পিএমইন্ডিয়া

উপস্থিত সকলকে আমার শুভেচ্ছা জানাই। প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য গৃহ প্রদানের ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার আপনারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত পেশাদারদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি। এটি আমাদের সেই দায়বদ্ধতার পরিণাম, মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন পূরণের ব্যাপারে আমরা আন্তরিক। আমি দেখতে পাচ্ছি যে, ক্রেডাই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত অনেকে এখানে উপস্থিত আছেন।
বন্ধুগণ, তালকাটরা স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠানে আমি দেশের গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত নবীন বন্ধুদের বলেছিলাম যে, তাঁরা যেন গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রটিকে নতুন ভারতের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে প্রাণশক্তি সঞ্চার করে জঙ্গম করেন। সেজন্য দেশ ও বিশ্বের গৃহ নির্মাণ বিদ্যার আধুনিকতম প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। আপনাদের সাহায্যের জন্য প্রতি পদক্ষেপে কেন্দ্রীয় সরকার আপনাদের পাশে দাঁড়াতে এবং আপনাদের সঙ্গে দু-কদম এগিয়ে যেতে তৈরি। সেই প্রতিশ্রুতিরই ফসল হ’ল নির্মাণ প্রযুক্তি বিষয়ক আজকের এই আলোচনাসভা।
এই নিয়ে দ্বিতীয়বার গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত পেশাদারদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি। এটি সরকারের সেই দায়বদ্ধতার পরিণাম। এটি দেশের সকল দরিদ্র জনসাধারণের মাথার ওপর ছাদ সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, এই আলোচনাসভা থেকে গৃহ নির্মাণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নানা উদ্ভাবক প্রসঙ্গ উঠে আসবে, যেটি নাকি আমাদের পরবর্তী কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে উঠবে।
বন্ধুগণ, আজকের এই আলোচনাসভায় সারা বিশ্বে গৃহ নির্মাণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে সমস্ত সমস্যা উঠে এসেছে, সেগুলি নিয়েও আলোচনা হবে, যাতে সেসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমাদের নগরোন্নয়ন আরও সুনিয়ন্ত্রিতভাবে এগিয়ে যায়। ভারত এখন বিশ্বের সেই দেশগুলির অন্যতম, যেখানে দ্রুতগতিতে নগরায়ন হচ্ছে। সেজন্য অনেক নতুন গৃহ নির্মাণের তাগিদ আমরা অনুভব করছি।
বন্ধুগণ, আমাদের সরকার গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রে আদল বদলে দেওয়ার জন্য ৭টি ফ্ল্যাগশিপ মিশন নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছে। স্বচ্ছ ভারত অভিযান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা, ন্যাশনাল আর্বান লাইভলিহুড মিশন, হৃদয় এবং অম্রুত – এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি শুরু করেছি। পাশাপাশি, শহরগুলিতে যানবাহন ব্যবস্থার পরিবর্তন এবং স্মার্ট সিটি প্রকল্পও চালু হয়েছে। এসব কিছু মাথায় রেখে আজ আমাদের সামনে ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক পরিবেশে গৃহ নির্মাণের সমস্যা রয়েছে।
বন্ধুগণ, এই সমস্যাগুলি মাথায় রেখে আমাদের সরকার গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রের জন্য একটি সার্বিক সমন্বয়ধর্মী দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ সৃষ্টি করেছে। গৃহ নির্মাতা এবং যাঁরা বাড়ি কেনেন, তাঁরা কী ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হন, সেগুলি মাথায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা সুলভ গৃহ নির্মাণকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি। দ্বিতীয়ত, আমরা রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত আইনগুলিকে সংশোধন করেছি। তৃতীয়ত, দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে কাজ করেছি। চতুর্থত, গৃহ নির্মাণ প্রযুক্তিকে উন্নত করার দিকেও লক্ষ্য রেখেছি। আজকের এই কর্মসূচি আমাদের চতুর্থ উদ্যোগের একটি অংশ। আমার মনে আছে যে, ‘প্রগতি’র একটি অনুষ্ঠানে আমি বিভিন্ন মন্ত্রককে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াগুলি রপ্ত করার পরামর্শ দিয়েছি। আজ আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, ‘গ্লোবাল হাউজিং টেকনোলজি চ্যালেঞ্জ ইন্ডিয়া’র মাধ্যমে আপনারা সবাই এখানে এসেছেন।
