পিএমইন্ডিয়া
রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব, মাননীয়, অ্যান্টনিও গ্যুটেরেস, আন্তর্জাতিক সৌরসংঘ এবং ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য দেশগুলি থেকে সমাগত মাননীয় মন্ত্রিগণ, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সহযোগী, শিল্প জগতের বন্ধুগণ, সম্মানিত অতিথিগণ, বিশেষ করে নবীন বন্ধু ছাত্রছাত্রীরা, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ।
আজ সকালে মাননীয় অ্যান্টনিও গ্যুটেরেসের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সৌভাগ্য হয়েছে। আজ থেকেই দেশ তথা বিশ্বে মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশত জন্মবার্ষিকী পালনের উৎসব শুরু হচ্ছে। তেমনই বিশ্বের সবুজ ভবিষ্যতের জন্য আয়োজিত এই ভাবনা মন্থনের সূচনার জন্যও আজকের মতো সুবর্ণ অবসর আর কী হতে পারে!
আন্তর্জাতিক সৌরসংঘ সংক্ষিপ্ত নাম ‘আইসা’ ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স (আইএসএ) থেকে এই সংক্ষিপ্ত নাম অতিসত্ত্বর গোটা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। বিশ্ব পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি বিনিয়োগ এবং এক্সপো ও পুনর্বিনিয়োগের বৈঠক হোক কিংবা ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন এনার্জি মিট, তিনটিরই বৃহৎ লক্ষ্য একই – সবুজ ভবিষ্যতের জন্য বিকল্প নির্মল জ্বালানি উৎপাদন।
বন্ধুগণ, বিগত দেড়-দুশো বছরে মানবজাতি নিজেদের জ্বালানির প্রয়োজন মেটাতে মাটির নীচ থেকে সম্পদ আরোহন করছে। আমাদের প্রকৃতি কিভাবে এর বিরোধিতা করছে এবং আজও করছে, তা আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। প্রকৃতি আমাদের নিয়মিত বার্তা দিচ্ছে যে মাটির উপরে যেসব জ্বালানির উৎস রয়েছে; সূর্যরশ্মি, বায়ু, জল – এগুলি থেকে শক্তি উৎপাদনই উন্নত ও সুরক্ষিত ভবিষ্যতের সমাধান।
আমি আনন্দিত যে, আজ আমরা সবাই প্রকৃতি-প্রদত্ত এই বার্তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করার জন্য একত্রিত হয়েছি। বন্ধুগণ, আমার মনে আছে যে, তিন বছর আগে পুনর্বিনিয়োগের প্রথম মিটিং – এ আমি পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন ক্ষেত্রে ভারতের মেগাওয়াট থেকে গিগাওয়াটের লক্ষ্যে যাত্রার সংকল্পের কথা বলেছিলাম। তখনই আমি স্পষ্টভাবে বলেছিলাম যে, সৌরশক্তি তথা সবুজ শক্তি দ্বারা আমরা তখনই উপকৃত হতে পারব যখন এটি সস্তা এবং সুলভ হবে। আর সেজন্য সূর্যের আলো সমৃদ্ধ দেশগুলির একটি সাধারণ মঞ্চ গড়ে তোলার প্রস্তাব রেখেছিলাম। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে এই সমস্ত প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।
বন্ধুগণ, আজ আন্তর্জাতিক সৌর সঙ্ঘ বিশ্ববাসীর জন্য অনেক বড় আশার কিরণ নিয়ে এসেছে। তিন বছরের মধ্যে এই সংগঠন একটি চুক্তি ভিত্তিক আন্তঃসরকারি সংস্থায় পরিণত হয়েছে। ১২৫কোটি ভারতবাসী অত্যন্ত আনন্দিত যে এই আন্তর্জাতিক সৌর সঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ভারতেই রয়েছে।
আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে যখনই একবিংশ শতাব্দীর মানব কল্যাণে গঠিত বড় সংস্থাগুলির নাম উঠবে তখন সবার উপরে থাকবে আন্তর্জাতিক সৌর সঙ্ঘের নাম। বিশ্বে আবহাওয়া সুবিচার সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা সবাই আন্তর্জাতিক সৌর সঙ্ঘ নামে এই বড় মঞ্চটি গড়ে তুলেছি। এটি মানবতার অনুকূলে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে আমাদের সর্ববৃহৎ উপহার।
বন্ধুগণ, আমি চিরকালই মনে করি বিশ্বের জ্বালানির প্রয়োজন মেটাতে আজ ওপেক যে ভূমিকা পালন করছে, আগামীদিনে আইসাও একই ভূমিকা পালন করবে। আজকের তেলের খনিগুলি ভূমিকা পালন করছে, ভবিষ্যতে সূর্যের রশ্মি সেই ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে। আজ আইসা-র এই উদ্যোগ যেখানে পৌঁছেছে, তার পেছনে রাষ্ট্রসংঘের সক্রিয় ভূমিকা অবিস্মরণীয়। এই সাফল্যের জন্য আমি তাই রাষ্ট্রসংঘ-কে কৃতজ্ঞতা জানাই।
