Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

জাতীয় অফশোর বায়ুশক্তি নীতির অনুমোদন


কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা জাতীয় অফশোর বায়ুশক্তি নীতি অনুমোদন করেছে। এর ফলে, নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রককে দেশের অভ্যন্তরে ‘এক্সক্লুসিভ ইকনোমিক জোন’ (ই.ই.জেড) – এর মধ্যে অফশোর এলাকাগুলিকে ব্যবহারের জন্য প্রধান মন্ত্রক হিসেবে কাজ করার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই সঙ্গেই দেশে অফশোর বায়ুশক্তির বিকাশে প্রধান সংস্থা হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয় বায়ুশক্তি প্রতিষ্ঠান (এন.আই.ডব্লিউ.ই.)-কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান অফশোর বায়ুশক্তি ব্লকগুলি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বন্টন করতে, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রক ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় ও অন্যান্য ভূমিকা পালনেও নিয়োজিত থাকতে পারবে। প্রধানমন্ত্রীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে অফশোর বায়ুশক্তি প্রকল্প গড়ে তোলা, সমুদ্র অভ্যন্তরে এবং – অথবা দেশের মধ্যে বা সন্নিকটে ২০০ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব পর্যন্ত (দেশের ই.ই.জেড.) অংশে এই সংক্রান্ত গবেষণা ও বিকাশের কাজ হাতে নেওয়া প্রভৃতির পথ সুগম হল।

প্রাথমিকভাবে যে মূল্যায়ন করা হয়েছে সেই অনুযায়ী, ভারতের ৭ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূল রেখা অঞ্চলে অফশোর বায়ুশক্তি বিকাশের প্রভূত সম্ভাবনার ইঙ্গিত করা হয়েছে। জাতীয় অফশোর বায়ুশক্তি নীতি গ্রহণের দ্বারা সরকার অনশোর বা উপকূলবর্তী বায়ুশক্তি বিকাশের ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য অফশোর বায়ুশক্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অর্জনের প্রচেষ্টা করতে চায়। এই নীতি আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সব বিনিয়োগকারী ও সুবিধাপ্রাপকদের সমান সুযোগ করে দেবে। এছাড়া, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি জাতীয় বায়ুশক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হবে।

পশ্চাতপট :

সারা বিশ্বে বায়ুশক্তিকে সবচেয়ে উন্নত ব্যয়সাশ্রয়ী পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি প্রযুক্তিগুলির অন্যতম বলে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুত চাহিদা ধারাবাহিকভাবে মেটানোয় সক্ষম বলে মেনে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই উপকূলবর্তী বায়ুশক্তি প্রযুক্তিগুলি এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, যেখানে বিরাট আকারে নিযুক্তির প্রয়োজন আর সেজন্যই ভারত অফশোর বায়ুশক্তিকে সদ্ব্যবহারের প্রচেষ্টা শুরু করেছে।

PG/SB/S