বন্ধুগণ, গৃহ নির্মাণ মানে শুধু চারটি দেওয়াল বানিয়ে দেওয়া নয়। আমরা অন্যরকম গৃহ নির্মাণের স্বপ্ন দেখি। প্রতিটি গৃহ যেন গৃহবাসীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সক্ষম হয়, সেটা আমরা সুনিশ্চিত করতে চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয় হ’ল – আমাদের দেশে অসংখ্য মানুষের নিজের বাড়ি-ই নেই। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ২০২২ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে প্রত্যেক ভারতবাসীর যেন পাকা বাড়ি থাকে, সেটি সুনিশ্চিত করতে চাই। এই দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই বিগত ৫৫ মাসে সারা দেশে ১ কোটি ৩০ লক্ষ গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মিত হয়েছে। বিগত সরকার তাদের শেষ পাঁচ বছরে গৃহহীনদের জন্য ২৫ লক্ষ গৃহ প্রদানে সক্ষম হয়েছিল। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে, আমাদের কাজের ধরণ কিরকম! গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে আমরা শুধু চারটি দেওয়াল বানিয়ে দিয়েই কর্তব্য শেষ বলে মনে করি না। আমরা প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল, বিদ্যুৎ সংযোগ, রান্নার গ্যাসের সংযোগ সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি, বাড়ির ক্ষেত্রফলও বৃদ্ধি করেছি। কিন্তু আরও অনেক কিছু করার আছে। সেজন্য আমি বেসরকারি ক্ষেত্র থেকে সাহায্যের প্রত্যাশা করি। আর বিশ্বের যে কোনও জায়গায় যেভাবে এই গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণের সমস্যা মোকাবিলা করা হচ্ছে, সে সম্পর্কে জেনে আমাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চাই, যাতে আমরা দেশের দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিকে সাহায্য করতে পারি।
বন্ধুগণ, যেভাবে আমাদের দেশে দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষদের নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হচ্ছিল, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা এই পরিস্থিতি থেকে তাঁদেরকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সকলে মিলে কাজ করতে শুরু করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি যে, সাধারণ মধ্যবিত্তদের গৃহ নির্মাণের সমস্যার সমাধানে পাশে দাঁড়াতে। আমাদের সরকারের এই প্রচেষ্টার ফলই গৃহ ঋণে সুদের হার আগের তুলনায় অনেক হ্রাস পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে সরকার যতটা ছাড় দিচ্ছে, ১৯ – ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে মধ্যবিত্তদের ২০ বছরে প্রায় ৫ – ৬ লক্ষ টাকা সাশ্রয় হবে।
বন্ধুগণ, গরিব ও মধ্যবিত্তদের গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে আমাদের সরকার আয়কর এবং অপ্রত্যক্ষ কর সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলীও পরিবর্তন করেছে। সম্প্রতি সরকার ও জিএসটি কাউন্সিল দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথমত, বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ের ক্ষেত্রে আর কর দিতে হবে না। দ্বিতীয়ত, ক্যাপিটাল ট্যাক্সের ক্ষেত্রে ছাড় এখন একটি বাড়ির জায়গায় দুটি বাড়ি পর্যন্ত পাওয়া যাবে। এই সকল প্রচেষ্টা মধ্যবিত্তদের নতুন বাড়ি কেনার জন্য উৎসাহিত করবে। আর তাহলে আপনাদের ব্যবসা অনেক বৃদ্ধি পাবে।
