Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

দেশ ও দেশবাসীর স্বার্থ সবার ওপরে – বললেন প্রধানমন্ত্রী

দেশ ও দেশবাসীর স্বার্থ সবার ওপরে – বললেন প্রধানমন্ত্রী


উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ে শনিবার (১৪ জুলাই, ২০১৮) পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে আয়োজিত এক বিরাট সমাবেশের ভাষণে তিনি এই বিশেষ উপলক্ষটিকে রাজ্যের উন্নয়নের পথে যাত্রার এক নতুন অধ্যায় বলে বর্ণনা করেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বের প্রশংসা করে শ্রী মোদী বলেন, রাজ্যে উন্নয়ন-বান্ধব এক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে তাঁর সরকার। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সচেষ্ট রয়েছে রাজ্য সরকার।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ৩৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়েটি যে সমস্ত শহর ও মফঃস্বল বরাবর রূপায়িত হবে, সেখানে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। দিল্লি ও গাজিপুরের মধ্যে গড়ে উঠবে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এক্সপ্রেসওয়ে বরাবর নতুন নতুন শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও গড়ে ওঠার সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। তাছাড়া, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরতে এই এক্সপ্রেসওয়েটির মাধ্যমে পর্যটনের বিষয়টিও আরও প্রসার লাভ করবে।

 

শ্রী মোদী বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে সংযোগ ও যোগাযোগের প্রসার আজকের দিনে একান্ত জরুরি। গত চার বছরে উত্তরপ্রদেশের জাতীয় মহাসড়ক নেটওয়ার্কের প্রসার ঘটেছে প্রায় দ্বিগুণ। প্রসঙ্গত, জল ও আকাশপথে যোগাযোগ প্রসারের লক্ষ্যে যে সমস্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে তারও এদিন উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের পূর্ব প্রান্তকে উন্নয়নের এক নতুন করিডর রূপে গড়ে তোলার জন্য প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

 

‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’-এর নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গির পুনরুচ্চারণ করে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সুষম বিকাশের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ডিজিটাল সংযোগের প্রসারের লক্ষ্যে ১ লক্ষ পঞ্চায়েতকে নিয়ে আসা হয়েছে অপটিকাল ফাইবার কর্মসূচির আওতায়। ৩ লক্ষ সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্র সাধারণ মানুষের জীবনকে এখন আরও সহজ করে তুলতে সাহায্য করেছে। ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা’ সহ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য কল্যাণ কর্মসূচিগুলির কথাও এদিন উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। কৃষক কল্যাণে খরিফ শস্যের সাম্প্রতিক ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

 

তিন তালাক প্রথা থেকে মুসলিম মহিলাদের মুক্তি ও সুরক্ষার স্বার্থে যে আইনটি চালু হয়েছে তাকে বানচাল করে দিতে কোন কোন মহল তৎপর হয়ে উঠেছে বলে সমালোচনা করেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী। এই আইনটিকে বাস্তবায়িত করার দৃঢ় সঙ্কল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকার – উভয়ের কাছেই দেশ এবং দেশবাসীর স্বার্থ সবার ওপরে। এই অঞ্চলের তাঁতশিল্পীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সেকথাও প্রসঙ্গত উল্লেখ করেন তিনি। এজন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি, অপেক্ষাকৃত কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং বারাণসীর বাণিজ্য সহায়তা কেন্দ্রের অবতারণা করেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে গৃহীত প্রচেষ্টাগুলিরও উল্লেখ ছিল প্রধানমন্ত্রীর এদিনের ভাষণে।

 

CG/SKD/DM