Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

জাপান সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি


বার্ষিক শিখর সম্মেলনে যোগ দিতে আমি ২০১৮ সালের ২৮ -২৯ অক্টোবর জাপান সফর করবো। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম জাপান সফরের পর থেকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে’র সঙ্গে এটা হবে আমার দ্বাদশ সাক্ষাৎকার। বার্ষিক শিখর সম্মেলনে যোগ দিতে আমি ২০১৬ সালেও জাপান সফর করেছি।

আমার নিজের শহর গুজরাটে গত বছর প্রধানমন্ত্রী আবে ও শ্রীমতী আকেই আবেকে অভ্যর্থনা জানানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো। জাপান , ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমাদের মধ্যে বিশেষ কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব রয়েছে। জাপানের সংগে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উভয় ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে সম্পূর্ণ পৃথক মাত্রা পেয়েছে। বর্তমানে এই অংশীদারিত্ব বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের পূবে তাকাও নীতির এবং ভারত –প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নতির বিষয়ে আমাদের মুক্ত দৃষ্টিভংগীর ওপর ভিত্তি করে দৃঢ় এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আমরা, আমাদের নীতি ও চিন্তাধারা বিনিময় করি। আমরা সকলের জন্য শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করি।

আমাদের পরিপুরক মনোভাব ভারত –জাপান সম্পর্ককে সফলতা দিয়েছে। জাপান বর্তমানে ভারতের অর্থনৈতিক ও কারিগরী ক্ষেত্রে আধুনিকীকরনের অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার ও ভারতে বিনিয়োগকারী দেশগুলির মধ্যে অন্যতম। মুম্বাই-আহমেদাবাদ এর মধ্যে উচ্চ গতির ট্রেন ও ফ্রেট করিডরের মত প্রকল্পগুলি আমাদের মজবুত অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিচ্ছবি। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, ‘স্কিল ইন্ডিয়া’, ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ ও ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার মত জাতীয় কর্মসূচীগুলি রূপায়নের ক্ষেত্রেও জাপান ভারতের সহযোগী দেশ হয়ে এগিয়ে এসেছে।

ভারতের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে জাপানের বিনিয়োগকারীদের আস্থা রয়েছে। গবেষণা ও কারিগরী ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্তরে জাপানের নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতাকে আমরা যথাযথ মূল্য দেই। এই সফরকালে আমার, রোবোট তৈরীতে জাপানের উচ্চ কারিগরী ক্ষমতা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হবে।

প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে আমার বিস্তারিত আলোচনা হবে। বাণিজ্য সভার প্রতিনিধি ও ভারত এবং জাপানের বিশিষ্ট শিল্পপতিদের সংগে আমি মত বিনিময় করবো। সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সামনে আমি ভাষণ দেব। এই আলাপচারিতা আমাদের বানিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত করবে এবং স্বাস্থ্যপরিষেবা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিপর্যয় মোকাবিলা পরিকাঠামোর উন্নয়ন সহ বিভিন্ন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।

আমাদের সাংসদদের সঙ্গে সহযোগিতা ও আমাদের রাজ্যগুলি ও জাপানের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সম্পর্ককে আমি স্বাগত জানাই। এটা অত্যন্ত আনন্দের যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও পর্যটন ক্ষেত্রে আদান প্রদানের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের মানুষে মানুষে সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। .

প্রাচীনকাল থেকে আমাদের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের যে গভীর শিকড় রয়েছে, আমার সফর এই অংশীদারিত্বের ভবিষ্যতকে আরও মজবুত করবে।

CG/PM/SB