বন্ধুগণ, জিএসটি রিয়েল এস্টেট ব্যবসাকে চাঙ্গা করেছে। ডেভেলাপার্স এবং ক্রেতা – উভয়েই উপকৃত হচ্ছেন। সম্প্রতি সুলভ গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিএসটি ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। তেমনি নির্মীয়মান হাউসিং এস্টেট প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। মধ্যবিত্তদের জন্য নির্মীয়মান গৃহ প্রকল্পে অর্থের যোগান সুনিশ্চিত করতে সুলভ গৃহ নির্মাণ তহবিল গড়ে তোলা হয়েছে।
বন্ধুগণ, আমরা মনে করি, অধিক সংখ্যায় উন্নত মানের গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাদের গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরামর্শ সম্পর্কে সংবেদনশীল হতে হবে। আমরা সেটাই করছি। গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রটিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারে হাত দিয়েছি। নির্মাণকারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে ও রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্রে প্রত্যয় বৃদ্ধির জন্য আমরা নতুন রেরা আইন চালু করেছি। এই সমস্ত সংস্কারের কারণেই বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহজে ব্যবসা শুরু করার তালিকায় ভারত দ্রতগতিতে ১৮১তম স্থান থেকে ৫২তম স্থানে পৌঁছে গেছে।
বন্ধুগণ, সরকারের নতুন নীতির ফলে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। বিশেষ করে, গ্রামাঞ্চলে নতুন নির্মাণ প্রযুক্তি প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের যোগান বৃদ্ধি হয়েছে। আমাদের সরকার এক্ষেত্রে মহিলাদের প্রশিক্ষণের অভিযান শুরু করেছে। এখন সারা দেশে হাজার হাজার প্রশিক্ষিত রানী মিস্ত্রী নির্মাণযজ্ঞে অংশগ্রহণ করছেন।
বন্ধুগণ, দেশের যুবসম্প্রদায়ের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে তাঁদেরকে বাজারের উপযোগী করে তোলার মাধ্যমে অনেক বেশি কর্মসংস্থান সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া, সারা পৃথিবীতে কারিগরি ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে আমাদের কারিগরি ও প্রযুক্তি পাঠ্যক্রমগুলিতে পরিবর্তনের লক্ষ্যেও আমরা কাজ করে চলেছি। সেজন্য এক্ষেত্রে স্টার্ট আপ এবং নবীন উদ্যোগপতিরা নতুন নতুন বিকল্প নিয়ে আসতে পারছেন।
বন্ধুগণ, ভারতের নির্মাণ দৃষ্টিভঙ্গীতে আমরা আরেকটি পরিবর্তন এনেছি। দেশের সড়কপথ নির্মাণ থেকে শুরু করে আবাসিক বহুতল নির্মাণ ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে পরিবেশ-বান্ধব উপাদান ব্যবহারকে উৎসাহ যোগানো হচ্ছে, যাতে এই পথ বাড়িগুলি যে কোনও বিপর্যয় সহ্য করতে পারে। সেজন্য আমাদের নবীন বন্ধুদের স্থানীয় পরিবেশ ও প্রকৃতির অনুকূল অনেক উদ্ভাবন সুফলদায়ক হয়েছে।
বন্ধুগণ, আপনারা শুনে খুশি হবেন যে, আশা ইন্ডিয়া বা ‘অ্যাফোর্ডেবল সাস্টেনেবল হাউসিং আক্সেলারেটার’ এ এই ধরণের উদ্ভাবনকে বাজারের উপযোগী করে তোলার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।
বন্ধুগণ, আমি একথা জেনে খুশি হয়েছি যে এই ধরণের উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও কারিগরির সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রীও এখানে রয়েছেন। এখানে যা আলোচনা হবে পুরোটাই ন্যাশনাল নলেজ নেটওয়ার্কে প্রকাশিত হবে, যাতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এর দ্বারা উপকৃত হয়। এখানে যে সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা হবে, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও সেগুলি সমাধানের সুযোগ দেওয়া হবে।
আপনারা সবাই যাতে গৃহ নির্মাণ প্রযুক্তি সংক্রান্ত যেসব ফলিত প্রয়োগ হচ্ছে, সেগুলিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রেখে লাইট হাউস প্রোজেক্ট চালু করা হয়েছে। গুজরাট, ঝাড়খন্ড, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাডু, ত্রিপুরা এবং উত্তর প্রদেশে এই প্রকল্পগুলি চালু হলে আপনারা নতুন নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে পারবেন। আপনাদের জন্য বলা যায় এটি একটি ফলিত গবেষণাগারের ব্যবস্থা। সেখানে আপনারা ওয়েবকাস্ট ডেমোর মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের নবীন পেশাদারদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে পারবেন।
