পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা কর(জিএসটি) ব্যবস্থার আওতায় জাতীয় মুনাফা বিরোধী কর্তৃপক্ষ (এনএএ)-এর চেয়ারম্যান এবংটেকনিক্যাল সদস্যদের জন্য পদ সৃষ্টি অনুমোদন করেছে। গতকাল বহুল প্রচলিত বিরাটসংখ্যক পণ্যদ্রব্যের জিএসটি-র হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার সিদ্ধান্তেরপ্রেক্ষিতে এই কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। এর ফলে, বিভিন্ন পণ্য এবং পরিষেবার জিএসটিহার কমার সুবিধা যাতে সাধারণ গ্রাহকরা পেতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যদ্রব্যগুলির দামকমে, তা নিশ্চিত করতে একটি শীর্ষ সংস্থা গঠনের পথ প্রশস্ত হবে।
এইকর্তৃপক্ষের প্রধান হবেন ভারত সরকারের সচিব পর্যায়ের একজন বরিষ্ঠ আধিকারিক।এছাড়াও, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির চারজন টেকনিক্যাল সদস্য এই কমিটিতে থাকবেন।জিএসটি হার হ্রাসের ফলে বিভিন্ন পণ্য এবং পরিষেবার দাম কমার সুবিধা যাতে গ্রাহকদেরকাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে যে সরকারবদ্ধপরিকর, এর মাধ্যমে তা সুস্পষ্ট হয়েছে।
স্মরণকরা যেতে পারে যে, ২০১৭-র ১৪ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে ১৭৮টি পণ্যের জিএসটি হার ২৮শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। ২৮ শতাংশ হারে জিএসটি যুক্ত পণ্যের সংখ্যাবর্তমানে মাত্র ৫০টি। অনুরূপভাবে, এক বিরাট সংখ্যক পণ্যের জিএসটি ১৮ শতাংশ থেকেকমিয়ে ১২ শতাংশ এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আরওকমিয়ে সম্পূর্ণ কর ছাড় দেওয়া হয়েছে।
জিএসটিআইনে যে মুনাফা বিরোধীতার পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে তাতে সমস্ত ধরনের পণ্যদ্রব্যেরওপর জিএসটি-র কম হার এবং ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট-এর পূর্ণ সুবিধা যাতে গ্রাহকদেরকাছে পৌঁছনো যায়, তার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা রয়েছে। এইপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় জাতীয় মুনাফা বিরোধী কর্তৃপক্ষ, একটি স্থায়ী কমিটি এবংপ্রত্যেক রাজ্যের জন্য একটি পর্যালোচনা কমিটি রয়েছে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সীমা শুল্কও অভ্যন্তরীণ শুল্ক পর্ষদে সুরক্ষা সংক্রান্ত মহানির্দেশনালয় (ডায়রেক্টরেট জেনারেলঅফ সেফ্গার্ডস) রয়েছে।
যদিকোন গ্রাহক মনে করেন যে, কোন পণ্য বা পরিষেবার ওপর জিএসটি কমানোর সুবিধা তাঁরাপাচ্ছেন না, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পর্যালোচনা কমিটির কাছে তাঁরা লিখিতভাবেআবেদন জানাতে পারবেন। তবে, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কোন বিশেষ বহুল প্রচলিত পণ্যের ওপরমুনাফা সংক্রান্ত ঘটনার জন্য গ্রাহকরা সরাসরি স্থায়ী কমিটির কাছে আবেদন জানাতেপারবেন। স্থায়ী কমিটি, এইসব আবেদনের প্রাথমিক বিবেচনার পর বিস্তারিত তদন্তের জন্যডায়রেক্টরেট জেনারেল অফ সেফ্গার্ডস-এর কাছে পাঠাবে। এই সংস্থা তদন্তের পর তাদেরপ্রতিবেদন জাতীয় মুনাফা বিরোধী কর্তৃপক্ষকে জানাবে।
জাতীয়মুনাফা বিরোধী কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে যে, মুনাফা বিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ করাপ্রয়োজন, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী বা ব্যবসায়ীদের জিনিসপত্রের দাম কমানোরনির্দেশ দেওয়ার অথবা পণ্য বা পরিষেবার বর্ধিত দাম সুদ সহ গ্রাহকদের ফেরৎ দেওয়ারনির্দেশ দিতে পারেন। যে সব ক্ষেত্রে বেআইনি মুনাফা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াযাবে না, সেক্ষেত্রে গ্রাহক কল্যাণ তহবিলে তা জমা রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া যেতেপারে। কোন বিশেষ ক্ষেত্রে, মুনাফা বিরোধী কর্তৃপক্ষ দোষী ব্যবসায়িক সংস্থার ওপরশাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং জিএসটি-র আওতায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাররেজিস্ট্রেশন বাতিল করার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।
জাতীয়মুনাফা বিরোধী কর্তৃপক্ষ গঠনের ফলে গ্রাহকদের আস্থা বাড়বে এবং সাম্প্রতিক সময়েজিএসটি হার কমার সুবিধা এবং সাধারণভাবে জিএসটি রূপায়ণের ফলে সুবিধাগুলি যাতে তাঁরাপান, তা সুনিশ্চিত হবে।
*****
PG/PB/DM/
GST anti-profiteering authority gets Cabinet approval. https://t.co/w2ePB3q0LU
— PMO India (@PMOIndia) November 17, 2017
via NMApp pic.twitter.com/gk1wLPuQWS