Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

চলচ্চিত্র পাইরেসি ও কপিরাইট লঙ্ঘন মোকাবিলার জন্য সিনেমাটোগ্রাফ আইন, ১৯৫২-তে সংশোধনের প্রস্তাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সায়


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৯৫২ সালের সিনেমাটোগ্রাফ আইনের সংশোধনের ভিত্তিতে তৈরি সিনেমাটোগ্রাফ সংশোধনী বিল, ২০১৯ পেশের জন্য কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের প্রস্তাবে সায় জানানো হয়েছে। বিনা অনুমতিতে চলচ্চিত্রের ক্যামকর্ডারে রেকর্ড করার জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সহ চলচ্চিত্রের পাইরেসি তথা চুরি প্রতিরোধে বিলটি আনা হয়েছে।

চলচ্চিত্রের পাইরেসির সমস্যা রোধ করতে ১৯৫২ সালের সিনেমাটোগ্রাফ আইনে সংশোধন আনতে একটি নতুন ধারা ৬এএ সংযোজন করা হয়েছে। এই নতুন ধারায় বলা হয়েছে, লেখকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কেউ কোন অডিও-ভিস্যুয়াল রেকর্ডের যন্ত্র ব্যবহার করে জেনেশুনে কোন চলচ্চিত্র বা চলচ্চিত্রের অংশ তৈরি কিংবা তা প্রদর্শন করতেপারবেন না। ১৯৫৭ সালের কপিরাইট আইনের ২ডি ধারায় ‘স্রষ্টা’ শব্দটির বিস্তারিত অর্থ দেওয়া রয়েছে। আইন লঙ্ঘনের জন্য ৬এএ ধারায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চালু করতে আইনের ৭ নং ধারা সংশোধন করা হয়েছে। ৬এএ ধারার শর্তগুলি লঙ্ঘন করলে তিন বছরের কারাদণ্ড কিংবা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা দুটিই হতে পারে।

এই সংশোধনগুলির ফলে এই শিল্পের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান হবে ও দেশের জাতীয় আইপি নীতির উদ্দেশ্য পূরণ হবে এবং পাইরেসি ও অনলাইন দেওয়া কন্টেন্ট চুরির হাত থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, চলচ্চিত্রের মাধ্যম, যে প্রযুক্তি ও পদ্ধতি এই মাধ্যমে ব্যবহার করা হয় এবং দর্শকদের মধ্যেও বিগত কয়েক বছরের মধ্যে বিশাল পরিবর্তন এসেছে। সারা দেশে টিভি চ্যানেল ও কেব্‌ল নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সাথে সাথে গণমাধ্যম ও বিনোদনের ক্ষেত্রেও বহু পরিবর্তন এসেছে। পাইরেসির ভয়ে, বিশেষ করে ইন্টারনেটে চলচ্চিত্রের পাইরেটেড ভার্সন প্রসারের ফলে চলচ্চিত্র শিল্প এবং সরকারি কোষাগার বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বহুদিন ধরেই আইনে সংশোধনের মাধ্যমে ক্যামকর্ডিং ও পাইরেসি রোধ করার দাবি জানিয়ে আসছিল। উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি মুম্বাই শহরে ভারতীয় চলচ্চিত্রের জাতীয় সংগ্রহালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ক্যামকর্ডিং ও পাইরেসি রোধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এই বিষয়টিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

CG/SC/DM