Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

কাঠমান্ডুতে পশুপতিনাথ ধর্মশালা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


সম্মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওলি, ভারতের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী শ্রী রবীন্দ্র প্রসাদ অধিকারী, পশুপতি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের সদস্য ডঃ প্রদীপ ঢকল, এখানে উপস্থিত অন্যান্য সম্মাননীয় অতিথিগণ, দূরদূরান্ত থেকে আসা ভোলেবাবার ভক্তগণ এবং আমার নেপালের ভাই ও বোনেরা,

বাবা বিশ্বনাথের মাটি কাশীর এক সন্তান আজ পশুপতিনাথের প্রাঙ্গণে উপস্থিত সকলকে সাদর প্রণাম জানাচ্ছে। শ্রদ্ধেয় ওলি বলেছেন, নেপালী ভাষার সঙ্গে আমাদের গুজরাটি ভাষার অনেক মিল আছে।

ভারত ও নেপালের মৈত্রী, ……. শ্রদ্ধেয় অটল বিহারী বাজপেয়ীজির মহাপ্রয়াণের পর আমরা যখন শোকগ্রস্ত, ….. এরকম দুঃখের সময়ে কোনও আপনজন যখন আপনার কাছে পৌঁছয়, সমবেদনা জানায়, তখন কিছুটা সান্ত্বনা পাওয়া যায়। শ্রদ্ধেয় অটল বিহারীজির স্বর্গবাসের খবর পেয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওলি আমাকে ফোন করে যে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, তাঁর সেই ভাষায় কোনও আনুষ্ঠানিকতা ছিল না; আপনত্বের স্বাভাবিক প্রকাশ ছিল। শ্রদ্ধেয় অটলজির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেপালের বিদেশ মন্ত্রী নিজে থেকে তাঁর অন্ত্যোষ্টিতে এসেছিলেন। আর আজ নেপাল শ্রদ্ধেয় অটলজির কবিতা নেপালী ভাষায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি মনে করি যে, একজন মহাপুরুষের স্মৃতি, তাঁর বার্তা কিভাবে আমরা সংরক্ষণ করব, কিভাবে তাঁর পরিবেশিত জ্ঞানকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেব, আমাদের নিজেদের জীবনে কতটা প্রয়োগ করতে পারব – এটাই তাঁর উদ্দেশে সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধাঞ্জলি হবে। শ্রদ্ধেয় অটলজির ভাবনা-চিন্তা, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা, তৎকালীন পরিস্থিতিগুলিকে দেখার দৃষ্টিকোণ তাঁর কবিতাগুলিতে যেভাবে সম্পৃক্ত; আমি খুশি যে, নেপাল এভাবে তাঁর কবিতাগুলিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুবাদের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাঞ্জলির জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী ওলিজি, নেপাল সরকার এবং নেপালের জনগণকে অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

আমাদের বহু শতাব্দী প্রাচীন পারস্পরিক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে, বিশ্বের কোনও দেশের সঙ্গে অন্য কোনও দেশের সম্পর্ক ততক্ষণ পর্যন্ত শক্তিশালী হয় না, যতদিন না দু’দেশের জনগণের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক স্থাপিত হয়! শুধু কাঠমান্ডু আর দিল্লির সরকার মিলিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রত্যেক নেপালবাসীর সঙ্গে প্রত্যেক ভারতবাসীর মেলামেশার সুযোগ আমরা করে দিতে পারব, ততদিন আমাদের সম্পর্ক শক্তিশালী হবে না। আজ এখানে দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার অনুকূল এই ধর্মশালাটি নেপাল-ভারত মৈত্রীর প্রতীক হিসাবে গড়ে উঠেছে।

