পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা আমেদাবাদ, জয়পুর, লক্ষ্ণৌ, গুয়াহাটি, তিরুবনন্তপুরম এবং ম্যাঙ্গালুরু বিমানবন্দরগুলিকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব পর্যালোচনা কমিটির মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ‘নীতিগতভাবে’ অনুমোদন করেছে। বিমানবন্দরগুলির কাজ চালানো, পরিচালন এবং উন্নয়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব পর্যালোচনা কমিটির কাজের আওতার বাইরে কোনও বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নীতি আয়োগের সিইও-র নেতৃত্বে একটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তও মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এই কমিটিতে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের সচিব, ব্যয় সংক্রান্ত দপ্তরের সচিবরা সদস্য হিসাবে থাকবেন।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান, দক্ষতা, কর্মোদ্যোগ এবং পেশাদারিত্ব আসে। এছাড়া, সরকারি মালিকানাধীন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের সুযোগও পাওয়া যায়। হায়দরাবাদ ও বেঙ্গালুরুতে গ্রিন ফিল্ড বিমানবন্দর উন্নয়নের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যে, বিমানবন্দর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ফলে বিশ্বমানের বিমানবন্দর পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে। তাছাড়া, বিমান যাত্রীদের জন্য সুদক্ষ ও সময়নির্দিষ্ট পরিষেবার ব্যবস্থা হয়েছে, কোনও রকম অর্থ বিনিয়োগ না করে ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য রাজস্বের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দিল্লি, মুম্বাই, ব্যাঙ্গালোর, হায়দরাবাদ ও কোচিন বিমানবন্দরগুলি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কাজ করে চলেছে। বিমানবন্দরে পরিষেবার গুণমানের নিরীখে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংস্থার হিসাবে ভারতে ৫টি শীর্ষ স্থানীয় বিমানবন্দর-ই সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতেই নতুন ৬টি বিমানবন্দরকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে লিজ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
CG/PB/SB