নতুনদিল্লি, ১১ অক্টোবর ২০২৬
তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল শ্রী রাজেন্দ্র আরলেকরজি, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী সি. জোসেফ বিজয়জি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী শ্রী এল. মুরুগানজি, শ্রী নৈনার নগেন্দ্রনজি এবং আমার তামিলনাড়ুর ভাই ও বোনেরা—আপনাদের সবাইকে ভানাক্কাম।
আপনাদের সবার সঙ্গে চেন্নাইতে উপস্থিত হতে পেরে আমি আনন্দিত। তামিলনাড়ুর জন্য এটি এক ঐতিহাসিক দিন। আজ তেরো হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পর সূচনা হচ্ছে। আমরা শেষ হওয়া অনেক প্রকল্পের উদ্বোধন করছি এবং নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস করব। এর মধ্যে কিছু প্রকল্প দৈনন্দিন যাতায়াত সহজ করবে, কয়েকটি প্রকল্প শিল্প ও বাণিজ্যর নানা উদ্যোগকে শক্তিশালী করবে। সব মিলিয়ে, এর ফলে তামিলনাড়ুর যুব সম্প্রদায়ের জন্য বহু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এই উপলক্ষে আমি রাজ্যের জনগণকে অভিনন্দন জানাই।
আজ থেকে পবিত্র নবরাত্রি উৎসব শুরু হচ্ছে। নবরাত্রির এই পবিত্র লগ্নে শিব ও শক্তির পবিত্র ভূমি তামিলনাড়ুতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আসার আগে আমি জলকান্ডেশ্বর মন্দিরে ভগবান শিবের আশীর্বাদ লাভের সৌভাগ্যও অর্জন করেছি। তামিলনাড়ুর এই পবিত্র তীর্থভূমি থেকে আমি দেশের প্রত্যেককে নবরাত্রির আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
বন্ধুগণ,
আজ ভারতরত্ন জয়প্রকাশ নারায়ণজি এবং ভারতরত্ন নানাজি দেশমুখের জন্মদিনও। এই দুই মহান ব্যক্তিত্বের জীবন দেশের সেবায় আরও নিষ্ঠার সঙ্গে আমাদের কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। এই অনুষ্ঠান থেকে আমি দুই মহান ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা জানাই।
বন্ধুগণ,
কিছু আগে, আমি মাদ্রাজ আইআইটি-র মস্তিষ্ক গবেষণা কেন্দ্র ‘ব্রেন রিসার্চ সেন্টার’টি ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেখানে যে ধরণের গবেষণা হচ্ছে, জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এর ফলে অনেক নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এছাড়াও, চেন্নাই মেট্রোর আরও একটি অংশ জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করার সুযোগও আমার হয়েছে।
বন্ধুগণ,
মন্দির থেকে মেট্রো—তামিলনাড়ুর এই অভিজ্ঞতাগুলি আসলে আজকের ভারতের চেতনারই প্রতিফলন। ভারত তার সাংস্কৃতিক শক্তি থেকে অনুপ্রাণিত হয়, বিজ্ঞানের অগ্রগতির মাধ্যমে এগিয়ে চলে এবং আধুনিক পরিকাঠামোর সাহায্যে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে। আমাদের ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা—উভয়ই আজ একযোগে এগিয়ে চলেছে।
বন্ধুগণ,
দিন কয়েক আগে, আপনাদের আশীর্বাদ এবং দেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি সরকার প্রধান হিসেবে পঁচিশ বছর পূর্ণ করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছি। ২০০১ সালের অক্টোবরে আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলাম। তারপর থেকে, দেশের মানুষ আমাকে প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। এই পঁচিশ বছরে গণতন্ত্রের দুটি শক্তির প্রতি আমার বিশ্বাস ক্রমাগত আরও দৃঢ় হয়েছে। প্রথমটি হলো—দেশের জনগণ। দ্বিতীয়টি হলো—সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো। আমি সব সময় মনে করি, রাজ্যের উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন সাধিত হয়।
বন্ধুগণ,
মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে রাজ্যগুলির চাহিদা সম্পর্কে ধারণা পেয়েছিলাম। তাই, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আমি কেবল সেই চাহিদাগুলি পূরণ করার চেষ্টাই করিনি, বরং প্রতিটি রাজ্য যাতে তাদের নিজস্ব লক্ষ্য পূরণ করতে পারে, তার জন্যও সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বন্ধুগণ,
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে করুণানিধিজি এবং আম্মা জয়ললিতাজির সঙ্গে বহুবার মতবিনিময় করার সুযোগ আমার হয়েছিল। আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর জয়ললিতাজি, ও. পনিরসেলভমজি, ই. পালানিস্বামীজি এবং এম. কে. স্ট্যালিনজির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। সরকার বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তামিলনাড়ুর উন্নয়ন এবং রাজ্যের জনগণের সেবার প্রতি আমার অঙ্গীকার সর্বদা অটুট থাকবে। আর আজ, সেই একই অঙ্গীকার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়জির সঙ্গে আমরা তামিলনাড়ুর উন্নয়নের এই যাত্রাকে একযোগে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
