড়েছে। সেজন্য আমরা আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আপার গঙ্গা খালের মাধ্যমে পানীয় জলের সমস্যা দূরীকরণের প্রকল্প গড়ে তুলেছি। আজ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রা জলসম্পত্তি পূর্তি গঙ্গাজল পরিযোজনা আপনাদের প্রতি সমর্পণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এই এলাকার লক্ষ লক্ষ পরিবার স্বচ্ছ পানীয় জল পাবে। আপনাদের জানাতে চাই যে, নমামি গঙ্গে মিশনের মতো আমরা যমুনা নদীর সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।
ভাই ও বোনেরা, পানীয় জলের সমস্যা দূরীকরণের পাশাপাশি, আগ্রা শহরের পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থাকে আধুনিক করে তোলার জন্য অনেকগুলি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। ভাই ও বোনেরা, এবার গঙ্গাজল পানের সৌভাগ্য আপনাদের হ’ল। বিশুদ্ধ পানীয় জল হলে শুধু তৃষ্ণা মেটে না, মানুষের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। গরিব মানুষ বেশি উপকৃত হন। এই শুদ্ধ জল আগ্রার প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করবে। সেজন্য এই প্রকল্পকে নিছকই একটি কারিগরি প্রকল্প হিসাবে না দেখে একে আগ্রায় জীবনের অমৃত ধারা হিসাবে দেখা উচিৎ। এই জল আগ্রার জীবনকে একটি নতুন শক্তি প্রদান করবে।
ভাই ও বোনেরা, গোটা দেশে একটি অমৃত মিশন চলছে। এর মাধ্যমে আগ্রার পশ্চিম ভাগেও পয়ঃপ্রণালী নেটওয়ার্ক প্রকল্পের শিলান্যাস আজ হ’ল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে পয়ঃপ্রণালী বিছানো হবে, সেটি ৫০ হাজার বাড়ির সঙ্গে যুক্ত হবে।
বন্ধুগণ, আগ্রা, দেশের সেই শহরগুলির অন্যতম, যেখানে স্মার্ট পরিষেবা বিকশিত হচ্ছে। সেজন্য আগ্রায় নতুন কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার নির্মাণের কাজ চালু হয়েছে। প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মীয়মান এই কেন্দ্রটি গোটা শহরের সমস্ত নাগরিক ব্যবস্থাপনাকে তদারকি করবে। ১ হাজার ২০০-রও বেশি নজরদারি ক্যামেরা দিনরাত কাজ করবে। শহরের যে কোনও প্রান্তে কি হচ্ছে, তা জানা যাবে। কোথাও যানজটের সমস্যা থাকবে না। ময়লা আবর্জনা থাকবে না, পরিষ্কার করার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁরা সঠিক সময়ে এসেছেন কিনা তা জানা যাবে। এই ব্যবস্থা বিদেশ থেকে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা প্রদান করবে। আগ্রা এমনিতেও দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। আমরা চাই যে, এখানকার পর্যটন বিগত ৭০ বছরের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিক। আগ্রার অর্থনীতিতে জোয়ার আসুক। এই পানীয় জল, নজরদারি ক্যামেরা, পয়ঃপ্রণালী সংস্কার, এই স্মার্ট সিটির উদ্যোগ, এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আর আজ যে রেলসেতু উদ্বোধন করলাম, হেলিপোর্টের শিলান্যাস করলাম – এই সব কিছু আগ্রায় পর্যটকদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তাজমহলের মতো ঐতিহাসিক সৌধের চমক আরও বৃদ্ধি পাবে। এর দ্বারা পর্যটন শিল্প সরাসরি প্রভাবিত হবে।
ভাই ও বোনেরা, কোনও দেশ কিংবা শহর ততক্ষণ স্মার্ট হতে পারে না, যতক্ষণ সেখানকার মানুষ সুস্থ না হন। এ কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সারা দেশে সস্তায় চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করার জন্য পরিকাঠামো গড়ে তুলছে। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যমে এখন আগ্রার এসএন মেডিকেল কলেজকে আরও উন্নত ও বিস্তার ঘটানো হচ্ছে। ২৫০-রও বেশি নতুন শয্যা যুক্ত হচ্ছে এবং সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া, মহিলা হাসপাতালে ১০০ শয্যার প্রসূতি বিভাগ এবং ২টি পলিক্লিনিক উদ্বোধন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।
বন্ধুগণ, আগামীদিনে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে দেশের হাসপাতালগুলির একটা বড় নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। ছোট ছোট শহরগুলি এবং আধা-শহরগুলিতেও স্বাস্থ্য পরিষেবার বিস্তার ঘটবে। নবীন প্রজন্মের যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। অনেকে একে মোদি কেয়ারও বলেন। আজ দেশে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করছেন। অনেক মানুষ বিগত ৪-৫ বছর ধরে কঠিন রোগে ভুগছিলেন, অর্থের অভাবে মৃত্যুর অপেক্ষা করছিলেন। আর বাড়িতে একজন অসুস্থ মানুষ থাকলে পুরো পরিবারটাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। আয়ুষ্মান ভারত যোজনা চালু হওয়ার পর ১০০ দিনের মধ্যেই দেশে প্রায় ৭ লক্ষ গরিব ভাই-বোন ও শিশুরা এই প্রকল্পের সুবিধা লাভ করেছেন।