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, যখনই কাঠমান্ডু আসি, এখানকার মানুষের স্নেহ ও ভালোবাসা হৃদয় দিয়ে অনুভব করি। শুধু আমার প্রতি নয়, নেপালে এলে মানুষের মনে ভারতের প্রতি এই আত্মীয়তা অনুভূত হয়। প্রায় চার বছর আগে শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবারে এখানে এসে পশুপতিনাথের চরণে পুজো দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। তারপর, কয়েক মাস আগে যখন এসেছিলাম, পশুপতিনাথ, মুক্তিনাথ এবং জানকিধাম – এই তিনটি বড় তীর্থে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। আজ আবার বাবা পশুপতিনাথের দর্শনলাভের সুযোগ পেয়ে আমি আপ্লুত। এটা শুধু আমার নয়, ভারত তথা বিশ্বে আধ্যাত্মিক জীবনকে আপন করে নেওয়া কোটি কোটি মানুষ, ধার্মিক পরম্পরাকে আপন করে নেওয়া, প্রভুভক্তিতে লীন, শিবভক্তদের ইচ্ছে থাকে যে, জীবনে কমপক্ষে একবার পশুপতিনাথের দর্শন হোক। ভারত ও নেপালে শিবভক্তি এবং শিবভক্তদের পারস্পরিক সম্পর্ক এতই দৃঢ় যে, সময়, দূরত্ব কিংবা দুর্গম পথে চলা কখনও প্রবল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। কাঠমান্ডু আর কন্যাকুমারীর মধ্যে দূরত্ব কয়েক হাজার কিলোমিটার, কিন্তু প্রায় দেড় হাজার বছরেরও আগে থেকে তামিলনাডুতে পশুপতিনাথের মাহাত্ম্য-বর্ণিত গাথাগুলি গুঞ্জরিত হচ্ছে।

শৈব কুরুবরের থেওরম-এ ভগবান পশুপতিনাথের গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। আর বাবা পশুপতিনাথও তাঁর সন্তান গণেশ ও কার্তিকের মতো সুদূর দক্ষিণ ভারতের শাশ্বত ভক্তদেরও প্রজন্মের পর প্রজন্মকাল হাজার হাজার বছর ধরে এই মন্দিরে স্থান দিয়েছেন। আর সেজন্য আজ আমার পরম মিত্র প্রধানমন্ত্রী ওলির সঙ্গে যৌথভাবে নেপাল-ভারত মৈত্রী পশুপতি ধর্মশালাকে গোটা বিশ্ব থেকে সমাগত তীর্থযাত্রী, শিবভক্ত ও পর্যটকদের জনয সমর্পিত করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সারা পৃথিবী থেকে আসা ভক্তদের সুবিধার্থে ১২৫ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকে পশুপতিনাথের চরণে এই ছোট্ট উপহার উৎসর্গ করার সৌভাগ্য আমার হ’ল।

বন্ধুগণ, পশুপতিনাথ, মুক্তিনাথ এবং জানকীধাম যেমন নেপালে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের মালা গাঁথে, তেমনই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সূত্রকেও প্রতি মুহূর্তে নতুন দৃঢ়তা এনে দেয়। কাশী আর কাঠমান্ডুকে বাবা বিশ্বনাথ আর পশুপতিনাথ এক জায়গায় মিলিয়ে দেন। আমি সোমনাথের মাটি থেকে এসেছি। সোমনাথ থেকে বিশ্বনাথ, বিশ্বনাথ থেকে পশুপতিনাথ – এভাবে মা সীতা আর প্রভু শ্রীরামের সম্পর্ক জনকপুরকে অযোধ্যার সঙ্গে আবার ভগবান জগন্নাথ আর মুক্তিনাথ মস্তঙ্গ-কে পুরীর সঙ্গে মিলিয়ে দেয়। সুন্দর বাগমতি উপত্যকায় বিরাজমান ভগবান পশুপতিনাথ একদিকে ধৌলাগিরি ও অন্নপূর্ণা এবং অন্যদিকে, সাগরমাথা ও কাঞ্চনজঙ্ঘা। এই দৃশ্য সারা পৃথিবী থেকে আসা শিবভক্ত আর পর্যটকদের এক সুন্দর ও অদ্ভূত অভিজ্ঞতার শরিক করে তোলে। কাঠমান্ডুর এই পবিত্র মাটি হিন্দু এবং বৌদ্ধ আস্থার একটি সঙ্গমস্থল। এই দুই মত কিভাবে পরস্পরের পরিপূরক, এই দুই মতাবলম্বীদের মধ্যে কেমন পারস্পরিক সম্পর্ক – কাঠমান্ডুর অলিগলি ও পায়ে চলা পথগুলিতে চলতে চলতে তীর্থযাত্রীরা তা অনুভব করতে পারে। ভগবান পশুপতিনাথের এই ধামও অনেক আস্থা ও কেন্দ্র দ্বারা বেষ্টিত। বৌদ্ধ ভিক্ষুকদের প্রতি কণায় ব্রহ্মান্ড দর্শন আর একটু আগে প্রদীপজি যেমন বলছিলেন ‘ওম মনি পদ্মে হুম’ আর শিবভক্তদের মুখনিঃসৃত ‘ওম নমঃ শিবায়’ জপ কখন একাকার হয়ে যায় তা জানাও যায় না! এই পরম্পরাও নেপাল ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। নেপালের লুম্বিনী বিশ্বকে গৌতম দিয়েছে, তো ভারতের বুদ্ধগয়া বুদ্ধ দিয়েছে। গৌতম বুদ্ধের প্রদর্শিত পথে আজ বিশ্বে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মতো অনেক সমস্যা সমাধানের প্রেরণা পাওয়া যায়।

