Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

দৈনিক জাগরণ পত্রিকার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাগরণ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

দৈনিক জাগরণ পত্রিকার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাগরণ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

দৈনিক জাগরণ পত্রিকার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাগরণ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

দৈনিক জাগরণ পত্রিকার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাগরণ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) নতুন দিল্লিতে দৈনিক জাগরণ সংবাদপত্রের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাগরণ মঞ্চে ভাষণ দেন।

তাজ প্যালেস হোটেলে সমবেত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশে তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ করে, রোজ সকালে যাঁরা সংবাদপত্র বন্টনের কাজ করেন সেই সমস্ত হকারদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই হকাররাই রোজ অসংখ্য পরিবারে সংবাদপত্র পৌঁছে দিতে সাহায্য করে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দৈনিক জাগরণ পত্রিকা সচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি, দেশের পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আরও বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, দেশে ও সমাজে পরিবর্তন নিয়ে আসার আন্দোলনগুলিকে এই পত্রিকা সক্রিয়ভাবে সাহায্য করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’; ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর মত উদ্যোগগুলির কথা উল্লেখ করেন। ডিজিটাল বিপ্লবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে গণমাধ্যমগুলি দেশকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ন্যূনতম শাসন, সর্বাধিক প্রশাসন’ এবং ‘সকলকে সঙ্গে নিয়ে সকলের অগ্রগতি’র নীতি নতুন ভারত গঠনের ভিত্তি গড়ে তুলছে। বর্তমান যুবসমাজ অনুভব করছেন, তাঁরাও সার্বিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ার অংশীদার।

তিনি প্রশ্ন করেন, স্বাধীনতার পর এতগুলি দশক পেরিয়েও কেন আমাদের দেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে? তিনি জানতে চান, কেন দেশের মানুষের সমস্যাগুলির সমাধান হতে পারে না? তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ এখন সেই সমস্ত জায়গাতেও পৌঁছে যাচ্ছে যা বিগত ৭০ বছরেও পৌঁছয়নি। এমনকি, যে রাজ্যগুলিতে রেল সংযোগ ছিল না, সেগুলিকেও রেল মানচিত্রে নিয়ে আসা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এক উল্লেখযোগ্য তুলনামূলক খতিয়ানের কথা তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতা থেকে ২০১৪ পর্যন্ত – এই ৬৭ বছর তাঁর কার্যকাল ২০১৪-১৮ পর্যন্ত সময়ের সমতুল্য।

তিনি আরও বলেন, তাঁর এই চার বছরের কার্যকালে গ্রামীণ পরিবারগুলিতে শৌচালয়ের পরিধি ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে। গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। পারিবারিক রান্নার গ্যাসের সংযোগ ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশ হয়েছে। ৯৫ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারের কাছে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছেছে যা চার বছর আগে ছিল মাত্র ৭০ শতাংশ। চার বছর আগে কেবল ৫০ শতাংশ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল। এখন প্রায় প্রত্যেকে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। ২০১৪ অন্তক কেবল চার কোটি মানুষ কর দাখিল করতেন। বিগত চার বছরে আরও তিন কোটি মানুষ কর দাখিল ব্যবস্থায় এসেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন অন্য সবকিছু একই থাকছে, তাহলে এই পরিবর্তন কিভাবে এল?

তিনি আরও বলেন, যখন দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পান, তখন তাঁরা নিজেরাই দারিদ্র্য থেকে মুক্তির চেষ্টা করেন। বিগত চার বছরে এই পরিবর্তনই প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে এবং পরিসংখ্যান এটাই প্রমাণ করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার আগ্রহী। প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর ভারতের পন্থা-পদ্ধতি উন্নয়নশীল দেশগুলির কাছে আদর্শস্বরূপ হয়ে উঠছে। প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের সংবেদনশীলতার বোঝা-পড়ার দরুণ সহজে জীবনযাপনের মান বাড়ছে। তিনি জানান, জলপথ এবং বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রেও প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। কম সময়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি, আয়কর ফেরতের ক্ষেত্রে কম সময়, পাসপোর্ট তৈরিতে কম সময় প্রভৃতির কথা তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা, সৌভাগ্য যোজনা প্রভৃতির সুযোগ-সুবিধা যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের কাছে সহজেই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কর্মসূচির কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই ধরণের কর্মসূচির সুফলভোগীদের মধ্যে রয়েছে শ্রমিক শ্রেণী, কৃষক সমাজ প্রভৃতি। গরিব মানুষের ক্ষমতায়নের এ ধরণের উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ভারতের অগ্রগতিতে সমগ্র বিশ্বের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর্থিক অভিযোগে যুক্ত ব্যক্তিরা যাতে কোথাও নিরাপদ আশ্রয় না পায়, তার জন্য ভারত আন্তর্জাতিক মহলের কাছে কিছু প্রস্তাব দিয়েছে।

SSS/BD/DM/…