প্যারিসে আইসা-র জন্মলগ্নে রাষ্ট্রসংঘের তৎকালীন মহাসচিব মহামান্য বান কি-মুন-এর হাজির থাকা আর আজকের কর্মসূচিতে মহামান্য অ্যান্টনিও গ্যুটারেসের উপস্থিতি এটা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রসংঘ এই মঞ্চকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। আমি এই সুযোগে ফ্রান্সের মাননীয় রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর সরকারকে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
বন্ধুগণ, আইসা-র এই প্রথম সম্মেলনে ৪০টি দেশের প্রতিনিধি হাজির হয়েছেন। কিন্তু এখন আমাদের সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে সৌর জ্বালানির এই বিকল্প শুধুই কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির আশপাশের ১২৫টি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে গোটা দুনিয়া এর দ্বারা লাভবান হয়। বিশ্বব্যাপী সৌর জ্বালানি সহযোগিতা ভাবনা মেনে ভারত আইসা-র সভায় রাষ্ট্রসংঘের সকল সদস্যপদের জন্য প্রস্তাব রাখতে চলেছে।
বন্ধুগণ, ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসাবে এই সংগঠনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। এই দেশগুলি জ্বালানি সংক্রান্ত সমস্যা একই রকম। সেজন্য নিজেদের শক্তি নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সকলকে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনে জোর দিতে হবে।
আমি আগেও সাগর অর্থাৎ সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন্ডিয়া রিজিয়ন – এর ভাবনা তুলে ধরেছি। আমার বিশ্বাস যে, এবারের বৈঠকে সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলবে।
বন্ধুগণ, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার ভারতে অত্যন্ত ফলদায়ক হয়েছে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যপূরণের জন্য আমরা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অ্যাকশন প্ল্যান্টগুলিতে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমরা ঠিক করেছি যে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎস থেকে সম্পন্ন হবে। এই লক্ষ্য অনুসারে বিগত চার বছরে ভারত পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়িয়ে ৭২ গিগাওয়াট উৎপাদন করছে। এর মধ্যে সৌরশক্তির ক্ষেত্রে শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ দেশে সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ ‘নন হাইড্রো রিনিউয়েবল’। শুধু তাই নয়, অতি শীঘ্রই আরও প্রায় ৫০ গিগাওয়াট শক্তি উৎপাদন এতে জুড়বে। এই সংকেত থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, আমরা ২০২২ সালের মধ্যে ১৭৫ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনে যে লক্ষ্য রেখেছি, আমরা সাফল্যের সঙ্গে সেই পথে এগিয়ে চলেছি আর সেই লক্ষ্যসাধন করেই ছাড়ব।
বন্ধুগণ, আজ ভারতে দারিদ্র্য থেকে শক্তি – এই নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হচ্ছে। এই নতুন আত্মবিশ্বাসকে পোক্ত করতে আমরা মহাকাশে শক্তির উৎস, জ্বালানির ভাণ্ডার সূর্যকে বেছে নিয়েছি। এই ভাণ্ডারকে ভারতবাসী হাজার হাজার বছর ধরে সূর্যদেব রূপে পূজা করেন।
বন্ধুগণ, সূর্য আমাদের জন্য আলোর দেবতা, জ্বালানির দেবতা। আমাদের শাস্ত্রে মনে করা হয়, সূর্য সম্পূর্ণ সৃষ্টির গতিদাতা। প্রতিদিন সকালে সূর্যের প্রথম কিরণকে প্রণাম জানিয়ে “ওম সূর্যায় নমঃ” বলে আমাদের দেশে দিন শুরু করার সহজ পরম্পরা আমাদের সমাজ জীবনে রয়েছে। বেদ থেকে শুরু করে যোগ পর্যন্ত সূর্য আমাদের মনন, চিন্তন, উপাসনা এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির স্রোত। এখন সেই অভ্যন্তরীণ শক্তিকে আধুনিক বিজ্ঞানের শক্তির পাশাপাশি আমরা বাহ্যিক জ্বালানির সমাধানে পরিবর্তিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
সৌরশক্তির ক্ষেত্রে ভারত অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করে চলেছে। গত চার বছরে সৌরশক্তি অনেক সস্তা ও সুলভ হয়েছে। ফলে আমাদের অনেক গরিব মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দ্রুতগতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যসাধনে ‘প্যানেল টু পাওয়ার’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, বিগত চার বছরে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বে সবচাইতে পছন্দের গন্তব্য হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ সম্ভব হয়েছে।
