Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

কলকাতা ও খুলনার মধ্যে চালু হল ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ : ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এর সূচনাকরলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী

কলকাতা ও খুলনার মধ্যে চালু হল ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’  :  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এর সূচনাকরলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী

কলকাতা ও খুলনার মধ্যে চালু হল ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’  :  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এর সূচনাকরলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী


 

ভারতও বাংলাদেশের মধ্যে আজ ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ নামে একটি নতুন ট্রেন পরিষেবার একযোগেসূচনা করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীশ্রীমতী শেখ হাসিনা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এইনতুন ট্রেন পরিষেবাটি চালু হল কলকাতা ও খুলনার মধ্যে। এছাড়াও, দু’দেশের মধ্যে দুটিসংযোগ ও যোগাযোগ প্রকল্পেরও সূচনা হল ঐ একই অনুষ্ঠানে। প্রকল্প দুটি হল– ভৈরব ওতিতাস রেল সেতুএবং কলকাতার চিৎপুরে আন্তর্জাতিক রেল যাত্রী টার্মিনাস ।  নয়াদিল্লিথেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই নতুন ট্রেন পরিষেবার সূচনা হয়। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী শ্রীমতী সুষমা স্বরাজও যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে।

 

ভারতও বাংলাদেশের মধ্যে এই রেল প্রকল্পগুলির সূচনা উপলক্ষে প্রদত্ত এক ভাষণেপ্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন  :

 

“এইপ্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সকলকেই বিশেষ করে, বাংলাদেশের অধিবাসী ভাই-বোনদের আমিনমস্কার জানাই।

 

কিছুদিনআগেই দুটি দেশেউদযাপিত হয়েছে দুর্গাপূজা, দীপাবলী এবং কালী পূজা মহোৎসব ।

 

উৎসবেরএই মরশুমে দুই দেশের অধিবাসীদের আমি শুভেচ্ছা জানাই।

 

একভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আপনাদের সকলের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আরও একবার সুযোগ পেয়েআমি খুবই আনন্দিত।

 

আমিআপনাদের সকলেরই সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

 

আমিপ্রথম থেকেই বলে এসেছি যে প্রতিবেশী দেশগুলির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রতিবেশী সুলভসম্পর্ক গড়ে তুলতেই আমি বিশেষভাবে আগ্রহী।

 

যখনইইচ্ছা হবে আমরা একে অপরের সাথে আলোচনায় মিলিত হতে পারি, এমনকি একে অপরের দেশ সফরওকরতে পারি।

 

এইসমস্ত কিছুই আমরা নিছক প্রোটোকলের বাঁধনে বেঁধে রাখতে চাই না।

 

কিছুদিনআগে দক্ষিণ এশীয় উপগ্রহের সূচনা হয় এই ধরনেরই এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ।

 

গতবছর আমরা সকলে মিলিতভাবে এইভাবেই সূচনা করেছিলাম পেট্রাপোল আইসিপি-র।

 

আমিআরও খুশি এই কারণে যে আমাদের পারস্পরিক সংযোগ ও যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করে তোলারলক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির আজসূচনা আমরা একসঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সেরমাধ্যমেই সম্পন্ন করছি।

 

সংযোগও যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা সর্বাপেক্ষা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি এক দেশের জনসাধারণেরসঙ্গে অন্য দেশের জনসাধারণের সংযোগ ও যোগাযোগের প্রসারের ওপর।

 

আন্তর্জাতিকযাত্রী টার্মিনাসের যে উদ্বোধন আজ অনুষ্ঠিত হল তাতে কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেসএবং আজ থেকে চালু হওয়া কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রীদের যথেষ্ট সুবিধাহবে।

 

এরফলে, শুধুমাত্র শুল্ক এবং অভিবাসন সম্পর্কিত কাজেরই অনেক সুবিধা হবে তাই নয়,যাত্রার সময়ও কমে যাবেতিন ঘন্টার মতো ।

 

মৈত্রীএবং বন্ধন – দুটিই হল রেলের সুযোগ-সুবিধা প্রসারের দুটি ভিন্ন ভিন্ন নাম যা একইসঙ্গে আমাদের মিলিত দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাভাবনার প্রতিফলক বটে।

 

যখনইআমি দু’দেশের মধ্যে সংযোগ ও যোগাযোগ সম্পর্কে কোন বক্তব্য পেশ করি, তখনই ১৯৬৫-রআগে দু’দেশের মধ্যে যে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু ছিল তার একটি ছবি আমার মানশ্চক্ষেভেসে ওঠে।

 

আমারখুশির আরেকটি বিশেষ কারণ হল যে ঠিক ঐ লক্ষ্যেই আমরা একটু একটু করে ক্রমশ এগিয়েচলেছি।

 

আজআমরা দুটি রেল সেতুরও উদ্বোধন করেছি। প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগেনির্মিত এই সেতু বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলতে যথেষ্টসাহায্য করবে।

 

বাংলাদেশেরউন্নয়ন প্রচেষ্টার এক বিশ্বস্ত অংশীদার হয়ে উঠতে পারা ভারতের পক্ষে এক গর্বেরবিষয়।

 

আমিআনন্দিত যে অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক হারে ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো অর্থ সহায়তারযে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছি, তার আওতায় নির্মীয়মান প্রকল্পগুলির কাজ বেশ ভালোভাবেইএগিয়ে চলেছে।

 

উন্নয়নও যোগাযোগ পরস্পর সম্পৃক্ত দুটি বিষয়। আমাদের এই দুটি দেশের মধ্যে বহু প্রাচীন যেঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের জনসাধারণের মধ্যে যেসম্পর্ক গড়ে উঠেছে তাকে আরও জোরদার করে তোলার লক্ষ্যে আজ আমরা আরও বেশ কিছুটা পথএগিয়ে গেলাম।

 

আমিদৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমরা যদিএইভাবেইপারস্পরিক সম্পর্কের প্রসার ঘটিয়ে যেতে পারিএবং দু’দেশের জনসাধারণের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়ে ওঠে, তাহলে উন্নয়ন ওসমৃদ্ধির এক নতুন শিখরে আমরা নিশ্চিতভাবেই আরোহণ করতে পারব।

 

এইকাজে সহযোগিতার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাজি এবং মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়জির আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আগ্রহের প্রতিফলন আজ আমরা লক্ষ্য করেছি।

 

ধন্যবাদ।”

PG/SKD/DM/