বন্ধুগণ, জিএইচটিসি ইন্ডিয়া এমন একটি মঞ্চ, যার মাধ্যমে ভারতের নির্মাণ ক্ষেত্রের পরিবেশ আন্তর্জাতিক মানের হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে আমাদের সমস্যাগুলিরও আন্তর্জাতিক মানের সমাধান হতে পারে। আপনাদের উৎসাহ দিতে আমার মনে হয়, এখানে দেশে গৃহ নির্মাণ প্রযুক্তির বিপ্লবের সূত্রপাত হ’ল। আমরা এখন দেশের শহরগুলিতে গৃহ নির্মাণকে আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।
বন্ধুগণ, নতুন ভারতের নতুন ব্যবসায়িক আবহে আপনাদের ক্ষেত্রটির অপরিসীম সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে নতুন মধ্যবিত্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত বিশ্বের সেই হাতে গোনা দেশগুলির অন্যতম, যেগুলিতে গৃহ নির্মাণের ক্ষমতা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আমরা যাতে গৃহ নির্মাণের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেই চাহিদা পূরণ করতে পারি, তার প্রেরণা যোগাতে ২০১৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত অর্থবর্ষটিকে আমি আজ গৃহ নির্মাণ প্রযুক্তিবর্ষ হিসাবে ঘোষণা করছি।
বন্ধুগণ, আজ এখানে একটি মানচিত্র উদ্বোধনের সৌভাগ্য হয়েছে। আগে আমাদের দেশে বিপর্যয় সংক্রান্ত বিষয়গুলি কৃষি বিভাগের দায়িত্বে ছিল। গুজরাটে ২০০১ সালে ভূমিকম্প আসার পর দেশ বুঝতে পারে যে, সমস্যা কত বড় হয়ে উঠতে পারে, সেজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে গৃহ মন্ত্রালয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাতে ঐ মন্ত্রকের রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় ক্ষমতাকে কাজে লাগানো যায়। মাননীয় অটল বিহারী বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিল। গুজরাটে আগে এই ধরণের বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য জেলা-ভিত্তিক গ্রামীণ মানচিত্র প্রকাশের প্রচেষ্টা হয়েছিল। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, আজ কেন্দ্রীয় সরকার এরকম বিপর্যয়ের সম্ভাবনার নিরিখে দেশকে বিভিন্ন ‘জোন’ – এ বিভক্ত করে মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এই মানচিত্র গৃহ নির্মাণ থেকে শুরু করে গ্যাসের পাইপ লাইন সম্প্রসারণ এবং সরকারের দরপত্র আহ্বান ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা যে কোনও রাজ্য সরকারের কোনও বিভাগের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই মানচিত্র কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কারিগরি স্থাপত্য ও নির্মাণ শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠক্রমে যে কোনও অঞ্চলের সংবেদনশীলতা বুঝতে এটি কাজে লাগবে, যাতে সেই অনুসারে মানবসম্পদের উন্নয়ন সম্ভব হয়। কোনও অঞ্চলের ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈচিত্র্য অনুসারে সমস্যাগুলি অনুধাবন করে নির্মাণ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তারতম্য আনা সম্ভব হবে।
এখানে বিভিন্ন কোম্পানির বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন, সেজন্য আমি চাই যে, আপনারা এই মানচিত্র নিয়ে দু’দিনের কর্মশালার আয়োজন করুন। আপনারা এই অ্যাটলাসটিকে বুঝে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈচিত্র্যের তুলনামূলক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলি অনুধাবন করে নির্মাণ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তারতম্য আনার ক্ষেত্রে কার্যকরি ভূমিকা পালন করতে পারবেন। তা হলে আপনাদের নির্মিত ভবনগুলির স্থায়িত্ব অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। যাঁরা এবার কুম্ভমেলা দেখেছেন, তাঁরা জানেন যে, নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে অস্থায়ী ব্যবস্থাও কত সুচারুভাবে গড়ে তোলা যায়। আমাদের দেশের মানুষই তা করে দেখিয়েছেন।
