পিএমইন্ডিয়া
দক্ষিণ ভারতের বস্ত্র রাজধানী তথা তামিলনাড়ুর বাণিজ্য নগরী কোয়েম্বাটোরে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নবনির্মিত ভবনটির উদ্বোধন উপলক্ষে আজ এখানে আপনাদের সকলের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে আমি বিশেষভাবে আনন্দিত। এই বিশেষ মুহূর্তে এখানকার বর্তমান হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ভবনগুলি তামিলনাড়ু সরকারের হাতে তুলে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সহযোগিতার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমার সরকারের অঙ্গীকারের এ এক বিশেষ দৃষ্টান্ত। আমি আশা করব এই কলেজটি দ্রুত চালু করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে তামিলনাড়ু সরকার।
৫৮০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি কোয়েম্বাটোর এবং সন্নিহিত অঞ্চলের ই এস আই সি ভুক্ত সদস্য ও তাঁদের পরিবার-পরিজনদের কাছে এক আশীর্বাদ বিশেষ। এখানকার প্রস্তাবিত ১০০টি এম বি বি এস আসনের মধ্যে ২০টিই ই এস আই প্রকল্পভুক্ত সদস্যদের ছেলেমেয়েদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটিকে রাজ্যের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য একটি উচ্চমানের আদর্শ চিকিৎসা ও শিক্ষাকেন্দ্র রূপে গড়ে তুলতে আমাদের বিশেষভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
সকল শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য এক উদার ও সুসংহত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলতে আমার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অসংগঠিত ক্ষেত্রের ৪৫ কোটিরও বেশি শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থে আমরা রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনার আওতায় স্বাস্থ্য বিমা কর্মসূচি ছাড়াও চালু করেছি প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা এবং অটল পেনশন যোজনা যার আওতায় জীবন বিমা ও দুর্ঘটনা বিমার সুযোগ পাওয়া যায়। আধুনিক ভারতের রূপকারদের এই অঙ্গীকারের মূলে রয়েছে একটি দৃঢ় বিশ্বাস, তা হল –সুস্থ ও সমৃদ্ধ শ্রমিকই গড়ে তুলতে পারে এক সমৃদ্ধ রাষ্ট্র।
সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য ই পি এফ ও এবং ই এস আই সি-র বড় ধরনের সংস্কারের কাজে আমরা হাত দিয়েছি। ছ’কোটিরও বেশি কর্মচারীকে দেওয়া হয়েছে একটি অভিন্ন অ্যাকাউন্ট নম্বর যাতে তাঁদের ই পি এফ অ্যাকাউন্টগুলি অন্যত্র স্থানান্তরিত হলেও অ্যাকাউন্ট নম্বর কিন্তু অভিন্ন থাকবে। এছাড়াও, ই এস আই সি-র আওতায় অতিরিক্ত কিছু সুযোগ-সুবিধা ও পরিষেবা প্রসারের প্রস্তাবও আমরা করেছি।
প্রয়োজন অনুযায়ী, সামর্থ্য ও সুযোগ-সুবিধার কথা চিন্তা করে সদস্য হিসেবে প্রদেয় অর্থ – এই গান্ধীবাদী নীতির ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে ই এস আই প্রকল্পটি। এই নীতি অনুসরণ করে বিমার আওতায় থাকা সদস্য ও তাঁদের পরিবারের লোকজনকে আয়ের আনুপাতিক হারে অর্থ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা ছাড়াও ই এস আই সি-তে বিমাকৃত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় অসুস্থতা, পঙ্গুত্ব, নির্ভরশীলতা, মাতৃত্বকালীন অবস্থা এবং কর্মহীন অবস্থায়। এক কথায় এই কর্মসূচিটি অভিনব। কারণ এখানে ব্যয়ের কোন নির্দিষ্ট বা ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া নেই। এমন ঘটনারও নজির রয়েছে যেখানে চিকিৎসার খরচবাবদ দেওয়া হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ, ই এস আই সি-র আওতায় যে স্বাস্থ্য প্রকল্প রয়েছে তা লক্ষ লক্ষ শ্রমিক-কর্মচারীর কাছে এক আশীর্বাদ বিশেষ।
বন্ধুগণ, ১৯৫২ সালে ই এস আই প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল খুবই সাধারণভাবে কানপুর ও দিল্লি – এই দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে। বর্তমানে এই কর্মসূচিটি রূপায়িত হচ্ছে ৩৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৮৩০টি কেন্দ্রে। সারা দেশের ৭ লক্ষেরও বেশি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আসা হয়েছে এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায়। ২ কোটি শ্রমিক-কর্মচারী সহ ৮ কোটির মতো মানুষ উপকৃত হয়েছেন এই কর্মসূচিটিতে। তামিলনাড়ুতে ৮৫ হাজারেরও বেশি নিয়োগ কর্তা ও প্রতিষ্ঠান যোগ দিয়েছে ই এস আই প্রকল্পে। বিমাকৃত সদস্যের সংখ্যা ২৮ লক্ষেরও বেশি। শুধুমাত্র কোয়েম্বাটোরেই এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন ২৭ হাজারের মতো নিয়োগ কর্তা ও প্রতিষ্ঠান। তামিলানাড়ুর ৩১টি জেলায় এই কর্মসূচির সুযোগ-সুবিধা আজ সম্প্রসারিত।
