Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

দুমকায়প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনারঅন্তর্গত মেগা ঋণ শিবিরউদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীশ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


আমারপ্রিয় ভাই ও বোনেরা,

এখানথেকে এক-দেড়কিলোমিটার পর্যন্ত শুধু মানুষের মাথা দেখতে পাচ্ছি। এতদূরেদাঁড়িয়ে সবাই শুনতে পাচ্ছেন? আমিআগেও দুমকায় এসেছি। কিন্তুএবার পরিবেশটাই বদলে গেছে।এই পরিবেশ প্রমাণ করে যে, এখনঝাড়খন্ড সম্পূর্ণরূপে উন্নয়নেরপথে চলতে শুরু করেছে। এইউন্নয়নের প্রতি ঝাড়খন্ডেরনাগরিকদের বিশ্বাসও স্থির প্রত্যয়েপরিণত হয়েছে। এখন আমি একটাঅনুষ্ঠান থেকে এসেছি, সেখানেযাবার আগে ভেবেছিলাম, দু-একটিকামরায় ৫০-৬০জন মানুষ থাকবেন। কিন্তু, সেখানেওএরকমই জনস্রোত ছিল। আপনাদেরএই ভালোবাসায় আমি অভিভূত।আপনাদের আমি আন্তরিক অভিনন্দনজানাই।

আজএখানে কয়েকটি পরিকল্পনাবাস্তবায়িত হতে চলেছে। এইঅনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেজনসাধারণেরআশীর্বাদ নেওয়ার সুযোগ আমিপেয়েছি। আজ ২ অক্টোবর, সারাদেশ মহাত্মা গান্ধী ও লালবাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মজয়ন্তীপালন করছে। দেশ কাদের জন্যএগিয়ে যাবে? আমিমনে করি, এদেশেমহাত্মা গান্ধীর থেকে বড় কোনওনাম হতে পারে না, যিনিআমাদের দরিদ্র ভারতবাসীকেসেবা করার প্রেরণা জুগিয়েছেন।আজ মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতেআমি এখানকার দরিদ্র, নিপীড়িত, শোষিত, বঞ্চিতআদিবাসী ভাই-বোনদের, পিছিয়েপড়া ভাই-বোনদেরকল্যাণে কয়েকটি পরিকল্পনারবাস্তবায়নে অংশগ্রহণ করারসুযোগ পেয়েছি। কেউ ভাবতেওপারেননি যে, এতোকম সময়ে ঝাড়খন্ড উন্নয়নেরনতুন উচ্চতায় পৌঁছতে পারবে।সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাঙ্কঝাড়খন্ড সম্পর্কে এতো প্রশংসাকরেছে যে, ঝাড়খন্ডবাসীরসেজন্য গর্ব হওয়া উচিত। এতদিনযে রাজ্যটি দেশের সর্বাধিকপশ্চাৎপদ রাজ্য হিসেবে পরিগণিতহতো, সেরাজ্যটি এক লাফে ২৯ নম্বর থেকে৩ নম্বরে পৌঁছে গেছে। তাইআমি ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী, তাঁরমন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য, তাঁরসরকারের সমস্ত আধিকারিক এবংঝাড়খন্ডের সাধারণ মানুষকেকোটি কোটি অভিনন্দন জানাই।আপনারা অসাধারণ কাজ করেছেন।

কোনওরাজ্য সরকার যে এভাবে সঠিকনির্ণয়, একেরপর এক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণেরমাধ্যমে নিজের স্থিতিকে এতোপরিপক্ক করে তুলতে পারে, যাঅন্য রাজ্যগুলি কল্পনাও করতেপারে না, তাঝাড়খন্ড করে দেখিয়েছে। আজএখানে’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’রমাধ্যমে সমাজের সেই ব্যক্তিবর্গকেঋণ প্রদান করা হচ্ছে, যাঁরাকখনও কল্পনাও করতে পারেননিযে, তাঁরাকোনও দিন মহাজনদের কবল থেকেমুক্তি পেতে পারবেন। কোনওঅটোরিক্সা চালক যিনি ভাড়ায়অটোরিক্সা চালান, তাঁরা সারাদিনের রোজগার থেকে ২০০টাকা ভাড়া দিয়ে দিতে হয়, তিনিকখনও স্বপ্নেও ভাবেননি যেকোনও দিন এমন সরকার আসবে আরবলবে, তুমিনিজের মালিকানাধীন অটো চালাও, ভাড়ায়অটো চালানোর প্রয়োজন নেই।

