পিএমইন্ডিয়া
এটা অত্যন্ত আনন্দের কথা যে, আজ এখানে আমার সকল সহযোগী বন্ধুরা এক স্বর, একই মত ব্যক্ত করেছেন।
আমরা জম্মু ও কাশ্মীর বলতে এ রাজ্যের চারটি ভাগকেই বুঝি, জম্মু, কাশ্মীর উপত্যকা, লাদাখএবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর।
আমিসকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ, তাঁরা জম্মু ও কাশ্মীর-এর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের দুশ্চিন্তা ব্যক্ত করেছেন। বিগত ছ্য় দশক ধরে দেশের গণতন্ত্র যে সমৃদ্ধ পরম্পরা পোষণকরেছে সেটাই দেশের একতা ও অখণ্ডতার সবচাইতে বড় শক্তি। কিছু বিষয়ে আমাদেরমতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু দেশের অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা প্রসঙ্গে আমরা ঐক্যবদ্ধএবং অভিন্নমত পোষণ করি।
জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী প্রত্যেক ভারতীয়ের মতো আমারমনকেও ভারাক্রান্ত করে তুলেছে । ছেলেমেয়েরাশান্তিতে নিজেদের লেখাপড়া করতে পারছে না , আপেলের ফলন বাজারগুলিতেপৌঁছুতে পারছে না । দোকানদারদেরদৈনিক রোজগার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে । সরকারিদপ্তরগুলি সাধারণ মানুষের স্বার্থে উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করতে পারছে না । এই পরিস্থিতিতে সবচাইতে বেশি ভোগান্তি হচ্ছে গরিবদের । এসব দেখে আমার খুব দুঃখ হচ্ছে ।
আমাদের মতো রাজনৈতিক কর্মীদের আসল ক্ষমতার উৎস হলেন এই সাধারণ গরিবমানুষেরাই । এই সাধারণমানুষ কিম্বা সেনা , পুলিশ কিম্বা যে কোনও নিরাপত্তা কর্মীরমৃত্যু হলে , যে কেউ আহত হলে আমরা সবাই দুঃখ পাই । তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল । আহতদের উৎকৃষ্ট স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেআমরা বদ্ধপরিকর । পাশাপাশিআমরা উপত্যকায় শান্তি স্থাপন করতে চাই যাতে মানুষ তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অতিবাহিতকরতে পারেন । রোজগার করতেপারেন ,ছেলেমেয়েদের পড়াতে পারেন আর রাতে শান্তিতে ঘুমোতে পারেন ।
আমরা ভারতের সংবিধানের মৌলিক নীতি অনুযায়ী কাশ্মীর সমস্যারস্থায়ী ও শান্তিপূর্বক সমাধানে বদ্ধপরিকর। আমরা খোলামনের মানুষ। আলাপআলোচনার রাস্তা খোলা আছে , গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সকল সমস্যাসমাধানের জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা গোটা জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের প্রত্যেকনাগরিকের কল্যাণসাধনে বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রদর্শিত পথেই আমরা এগিয়ে চলেছি ।
জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতমাতার মাথার মুকুট বলা হয়। আসলে জম্মু ওকাশ্মীরে সর্ব ধর্ম সমন্বয় ও সকল ধর্মকে সমান মর্যাদা দেওয়ার বহু-শতাব্দী প্রাচীনঐতিহ্য রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য আমাদের জাতির জনকদের সেই আস্থার প্রতীক যাআমাদের বিবিধের মাঝে ভারতীয় রূপের মহান মিলনকে তুলে ধরে। জম্মু ও কাশ্মীর কেবলআমাদের দেশের সকল অঞ্চলের অখণ্ডতার প্রতীক-ই নয়, আমাদের জাতীয়তাবোধের প্রতীকও বটে।আমরা এই বাস্তবকে অস্বীকার করতে পারি না যে দেশের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকাসেনা, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীগুলি অনেক বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছেন, তাঁদের উপরসুপরিকল্পিত আক্রমণ হানা হয়েছে। তারপরও আমাদের নিরাপত্তা–কর্মীরা নিয়মিত সংযমপ্রদর্শন করেছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশাল সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী আহত হয়েছেন।