তামিলনাড়ুতে রয়েছে ১০টি ই এস আই হাসপাতাল। এই হাসপাতালটি রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার ফলে রাজ্য সরকার পরিচালিত ই এস আই হাসপাতালের সংখ্যা দাঁড়াবে আটটিতে। তিরুনেলভেলির ই এস আই সি হাসপাতালটিতে শয্যা সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিমার আওতায় থাকা সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের লোকজন রাজ্যের ২১০টি ই এস আই চিকিৎসাকেন্দ্রে বহির্বিভাগীয় চিকিৎসার সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন। এই ধরনের ৫০টি চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে কোয়েম্বাটোরে।
আমাদের ভাই-বোনেরা হলেন আমাদের রাষ্ট্র নির্মাতা। তাঁদের কল্যাণে আমার সরকার বদ্ধপরিকর। ই এস আই সি-র সম্প্রসারণের প্রয়োজন অনুভূত হওয়ায় গত বছর জুলাই মাসে নয়াদিল্লিতে ভারতীয় শ্রম সম্মেলনের সময় আমি ‘ই এস আই সি ২.০’ নামে একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের সংস্কার কর্মসূচি চালু করেছিলাম।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যে রাজ্যগুলি বাকি ছিল অর্থাৎ, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, মণিপুর এবং সেইসঙ্গে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও ই এস আই কর্মসূচি বর্তমানে সম্প্রসারিত হয়েছে। শুধুমাত্র শিল্প ও বাণিজ্যিক গুচ্ছ প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে সারা জেলায় এই কর্মসূচি সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে এ বছর ৩১ মার্চের মধ্যে। গত বছরের ১ আগস্ট থেকে নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদেরও এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আমি সরকারি পরিষেবার মানোন্নয়নের পক্ষে। তাই, ই এস আই হাসপাতালগুলিতে পরিষেবার মান উন্নত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ই এস আই-এর আওতাভুক্ত সদস্যদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নথিপত্র ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থায় সংরক্ষণ এবং অনলাইনে তা সুলভ করে তোলা, আপৎকালীন মেডিকেল হেল্পলাইন স্থাপন এবং প্রবীণ নাগরিক ও অন্যভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ই এস আই সি হাসপাতালগুলিতে বিশেষ বহির্বিভাগ পরিষেবা চালু করা। পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করতে ‘অভিযান ইন্দ্রধনুষ’-এর আওতায় সপ্তাহের প্রত্যেক দিন রামধনু পদ্ধতিতে হাসপাতালের বিছানার চাদর বদলে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিচর্যা তথা পরিষেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকই হল পরিচ্ছন্নতা যার ফলশ্রুতিতে যে কোন দরিদ্র পরিবারের বছরে ৭ হাজার টাকার মতো সাশ্রয় হতে পারে বলে এক সমীক্ষায় জানা গেছে।
প্রতিটি রাজ্যে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিচর্যা সম্পর্কিত হাসপাতাল ছাড়াও দুটি করে মডেল হাসপাতাল গড়ে তোলার সংকল্প করা হয়েছে ই এস আই সি-র আওতায়। আমি আনন্দিত যে ই এস আই সি তার পরিষেবাকে সম্পূর্ণ করতে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার প্রস্তাব করেছে। ক্যান্সার নির্ণয়, হৃদরোগের চিকিৎসা এবং ডায়ালিসিস ছাড়াও নিগমের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার ভিত্তিতে সবক’টি চিকিৎসাকেন্দ্রে প্যাথোলজি এবং এক্স-রে সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি ছাড়াও ই এস আই হাসপাতালগুলি থেকে পর্যায়ক্রমে পাওয়া যাবে আয়ুষ চিকিৎসা ব্যবস্থারও সুযোগ।
বন্ধুগণ, দেশের শ্রমশক্তির কল্যাণে বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে আমার সরকার। ২০১৪-র সেপ্টেম্বর মাস থেকে সংশোধনক্রমে কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থার (ই পি এফ ও) আওতায় পেনশন ন্যূনতম মাসিক ১ হাজার টাকা করা হয়েছে। ই পি এফ-এর সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ৬,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। নিয়োগ কর্তা এবং কর্মচারী উভয়েরই সুবিধার্থে চালু হয়েছে একটি ই পি এফ ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। সংশোধন করা হয়েছে বোনাস আইনেরও।
