Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নপ্রকল্পগুলোতে জোর     


প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার ডোনার মন্ত্রকেরনিম্নলিখিত প্রকল্পগুলো মার্চ ২০২০ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দিল:  

*এন.ই.সি. ’ র প্রকল্পগুলোরঅধীনে বর্তমানে থাকা প্রকল্পের জন্য চলতি অর্থায়ন পদ্ধতি (৯০:১০ হিসেবে) ও নতুনপ্রকল্পের জন্য ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় অর্থানুকুল্যের সঙ্গে বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা|  

*এন.ই.সি. ’ রঅর্থানুকুল্যের অন্যান্য প্রকল্পের জন্য রাজস্ব ও মূলধন দুই ক্ষেত্রেই ১০০ শতাংশকেন্দ্রীয় অর্থানুকুল্যের ভিত্তিতে বর্তমান পদ্ধতি জারি থাকবে|  

*একশ শতাংশ কেন্দ্রীয়অর্থানুকুল্যের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সড়ক ক্ষেত্রের উন্নয়ন প্রকল্পের(এন.ই.আর.এস.ডি.এস.) সম্প্রসারণ|  

*সম্পদের নন-ল্যাপ্সেবলসেন্ট্রাল পুল (এন.এল.সি.পি.আর.-সি.)-কে রূপায়ণের জন্য এন.ই.সি. ’ রকাছে হস্তান্তর|  

*বিভিন্ন মন্ত্রক/বিভাগেরপ্রয়াসের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের মাধ্যমে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সুনিশ্চিতকরার প্রস্তাব|  

এন.ই.সি. ’ রবর্তমান যোজনার আওতায় থাকা, এন.এল.সি.পি.আর. (কেন্দ্রীয়) এবং এন.ই.আর.এস.ডি.এস.উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক সুবিধার উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের সক্ষমতাও জীবিকার মানোন্নয়ন ঘটাবে|  

বর্তমান সময়ে ৭২.১২ শতাংশেরঅনুমোদিত মূল্যের (সর্বমোট ৭৪৫৩.০২ কোটি টাকার মধ্যে ৫৩৭৫.১২ কোটি টাকা) বেশিরভাগপ্রকল্প (৮৪০-টি প্রকল্পের মধ্যে ৫৯৯ টি প্রকল্প ) ও সমস্ত চলতি প্রকল্পের হিসাবনা চুকিয়ে ফেলা ঋণের(২২৯৯.৭২ কোটি টাকার মধ্যে ১৫১৮.৬৪ কোটি টাকা) ৬৬ শতাংশেরঅর্থায়নযুক্ত  ‘ এন.ই.সি. ’ রপ্রকল্পগুলো — বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের ’ মাধ্যমে হয়ে থাকে| যার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর জন্য অর্থবরাদ্দ ৯০:১০হিসেবে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বণ্টন করা হয় এবং রূপায়ণের বিষয়টি সংলিষ্ট রাজ্যসরকারগুলো করে থাকে| এছাড়াও কিছু অর্থ — রাজস্ব ওজমাকৃত অর্থ দু ’ টোর ক্ষেত্রেই প্রদান করা হচ্ছে, যা১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় অর্থানুকুল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রদান করা হচ্ছে, যা রাজ্য ওকেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর মাধ্যমে রূপায়িত হচ্ছে|  

এন.ই.সি. ’ র-বিশেষ উন্নয়নপ্রকল্প আগের মত ৯০:১০ হওয়ার পরিবর্তে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের একশ শতাংশ গ্রান্টনির্ভর কেন্দ্রীয় ক্ষেত্রের প্রকল্প হিসেবে পরিবর্তিত হবে| রয়ে যাওয়া বিষয়গুলো ১০০শতাংশ কেন্দ্রীয় অর্থানুকুল্যের হিসেবে চালিয়ে যাওয়া হবে|  

উপরেউল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও এন.ই.সি. গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত আন্তঃরাজ্য সড়কগুলোরউন্নয়নের জন্য “উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সড়ক ক্ষেত্রের উন্নয়ন প্রকল্প — কর্মসূচিউপাদান”-কে রূপায়িত করছে| রূপায়ণের জন্য ডোনার থেকে এন.ই.সি.-তে নিয়ে যাওয়া এইপ্রকল্প ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় অর্থানুকুল্যের প্রকল্প| এই প্রকল্পের অধীনে ১০০০কোটি টাকার একটি তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে|  

ডোনার মন্ত্রকেরঅর্থানুকুল্যে পরিচালিত  ‘ সম্পদেরনন-ল্যাপ্সেবল সেন্ট্রাল পুল-কেন্দ্রীয় ’  (এন.এল.সি.পি.আর.-সি.)-নামেআরও একটি যোজনা রয়েছে| আগরতলা-আখাউড়া রেল সংযোগ,মাজুলি দ্বীপের ভাঙ্গন ঠেকানো  ’ র মতো প্রকল্পগুলোর জন্য এই যোজনা সংলিষ্ট মন্ত্রক ও তাদের সংস্থা গুলোকে সম্পদপ্রদান করে থাকে| এই যোজনাকেও রূপায়ণের জন্য এন.ই.সি. ’ র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে|  

আগে রাজ্য ওকেন্দ্রীয় ক্ষেত্রে তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো স্থায়ী ব্যবস্থাপনা ছিলনা|বর্তমানে এন.ই.সি. ’ র কাছে বরাদ্দকৃত অর্থকে দুটি ভাগে (রাজ্যের ৬০% এবং কেন্দ্রের ৪০%) ভাগকরার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে| রাজ্যের অংশকে প্রথাগত বরাদ্দ অনুসারে প্রকল্পগুলোরজন্য ব্যবহার করা হবে| কেন্দ্রীয় অংশের ক্ষেত্রে প্রকল্পগুলোর আঞ্চলিক চরিত্ররয়েছে যেসব ক্ষেত্রে, সেক্ষেত্রে আন্তঃ-মন্ত্রকের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে| তবেবাঁশ, শুকর পালন, আঞ্চলিক পর্যটন, উচ্চশিক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা,উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি হস্তক্ষেপ, সমীক্ষা ও তদন্ত এবং এন.ই.আর. ’ র এগিয়ে নিয়ে যাওয়াসম্পর্কিত বিষয়গুলোতে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে|  

এর ফলেদ্বৈততা এড়াতে ডোনার এবং এন.ই.সি. ’ র মধ্যেকার একটা স্পষ্ট ভাগাভাগি অথবা বিভাজন সুনিশ্চিত হয়েছে|  

উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরপর্যটনের উন্নয়নের জন্য অন্যান্য বিষয়গুলোর পাশাপাশি  ‘ প্রোডাক্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচারডেভেলপমেন্ট ফর ডেস্টিনেশন এন্ড সার্কিটস ’  (পি.আই.ডি.ডি.সি.)-এর অধীনে পর্যটনক্ষেত্রে অনাদায়ী ঋণের বিষয়টিও দেখা যেতে পারে|  

এছাড়া, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক এবংডোনার মন্ত্রক থেকে প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্থায়ী অর্থ সমিতির (এস.এফ.সি.) পদ্ধতিঅনুযায়ী এন.ই.সি. ’ র সচিবের পৌরহিত্যে ৫-১৫ কোটি টাকারপ্রকল্পগুলোর অনুমোদনের জন্য একটি পদ্ধতিও তৈরি করা হবে| এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, অন্যকেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় স্থাপন করা এবং এস.এফ.সি. ’ রপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পুনরাবৃত্তি থেকে রক্ষা পাওয়া|  

PG/A.D.