Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিগুলির রূপায়ণ ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিগুলির রূপায়ণ ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানিএবং আবাসন সংক্রান্ত মূল পরিকাঠামোগুলির অগ্রগতির বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। প্রায়তিন ঘন্টার এই পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, নিতি আয়োগএবং কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকগুলির শীর্ষস্থানীয়কর্তা-ব্যক্তিরা।

বৈঠকে নিতিআয়োগের সিইও-র উপস্থাপনাকালে জানা যায় যে পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন, সুলভও গ্রামীণ আবাসন, এলইডি বাল্বের উৎপাদন ও যোগান সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেইউল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীউজ্জ্বলা যোজনার আওতায় এ পর্যন্ত উপকৃত হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লক্ষ বিপিএল পরিবার।শহরাঞ্চলের গ্যাস বন্টন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে দেশের ৮১টি শহরকে।

এইপ্রক্রিয়া থেকে দেশের কৃষকরা যাতে উপকৃত হতে পারেন সেই লক্ষ্যে ইথানল মিশ্রণের ওপরবিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে, কৃষক কল্যাণে পদ্ধতিগত ব্যবস্থা উদ্ভাবনেরগুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি । শ্রী মোদী বলেন, দ্বিতীয় প্রজন্মের জৈব ইথানলশোধনাগার স্থাপনের কাজ দ্রুততর হওয়া উচিৎ যাতে কৃষির অবশিষ্টাংশেরও সদ্ব্যবহারসম্ভব করে তোলা যায়।

পর্যালোচনাবৈঠকে উত্থাপিত হয় গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণ কর্মসূচির প্রসঙ্গটিও। জানা যায়, ১৮,৪৫২টিঅবশিষ্ট গ্রামের মধ্যে ১৩ হাজারেরও বেশি গ্রামে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে বিদ্যুতেরসুযোগ। এক হাজার দিনের মধ্যে এই কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য পূরণের দিকে কর্মসূচিটিযে দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে তাও এদিন প্রকাশ পায় প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনাবৈঠকে। ২২ লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ পরিবারে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বিদ্যুতের সুযোগ পৌঁছেগেছে। ঐ একই সময়ে এলইডি বাল্ব বন্টন করা হয়েছে ৪০ কোটিরও বেশি। সম্প্রসারিত হয়েছেআঞ্চলিক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংবহন ক্ষমতাও। ২০১৪-র মে থেকে ২০১৭-র এপ্রিল পর্যন্তসংবাহিত হয়েছে অতিরিক্ত ৪১ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ।

পুনর্নবীকরণযোগ্যজ্বালানি উৎপাদনের মাত্রা ৫৭ গিগাওয়াট অতিক্রম করে গেছে বলে এদিন জানা যায় এইপর্যালোচনা বৈঠকে। গত আর্থিক বছরে এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার পরিলক্ষিত হয়েছে ২৪.৫শতাংশ। সৌর জ্বালানি ক্ষেত্রে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে ৮১ শতাংশ যাকিনা, এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সৌর ও বায়বীয় বিদ্যুতের মাশুল হার ঘন্টায়কিলোওয়াট প্রতি নেমে এসেছে ৪ টাকায়। সৌর নগরী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েপ্রধানমন্ত্রী বলেন যে এই ধরনের শহরগুলিতে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো হবে শুধুমাত্রসৌর জ্বালানির সাহায্যে। দেশের বেশ কিছু অঞ্চলকে কেরোসিন মুক্ত করে তোলার ওপরও জোরদেন তিনি।

সৌরশক্তিচালিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জাম উৎপাদনের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেনপ্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসম্ভব, অন্যদিকে তেমনই পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির সুফলগুলিও সর্বোচ্চ মাত্রায় লাভকরা যেতে পারে ।

প্রধানমন্ত্রীআবাস যোজনার আওতায় দেশের গ্রামাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির একটি সার্বিক চিত্রএদিন তুলে ধরা হয় পর্যালোচনা বৈঠকে। এই কর্মসূচি রূপায়ণে তথ্যপ্রযুক্তি এবং মহাকাশগবেষণাভিত্তিক ব্যবস্থাগুলিকে বিশেষভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে জানা যায়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩২ লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ বাসস্থান গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এই কর্মসূচির সঙ্গেযুক্ত গ্রামীণ কারিগরদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈদ্যুতিকরণ,তথ্যপ্রযুক্তি নেটওয়ার্ক এবং বাসস্থান নির্মাণের মতো কর্মসূচিগুলির রূপায়ণে এক সুসংবদ্ধদৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এই কর্মসূচি রূপায়ণের ক্ষেত্রে দেশেরযে ১০০টি জেলা এখন সবথেকে পিছিয়ে রয়েছে, সেগুলির দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার কথাওবলেন তিনি।

ভবিষ্যতেপর্যালোচনাকালে জেলা পর্যায়ের সমস্যাগুলির ওপর বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার জন্য নির্দেশদেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থায় পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির উন্নয়ন সম্ভব করেতোলা যাবে।

PG/SKD/DM/