কিছু পথভ্রষ্ট মানুষ , সামান্যকয়েকজন স্বার্থান্বেষী মানুষ কাশ্মীরের মহান পরম্পরাকে কালিমালিপ্ত করছে। তাসত্বেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রটানো গুজবকে আমল দিচ্ছেন খুব কম মানুষ। প্রত্যেককাশ্মীরবাসী শান্তি চান, তাঁরা গণতন্ত্রে আস্থা রাখতে চান। সেজন্যে ধারাবাহিকউত্তেজনার পর কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির হুমকি অগ্রাহ্য করে কাশ্মীরের মানুষগণতন্ত্রের এই পবিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিনিজেদের আস্থা ব্যক্ত করেন। এমনকি বর্তমান অশান্তির কিছুদিন আগেও মুখ্যমন্ত্রীমেহবুবার বিধানসভা কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যায় সাধারণ মানুষ ভোট দিয়েছেন। এই সত্যইপ্রমাণ করে যে বর্তমান অশান্তিকে যারা গণআন্দোলন আখ্যা দিচ্ছেন, তাঁরা আসলে গুজবরটাচ্ছেন।
কিছু এলাকায় শান্তি –শৃঙ্খলা বজায়রাখার জন্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নাহলে শান্তিপ্রিয় জনগণের জীবন বিপর্যস্তহতে পারে। বাস্তবে এই আইনি ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিকদের তেমন সমস্যা হচ্ছে না,কিন্তু বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হুমকি ও লাগাতার ধর্মঘটের ক্যালেন্ডারের দরুন হচ্ছে।
এসব অপচেষ্টাকে উপেক্ষা করে সম্পূর্ণ মর্যাদারসঙ্গে অমরনাথ যাত্রা চালু রয়েছে । লক্ষ লক্ষমানুষ নিরাপদে অমরনাথ তীর্থে যাচ্ছেন । লাদাখের মাটিতেসৌরশক্তির নতুন অভিযান চলছে । NEET,CET, UPSC – র মতো জাতীয় স্তরের পরীক্ষাগুলি সুচারুরূপে সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয়সমস্ত জিনিসের সরবরাহ যথাসম্ভব চালু রাখা হয়েছে। সামনে পর্যটনের ঋতু, আপেলের ফলনওসারা দেশের বাজারে পৌঁছে দিতে পারলে তবেই বাগানমালিকরা সঠিক দাম পাবেন। কিছুবিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টিকে বেছে নিয়ে কাশ্মীরের শান্তিপ্রিয়জনগণের জীবনে অনাবশ্যক বাধা পৌঁছনোর চেষ্টা করছে।
কাশ্মীরে অশান্তির মূলে রয়েছেসীমান্তপার থেকে সন্ত্রাসবাদীদের অনুপ্রবেশ। প্রতিবেশি দেশ সেই বিভ্রান্ত যুবকদেরপ্রশিক্ষণ ও সকলরকম সামরিক সাহায্য দেয়। এই সন্ত্রাসবাদীরা বারবার কাশ্মীরেরজনজীবনকে বিপর্যস্ত করেছে। যখন থেকে এই সন্ত্রাসবাদ কাশ্মীরে মাথাচাড়া দিয়েছে, সেই১৯৮৯-১৯৯০ থেকে অদ্যাবধি আমাদের নিরাপত্তা কর্মীদের সতর্ক প্রতিআক্রমণে –
· ৩৪হাজারেরও বেশি এ কে ৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়েছে
· ৫হাজারেরও বেশি গ্রেনেড লঞ্চার উদ্ধার হয়েছে
· প্রায়৯০টি লাইট মেশিনগান উদ্ধার হয়েছে।
· ১২হাজারেরও বেশি পিস্তল আর রিভলবার উদ্ধার হয়েছে
· ৩টিঅ্যান্টি ট্যাঙ্ক, আর ৪টি অ্যান্টি এয়ারক্রাফট গান উদ্ধার হয়েছে
· ৩৫০টিরবেশি মিসাইল লঞ্চার উদ্ধার হয়েছে।
· আরডিএক্সসহ ৬৩ হাজার কিলো বিস্ফোরক, ১ লক্ষের থেকেও বেশি গ্রেনেড ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে
· অদ্যাবধি৫ হাজারেরও বেশি বিদেশি সন্ত্রাসবাদী,অর্থাৎ, ৫টি ব্যাটেলিয়নের সমকক্ষ সীমান্তপার থেকে অনুপ্রবেশকারী বিদেশিসন্ত্রাসবাদী মারা গেছে।
এত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, এত অনুপ্রবেশকারী বিদেশি সন্ত্রাসবাদী হত্যালীলার উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে যে পাকিস্তান যতই মিথ্যা বলুকনা কেন , বিশ্ববাসী তাঁদের অপপ্রচারকে মেনে নেবেন না ।
পাকিস্তান তো নিজের দেশের নাগরিকদের উপরওযুদ্ধবিমান দিয়ে বোমাবর্ষণ করেছে । এখন সময় এসেছে , পাকিস্তানকেবিশ্ববাসীর কাছে বালুচিস্তান আর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষকে অত্যাচারের জবাব দিতেহবে । আমরা জনগণেরমৌলিক অধিকার রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ । সন্ত্রাসবাদেরবিরুদ্ধেও আমাদের দেশ যতটা মানবিক , বিশ্বের আর কোনও গণতন্ত্রে তা নেই । আমাদের সরকারগুলি ও নিরাপত্তা বাহিনী সমূহ এক্ষেত্রে যথেষ্টসংযমের পরিচয় দিয়েছে ।
ভারত , পূর্ণশক্তিদিয়ে এই সন্ত্রাসের মোকাবিলার সংকল্প নিয়েছে । এটা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব । ভারত নিজেরদেশের সর্বত্র আইনের শাসন বজায় রাখার ক্ষেত্রে বদ্ধপরিকর । আমাদের কাছে সাধ ও সাধ্য দুটোই গুরুত্বপূর্ণ , আর আমরা উভয়েরনির্বাহে সক্ষম ।
জম্মু ও কাশ্মীরের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নেরজন্য রাজ্য সরকারের সুপারিশে কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ৮০ হাজার কোটিটাকার থেকেও বেশি মুল্যের উন্নয়ন প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। এই প্যাকেজের উদ্দেশ্যকেবলই সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, এই রাজ্যের সকলক্ষেত্র ও প্রত্যেক বর্গের সম্পূর্ণ উন্নয়নের কথা মাথায় রাখা হয়েছে । ছেলেমেয়েদেরলেখাপড়ার সুযোগ, যুবক-যুবতিদেরকর্মসংস্থান, চিকিৎসার আধুনিক সুযোগসুবিধা, রাজ্যের পর্যটন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ,রাজ্যের ফল উৎপাদন ও বিপণনের বিশেষ সুবিধার কথা ভাবা হয়েছে।
দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে আমরাএখুনি ১০ হাজার স্পেশাল পুলিশ অফিসার, ১২০০ আধাসামরিক নিরাপত্তা কর্মী, আর, আই আরব্যাটেলিয়নে প্রায় চার হাজার পদে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া উড়ান ও HIMAYAT প্রকল্পে প্রায় ১ লক্ষ ২৫হাজার নবীন প্রজন্মের মানুষদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরেছি যাতে তাঁরা দক্ষ হয়ে উঠে উপযুক্ত কর্মসংস্থান পেতে পারেন ।
শ্রদ্ধেয়া মেহবুবা মুফতির নেতৃত্বেরাজ্যের পিডিপি-বিজেপি সরকার রাজ্যের সমস্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সরকার গত একমাসে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে রাজ্য সামলেছে । গোটা দেশআজ তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
আমি আরেকবার বলতে চাই , গণতান্ত্রিকপদ্ধতিতে সকল সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা প্রস্তুত । আমরা গোটা জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের প্রত্যেক নাগরিকের কল্যাণসাধনেবদ্ধপরিকর । কাশ্মীরে শান্তি , একতা ও সদ্ভাবনারপরিবেশ বজায় রাখতে আমরা শক্তহাতে সমস্ত ধরণের হিংসা , সন্ত্রাসও দেশবিরোধী গতিবিধিকে দমন করবো । প্রত্যেকমানুষের বৈধ অভিযোগ শোনা হবে এবং তাঁর সমস্যা সমাধান করা হবে ।
