পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার অধীনে, অত্যাধুনিক মোটর জ্বালানি প্রযুক্তি সংক্রান্ত সহযোগিতা কর্মসূচির সদস্য হিসাবে ভারতের যোগদান বিষয়ে অবহিত করা হয়। ভারত এ বছরের ৯ই মে এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে। ২০১৭-র ৩০শে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার অধীনে এই সহযোগিতা কর্মসূচির সহযোগী সদস্য দেশ হিসাবে ভারত কাজ করে আসছে।
এই কর্মসূচিতে যোগদানের মূল উদ্দেশ্য হ’ল – যানবাহনে এমন জ্বালানির ব্যবহার চালু করা, যার ফলে কার্বন নির্গমন কমানো সম্ভব হবে এবং পরিবহণ ক্ষেত্রে জ্বালানির সাশ্রয় হবে। এছাড়া, এই কর্মসূচিতে পরিবহণ ক্ষেত্রে বিকল্প জ্বালানি চিহ্নিত করা এবং জ্বালানি থেকে কার্বন নির্গমন হ্রাস করার বিষয়ে গবেষণামূলক কাজের সুবিধা লাভও এর উদ্দেশ্য। জ্বালানি ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে এই কর্মসূচিতে ৫০টিরও বেশি প্রকল্পে জৈব জ্বালানি, সিন্থেটিক জ্বালানি প্রভৃতির বিষয়ে গবেষণার কাজ চালানো হয়েছে।
২০১৫ সালে উর্জা সঙ্গম কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালের মধ্যে জ্বালানি আমদানি কমপক্ষে ১০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জৈব জ্বালানি, বিকল্প জ্বালানি এবং জ্বালানি সাশ্রয় করার কাজ বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। আন্তর্জাতিক এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ফলে বিকল্প জ্বালানি সরবরাহ এবং জ্বালানি সাশ্রয় বিষয়ে গবেষণার কাজের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
২০১৮ সালে ভারত সরকার জৈব জ্বালানি বিষয়ে যে জাতীয় নীতি ঘোষণা করেছে, তা রূপায়ণের জন্য জৈব জ্বালানির ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ আন্তর্জাতিক মোটর জ্বালানি প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তিতে যোগদানের ফলে আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
CG/PB/SB