বন্ধুগণ, ভারত ও নেপালের মধ্যে আস্থা, অস্মিতা ও আপনত্বের ঐতিহাসিক মেল-বন্ধন রয়েছে। এটাও আমাদের অটুট শক্তি, অমূল্য সম্পদ এবং অতুলনীয় ঐতিহ্য। হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের গৌরবপূর্ণ ইতিহাস, বসুধৈব কুটুম্বকম – এর প্রতি আমাদের নিষ্ঠা সেই মূল্যবোধ গড়ে তোলে, যা উভয় দেশকে বিশ্বের অনেক সভ্যতা থেকে স্বতন্ত্র করে রেখেছে। একটু আগেই ওলিজি বলছিলেন – সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ।সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ। শুধু আপনজনদের নয়, প্রত্যেকের মঙ্গল কামনা, সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ। এটাই উভয় দেশের মূল ধারণা। আর এই সমৃদ্ধি থেকে নির্গত আত্মবিশ্বাসই বিশ্বে আমাদের স্থান সুনিশ্চিত করবে। উভয় দেশের ভবিষ্যৎ এই ভাবনা থেকেই নির্ধারিত হবে। আজ আমরা যাই অর্জন করতে পারছি, সেটা তখনই সফল হবে, যখন সকলের উন্নয়ন হবে। বিশেষ করে, যাঁরা বঞ্চিত, পীড়িত ও শোষিত। আজ ভারত আর্থিক উন্নয়নের অনেক নতুন উচ্চতা স্পর্শ করছে। সংস্কার, সম্পাদন ও রূপান্তরণের পথে এগিয়ে উন্নয়নের আকাশে দেশ এখন ধ্রুব তারার মতো উজ্জ্বল। আমরা যে মন্ত্র নিয়ে কাজ করছি – ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ এতে ভারতীয়দের যতটা গুরুত্ব দিচ্ছি, আমার নেপালী ভাই-বোনদেরও ততটাই গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিবেশীদের পাশে দাঁড়ানো আর সুখ সমৃদ্ধির সহযোগী হওয়া আমাদের ঐতিহ্য। তেমনই, বাবা পশুপতিনাথের আশীর্বাদ উভয় দেশের এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।