‘ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপ, সর্বোচ্চ প্রশাসন’– আমাদের এই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক কেন্দ্রীয় শ্রম আইনটিকেও আরও সরল করে তুলেছে। এজন্য বর্তমানের ৪৪টি আইনকে সংহত করে চারটি শ্রম কোডের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই কোডগুলি হল –পারিশ্রমিক, শিল্প সম্পর্ক, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য। এর ফলে বাণিজ্যিক কাজকর্ম যেমন সহজতর হবে, তেমনই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টিও সুবিধাজনক হয়ে উঠবে। এজন্য শ্রমিক-কর্মচারীদের সুরক্ষা ও অধিকারের বিষয়টি কোনভাবেই লঙ্ঘিত হবে না। আমরা বর্তমানে সংস্কারসাধনের পথে রয়েছি। নিয়োগ কর্তা, কর্মচারী প্রতিনিধি এবং রাজ্য সরকার সহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে পরামর্শ ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে এই সমস্ত সংস্কার সম্পর্কে মতৈক্যে পৌঁছনোর চেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছি আমরা।
১৬টি শ্রম আইন সম্পর্কে অনলাইন পরিষেবা সম্প্রসারণে চালু হয়েছে একটি ‘শ্রম সুবিধা পোর্টাল’ যাতে কাজকর্ম সম্পর্কে যে কোন সময় এক স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার সুযোগও গ্রহণ করা যাবে। ১০ লক্ষ নিয়োগ কর্তাকে দেওয়া হয়েছে একটি এল আই এন সংখ্যা যাতে আটটি শ্রম আইন সম্পর্কে অনলাইনে তারা কাজকর্ম করতে পারেন। ই এস আই সি এবং ই পি এফ ও-র পরিষেবাগুলিকে সুসংহতভাবে যুক্ত করা হয়েছে শিল্প নীতি ও উন্নয়ন দপ্তরের ই-বিজ পোর্টালের সঙ্গে। এর ফলে, বাণিজ্যিক কাজকর্ম যেমন সহজতর হবে, অন্যদিকে তেমনই লেনদেন খাতে ব্যয়েরও বেশ কিছুটা সাশ্রয় ঘটবে। এছাড়াও, নতুন ই পি এফ ও এবং ই এস আই সি আইন বলবৎ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় পছন্দের বিষয়গুলিকে বেছে নেওয়া যাবে, আরও বেশি সংখ্যক নিয়োগ কর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীর কাছে এ সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যাবে এবং সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের আরও ভালোভাবে পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত শিক্ষা ও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে নজর দেওয়ার ব্যাপারে সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের যে বৃহত্তর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে ই এস আই সি-র সুযোগ-সুবিধার প্রসার এবং এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব তারই অন্তর্ভুক্ত।
এম বি বি এস পঠনপাঠনের ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা বাড়াতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের যে মেডিকেল কলেজগুলি বর্তমানে রয়েছে সেগুলির মানোন্নয়ন সংক্রান্ত একটি কর্মসূচিও আমরা অনুমোদন করেছি। এর মাধ্যমে এম বি বি এস-এর আসন সংখ্যা ১০ হাজারের মতো বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি। প্রয়োজনীয় সাজসরঞ্জাম ও পরিকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হবে মেডিকেল কলেজগুলিকে। এ পর্যন্ত ২৩টি মেডিকেল কলেজকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এম বি বি এস-এর আসন সংখ্যা ১,৭০০-রও বেশিতে উন্নীত করার জন্য। আমি আপনাদের এ খবর দিতে পেরে আনন্দিত হব যে কোয়েম্বাটোর, কন্যাকুমারী, তিরুনেলভেলি এবং মাদুরাইতে অবস্থিত তামিলনাড়ুর চারটি মেডিকেল কলেজে আরও ৩৪৫টি এম বি বি এস আসন সংখ্যা বৃদ্ধির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একই ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা সারা দেশে গড়ে তুলতে চাইছি এইম্স-এর মতো প্রতিষ্ঠান। রাজ্য সরকারের সক্রিয় সমর্থনে এই ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তামিলনাড়ুতে। অনতিবিলম্বেই এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির কাজ শুরু হবে বলে আমি আশা করছি।
বন্ধুগণ, সংবিধানের জনক ভারতরত্ন ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরের কথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যে কথা আমরা অনেকেই জানি না তা হল শ্রম আইন রচনার ক্ষেত্রে বাবাসাহেবের অবদান ছিল অপরিসীম। আমি একথা আপনাদের জানাতে পেরে আনন্দিত হব যে গত মাসে ডঃ আম্বেদকরের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে দিল্লিতে এক সম্মেলনের আয়োজন করে কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক। আমি আপনাদের সকলকেই অনুরোধ জানাব যে এই উপলক্ষে প্রকাশিত ‘ডঃ বি আর আম্বেদকর – লেবার ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট : ইনিশিয়েটিভ্স টু মেক হিজ ভিশন আ রিয়েলিটি’– এই বইটি পড়ে দেখার জন্য। সমবেতভাবে এবং সহযোগিতার মধ্য দিয়ে কাজ করে যেতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, কারণ শ্রমিক কল্যাণে ডঃ আম্বেদকরের জীবন দর্শনকে আমরা সফল করে তুলতে চাই।