ভাই ও বোনেরা, বিজেপি সরকারের উন্নয়নের পঞ্চধারা অর্থাৎ – ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া, যুবকদের কর্মসংস্থান, বয়স্কদের ওষুধ, কৃষকদের সেচের জল এবং সকল মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনা সম্পর্কে আমরা দায়বদ্ধ।
আগ্রা সহ উত্তর প্রদেশের প্রায় প্রতিটি জেলা ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ। আগ্রার পেঠা বিশ্ব প্রসিদ্ধ; এখানকার অনেক পরিবারের আয়ের উৎস। কেন্দ্রীয় সরকার এবং বর্তমান উত্তর প্রদেশ সরকার এই ক্ষুদ্র শিল্পগুলিতে আরও প্রাণশক্তি যোগাতে চায়। রাজ্য সরকারের ‘এক জনপদ, এক পণ্য’ প্রকল্প রাজ্যের ঐতিহ্যসম্পন্ন ছোট ছোট শিল্পগুলির উন্নয়নে মাইল ফলক হয়ে উঠবে। এই প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অভিযানকেও শক্তি যোগাবে।
বন্ধুগণ, আমাদের সরকার সর্বদাই ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে উন্নত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগীদের ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণ পেতে যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে অনলাইন ঋণের একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। মাত্র ৫৯ মিনিটের মধ্যেই ১ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর হওয়ার প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এছাড়া, বড় শিল্পোদ্যোগগুলি যাতে ছোট ছোট অনুসারি শিল্পগুলির সরবরাহ করা উপকরণের টাকা আটকে না রাখে, ক্যাশ-ফ্লো চলতে থাকে – সরকার সেদিকেও লক্ষ্য রেখেছে। যাঁরা বিদেশে রপ্তানি করেন, তাঁদের ঋণের সুদে ২ শতাংশ অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। এভাবে পরিবেশের ছাড়পত্র থেকে শুরু করে তদারকি পর্যন্ত নিয়মগুলিকে অনেক সরল করা হয়েছে। এই সকল প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগামীদিনে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং আগ্রা ও তৎসন্নিহিত অঞ্চলের যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি হবে।
নিয়ম-কানুন সহজ হলে তবেই ব্যবসা-বাণিজ্য বিস্তারলাভ করে। আমরা সেজন্য সারা দেশে অভিন্ন কর ব্যবস্থা রূপে জিএসটি প্রণয়ন করেছি। এর প্রক্রিয়া এতই সরল যে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকরা সহজেই বুঝতে পারেন, উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক আগের তুলনায় অনেক বেশি নিবিড় হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থা মাত্র দেড় বছর হয়েছে। নিয়মিত গণঅভিযোগ নিরসনের মাধ্যমে এতে অনেক সংস্কারসাধনও হয়েছে। এত বড় দেশে এই একটি সাধারণ ব্যবস্থার সাফল্য বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, অনেকে গুজব ছড়াচ্ছেন যে, জিএসটি নামে একটি নতুন কর চাপানো হয়েছে। আমি এটা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই যে, জিএসটি কোনও নতুন কর চাপানো নয়। আগে যেসব পণ্যের ক্ষেত্রে ১৮-৪০ শতাংশ কর দিতে হ’ত, সেগুলির মধ্যে ৯৯ শতাংশের কর হ্রাস করে ১৮ শতাংশের নীচে নিয়ে আসা হয়েছে। কোনোটায় ১৮, কোনোটায় ১২, কোনোটায় ৫ আবার কোনোটায় শূন্য শতাংশ কর নেওয়া হচ্ছে। সচেতন গ্রাহকরা এই ব্যবস্থার দ্বারা অনেক উপকৃত হয়েছেন। জিএসটি-কে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের জন্য আরও সরল করার প্রক্রিয়া জারি রয়েছে।
গণঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে জিএসটি কাউন্সিল আপনাদের সবার পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে এই সংস্কারের কাজ করছে। আমি জিএসটি কাউন্সিলকে অনুরোধ করেছি, যাতে কম লাভজনক শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে আরও কম কর নির্ধারিত হয়। জিএসটি কাউন্সিলে দেশের প্রত্যেক রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা রয়েছেন, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তাঁরা সবাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেন। আমি তাঁদের অনুরোধ করেছি, যাতে জিএসটি-র আওতায় আসা শিল্পোদ্যোগগুলির বার্ষিক আয়ের সীমা ২০ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ লক্ষ করা হয়।
