Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত ‘এফএমবিএপি’


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে গোটা দেশের বন্যা ব্যবস্থাপনা কাজ এবং নদী ব্যবস্থাপনার কাজ ও সীমান্ত এলাকা সংক্রান্ত কাজ ‘ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বর্ডার এরিয়াজ প্রোগ্রাম’ (এফএমবিএপি) অনুমোদিত হল। ২০১৭-১৮ এবং ২০১৯-২০-তে এর জন্য খরচ হবে ৩,৩৪২ কোটি টাকা। গোটা দেশে কার্যকরী বন্য ব্যবস্থাপনা, ভূমিক্ষয় নিয়ন্ত্রণ এবং সাগরবেলা ক্ষয় রোধে এই ‘এফএমবিএপি’ কর্মসূচি রূপায়িত হবে। এই প্রস্তাবের ফলে শহর, গ্রাম, শিল্পাঞ্চল, যোগাযোগ ব্যবস্থা কৃষিক্ষেত্র, পরিকাঠামো ইত্যাদি উপকৃত হবে। গোটা দেশ রক্ষা পাবে বন্যা এবং ভূমিক্ষয় থেকে। নদীতে পলি জমার সমস্যাও কমবে।

সাধারণ শ্রেণীর রাজ্যগুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের ভাগ থাকবে ৫০ শতাংশ করে। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি, সিকিম, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে কেন্দ্র ও রাজ্যের ভাগ থাকবে আগের মতোই ৭০ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ। সীমান্ত এলাকায় নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সঙ্গে নির্দিষ্ট দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মতো কাজ হবে। এতে ১০০ শতাংশই অনুদান বা কেন্দ্রীয় সহায়তা থাকবে।

দ্বাদশ পরিকল্পনা চলতি দুটি কর্মসূচি মিলিয়ে এই ‘এফএমবিএপি’ কর্মসূচিটি তৈরি হয়েছে। এর লক্ষ্য রাজ্যগুলিকে সঙ্কটাপন্ন এলাকাগুলিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করা। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সাহায্য করা হবে।

এই কাজের ফলে, মূল্যবান জমিকে রক্ষা করা যাবে ভূমিক্ষয় ও বন্যার হাত থেকে, সীমান্ত বরাবর শান্তি বজায় থাকবে, বন্যা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে যে কাজগুলি চালু আছে সেগুলি সম্পূর্ণ করাও এর লক্ষ্য। এছাড়া, বিভিন্ন সমীক্ষা এবং বন্যার পূর্বাভাস প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভাগ করে নিতে এই কর্মসূচি সাহায্য করবে। এছাড়াও চলবে সমীক্ষা, অনুসন্ধানের কাজ, জলসম্পদের খোঁজ এবং যে নদীগুলি প্রতিবেশী দেশের মধ্য দিয়েও বয়ে গেছে, সে বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহ, যার সাহায্যে উপকৃত হবে দুই দেশই।

CG/AP/DM/