Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা জাতীয় ডিজিটাল যোগাযোগ নীতি-২০১৮ অনুমোদন করেছে


 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বুধবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে জাতীয় ডিজিটাল যোগাযোগ নীতি-২০১৮ অনুমোদিত হয়েছে এবং ‘টেলিকম কমিশন’কে ‘ডিজিটাল কমিউনিকেশন্‌স কমিশন’ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। নতুন এই নীতিতে ভারতের অর্থনীতি ও সমাজের ডিজিটাল ক্ষমতায়নের কথা ভাবা হয়েছে। এতে নাগরিক এবং শিল্প সংস্থাগুলির জন্য তথ্য ও যোগাযোগের প্রয়োজন মেটানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর জন্য একটি সর্বত্রগামী এবং সুলভ ডিজিটাল যোগাযোগের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা করা হবে। নতুন এই নীতির ফলে ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন ধারণা ও উদ্ভাবন ঘটবে। পঞ্চম প্রজন্মের যোগাযোগ ব্যবস্থা, ‘ইন্টারনেট অফ থিংস’, এম-টু-এম-এর মতো ব্যবস্থা ভবিষ্যতে ভারতের টেলিকম ক্ষেত্রের অঙ্গ হয়ে উঠবে।

নীতিটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সবার জন্য ব্রডব্যান্ডের ব্যবস্থা করা, ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৪০ লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, ভারতের জাতীয় আয়ের ক্ষেত্রে ডিজিটাল যোগাযোগ ক্ষেত্রের অবদান বর্তমানের ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়া, ভারতকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়ন সূচকের ক্ষেত্রে বিশ্বের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ৫০টি দেশের স্থান দেওয়া, বিশ্বের ডিজিটাল মূল্য শৃঙ্খলের ক্ষেত্রের ভারতের অবদান বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব সুনিশ্চিত করা। ২০২২ সালের মধ্যে এই লক্ষ্য পূরণ করার কথা ভাবা হয়েছে।

নীতিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ৫০ এমবিপিএস ব্রডব্যান্ড সংযোগের ব্যবস্থা করা। ২০২০ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতকে ১ জিবিপিএস সংযোগ ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা এবং ২০২২-এর মধ্যে তা বাড়িয়ে ১০ জিবিপিএস-এ নিয়ে যাওয়া, যে সব স্থানে এখনও ডিজিটাল সংযোগের ব্যবস্থা হয়নি সেখানে তার ব্যবস্থা করা, ডিজিটাল যোগাযোগ ক্ষেত্রে ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, নতুন যুগের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ১০ লক্ষ কর্মীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রভৃতি। এছাড়াও, দেশের ৫০০ কোটি ডিজিটাল সংযুক্ত যন্ত্রকে ‘ইন্টারনেট অফ থিংস’-এর আওতায় নিয়ে আসা, ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি সার্বিক তথ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করা এবং বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতিতে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা। অন্যদিকে, নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে একটি যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক এবং উত্তরদায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলাও এই নীতির লক্ষ্য।

নীতিটি রূপায়ণের জন্য একটি জাতীয় পর্যায়ের ডিজিটাল গ্রিড গড়ে তোলা হবে। এছাড়া, সমস্ত নতুন শহর এবং সড়ক প্রকল্পে অভিন্ন পরিষেবা পরিকাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। অন্যদিকে, কেন্দ্র, রাজ্য সরকার এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলির সহযোগিতায় ডিজিটাল সংযোগের ক্ষেত্রে অভিন্ন অধিকার, দাম ও সময়সীমার ক্ষেত্রে মান্য ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা। যে কোন ধরণের নতুন কাজের ক্ষেত্রে অনুমোদনের প্রতিবন্ধকতাগুলি দূর করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের ‘ওপেন অ্যাক্সেস নেটওয়ার্ক’-এর উন্নয়নের ব্যবস্থা করা। ২০১২ সালের জাতীয় টেলিকম নীতির পরিবর্তে ভারতের ডিজিটাল যোগাযোগ ক্ষেত্রকে বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০১৮ সালের এই নতুন জাতীয় ডিজিটাল যোগাযোগ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।।

 

CG/PB/DM/…