এছাড়া, মধ্যবিত্তদের গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে যেন শুধু ৫ শতাংশ কর ধার্য হয়। আগেও আমি এই প্রস্তাব রেখেছিলাম। কিন্তু কয়েকটি রাজ্যের বিরোধিতায় কাউন্সিল সহমত হতে পারেনি। আমি আশা করি যে, এবার জিএসটি কাউন্সিল দেশের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আমার এই দুটি অনুরোধ রক্ষার চেষ্টা করবে।
বন্ধুগণ, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ নিছকই একটি শ্লোগান নয়, এটি সুশাসনের আত্মা। দেশের যে কোনও শ্রেণীর ব্যক্তি যাতে কোনও সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, আমরা তা সুনিশ্চিত করতে চাইছি।
ভাই ও বোনেরা, গতকাল লোকসভায় কিভাবে ঐতিহাসিক বিল পাশ হয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরে দেশের গরিবদের মধ্যে অসাম্যকে স্বীকার করে নিয়ে সমাধান খোঁজার একটি প্রচেষ্টা করা হয়েছে। সাধারণ শ্রেণীর গরিব পরিবারের ছেলেমেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি পরিষেবায় যাতে সংরক্ষণ পায়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মজার বিষয় হ’ল – আগেও এ নিয়ে আমরা অনেক শ্লোগান শুনেছি, নির্বাচনের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছি। কিন্তু আমি গোড়া থেকেই বলে আসছি যে, ৫০ শতাংশের বাইরে গিয়ে সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া বেইমানি ছাড়া আর কিছু না। কারণ, ৫০ শতাংশের উপরে যেতে হলে সংবিধান সংশোধন না করে যাওয়া সম্ভব নয়। সংবিধান সংশোধন না করে কেউ যদি অন্য কাউকে সংরক্ষণ দিতে চায়, তা হলে সেটা গরিব, আদিবাসী, দলিত এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষদের সংরক্ষণের অধিকার থেকে চুরি করা হবে।
আমি আজ অত্যন্ত আনন্দিত যে, একদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যে কথা বলতাম, আজ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আমি সেই ধারণাকেই কাজে লাগিয়েছি। লোকসভা সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয় এবং অন্য কারও সংরক্ষণের অধিকারকে খন্ডিত না করেই অতিরিক্ত সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশের উচ্চ বর্ণের গরিব শিশুদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে পেরেছি।
কেউ কেউ বলছেন, মোদীজি এই বিল নির্বাচনের আগে কেন এনেছেন? আপনারাই আমাকে বলুন, আমাদের দেশে প্রত্যেক ছ’মাসেই কোথাও না কোথাও নির্বাচন হয়, তিন মাস আগে যদি এই বিল আনা হ’ত – তা হলে বলতেন, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানের নির্বাচনের আগে এনেছেন। তার আগে হলে বলতেন কর্ণাটক নির্বাচনের আগে এনেছেন। সেজন্য আমরা চেয়েছিলাম যে, দেশে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে পাঁচ বছর পর পর হোক। এরকম ৩-৬ মাস পর পর নির্বাচন হতে থাকলে পুলিশ আইন ব্যবস্থা দেখবে নাকি ভোটের বাক্স সামলাবে! কিন্তু আমাদের এই প্রস্তাব অন্যরা মানেনি। এই চৌকিদারকে দূর থেকে দেখে তাঁরা এতো ঘাবড়ে যান যে, ভাবেন আমাদের লেনদেন পরে হবে, আগে এই চৌকিদারকে হাটাও। একে হাটালে চুরি-ডাকাতির জীবন অনেক সহজ হবে।
ভাই ও বোনেরা, উচ্চবর্ণের সমাজের দরিদ্রদের সংরক্ষণের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়ে ভারতের সংসদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে। এর ফলে, দেশের প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার পাবেন। সেজন্য আমি প্রত্যেক সংসদ সদস্যদের কৃতজ্ঞতা জানাই। বন্ধুগণ, এই পদক্ষেপের ফলে দারিদ্র্যের কারণে পিছিয়ে পড়া দেশের লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতী এগিয়ে আসার সুযগ পাবেন।
এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের পাশাপাশি, আমরা উচ্চ শিক্ষা, প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও ১০ শতাংশ আসন বৃদ্ধি করে উচ্চ শিক্ষার পরিসরকে বৃদ্ধি করেছি। কিন্তু যাঁরা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য গুজব রটিয়ে বাজার গরম করছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রটিয়ে সমাজকে বিভক্ত করতে চাইছেন, তাঁদের ষড়যন্ত্রকে পরাস্ত করতে হবে।