বন্ধুগণ, সৌর জ্বালানির ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন শুধু বিদেশি বিনিয়োগ নয়, আমাদের দেশীয় শিল্পপতিদের জন্যও একটি অভূতপূর্ব সুযোগ। আমরা দেশেই সৌর প্যানেল উৎপাদনের একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের এটাই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। আগামী চার বছরে এই ক্ষেত্রে প্রায় ৭ থেকে ৮ কোটি ডলার ব্যবসার সম্ভাবনা আমি দেখতে পাচ্ছি।
বন্ধুগণ, শক্তি উৎপাদনের পাশাপাশি শক্তি সংরক্ষণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেজন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলতে ন্যাশনাল এনার্জি স্টোরেজ মিশন কাজ করছে। এই মিশনের মাধ্যমে সরকার চাহিদা সৃষ্টি, স্বদেশী উৎপাদন, উদ্ভাবন এবং শক্তি সংরক্ষণের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় নীতি সমর্থনে জোর দিচ্ছে।
কুসম অর্থাৎ কিষাণ ঊর্জা সুরক্ষা এবং উত্থান মহাঅভিযানের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে চাষের ক্ষেতের আলে সৌর প্যানেল বসিয়ে সেগুলিকে গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী চার বছরে সারা দেশে প্রায় ২৮ লক্ষ সৌর পাম্প বসানো হবে। এর ফলে, প্রায় ১০ গিগাওয়াট সৌর জ্বালানি উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
বন্ধুগণ, সৌর ও বায়ুশক্তির পাশাপাশি, আমরা বি-৩ অর্থাৎ বায়োমাস, বায়োফুয়েল এবং বায়োএনার্জি – এই ৩টি ক্ষেত্রে দ্রুতগতিতে কাজ করছি। ভারতে যাতায়াত ব্যবস্থাকে পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানি-নির্ভর করে রূপান্তরণে আন্তরিক প্রচেষ্টা চলছে। জৈব গ্যাস থেকে জৈব জ্বালানি উৎপাদনের এই চ্যালেঞ্জকে আমরা সুযোগে পরিবর্তিত করে দিয়েছি। এর জন্য আমরা গোবর্ধন নামক একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছি। বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের জন্য আমরা গ্রামে গ্রামে শহরে শহরে অনেক অভিনব প্রয়োগের মাধ্যমে নানারকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।
বন্ধুগণ, পরিবেশ সুরক্ষার জন্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনের কাজ যেমন হচ্ছে, বিদ্যুতের সাশ্রয়কেও আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। উজালা যোজনার মাধ্যমে দেশের বাড়িতে বাড়িতে, গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র এলইডি বাল্ব লাগানোর অভিযান চালিয়ে আমরা সাফল্য পেয়েছি। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩১ কোটি এলইডি বাল্ব বিতরণের মাধ্যমে আমরা প্রতিবছর প্রায় ৪০হাজার মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পেরেছি। শুধু তাই নয়, এর ফলে দেশবাসীর বিদ্যুতের বিলে প্রতিবছর প্রায় ১৬হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। পাশাপাশি আমরা পরিবেশে বিপুল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিস্ক্রমণ হ্রাস করতে পেরেছি।
এই তো সবে শুরু, আগামীদিনে আরও অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে আমাদের পরিবেশের প্রতি সুবিচার সংশ্লিষ্ট কাজের সুযোগ খুঁজে বের করতে হবে, আর সাফল্য পেতেই হবে।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আগামী তিনদিনের এই সুযোগে আপনারা সকলে বিস্তরিত আলোচনা করবেন আর পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ভবিষ্যতকে আরও প্রসারিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখবেন।
আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে, আপনাদের প্রতিটি পরামর্শ ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করব। আর সেজন্য খোলাখুলি মানবসম্পদ উন্নয়ন থেকে শুরু করে প্রযুক্তির উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বের ছোট ছোট দেশগুলি কিভাবে প্রয়োগ করেছে, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করলে এই আন্দোলন উপকৃত হবে। আর্থিক জগতে বিশ্বায়ন এবং প্রযুক্তি আমাদের নৈকট্য বৃদ্ধি করেছে। আমরা এখন ‘এক বিশ্ব, এক সূর্য, এক গ্রিড’ – এর স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলতে পারি।
