পিএমইন্ডিয়া
দেশের জনসাধারণের জীবনধারণের মান আরও উন্নত করে তোলার মতো পরিবর্তন ও রূপান্তর ঘটানোর ক্ষমতা ও সাহস রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এক সময়ে বিশ্বে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হতো ধাপে ধাপে। কিন্তু সেসব দিনএখন অতিক্রান্ত। বর্তমান যুগের চাহিদা হল রূপান্তরমুখী পরিবর্তন।
বৃহস্পতিবার নীতি আয়োগের এক বৈঠকেভাষণদানকালে এই অভিমত প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ১৫বছরের জন্য ভারতের উন্নয়নের একটি নথি ও রূপরেখা তৈরির জন্য তিনি আহ্বান জানান নীতিআয়োগ’কে। গত তিন দশকের পরিবর্তন প্রচেষ্টায় প্রযুক্তির সফল ভূমিকার কথা উল্লেখ করেপ্রধানমন্ত্রী বলেন পরিবর্তনের এই ধারাকে কখনই শ্লথ বা ব্যহত হতে দেওয়া যাবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি আমরাইতিহাসের দিকে একবার ফিরে তাকাই, তা হলে দেখতে পাব যে, অতীতে ভারতীয় নীতিপ্রণেতাদের প্রবণতাই ছিল শক্তিবৃদ্ধির চেষ্টা না করে ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার জন্যহা-হুতাশ করা। কিন্তু, ভারতে উন্নয়নের যে ব্যাপক ক্ষেত্র পড়ে রয়েছে, তারপরিপ্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক সহায়সম্পদ এবং মানবসম্পদকে যদি বুদ্ধি ও বিচক্ষণতার সঙ্গেকাজে লাগানো যায়, তা হলে তা হয়ে উঠতে পারে পরিবর্তনের এক দ্যোতক। এই প্রসঙ্গেরবিশদ অবতারণা করে এবং কয়েকটি দৃষ্টান্তের কথা তুলে ধরে জমির উপযুক্ত ব্যবহার,দেশের খনিজ সম্পদ এবং এ পর্যন্ত অব্যবহৃত দেশের বিশাল সৌরশক্তিকে কাজে লাগানোর কথাবলেন তিনি। ভারতের যে দীর্ঘ উপকূল রেখা রয়েছে, তার খুব কমই এ পর্যন্ত সেভাবেব্যবহার করা হয়েছে বলে মত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
মানবসম্পদের বিকাশ ও উন্নয়নপ্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষতা উন্নয়নের দিকে দৃষ্টি দেওয়া বিশেষভাবেগুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভবিষ্যতে বিশ্বের মানব-সম্পদের চাহিদা মেটানোর মতো এক বিরাট সম্ভাবনা রয়েছেএদেশে। ভারতের পর্যটন সম্ভাবনার ওপরও প্রসঙ্গত গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। রাজ্যগুলিরসঙ্গে
২
অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের কাজকে আরওএগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং রপ্তানি বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন,এটি শুধুমাত্র সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থারই অঙ্গ নয়, বরং এই মূহুর্তেতা একান্ত জরুরি একটি বিষয়।
কৃষি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,শুধুমাত্র কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি যথষ্ট নয়, এক উজ্জ্বল গ্রামীণ অর্থনীতি গড়েতোলার লক্ষ্যে সার্বিক উন্নয়নের দিকে দৃষ্টি দেওয়াও একান্ত প্রয়োজন। কৃষিক্ষেত্রেরবিকাশে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, মজুত ব্যবস্থার প্রসার এবং প্রযুক্তিগত উপকরণ ওসাজসরঞ্জামের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
নীতি প্রণয়নের তুলনায় নীতিরচয়িতাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেনপ্রধানমন্ত্রী। সুপ্রশাসনের স্বার্থে ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েআক্ষরিক অর্থেই তা বাস্তবের জমিতে প্রতিফলিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
রান্নার গ্যাসের ওপর স্বেচ্ছায় ভর্তুকিপ্রত্যাহার সম্পর্কিত ‘গিভ ইট আপ’ কর্মসূচি এবং দেশবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত ও ইতিবাচকমধ্য দিয়ে রূপায়িত স্বচ্ছতা অভিযানের সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হওয়ার জন্যপ্রধানমন্ত্রী আর্জি জানান নীতি আয়োগের কাছে। তিনি বলেন, এই অভিজ্ঞতা থেকে এটাইপ্রমাণিত হয়েছে যে, সাধারণ মানুষ শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ পূরণের জন্যই উৎসাহিতনয় , বরং দেশবাসীরবৃহত্তর স্বার্থে তাঁরা ত্যাগ স্বীকারেও আগ্রহী।
নীতি আয়োগের এদিনের বৈঠকেঅন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শ্রী রাওইন্দরজিৎ সিং, নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী অরবিন্দ পানাগাড়িয়া, নীতি আয়োগেরসদস্য ও পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও ক্যাবিনেট সচিবালয়েরপদস্থ আধিকারিকরা।
PG/SKD/SB
Interacted with members of @NITIAayog & discussed key policy related issues, crucial for #TransformingIndia. https://t.co/HWjbKnInwc
— Narendra Modi (@narendramodi) July 28, 2016
Areas that were covered in the discussions today include HRD, skill development, agriculture, tourism, energy & coastal development.
— Narendra Modi (@narendramodi) July 28, 2016
Its imperative that we embrace latest technology in our development. World over, technology is guiding several fascinating transformations.
— Narendra Modi (@narendramodi) July 28, 2016