কিন্তুএসব কিছুই আজ আপনাদের সামনেহচ্ছে। আমরা বিগত বাজেটে’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’রকথা ঘোষণা করেছি। এদেশেরক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, যাঁরাসব্জি বিক্রি করেন, ধোপা, নাপিত, অটোরিক্সাচালক, কারিগর, দর্জি, দরিদ্রবিধবা যিনি ঘরে বসে কোনওহস্তশিল্পের মাধ্যমে রোজগারকরেন, কেউবাড়িতে দু-চারজন অতিথির থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাকরে রোজগার করেন, তেমনইকোটি কোটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরঅর্থের যোগান কোনও ব্যাঙ্কদিত না। তাঁরা কখনও ব্যাঙ্কেরদরজায় পা রাখার কথা ভাবেননি।আমরা প্রথমে’প্রধানমন্ত্রীজন ধন যোজনা’রমাধ্যমে ব্যাঙ্কের সহযোগিতায়তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টখুলিয়েছি। দ্রুততার সঙ্গেএই অভিযান সম্পন্ন করার জন্যআমি সকল ব্যাঙ্কের কর্মচারীদেরঅভিনন্দন জানাতে চাই, কারণতাঁরা দরিদ্র মানুষদের স্বার্থদেখেছেন, তাঁদেরস্বার্থে দিনরাত পরিশ্রমকরেছেন। এবার আমরা আরেক কদমএগিয়ে যাবো। ঐ ব্যাঙ্কগুলিরমাধ্যমেই আমরা’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’ চালুকরেছি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরঋণ প্রদানের স্বার্থে।

এইকর্মসূচির অন্তর্গত নানাধরনের ঋণ আপনারা পেতে পারেন।এতদিন আপনাদের মহাজনদের ২৪শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ সুদ দিতেহতো, আর১০০ টাকা ঋণ নিলে ১০ বা ২০ টাকাকেটে শুরুতেই ৯০ বা ৮০ টাকাঋণ পেতেন। মহাজনদের থেকে ঋণগ্রহণের সেই চক্র থেকে আপনাদেরমুক্তি দিতে এই’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’ চালুহয়েছে। এবার আপনারা এক জায়গায়দোকান চালিয়ে সন্তানকে বড়করে তুলতে পারবেন, আপনারসন্তান যাতে বড় হয়ে অন্য জায়গায়দোকান খুলতে পারে। যিনি একজায়গায় বসে সব্জি বিক্রি করেন, তিনিএকটি ঠেলা কিনে ঘুরে ঘুরেবিক্রি করতে পারবেন। কেউসাইকেল কিনে কাজ করতে পারেন, কেউবা অটোরিক্সা কিনে। যাঁর মনেযেরকম স্বপ্ন, সেসবস্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে এই’মুদ্রাযোজনা’ আপনাদেরসাহায্য করবে। বাড়িতে কেউঅসুস্থ হলে ওষুধ কেনার পয়সাথাকে না, এবারআর তেমন সঙ্কটের সম্মুখীনহতে হবে না। আপনারা শুনলে খুশিহবেন, ইতিমধ্যেইপ্রায় ৪২ লক্ষ মানুষ’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’রমাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন।তাঁরাপ্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা ঋণপেয়েছেন।