ভেবে দেখুন, ‘এক বিশ্ব, এক সূর্য এক গ্রিড’ হলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত, সূর্যালোক থেকে সৌরশক্তি আহরণের কাজ ২৪ ঘন্টা চলতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশ্বের সর্বত্র সবসময় বিদ্যুতের যোগানও সম্ভব হতে পারে।
এভাবে নতুন পদ্ধতিতে, নতুনভাবে ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, আইসা এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিকে এরকম আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নতুন নতুন ভাবনার মাধ্যমে নতুন প্রাণশক্তি ও সংকল্প নিয়ে এক নতুন বিশ্ব নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে এগিয়ে আসবেন।
আরেকবার ভারতে এসে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য, বিশ্বের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এই মহামন্থনে অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের সকলকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
पिछले 150-200 वर्षों में मानव जाति अपनी ऊर्जा जरूरतों के लिए धरती के नीचे दबे संसाधनों पर ही ज्यादा निर्भर रही है।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
हमारी प्रकृति ने कैसे इसका विरोध किया है, और आज भी कर रही है, ये हम सभी देख रहे हैं: PM
प्रकृति हमें लगातार संदेश दे रही है कि जमीन के ऊपर मौजूद ऊर्जा, चाहे वो सूर्य में हो, वायु में हो या पानी में, यही बेहतर और सुरक्षित भविष्य का समाधान है।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
मुझे खुशी है कि आज हम सभी, प्रकृति से मिल रहे इस संदेश पर मंथन के लिए एकजुट हुए हैं: PM
मुझे लगता है जब भी भविष्य में 21वीं सदी में स्थापित मानव कल्याण के बड़े संगठनों की चर्चा होगी, तो International Solar Alliance (ISA) का नाम उसमें सबसे ऊपर होगा।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
ISA के तौर पर हम सभी ने Climate Justice को सुनिश्चित करने की दिशा में, एक बहुत बड़ा मंच तैयार किया है: PM
मेरा ये मानना रहा है कि दुनिया की ऊर्जा आवश्यकताओं की पूर्ति के लिए जो भूमिका आज OPEC निभार रहा है, वही भूमिका आने वाले समय में International Solar Alliance की होने वाली है।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
जो रोल आज तेल के कुओं का है, वही रोल भविष्य में सूर्य की किरणों का होने वाला है: PM
Renewable Energy के बढ़ते उपयोग का भारत में असर दिखने लगा है
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
पैरिस समझौते के लक्ष्यों को पूरा करने के लिए Renewable Energy की deployment के एक्शन प्लान पर काम हम शुरु कर चुके हैं
हमने तय किया है कि 2030 तक हमारी 40% बिजली की क्षमता Non Fossil Fuel Based संसाधनों से पैदा हो: PM
आज भारत Poverty to Power के नए आत्मविश्वास के साथ विकास कर रहा है।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
इस नए आत्मविश्वास को शक्ति देने के लिए भी हमने उसको चुना है, जो हज़ारों वर्षों से हमारी शक्ति का स्रोत रहा है, ऊर्जा का भंडार रहा है।
ये भंडार है सूर्य का जिसको हम भारतीय सूर्यदेव भी कहते हैं: PM
Power Generation के साथ-साथ Power Storage भी अहम है। National Energy Storage Mission पर काम किया जा रहा है।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
इस मिशन के तहत सरकार Demand Creation, Indigenous Manufacturing, Innovation और Energy Storage की क्षमता बढ़ाने के लिए Policy Support पर बल दे रही है: PM
Solar और Wind power के साथ-साथ हम B3 यानी Biomass-Biofuel-Bioenergy पर भी तेज़ी से काम कर रहे हैं।
— PMO India (@PMOIndia) October 2, 2018
भारत में ट्रांसपोर्ट सिस्टम को क्लीन फ्यूल बेस्ड बनाने की तरफ गंभीर प्रयास किए जा रहे हैं।
बायोवेस्ट से बायोफ्यूल बनाकर हम इस चुनौती को अवसर में बदल रहे हैं: PM
India is proud to host the first Assembly of the International Solar Alliance, the second IORA Renewable Energy Ministerial Meeting and the 2nd Global RE-Invest (Renewable Energy Investors’ Meet and Expo). pic.twitter.com/SBb6xwJ9fI
— Narendra Modi (@narendramodi) October 2, 2018