Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণ এবং ‘সৌভাগ্য’ কর্মসূচির সুফল গ্রহীতাদের সঙ্গে এক ভিডিও সংযোগ ব্যবস্থায় আলাপচারিতা প্রধানমন্ত্রীর


‘সৌভাগ্য’ কর্মসূচির আওতায় দেশের যে সমস্ত গ্রামে বিদ্যুতের সুযোগ পৌঁছে গেছে সেখানকার নাগরিকদের সঙ্গে আজ (১৯ জুলাই, ২০১৮) এক ভিডিও সংযোগ ব্যবস্থায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির সুফল গ্রহীতাদের সঙ্গে ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে এটি হল প্রধানমন্ত্রীর দশম আলাপচারিতার অনুষ্ঠান।

সাম্প্রতিককালে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে এমন ১৮ হাজার গ্রামের অধিবাসীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সুযোগ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যাঁরা কোনদিন অন্ধকারকে দেখেননি তাঁরা আলোর মর্ম বুঝতে পারবেন না। অন্ধকারের মধ্যে যাঁরা তাঁদের জীবন অতিবাহিত করেননি, তাঁদের পক্ষে আলোর গুরুত্ব অনুধাবন করা অসম্ভব।

গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলাপচারিতাকালে শ্রী মোদী বলেন যে এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হাজার হাজার গ্রাম আলোকিত হয়ে উঠেছে। পূর্ববর্তী সরকারের কাছে যা ছিল মিথ্যা প্রতিশ্রুতি মাত্র, সেখানে প্রত্যেকটি গ্রামকে বিদ্যুতায়িত করার জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছে বর্তমান সরকার। শুধুমাত্র বৈদ্যুতিকরণের মধ্যেই সরকারের কাজ থেমে থাকেনি। বিদ্যুতের বন্টন ব্যবস্থারও সংস্কারসাধন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি এখন বদলে দিয়েছে। সারা দেশে অবিদ্যুতায়িত ১৮,০০০ গ্রামের মধ্যে ১৪,৮৫২টির অবস্থান ছিল পূর্ব ভারতে। এর মধ্যে আবার এ ধরণের ৫,৭৯০টি গ্রাম ছিল দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। কিন্তু সমগ্র পূর্ব ভারতের উন্নয়নের বিষয়টিকে সরকারিভাবে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই অঞ্চল পূর্ণ বৈদ্যুতিকরণের সুযোগ লাভ করায় ভারতের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এক বৃহত্তর ভূমিকা পালন করতে পারে পূর্ব ভারত। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে দেশের প্রত্যেকটি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে ‘প্রধানমন্ত্রী সহজ বিজলী হর ঘর যোজনা’র কাজ শুরু করা হয়েছে। এই কর্মসূচি রূপায়ণের মাধ্যমে এ পর্যন্ত বিদ্যুতের সুযোগ পৌঁছে গেছে ৮৬ লক্ষেরও বেশি বাড়িতে। বিশেষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই যোজনা রূপায়ণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ৪ কোটি বাড়িতে বৈদ্যুতিকরণের কাজ নিশ্চিত করা হবে।

বিদ্যুতের সুযোগ তাঁদের জীবনে কি ধরণের পরিবর্তন এনে দিয়েছে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা করেন দূর-দূরান্তের গ্রামগুলির সুফল গ্রহীতারা। সূর্যাস্তের আগেই সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করা এবং কেরোসিনের বাতির সামনে বসে বাড়ির ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা করতে বাধ্য করার দিন এখন অতীত। বিদ্যুৎ এইভাবেই তাঁদের জীবনযাত্রাকে এখন অনেক অনেক সহজ করে তুলেছে। তাঁদের জীবনধারণের মানও যে সার্বিকভাবে উন্নত হয়েছে সেকথা ব্যক্ত করেন অধিকাংশ সুফল গ্রহীতা। তাঁদের ঘর-বাড়ি আলোকিত করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তাঁরা ধন্যবাদ জানান।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও দেশের যে ১৮ হাজার গ্রাম বিদ্যুতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল, গত চার বছরে সেখানে বৈদ্যুতিকরণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। শেষ যে গ্রামটিকে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণের আওতায় নিয়ে আসা হয় সেটি হল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মণিপুর রাজ্যের লেইসাং গ্রাম। এ বছর ২৮ এপ্রিল সেখানে বিদ্যুতের সুযোগ পৌঁছে গেছে।

CG/SKD/DM