যারাআমাকে গরিব বিরোধী বলেন, তাঁরাতো ২৬ হাজার কোটি লিখতেও পারবেননা। ২৬-এরপর কটা শূন্য বসালে ২৬ হাজারকোটি টাকা হয়, সেটাইহয়তো তারা জানেন না। আগে ব্যাঙ্কঋণ দেওয়ার আগে গ্যারান্টিচাইতো- বাড়ি, গাড়ি, বিষয়সম্পত্তিইত্যাদি। আমি বলি, গরিবমানুষ এসব গ্যারান্টি কী করেদেবেন।সেজন্যসরকার নতুন নিয়ম চালু করল যেগরিব মানুষকে কোনও গ্যারান্টিদিতে হবে না। তাঁরা এককালীনঋণ পাবেন, আরআমার বিশ্বাস, তাঁরাপ্রত্যেকেই এর সদ্ব্যবহারকরে ঋণ পরিশোধ করবেন। আমিতাঁদের কাছ থেকে দেখেছি, গরিবদেরমন কতো বড়, তাঁরাকতো সৎ, সেটাআমি জানি। সেই ভরসা নিয়েই আমি’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’ চালুকরেছি। আগামীদিনে এই যোজনারআওতায় আসবেন অনেক বেশি মানুষ।যে ৪২ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেইঋণ পেয়েছেন, তাঁদেরমধ্যে ২০ লক্ষ মানুষ আমার মাও বোনেরা, মহিলারাপেয়েছেন। এর থেকে বড় নারীক্ষমতায়ন আর কী হতে পারে! বাড়িরমহিলা সদস্যের আর্থিক স্থিতিমজবুত থাকলে তিনিও সিদ্ধান্তনেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতেপারেন। ছেলেও মা’কেজিজ্ঞাসা করতে শুরু করে, স্বামীওতাঁর স্ত্রীর মতামত নেয়, বাড়িরমধ্যে ভদ্রমহিলার সম্মানবাড়ে। আমাদের মা ও বোনেদেরশক্তি বাড়লে তা রাষ্ট্রেরউন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিতকরবে।’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’রএটাই প্রধান উদ্দেশ্য।

আগেব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিলে সেদিনথেকেই সুদ দিতে হতো। মনে করুন, আপনি৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন, প্রথমমাসে ১০ হাজারই খরচ হয়েছেকিন্তু সুদ আপনাকে গুনতে হচ্ছে৫০ হাজার টাকা। এই সমস্যাসমাধানের জন্য আমরা’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’য়প্রত্যেককে একটি করে ডেবিটকার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তনিয়েছি। এবার কেউ চাইলে ৫০হাজার টাকাও তুলতে পারেন, আবারপ্রয়োজন না থাকলে শুধু ৫ হাজারটাকাও তুলতে পারেন। যেদিন যতটাকা তুলবেন, সেদিনথেকে সেই টাকার সুদ গোনা হবে।এভাবে গরিবদের নানা সমস্যারকথা চিন্তা করে এই’প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’ চালুহয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্রব্যবসায়ীরা যে ঋণ পেয়েছেন, তাআপনাদের ব্যবসা বৃদ্ধিরক্ষেত্রে কাজে লাগবে, আপনারাএক-দুজনকেচাকরিও দিতে পারবেন। এর মাধ্যমেগ্রাম ও ছোট ছোট শহরগুলিতেবসবাসকারী গরিব যুবক-যুবতীদেরকর্মসংস্থানের নতুন সুযোগসৃষ্টি হবে। এভাবে সমাজেরনীচু স্তরের মানুষজনের আর্থিকক্ষমতা বাড়বে,আরএইআর্থিক সমৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিকেমজবুত করে তুলবে। ভারতেরআর্থিক উন্নয়নের গতি বাড়বে।এটা আমার বিশ্বাস।