প্রয়াগরাজের গঙ্গাতটে এই ৪০ দিনে ২২ কোটিরও বেশি মানুষ একত্রিত হয়েছিলেন। প্রতিদিন গঙ্গাতটে ইউরোপের অনেক দেশের জনসংখ্যারও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তা সত্ত্বেও এবারের কুম্ভমেলা পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে উদাহরণ স্থাপন করেছে। আমাদের পরিকল্পিত স্মার্ট সিটিগুলিতে নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সংহত সঞ্চালন ব্যবস্থা কিভাবে কাজ করবে, তার একটি সফল প্রয়োগ আমাদের নবীন প্রজন্মের বন্ধুরা কুম্ভমেলায় করে দেখিয়েছেন। অর্থাৎ, আমাদের দেশে সেই সামর্থ্য রয়েছে। অস্থায়ী ব্যবস্থাপনা যদি এত উন্নতমানের হতে পারে, আমাদের নবীন প্রজন্মের গড়ে তোলা স্থায়ী ব্যবস্থা হয়তো বিশ্বের একটি মডেল হয়ে উঠতে পারে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, এই দু’দিনে আমাদের আলাপ-আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক অত্যন্ত সুফলদায়ক হবে। আপনারা প্রত্যেকে নিজ নিজ কোম্পানির সমস্যাগুলি সমাধান করতে পারবেন। পাশাপাশি, দেশে এক্ষেত্রে নতুন প্রাণসঞ্চার হবে, নতুন গতি পাবে, আমাদের গৃহ নির্মাণ বযবস্থার কায়াকল্প হবে। আর আপনারা মনে রাখবেন, ভারত যা করে, সারা পৃথিবী তা খুঁটিয়ে দেখে। এদেশের সেই শক্তি রয়েছে, যা অভিধানের শব্দের অর্থ বদলে দিতে পারে। আগে অভিনন্দন শব্দের ইংরেজি মানে ছিল ‘কনগ্র্যাচ্যুলেশন’। আর আজকের পর থেকে অভিনন্দন শব্দের অর্থ বদলে যাবে। এই শক্তি আমাদের দেশের রয়েছে।
আসুন, আমরা নিজেদের হাতকে বিশ্বাস করতে শিখি। একটি পরাক্রমী রাষ্ট্র হিসাবে এগিয়ে যেতে নিজেদের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একের পর এক পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।
আরেকবার আপনাদের সবাইকে এই আলোচনাসভার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
देश के युवा साथियों के अपने घर का सपना पूरा करने के लिए टेक्नॉलॉजी के साथ हम दूसरी व्यवस्थाओं को भी बदल रहे हैं।
— PMO India (@PMOIndia) March 2, 2019
टैक्स से जुड़े नियमों में बदलाव कर रहे हैं। ये इसलिए किया जा रहा है ताकि मध्यम वर्ग के पास एक तो घर खरीदने के लिए ज्यादा पैसा बचे और घर की कीमतें भी कम हों: PM
5 लाख रुपए तक की Taxable Income पर टैक्स Zero कर दिया गया है।
— PMO India (@PMOIndia) March 2, 2019
अब दो घरों के अनुमानित किराये पर कोई इनकम टैक्स नहीं देना होगा। इसी तरह कैपिटल गेंस टैक्स से छूट अब एक के बजाय दो घरों पर मिलने वाली है,
ये तमाम प्रयास मध्यम वर्ग को नए घर घरीदने के लिए प्रोत्साहित करने वाले हैं: PM
हाल में ही कंस्ट्रक्शन सेक्टर पर GST को बहुत कम किया गया है।
— PMO India (@PMOIndia) March 2, 2019
अफॉर्डेबल हाउसिंग पर GST 8 प्रतिशत से घटाकर 1 प्रतिशत किया गया है,
वहीं अंडर कंस्ट्रक्शन हाउसिंग प्रोजेक्ट्स पर GST 12 प्रतिशत से घटाकर 5 प्रतिशत किया गया: PM
फंडिंग के साथ-साथ भारत के इतिहास में पहली बार हाउसिंग सेक्टर को, रियल एस्टेट सेक्टर को स्पष्ट कानूनों का सहारा मिल सके, इसके लिए भी काम किया गया है।
— PMO India (@PMOIndia) March 2, 2019
RERA से इस सेक्टर में पारदर्शिता आई है और ग्राहकों का भरोसा मजबूत हुआ है: PM
भारत में कंस्ट्रक्शन की अप्रोच में हमने एक और बदलाव किया है।
— PMO India (@PMOIndia) March 2, 2019
अब चाहे सड़कें हों, रेज़िडेंशियल अपार्टमेंट्स हों या फिर कमर्शियल बिल्डिंग्स,
इको फ्रेंडली, Disaster-Resilient और Energy-Efficient निर्माण को प्रोत्साहन दिया जा रहा है: PM
आशा इंडिया यानी Affordable Sustainable Housing Accelerator इस तरह के इनोवेशन्स को बाजार के हिसाब से ढ़ालने में लगा है।
— PMO India (@PMOIndia) March 2, 2019
आशा GHTC-India का हिस्सा है।
इसमें IIT में काम कर रहे चार इन्क्यूबेशन सेंटर पर युवा उद्यमियों के आइडिया को बाजार के हिसाब से उपयोगी बनाने पर काम चल रहा है: PM