Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করার জন্য যুব সমাজকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করার জন্য যুব সমাজকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী


১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে ছত্তিশগড়ের নয়া রায়পুরে আয়োজিত জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানটি নয়াদিল্লির রেস কোর্স রোডের বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ সকল যুব সমাজের কাছেই প্রেরণা বিশেষ। স্বল্পদিনের মধ্যে কিভাবে অনেক কাজই করা সম্ভব তা প্রমাণ করার ক্ষেত্রে তিনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

শ্রী মোদী বলেন, ঐক্যবদ্ধ সঙ্কল্পই একদিন আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। আর সেই স্বাধীনতা আজ আমাদের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছে। দেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ১২৫ কোটি দেশবাসী আজ ঐক্যবদ্ধ। যে জাতির মধ্যে রয়েছে তারুণ্যের প্রাচুর্য তার লক্ষ্য ও স্বপ্নও তাই সীমাহীন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারুণ্যের সংজ্ঞা হল অতীতের কথা মনে না রেখে ভবিষ্যৎ লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাওয়া। ছত্তিশগড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ ও যুবকরা আজ এখানে সমবেত হয়েছেন। এথেকে প্রমাণিত যে বিবিধের মাঝেও মিলনের একটাই মন্ত্রধ্বনিত হচ্ছে – ‘ভারতমাতার জন্য সেবা’।

ঐক্য ও সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তি, ঐক্য ও সম্প্রীতি ছাড়া উন্নয়ন হয়ে পড়ে অর্থহীন। আমরা যতদূরই এগিয়ে যাই না কেন, আমাদের প্রথম চাহিদা শান্তি। ভারত বিশ্ব সমক্ষে এটাই প্রমাণ করেছে যে আপাত বৈচিত্র্য ও বিভিন্নতার মধ্যেও ঐক্যবদ্ধ থাকার শক্তি ভারতের রয়েছে। এই ক্ষমতা আমরা লাভ করেছি আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে, যে যুগের প্রসার ও বিস্তৃতি বেদ থেকে বিবেকানন্দ, উপনিষদ থেকে উপগ্রহ পর্যন্ত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের লক্ষ্য হল দেশের তরুণ সমাজকে সুদক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলা যাতে একুশের শতক ভারতের শতক হয়ে উঠতে পারে। নকশাল মোকাবিলার মতো সমস্যা থাকলেও এই লক্ষ্যে ছত্তিশগড় যেভাবে এগিয়ে চলেছে সেজন্য রাজ্যটির বিশেষ প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

শ্রমের মর্যাদার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের মধ্যে এই বোধ ও অনুভূতিকে জাগিয়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়নের যে লক্ষ্য ভারত স্থির করেছে তার মধ্য দিয়ে গ্রামবাসী ও দরিদ্র মানুষের জীবনে পরিবর্তন সম্ভব করে তুলতে হবে। ১৬ জানুয়ারি দিল্লিতে ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা প্রত্যক্ষ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান দেশের যুব সমাজকে।

২০১৯ এবং ২০২২ – এই বছরগুলির জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করার কাজে উদ্বুদ্ধ হতে যুব সমাজকে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। কারণ, ঐ দুটি বছরে যথাক্রমে মহাত্মা গান্ধীর সার্ধ শততম জন্মবার্ষিকী এবং ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা বার্ষিকী।

PG/SKD/DM/S….12th January, 2016