আজএখানে দরিদ্র মায়েদের হাতেরান্নার গ্যাস সিলিন্ডারতুলে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি।যাঁরা গরিব মানুষের নামে রাজনীতি করেন, নির্বাচনএলেই গরিবের জন্য গান গাইতেশুরু করেন। গরিব-গরিব-গরিবকরে মালা জপ করেন, তাঁরগত ৬০ বছর ধরে এই মায়েদের কথাভাবেননি। তাঁরা কিভাবে তাঁরসন্তানের জন্য রান্না করতে কোথা থেকে শুকনো ডালপালা জোগাড়করেন, উনুনকিভাবে জ্বালান, ঐস্বল্প পরিসরে সেই উনুন থেকেকতটা ধোঁয়া বের হয়, আরসেই মায়ের সন্তানটি উনুনেরধোঁয়ায় কাঁদতে থাকে, আমিছোটবেলায় এই সব পরিবেশ দেখেছি।আজও হাজার হাজার গরিব মানুষকেদেখছি। কাঠের উনুনে রুটিবানাতে গিয়ে মা-ওঅসুস্থ হয়ে পড়েন। যারা গরিবেরনাম করে রাজনীতি করেন, তাদেরগাড়ি, বাংলো, সম্পত্তিসবই রয়েছে। অথচ, তারাওভর্তুকিতে গ্যাস সিলিন্ডারনেন। আমি তাদের কাছে প্রার্থনাজানিয়েছি যে, এই১৫০-২০০-২৫০টাকা ভর্তুকি নিয়ে কী করবেন? ছেড়েদিন। আমি হাল্কা অনুরোধকরেছিলাম, ভয়পাচ্ছিলাম যে আমার কথা, কেকেমনভাবে নেবেন! আমিঅত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলছি, অন্ততপক্ষেএদেশের ৩১ লক্ষ বিত্তবান মানুষআমার আবেদনে সাড়া দিয়েছেন।এই সংখ্যাটা কম নয়। তাঁরাজানিয়েছেন, তাঁদেরছেড়ে দেওয়া ভর্তুকি আমরা যেনগরিব মানুষদের হাতে তুলে দিই।যাঁরা দেশের জন্য এরকম ত্যাগকরতে পারেন, তাঁদেরজন্য আমি গর্বিত। আজ যাঁরজন্মদিন আমরা পালন করছি, সেইভারতমাতার সুসন্তান লালবাহাদুর শাস্ত্রী যখনপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন, ১৯৬৫’রযুদ্ধের প্রাক্কালে তিনিদেশবাসীকে এক সপ্তাহের জন্যএক বেলা খেতে বলেছিলেন। গোটাদেশ তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে একসপ্তাহ ধরে এক বেলা খাবারখেয়েছেন। লাল বাহাদুর শাস্ত্রীরআহ্বানে সাড়া দেওয়া অনেক মানুষকে আমি নিজের চোখেদেখেছি। আমি সেই মহাপুরুষকেস্মরণে রেখেই দেশবাসীর কাছেআহ্বান জানিয়েছিলাম, মহাত্মাগান্ধীকে স্মরণে রেখেও অনুরোধকরেছিলাম। যে ৩১ লক্ষ দেশবাসীভর্তুকি ছেড়ে দিয়েছেন, তাঁদেরসুবাদে এখনও পর্যন্ত ১৮ লক্ষদরিদ্র পরিবারকে গ্যাস সিলিন্ডারদেওয়া হয়েছে। কার সিলিন্ডারকাকে দেওয়া হয়েছে তার হিসেবেরাখা হয়েছে। আপনি যখন জানতেপারবেন, অমুকগ্রামের তমুক দরিদ্র পরিবারেআপনার ছেড়ে দেওয়া ভর্তুকিসিলিন্ডার গেছে, তখনকতটা আনন্দ পাবেন বলুন। আপনিমহারাষ্ট্রে থাকেন, আপনারভর্তুকি সিলিন্ডার গোয়ারকোনও দরিদ্র পরিবার পেলে কেমনআনন্দ পাবেন। এই সম্পূর্ণব্যবস্থা আমরা কম্পিউটারেরমাধ্যমে পরিচালিত করছি।