আমি আরেকবার জোর দিয়ে বলতে চাই , জম্মু ও কাশ্মীরএর বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল রাজনৈতিক দল ও আপামর দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলাকরতে হবে। আজ যখন সারা পৃথিবীতেই সন্ত্রাসবাদের উপদ্রব বাড়ছে, আর আমরা প্রতিবেশিদেশে প্রশ্রয়প্রাপ্ত সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত। এগুলি আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবেমোকাবিলা করতে হবে । সকল রাজনৈতিকদলের কাছে এক্ষেত্রে আমরা ইতিবাচক সাহায্য চাই । রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে কাশ্মীরে শান্তি ও প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকেসম্পন্নতার শীর্ষে পৌঁছে দিতে চাই । আমার দৃঢ় বিশ্বাস, রাজ্য সরকারের এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টাএবং আপনাদের সবার পূর্ণ সহযোগিতায় শীঘ্রই আবার জম্মু ও কাশ্মীরের জীবনযাত্রাস্বাভাবিক হবে।
এক্ষেত্রে আমরা যে পদক্ষেপ নিয়েছি এবংআমাদের নীতি সম্পর্কে আরেকবার বলতে চাই :
১ ) আইনের শাসন এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা যে কোনও সরকারেরদায়িত্ব। সন্ত্রাসের সঙ্গে
সরকার কোনরকম সমঝোতাকরবে না।
২ ) আধুনিক ও গণতান্ত্রিক পরম্পরা অনুসারে সুশীল সমাজেরনাগরিক গতিবিধিকে
প্রোৎসাহিত করা হবে।
৩ ) গণতান্ত্রিক পরম্পরা অনুসারে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকেসাদরে এগিয়ে নিয়ে যাব।
৪ ) কাশ্মীরের নবীন প্রজন্মকে রাজ্যের সক্রিয় আর্থিক গতিবিধিও উন্নয়নযজ্ঞে যুক্ত করে
উন্নয়ন প্রক্রিয়ায়গতি আনবো।
৫ ) হিন্দু- মুসলমান-শিখ-বৌদ্ধ নির্বিশেষে জম্মু ও কাশ্মীরেরমানুষ যেসব রাজ্যে বসবাস
করেন, সেই সব রাজ্যকেনিয়মিত সম্পর্ক রাখতে হবে যাতে তাঁরা নিয়মিত জম্মু ও
কাশ্মীরে বসবাসকারী তাঁদের আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগরাখতে পারেন , পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ দেশের অন্যান্য প্রান্তেরউন্নয়ন সম্পর্কে জানতে পারেন।
৬ ) বিদেশ মন্ত্রককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বিশ্বের যেসব দেশেজম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ এবং
পাক অধিকৃত কাশ্মীরেরমানুষ বসবাস করেন তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে পাক
অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষের দুর্দশার কথা তুলে ধরবে। এসম্পর্কে বিশ্ববাসীকে অবগত করবে ।
আমি আরেকবার এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সকলরাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের জম্মু ও কাশ্মীর এর বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলার ক্ষেত্রেআপনাদের মূল্যবান মতামত প্রদানের মাধ্যমে সরকারকে সাহায্য করার জন্যে ধন্যবাদ জানাই । আমরাসবাই জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ, আমরা সবাই দেশের অখণ্ডতার স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজকরতে প্রস্তুত। আমরা ভারতের সংবিধানের মৌলিক নীতি অনুযায়ী সবার সব অভিযোগ শুনতে ও কাশ্মীরসমস্যার স্থায়ী ও শান্তিপূর্বক সমাধানে বদ্ধপরিকর ।
ধন্যবাদ ।
PG/SB/DM/…
An all-party meeting on Kashmir being chaired by PM @narendramodi. pic.twitter.com/5rQ5IcvyeL
— PMO India (@PMOIndia) August 12, 2016