Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

আসিয়ান-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরেরপ্রধানমন্ত্রীর প্রকাশিত নিবন্ধের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীনরেন্দ্র মোদী


আসিয়ান সভাপতি সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী মিঃ লি সিয়েন লুঙ্গ-এর একটিনিবন্ধের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন,ভারত-আসিয়ান সম্পর্কের সমৃদ্ধ ইতিহাস, বলিষ্ঠ সহযোগিতা প্রচেষ্টা এবং উজ্জ্বলভবিষ্যৎকে খুব সুন্দরভাবে তাঁর নিবন্ধে তুলে ধরেছেন মিঃ লি সিয়েন লুঙ্গ।

আজ টাইমস্‌ অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীলিখেছেন, ভারত এবং আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির মধ্যে যুগ যুগ ধরে চলতে থাকা শিল্প ওবাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সহযোগিতা প্রসারের ক্ষেত্রকে আরও জোরদার করে তুলতেএক বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।

মিঃ লুঙ্গ-এর মতে, আসিয়ান-ভারত সম্পর্কের ২৫তম বর্ষ উদযাপনের মুহূর্তে যেকথা বিশেষভাবে স্মরণীয়, তা হল – দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে ভারতের সুপ্রাচীন সম্পর্কদু’হাজার বছরেরও বেশি সময়কাল ধরে চলে আসছে। কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডেরমতো দেশগুলির সঙ্গে ভারতের প্রাচীন বাণিজ্যিক সম্পর্কের কথা আজ সুবিদিত। দক্ষিণএশিয়ার ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য এই সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে।কম্বোডিয়ার আঙ্কোরভাট মন্দির, ইন্দোনেশিয়ার বোরোবোদুর ও প্রম্বানান মন্দির এবংমালয়েশিয়ার সুপ্রাচীন তীর্থ ক্ষেত্রগুলি হিন্দু-বৌদ্ধ সংস্কৃতির মিলন ও সমন্বয়চিহ্ন বহন করে। ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার ও থাইল্যান্ড সহ দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিরসংস্কৃতিতে রামায়ণের প্রভাবও প্রতিফলিত হয়েছে নানাভাবে। মালয় ভাষায় সিঙ্গাপুরকেবলা হয় সিঙ্গাপুরা। এই শব্দের উৎপত্তি ঘটেছে সংস্কৃত থেকে, যার অর্থ হ’ল‘সিংহনগরী’।

ভারত সফররত মিঃ লি সিয়েন লুঙ্গ আরও বলেছেন যে, আসিয়ান গোষ্ঠীতে ভারতেরঅন্তর্ভুক্তির বিষয়টিকে সিঙ্গাপুর বরাবরই সমর্থন জানিয়ে এসেছে। ১৯৯২ সালে আসিয়ানগোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের সূচনা হলেও আসিয়ান আলোচনা বৈঠকে পূর্ণ সদস্য রূপেভারত মর্যাদাপ্রাপ্ত হয় ১৯৯৫ সালে। পূর্ব এশীয় শীর্ষ বৈঠকগুলিতে ভারত অংশগ্রহণকরতে শুরু করে ২০০৫ সাল থেকে। আসিয়ান-ভারত সম্পর্ক এক কৌশলগত অংশীদারিত্বেরপর্যায়ে উন্নীত হয় ২০১২’তে। ঐ বছরটি ছিল আসিয়ান-ভারত সম্পর্কের ২০তম বার্ষিকী।বর্তমানে আসিয়ানের রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং আর্থ-সামাজিক তথা সাংস্কৃতিক স্তম্ভ হয়েউঠেছে ভারত ও আসিয়ান রাষ্ট্রগুলি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘পূবের জন্য কাজকর’ নীতি ভারত-আসিয়ান সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। সহযোগিতা প্রসারেরলক্ষ্যে বর্তমানে আমাদের রয়েছে ৩০টির মতো বিশেষ মঞ্চ। আসিয়ান পরিচালিত বিভিন্নপ্ল্যাটফর্মে ভারত এখন সক্রিয়ভাবেই অংশগ্রহণ করছে।

নিবন্ধের শেষে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, আসিয়ানের নেতৃত্বেথাকা সিঙ্গাপুর আসিয়ান-ভারত সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

PG/SKD/ SB