বন্ধুগণ,
তামিলনাড়ুর নগরোন্নয়নকে বর্তমানে আমরা সব থেকে বেশী অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। আমি সব সময় মনে করি নগরায়ণ কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি একটি সুযোগ। এক্ষেত্রে গণপরিবহন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ ও আরামদায়ক করে তোলে। আমরা সবাই জানি , শুধু রাস্তা চওড়া করলেই উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় না। আধুনিক শহরগুলিতে আমাদের প্রয়োজন সর্বাঙ্গীণ পরিকাঠামো গড়ে তোলা। আর তাই, গত এক দশকে আমরা দেশজুড়ে মেট্রো নেটওয়ার্কের যথেষ্ট সম্প্রসারণ করেছি। ২০১৪ সালে দেশে মাত্র পাঁচটি শহরে মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যেত। আর আজ পঁচিশটি শহরে মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যায়। ২০১৪ সালে ভারতের মেট্রো নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ২৫০ কিলোমিটার। হ্যা মাত্র আড়াইশো কিলোমিটার। আর আজ সেই নেটওয়ার্ক ১,১০০ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত হয়েছে। চেন্নাই মেট্রোর এই সম্প্রসারণের ফলে নেটওয়ার্ক আরও বৃদ্ধি পাওয়াতে আমি আনন্দিত। এই প্রকল্পটি এমনভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে যাতে চেন্নাইয়ের সাধারণ নাগরিক, কর্মজীবী পরিবারের সদস্যরা, ছাত্রছাত্রী এবং প্রবীণ নাগরিকরা আরও সহজে যাতায়াত করতে পারেন এবং কম সময়ে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
বন্ধুগণ,
আমাদের রাজ্যগুলিকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই ভারতকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলিতে উৎপাদন শিল্পকে উৎসাহিত করছে। তামিলনাড়ুর উৎপাদন ক্ষেত্র, ক্ষুদ্র শিল্প এবং এর সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি মানুষের জন্য প্রত্যেক ভারতীয় গর্ববোধ করেন। আজ কেন্দ্রীয় সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া কিংবা ভোকাল ফর লোকাল-এর মত বিভিন্ন উদ্যোগের সুফল তামিলনাড়ুও পাচ্ছে।
বন্ধুগণ,
কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি রাজ্যে বর্তমানে যন্ত্রাংশ নির্মাণ থেকে শুরু করে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদনে উৎসাহ দিচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সামগ্রিক উৎপাদন শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করে তুলছে। এই উদ্যোগের ফলেই আমরা আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছি। ২০১৪ সাল থেকে আমাদের বৈদ্যুতিন পণ্য রপ্তানি এগারো গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি বেড়েছে পঞ্চাশ গুণ। আর ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানিও নতুন রেকর্ড গড়েছে।
বন্ধুগণ,
উৎপাদন ক্ষেত্রের এই উন্নয়নের ফলে দেশের যুব সম্প্রদায়ের জন্য লক্ষ লক্ষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আর ভারতের উৎপাদন ক্ষেত্রের এই বিকাশে তামিলনাড়ুর জনগণের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা আজ একটি অত্যাধুনিক লুব্রিকেন্ট বেস অয়েল প্রকল্পের শিলান্যাস করছি। এর ফলে এখানে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং দেশের আমদানির উপর নির্ভরশীলতা কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে। একটি শক্তিশালী উৎপাদন ক্ষেত্র গড়ে তোলার জন্য আমাদের ভালো রাস্তাঘাট প্রয়োজন। কাঁচামাল পরিবহনের জন্য প্রয়োজন রেলপথ ও বন্দর। আর যখন এ ধরনের পরিকাঠামো গড়ে ওঠে, তখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
নির্মাণকাজ চলার সময় প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও শ্রমিক—প্রত্যেকের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ সবার জন্যই কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সিমেন্ট, ইস্পাত ও যন্ত্রপাতি উৎপাদক কারখানা এবং ছোট কোম্পানিগুলিতেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আর প্রকল্প শেষ হলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। তাই আজ যেসব রেল ও সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন ও সূচনা করা হচ্ছে, সেগুলো তামিলনাড়ুর উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
