Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কমিশন (ও.এন.জি.সি.) এবং অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড (ও.আই.এল.) – এর প্রান্তিক তৈল ক্ষেত্রগুলিতে উৎপাদন সংক্রান্ত নতুন নীতি


তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কমিশন (ও.এন.জি.সি.) এবং অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড (ও.আই.এল.) – এর মতো জাতীয় তেল সংস্থাগুলি আবিষ্কৃত হাইড্রো কার্বন-এর উন্নয়নে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা প্রান্তিক তৈল ক্ষেত্র সংক্রান্ত নীতির বিষয়টিতে অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আজ এক বৈঠকে মিলিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর আগে এই বিষয়টিতে বহু বছর ধরেই আর্থিক অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয়নি নানা কারণে। এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কারণ হল, এই সমস্ত তৈল ক্ষেত্রের বহু দূরে প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থান; স্বল্প মজুত ভাণ্ডার; ব্যয়াধিক্যের আশঙ্কা; প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার অভাব; আর্থিক নীতি ইত্যাদি।

এই নীতির আওতায় ও.এন.জি.সি. এবং ও.আই.এল. – এর যে তৈল ক্ষেত্রগুলি বহু বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল, সেগুলি এখন প্রতিযোগিতামূলকভাবে দরপত্র আহ্বানের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এর ফলে, আগ্রহী খনন সংস্থাগুলি এখন তাদের নিজস্ব দরপত্র পেশ করতে পারবে। প্রান্তিক তৈল ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এই বিষয়টিতে এর আগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি। কিন্তু, সংশ্লিষ্ট নীতিতে কিছু পরিবর্তন আনার ফলে এই তৈল ক্ষেত্রগুলিতে এখন উৎপাদনও শুরু করা যাবে। ‘ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপ কিন্তু সর্বাধিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা’ – এই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তাবিত চুক্তি বা বরাতের আঙ্গিকে কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনও আনা হয়েছে। এর আগে বরাতের বিষয়টি মূলত লভ্যাংশ ভাগ করে নেওয়ার ভিত্তিতে স্থির করা হতো। এই পদ্ধতিতে বেসরকারি অংশগ্রহণকারীদের ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়টি সরকার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করার পরই প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়া হতো। এর ফলে, পুরো বিষয়টি বিলম্বিত হতো এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কও সৃষ্টি হতো। কিন্তু, নতুন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী বেসরকারি সংস্থাগুলির লাভ-লোকসানের বিষয়টি বিবেচনা না করে তেল, গ্যাস ইত্যাদি বিপণনের মাধ্যমে অর্জিত মোট রাজস্বের অংশের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে। দ্বিতীয় পরিবর্তনটি হল, যে সমস্ত সংস্থাকে বরাত দেওয়া হবে তাদের ঐ তৈল খনিতে মজুত সমস্ত হাইড্রোকার্বনের উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হবে। অতীতে শুধুমাত্র তেল বা অন্য একটি মাত্র বিষয়েই এই লাইসেন্স দেওয়া হতো। ফলে, গ্যাস সহ অন্য কোনও ধরণের হাইড্রোকার্বন আহরণের ক্ষেত্রে পৃথক লাইসেন্সের প্রয়োজন হতো। নতুন নীতিতে এই সমস্ত প্রান্তিক তৈল ক্ষেত্রগুলিতে কাজ করার জন্য যে সমস্ত সংস্থা বরাত পাবে তারা বাজার দরেই গ্যাস বিপণন করতে পারবে। পূর্বে এ ব্যাপারে বিপণন মূল্য আগে থেকেই স্থির করে দেওয়া হতো।

সরকারি এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে একদিকে বিনিয়োগের বিষয়টি যেমন উৎসাহিত হবে অন্যদিকে তেমনই দেশে আরও বেশি পরিমাণে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

PG/SKD/SB/S