আজআমি বিশেষভাবে ঝাড়খন্ডেরমুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে চাই, ভারতসরকারের একটি কোম্পানি এবংঝাড়খন্ড সরকার সেই দরিদ্রমানুষদের গ্যাস সিলিন্ডারব্যবহারের জন্য গ্যাস ওভেনএবং আনুষঙ্গিক কিছু জিনিস যাকিনতে আড়াই-তিনহাজার টাকা লাগে, তাবিনামূল্যে সরবরাহ করেছে।আজ এখানে ৫ হাজার মানুষ গ্যাসসিলিন্ডার পাবেন।

আমাদেরদেশের একটি অন্তর্লীন শক্তিরয়েছে। আমি সেই শক্তিকে চেনারচেষ্টা করেছি, সেইশক্তি আমাকে সমর্থন জুগিয়েছে।সেজন্যই আজ দেশের লক্ষ লক্ষদরিদ্র পরিবারে গ্যাস সিলিন্ডারপৌঁছনোর কাজ আমরা করতে পারছি।যাঁরা অনেক কষ্টে কাঠের উনুনেরান্না করতেন, তাঁরাএখন গ্যাস ওভেনে রান্না করলেআমাদের অরণ্য বাঁচবে, পরিবেশওরক্ষা পাবে। এই বিবর্তন দেখেসবচেয়ে বেশি খুশি হবেন মহাত্মাগান্ধী।

আরেকটিগুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের জন্যআমি ঝাড়খন্ড সরকারকে ধন্যবাদজানাই। এই সাঁওতাল পরগনারমলুটি মন্দির শতাব্দী শতাব্দীকালধরে টেরাকোটার কাজের জন্যবিখ্যাত। অনেক কিছু লুপ্তপ্রায়।অনেক জায়গায় খোদাই চলছে। আজসেই ঐতিহাসিক স্থানকে সংস্কারেরমাধ্যমে পর্যটনের একটি নতুনঠিকানা গড়ে তোলা হচ্ছে। এরফলে, এইঅঞ্চলের নবীন প্রজন্মের অনেকমানুষের কর্মসংস্থান হবে।পাশাপাশি, এখানকারপ্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কে মানুষজানবে, পুরোনোইতিহাস নতুন করে আমাদের গর্বিতকরবে।

ভাইও বোনেরা, আমিভাগ্যবান যে আজ এই তিনটি শুভসূচনার শরিক হতে পেরেছি।মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীতেআমি সবাইকে খাদিবস্ত্র কেনারঅনুরোধ করছি। খাদির বিক্রিবাড়লে গরিব মানুষের সুবিধাহবে। আমি বিশ্বাস করি, আপনারাসবাই এগিয়ে আসবেন। আজ যাঁরাএই সভাতে এসেছেন, আমিসবাইকে অনুরোধ করছি, আপনারাযাবার সময় কোনও নোংরা ফেলেযাবেন না, কোনওবোতল, প্লাস্টিক, কাগজফেলে যাবেন না। কী, সঙ্গেনিয়ে যাবেন তো? সবাইসমস্বরে বলুন, তাহলে বুঝতে পারবো। দেখুন আমাদেরঅভ্যাস তৈরি করতে হবে। গান্ধীজিরস্বপ্নকে সাকার করতে হলে, পরিচ্ছন্নভারত নির্মাণ করতে হলে আমাদেরঅভ্যাস বদল করতে হবে। সেজন্যআপনারাও এখানে কোনও নোংরাফেলে যাবেন না, একটিদৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।বিশ্ববাসী জানুক যে, ভারতেরজনসাধারণ এখন পরিচ্ছন্নতারসংকল্প নিয়েছে। আমার কথা শোনারজন্য আমি আপনাদের সকলকে অনেকঅনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছাজানাই। আমার সঙ্গে সম্পূর্ণশক্তি দিয়ে বলুন, দু’হাতমুষ্ঠিবদ্ধ করে জোরে বলুন, ভারতমাতারজয়! ভারতমাতারজয়! ভারতমাতারজয়!

অনেকঅনেক ধন্যবাদ।

PG/SB/SB/