বন্ধুগণ, সরকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটি হ’ল নাগরিকত্ব সম্পর্কিত সংবিধান সংশোধন। দেশ বিভাগের আগে এই উপ-মহাদেশের যে অঞ্চলগুলি ভারতের অংশ ছিল, নানা পরিস্থিতির শিকার হয়ে যাঁরা ধর্মীয় কারণে সেইসব অঞ্চল থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন, এই সংশোধনের মাধ্যমে আমরা তাঁদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছি। বিরোধী পক্ষের যে বন্ধুরা এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করছেন, আশা করি তাঁরা আমাদের ভাবনার সংবেদনশীলতাকে বুঝবেন।
বন্ধুগণ, সাড়ে চার বছর আগে আপনারা আমাকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি একনিষ্ঠভাবে সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি। সেজন্য আজ আপনাদের নিয়োজিত এই চৌকিদারের বিরুদ্ধে কারা একত্রিত হতে শুরু করেছে, সেটা আপনারা স্পষ্ট বুঝতে পারছেন। এই উত্তর প্রদেশে যাঁরা একদিন ইঁট, বালি, সিমেন্ট থেকে শুরু করে শোষিত-বঞ্চিতদের অধিকার হরণ করেছিলেন, তাঁরা আজ আমার দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। যাঁরা একদিন একে অপরের চোখের দিকে তাকাতেন না, তাঁরা পরস্পরের কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতি ঢাকার জন্য হাত মিলিয়েছেন।
ভাই ও বোনেরা, রাজনৈতিক স্বার্থে তাঁরা লক্ষ্মৌ গেস্ট হাউসে লজ্জাজনক ঘটনা ভুলে, মুজফফরনগর সহ পশ্চিম উত্তর প্রদেশের অনেক অঞ্চলে যে অপকর্ম হয়েছিল, সব ভুলে এই চৌকিদারের বিরুদ্ধে পরস্পরের হাত ধরেছে। যখন ওদের বিরুদ্ধে অনেক তদন্ত চলছে, তখন তাঁরা এই ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছেন।
ভাই ও বোনেরা, ২-৩ দিন আগে আপনারা সংসদে দেখেছেন যে, আমাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কিভাবে বিরোধী দলের নেতাদের অনেক মিথ্যার পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন। আমরা গর্বিত যে, স্বাধীন ভারতে আমাদের মন্ত্রিসভাতেই প্রথম একজন মহিলা দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হয়েছেন। আমরা নারীর আত্মাভিমানকে মর্যাদা দিয়েছি। তিনি যখন বিরোধীদের মিথ্যার পর্দা ফাঁস করলেন, তখন তাঁরা ঐ মহিলার ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ শুরু করেন। এভাবে তাঁরা শুধুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নয়, গোটা ভারতের নারী শক্তিকে অপমান করেছেন। আর এর মূল্য তাঁদেরই শোধ করতে হবে।
ভাই ও বোনেরা, তাঁরা যতই চেষ্টা করুন, তদন্ত এজেন্সিগুলি নিজেদের কাজ করতে থাকবে, তাঁদের কাছে হিসাব চাইবে। বন্ধুগণ, আপনাদের নিয়োজিত চৌকিদার যদি এই পরিস্থিতি থেকে দেশকে উত্তরণ ঘটাতে পারে, তা মোদীর কৃতিত্বে হবে না, ১৩০ কোটি ভারতবাসীর বিশ্বাস ও আশীর্বাদের ফলেই হবে।
ভাই ও বোনেরা, এখন আপনাদের মিশেল মামার কথা নিশ্চয়ই মনে পড়েছে। এখন যে তাকে ভারতে আনা হয়েছে। ইনি যদি এখন রাজসাক্ষী হয়ে হেলিকপ্টার কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস করে দেন, তা হলে তাঁদের কি হবে! সেজন্য মিশেলকে দেশে আনতেই কংগ্রেস দ্রুত উকিল পাঠিয়ে তার হয়ে মামলা লড়ছে।
ভাই ও বোনেরা, এখন চৌকিদারকে নিয়ে তাঁদের সমস্যা আরও বেড়ে গেছে। তাঁরা ভেবেছিলেন, মোদী মুখে যাই বলুক না কেন, সেও একদিন অন্য রাজনৈতিক নেতাদের মতো এমনি হয়ে যাবে। কিন্তু যখন দেখলেন, চার বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর সে চৌকিদারের ভূমিকা ছাড়ছে না, তখন তাঁরা প্রমাদ গুণছেন। আমি আরেকবার আপনাদের সকলকে এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা এত বিপুল সংখ্যায় আমাকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার সঙ্গে বলুন –
ভারতমাতার জয়,
ভারতমাতার জয়,
ভারতমাতার জয়,
আপনাদের সকলকে মকর সংক্রান্তি অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাই।
GST कोई अलग से लगाया गया टैक्स नहीं है। बल्कि पहले जो आप सभी सामान पर या सेवाओं पर दर्जनों टैक्स देते थे, उनको समेटकर कम कर दिया गया है.