বন্ধুগণ, শিল্পে শান্তি ও সম্প্রীতি সুনিশ্চিত করা সম্ভব তখনই যখন কর্মসংস্থান এবং কর্মের সুযোগ লাভের যোগ্যতার লক্ষ্যের সঙ্গে শিল্পের প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যের বিষয়টি সম্পৃক্ত হয়ে ওঠে। তাই, অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের মধ্য দিয়ে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা সকলে মিলে গড়ে তুলতে চাই এক অনুকূল পরিবেশ। আমি রাজ্য সরকারকে এই মর্মে আশ্বাস দিতে চাই যে এই লক্ষ্যে যে কোন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় সকল সময়ই সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার।
ভারতের শ্রম শক্তির কল্যাণে আরও বেশি করে কাজ করে যাওয়ার উৎসাহ আমার রয়েছে। কাজের এক অনুকূল পরিবেশ হিসেবে ভারতকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলস প্রচেষ্টা আমি চালিয়ে যাব।
আসুন, আমরা সকলে মিলে আমাদের দেশকে বসবাস এবং কাজকর্মের এক শ্রেষ্ঠ ভূমি রূপে গড়ে তুলি।
জয় হিন্দ!
PG/SKD/DM/
We should strive to make this medical college & hospital a model for high quality medical education & treatment to workers of the State: PM
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
My government is committed to the development of a generous and comprehensive social safety net for all workers: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
Swasth and Samridh Shramik will make a Samridh Rashtra: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
ESI Scheme is based on the Gandhian principle of “contributions as per their ability and benefits as per the requirement" : PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
From modest beginning in 1952 with just 2 centers in Kanpur & Delhi, ESI Scheme today is implemented in 830 centers in 34 States & UTs: PM
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
My Government is dedicated to the welfare of our brothers and sisters who are our Rashtra Nirmatas: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
Several initiatives have been started to improve the quality of service delivery in ESI hospitals: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
Government has taken a number of path-breaking steps for the welfare of workforce of our country: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
From September 2014, we have revised the Employee Provident Fund Organization (EPFO) pension to a minimum of 1000 rupees per month: PM
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
The wage ceiling for EPF benefits has been raised from 6500 to 15000 rupees since 1st September 2014: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
Bonus Act has been amended to increase the ceilings for eligibility and bonus payable to 21,000 and 7000 rupees per month respectively: PM
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
Ministry is simplifying central labour laws by consolidating existing 44 laws into 4 labour codes: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
4 state Govt medical colleges in TN at Coimbatore, Kanyakumari, Tirunelveli, Madurai have been approved for upgradation: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
PM @narendramodi remembers Dr. Babasaheb Ambedkar's contribution as Labour Minister & his efforts towards labour welfare.
— PMO India (@PMOIndia) February 2, 2016
ESIC medical college & hospital in Coimbatore will be a boon to ESIC beneficiaries & their family members. https://t.co/szVXccj1jo
— Narendra Modi (@narendramodi) February 2, 2016
Elaborated on NDA Govt's social security schemes, reforms of EPFO & ESIC. Also emphasised on improving public service delivery standards.
— Narendra Modi (@narendramodi) February 2, 2016
We are continuously working for welfare of India's industrious workforce & are striving towards 'Making India a Better Work Place for All.'
— Narendra Modi (@narendramodi) February 2, 2016