আজ সারা দেশেই বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, এর ফলে জাহাজ চলাচল নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এক্ষেত্রেও তামিলনাড়ুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি এর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে থুতুকুড়ির ভিওসি বন্দরকে আন্তর্জাতিকমানের মেগা কন্টেইনার ও পরিবেশ বান্ধব হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কন্টেইনারবাহী জাহাজগুলিও এখানে সহজে নোঙর করতে পারবে। এটি তামিলনাড়ুকে শিল্প ও পরিবহনের ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে সহায়তা করবে।
গত কয়েক বছরে ভারতীয় বন্দরগুলির কর্মদক্ষতা ও কাজের মান—দুইই বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজের মান বৃদ্ধির ফলে বন্দরে জাহাজের থাকার সময় বা ‘টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম’ অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর ফলে ভারতীয় পণ্য এখন আগের থেকে আরও তাড়াতাড়ি বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে পারছে।
মহাসমুদ্রের অর্থনীতি নিয়ে আমাদের যে পরিকল্পনা রয়েছে, তাতে আমাদের মৎস্যজীবীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাই, প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা সহ কয়েকটি প্রকল্পের মাধ্যমে তামিলনাড়ুর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এখানে মৎস্য বন্দরগুলির আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। মাছ নামানোর কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। হিমায়িত সংরক্ষণ ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মাছ তাজা রাখার জন্য যানবাহন কেনার ক্ষেত্রেও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
বন্ধুগণ,
আমাদের মৎস্যজীবী ভাইদের জন্য চেন্নাই ফিশিং হারবারের আধুনিকীকরণ কিংবা তামিলনাড়ুতে সি-উইড পার্ক গড়ে তোলা—কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি প্রকল্পে পূর্ণ সহায়তা দিচ্ছে। ‘কিষাণ ক্রেডিট কার্ড’ প্রকল্পের মাধ্যমে মৎস্যজীবীরা এখন আরও সহজে প্রয়োজনীয় মূলধন পাচ্ছেন। আজ দেশে মাছের উৎপাদন দ্রুতহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর আমাদের সামুদ্রিক মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি পরিমাণ ও মূল্য সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে মৎস্যজীবী পরিবারগুলি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হয়েছে।
বন্ধুগণ,
আমরা এমন এক তামিলনাড়ু গড়ে তুলতে চাই যা ধারাবাহিকভাবে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। আর এর জন্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে যা যা সহায়তার প্রয়োজন হবে, সেগুলি দেবার জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আসুন, আমরা সবাই মিলে উন্নত এক তামিলনাড়ুর মাধ্যমে বিকশিত ভারত গড়ার সংকল্পকে বাস্তবায়িত করি। এই প্রকল্পগুলির জন্য আমি আবারও আপনাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
নান্দ্রি, ভানাক্কম!!! (ধন্যবাদ, নমস্কার)
SC/CB/DM
Works over Rs. 13,000 crore being launched in Chennai! https://t.co/76Uo9a3UaS
— Narendra Modi (@narendramodi) October 11, 2026
It is a pleasure to be in Chennai with all of you. This is a historic day for Tamil Nadu. Today’s programme involves projects worth thirteen thousand crore rupees. We are inaugurating many completed projects and laying foundations for new ones: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
भारत अपनी सांस्कृतिक शक्ति से प्रेरणा लेता है, विज्ञान की प्रगति से आगे बढ़ता है और आधुनिक infrastructure के जरिए नए अवसरों का निर्माण कर रहा है। हमारी विरासत और भविष्य की हमारी आकांक्षाएं साथ-साथ आगे बढ़ रही हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
आधुनिक शहरों में हमें holistic infrastructure की जरूरत होती है। और इसलिए बीते एक दशक में, हमने पूरे देश में metro network का बहुत बड़ा expansion किया है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
आज देश में port infrastructure को भी मजबूत बनाया जा रहा है, ताकि shipping sector नई ऊंचाइयों तक पहुंच सके: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026