— PMO India (@PMOIndia) January 9, 2019
पहले बहुत सी चीजों पर 30% से भी अधिक टैक्स लगते थे, जो कहीं दिखते नहीं थे। अब जितना टैक्स आप देते हैं उतना दिखता भी है, यही पारदर्शिता है: PM
अब सामान्य मानवी के काम आने वाला ज्यादातर सामान यानि करीब-करीब 99 प्रतिशत सामान पर GST 18% से कम है।
— PMO India (@PMOIndia) January 9, 2019
GST को व्यापारियों और उपभोक्ताओं के लिए और सरल करने की प्रक्रिया निरंतर चल रही है।
जनभागीदारी से चलने वाली ये सरकार आप सभी से मिल रहे सुझावों पर अमल कर रही है: PM
कल पूरे देश ने देखा है कि किस प्रकार लोकसभा में एक ऐतिहासिक बिल पास किया गया है।
— PMO India (@PMOIndia) January 9, 2019
आजादी के इतने दशकों के बाद गरीबी के कारण बढ़ी असमानता को स्वीकार किया गया है।
सामान्य श्रेणी के गरीब परिवारों को 10% का आरक्षण मिले, इस तरफ एक महत्वपूर्ण बड़ा कदम उठाया गया: PM
किसी भी वर्ग के हितों का नुकसान किए बिना, गरीबों को समता और समानता देने की एनडीए सरकार की ये पहल भविष्य के भारत के लिए बहुत महत्वपूर्ण है।
— PMO India (@PMOIndia) January 9, 2019
मैं देश के हर नागरिक का, संसद के सभी साथियों का, समता और समरसता की भावना को मज़बूत करने के लिए आभार व्यक्त करता हूं: PM
इस प्रकार की व्यवस्था को लेकर मांग नई नहीं है।
— PMO India (@PMOIndia) January 9, 2019
आर्थिक स्थिति के आधार पर जो हमारे समाज में जो एक खाई बनी है उसके आधार पर दशकों से इसकी मांग चल रही थी।
इस मांग को पूरा करने का काम सरकार ने किया है: PM
अब उन ताकतों से भी सावधान रहना है जो अपने स्वार्थ के लिए अफवाहों का बाज़ार गर्म करने में जुट गई हैं।
— PMO India (@PMOIndia) January 9, 2019
गरीबों के दुश्मन सोशल मीडिया से लेकर बड़े मंचों पर अब झूठ फैलाने के काम में जुट गए हैं।
समाज में बंटवारे से जिनका स्वार्थ सिद्ध होता है, उनकी हर चाल को हमें असफल करना है: PM
वर्षों से आगरा के लोगों की एक मांग थी, जिसे हमारी सरकार को पूरा करने का सौभाग्य मिला है।
— Narendra Modi (@narendramodi) January 9, 2019
जानिए, मैं किस मांग की बात कर रहा हूं। pic.twitter.com/8fVZcGNEqm
भ्रष्टाचार के खिलाफ साढ़े चार साल पहले आपने मुझे जो जनादेश दिया था, उस पर मैं पूरी क्षमता से खरा उतरने का प्रयास कर रहा हूं।
— Narendra Modi (@narendramodi) January 9, 2019
इस कारण कैसे इस चौकीदार के खिलाफ कुछ लोग इकट्ठा होना शुरू हो गए हैं। pic.twitter.com/SpkAM1XOwt