বন্ধুগণ, নেপালের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিরতা দেশে প্রত্যেক ভারতীয় খুশি। এরফলে, নেপাল প্রগতির পথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আমি প্রধানমন্ত্রী ওলি এবং এখানে উপস্থিত প্রত্যেক নেপালবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আপনাদের জীবনকে মঙ্গলময় করে তুলতে বন্ধু দেশ হিসাবে ভারতের সদ্ভাবনা ও সহযোগ সর্বদাই আপনাদের পাশে থাকবে। বাবা পশুপতিনাথের আশীর্বাদ যেন সবসময় এই দেশকে রক্ষা করে এবং নেপাল-ভারত মৈত্রীর এমনভাবে বজায় থাকে এই আমার প্রার্থনা। আস্থা, সভ্যতা ও সংস্কৃতির এই অবাধ গতি ভারত ও নেপালের কোটি কোটি মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করুক – এই কামনা নিয়ে ভারত-নেপাল মৈত্রী ধর্মশালা ……. আমি মনে করি, এটা নিছকই একটি বাড়ি নয়, যেখানে অতিথিরা আসবেন, তীর্থ যাত্রীরা থাকবেন – এটা নিছকই এমন একটা পান্থশালা নয়। এই ধর্মশালায় প্রতি মুহূর্তে প্রত্যেক তীর্থ যাত্রীর মনমন্দিরে ভারত-নেপাল মৈত্রী-ভাব গুঞ্জরিত হবে। এখানে যে সুব্যবস্থা রয়েছে, তা অতিথিদের মনে প্রাণশক্তি সঞ্চার করবে, প্রতীক হয়ে উঠবে। এই ধর্মশালা নেপাল পর্যটনকে শক্তিশালী করবে, নেপালে সমাগত তীর্থ যাত্রীদের একটি অতিরিক্ত আবাসস্থল করে গড়ে তুলবে। সাধারণ আয়-সম্পন্ন ব্যক্তিও যখন কোথাও থাকতে পারেন, তখন সেই আবাসস্থল নিছকই শোয়া-বসার জায়গা থাকবে না, নেপাল পর্যটনকে নতুন প্রাণশক্তি দেবে, নেপালের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। পর্যটন এমন একটি ক্ষেত্রে যেখানে ন্যূনতম পুঁজিনিবেশ করে অধিকতর রোজগারের সম্ভাবনা থাকে। আর যখন এসব ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়, স্বাভাবিকভাবেই পর্যটকের ঢল নামবে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, এই নেপাল-ভারত মৈত্রীর প্রতীক হিসাবে পশুপতিনাথ ধর্মশালা একটি স্তম্ভ রূপে পরিগণিত হবে। নেপালের অর্থনীতিকে জনগম করার ক্ষেত্রে একটি প্রাণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে। এই আস্থা নিয়ে আমি আরেকবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। কারণ, বিমস্টেক এত গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ছিল, আপনাদের আতিথেয়তায় সফল হয়ে ওঠা এই সম্মেলন বিশ্বকে একটি নতুন বার্তা দিয়েছে, বিশ্বের ২২ শতাংশ জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্বকারী দেশগুলির এই বিমস্টেক শিখর সম্মেলনে নেপালের মাটিতে, ভগবান পশুপতিনাথের চরণে যেসব সংকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলি অবশ্যই সিদ্ধ হবে। আর আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ওলিজির নেতৃত্বে কাঠমান্ডুর মাটি থেকে হিমালয়ের কোলে বসে গ্রহণ করা সংকল্পগুলি এই দেশগুলির তথা বিশ্বকে সুখ ও শান্তির লক্ষ্যে নিয়ে যেতে নির্ণায়ক ভূমিকা গ্রহণ করবে। এই গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য সুসম্পাদনের জন্য মাননীয় ওলিজি প্রশংসার পাত্র, সেজন্য আমি তাঁকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমি আরেকবার এই সমারোহের জন্য সময় বের করে আমার সঙ্গে এখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। এই ব্যবস্থা ভারতবাসীদের অনেক আনন্দ দেবে, নেপালের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চারের জন্য নেপালবাসীও খুশি হবেন – এই ভাবনা নিয়ে আমি আরেকবার ভগবান পশুপতিনাথের চরণে মাথা নত করে প্রণাম জানিয়ে আমার বাণীকে বিরাম দিচ্ছি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

CG/SB/SB