Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ছত্তিশগড়ের খরা ও জলসঙ্কট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

ছত্তিশগড়ের খরা ও জলসঙ্কট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী


ছত্তিশগড়ের খরা ও জলসঙ্কট পরিস্থিতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আজ এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ঐ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ রমন সিং-এর সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্র ও রাজ্যস্তরের পদস্থ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন এই পর্যালোচনা বৈঠকে।

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলের (এনডিআরএফ) আওতায় ছত্তিশগড়কে দেওয়া হয়েছে ৮৩৫.৬৯৫ কোটি টাকা। এর আগে, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে রাজ্য বিপর্যয় ত্রাণ সহায়তা তহবিলের (এসডিআরএফ) আওতায় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঐ রাজ্যকে দেওয়া হয়েছিল ২৪৯.৭২৫ কোটি টাকা। এছাড়াও, জাতীয় বিপর্যয় ত্রাণ তহবিলের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের প্রথম কিস্তিবাবদ ছত্তিশগড়কে দেওয়া হয়েছে ৯৪.৮৭৫ কোটি টাকা।

ছত্তিশগড়ে জল সংরক্ষণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে বৈঠকে জানান ডঃ রমন সিং। এই ব্যবস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে – ৮,০৫৫টি জলাশয় ও পুকুরের জলকে কাদামুক্ত করা, ৪৪,১৮১টি নতুন জলাশয় নির্মাণ করা এবং ভূগর্ভস্থ জল আহরণ সম্পর্কিত ৯,৮৫১টি কাঠামো গড়ে তোলা। খরা পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রত্যেকটি গ্রামে জল ও খাদ্যশস্য পৌঁছে দেওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতে মজুত রয়েছে এক ক্যুইন্টালের মতো চাল। কোন গ্রামবাসীকেই যাতে অনাহারে দিন কাটাতে না হয় তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করেন তিনি। জলবিভাজিকাগুলিকে চিহ্নিত করতে দূরসংবেদী প্রযুক্তির আশ্রয় গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও প্রসঙ্গত জানান ডঃ রমন সিং। এছাড়া, জলসেচ সম্পর্কিত সুযোগ-সুবিধার প্রসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চতুর্দশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে যে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়েছে তার সাহায্যে পাইপলাইন মারফৎ জল সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হয়েছে। অর্থের অভাবে এই প্রকল্পটি বহুদিন ধরেই বন্ধ ছিল। পাইপলাইন মারফৎ রাজ্যের সবক’টি জল সরবরাহ কর্মসূচিইবর্তমানে চালু রয়েছে বলে তিনি বৈঠকে উল্লেখ করেন।

রাজ্য সরকারের বনসৃজন কর্মসূচির কথাও উঠে আসে ডঃ রমন সিং-এর বক্তব্যে। আগামী ২০২২ সালের মধ্যে কৃষি থেকে আয় ও উপার্জনের পরিমাণ দ্বিগুণ করে তুলতে তাঁর রাজ্য যে কৌশল অবলম্বন করেছে তারও একটি রেখাচিত্র তিনি তুলে ধরেন তাঁর বক্তব্যে।

‘প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা’ রূপায়ণে ছত্তিশগড় সরকার যে প্রাথমিক কাজকর্ম শুরু করেছে তার বিশেষ প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য রাজ্যগুলি এই ‘মডেল’ বা আদর্শ অনুসরণ করে চলতে পারে।

কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় পক্ষই একযোগে কাজ করে যাবে এই সঙ্কল্প গ্রহণের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে আজকের পর্যালোচনা বৈঠকের।

PG/SKD/DM