Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

নিরন্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি ও সমন্বয়ের আবহে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিরন্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি ও সমন্বয়ের আবহে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী


নিরন্তর উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে আইনের শাসনের ভূমিকা আগামীদিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে। আইনের শাসন এমনই হওয়া উচিত যাতে তা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। দুর্ভাগ্যবশত, কখনও কখনও পরিবেশের জন্য উদ্বেগ ও উৎকন্ঠাকে ব্যাখ্যা করা হয় সংকীর্ণতার সঙ্গে। আমাদের সকলকেই উপলব্ধি করতে হবে যে সংঘাতের পরিবেশে কোন উদ্দেশ্যই সফল হয়ে উঠতে পারে না। সামাজিক তথা আইনি কাঠামো ও পরিমণ্ডলের মধ্য দিয়ে জলবায়ুর প্রতি সুবিচার করার মতো পরিবেশ সৃষ্টিতে আপনারা সকলেই এগিয়ে আসবেন এই আশা আমি পোষণ করি।

আজ এখানে ২০৩০ সাল পর্যন্ত উন্নয়নের কর্মসূচি রূপায়ণের লক্ষ্যে আইনের শাসন সম্পর্কিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভাষণদানকালে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজকের এই সম্মেলন। সম্পাদিত চুক্তি দুটির একটি ছিল জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তি এবং অন্যটি হল নিরন্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছে যাওয়ার জন্য সম্পাদিত চুক্তি। মানবজাতির কল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক জনগোষ্ঠীর গভীর উদ্বেগের কথা মনে করে কাজে এগিয়ে আসার জন্য সকলের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশনে নিরন্তর উন্নয়নের লক্ষ্য সম্পর্কিত প্রস্তাবের অবতারণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সমস্ত সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত যোগাযোগ আমাদের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে, তারই প্রতিফলন ঘটেছে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করার পথে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মধ্যে। এরপরেই অনুষ্ঠিত হয়েছে জলবায়ু সম্পর্কিত ‘সি ও পি-২১’ বৈঠক যেখানে মানুষের জীবনশৈলীর পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে ভারত। আমাদের অর্থনৈতিক কর্মপ্রচেষ্টার ধারা যেভাবে ক্রমরূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে, সেই একইভাবে পরিবর্তনশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে আমাদের জীবনের স্রোতোধারাকে। ভোগবাদী জীবন দর্শন পরিবেশগত সমস্যার জন্য অনেকাংশে দায়ী বলে মনে করেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, আইনের গ্রন্থে চোখ বোলানোর আগে আমাদের প্রয়োজন অন্তরাত্মার দিকে একবার ফিরে তাকানো।

যা কিছু নিরন্তর নয়, অক্ষুণ্ণ নয়, তাকে উন্নয়ন আখ্যা দিতে অস্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের সংস্কৃতিতে উন্নয়নের অর্থ ‘বহুজন হিতায়, বহুজন সুখায়’, ‘সর্বে ভবন্তু সুখিনো’ এবং ‘লোকাঃ সমস্তাঃ সুখিনো ভবন্তু’। উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে যদি নিরন্তর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা না যায়, তাহলে কখনই এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয়ে উঠতে পারে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের বিষয়টির সঙ্গে আপোষ করে চলাকে ‘উন্নয়ন’ আখ্যা দেওয়া যায় না বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারত সবসময়ই নিরন্তর উন্নয়নশীলতায় বিশ্বাসী। প্রকৃতির নিয়ম আমাদের কাছে মহামূল্যবান। আমরা যদি তা মেনে চলি তাহলে মানুষের তৈরি অনেক আইনকানুনেরই কোন প্রয়োজন হয় না। ‘সহজীবন’ এবং ‘সহঅস্তিত্ব’ আমাদের বেঁচে থাকার পক্ষে যথেষ্ট। আধুনিক পরিভাষায় ‘অংশীদার’ বলে একটি কথা চালু রয়েছে। একটি পথ বা উপায় নিরন্তর হয়ে উঠতে পারে তখনই যখন সকল অংশীদারই তা থেকে উপকৃত হন। তবে, অংশীদারিত্বের বিষয়টি আসা উচিত স্বাভাবিকভাবেই। এটি হল এক অন্তর্নিহিত বিষয়। যারা অন্য কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কাজে এগিয়ে আসতে চান, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। কারণ, প্রকৃতি অকৃত্রিম, অকলুষিত। তাই, সদিচ্ছা ও সৎ অভিপ্রায়ই প্রকৃতির নিয়মকে অটুট ও অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ঐতিহ্যে আমরা বিশ্বাসী। প্রকৃতি আমাদের কাছে আরাধ্যা দেবী। আমরা সূর্য দেবতার উপাসক। চন্দ্র, নদ-নদী, ভূমি, বৃক্ষরাজি, প্রাণীকূল, বর্ষণমুখর প্রকৃতি, বায়ু এবং অগ্নিও আমাদের পূজ্য দেবতা। প্রকৃতির এই রূপময়তা আমাদের সংস্কৃতিতে ঐশ্বরিকতারই সমতুল। ভারতীয় পূরাণ অনুযায়ী, অধিকাংশ দেব-দেবীর সঙ্গেই যুক্ত রয়েছে কোন না কোন প্রাণী অথবা বৃক্ষ। তাই, প্রকৃতির প্রতি সম্ভ্রম আমাদের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আমাদের এই সম্পর্ক জন্মজন্মান্তরের। প্রকৃতির সুরক্ষার বিষয়টি আমাদের কাছে তাই এত স্বাভাবিক। আমাদের এই বলিষ্ঠ ঐতিহ্য আমাদের সকলের কাছেই এগিয়ে চলার এক নীতিপথ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতের এক ভাষ্য অনুযায়ী, সকলের শান্তি, কল্যাণ, পরিপূর্ণতা এবং নিরন্তর অস্তিত্বের জন্য আমরা প্রার্থনা করি সকল স্থানে, সকল যুগে। কারণ, তা হল আমাদের অঙ্গীকার। আমাদের এই প্রতিশ্রুতি শুধু আজকের নয়, স্মরণাতীত কাল থেকেই আমরা তা লালন ও পালন করে আসছি। এই কথা যদি আমরা স্মরণে রাখি, তা অনুসরণ করি এবং আমাদের কাজকর্মের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত করে তুলি তাহলে নিরন্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে ভারত এক নেতৃত্বদানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে। যোগাভ্যাসের লক্ষ্য হল আমাদের জাগতিক কামনা-বাসনা এবং সন্তুষ্টি বিধানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যাতে পরিমিত অথচ নিরন্তর জীবনশৈলীর মধ্য দিয়ে আমরা ক্রমশ এগিয়ে যেতে পারি। তাই, যখন আমি যোগাভ্যাসের প্রসঙ্গ উত্থাপন করি, তখন শুধু তার ব্যবহারিক দিকটিকেই আমি তুলে ধরি না, যোগাভ্যাস হল এক সংহত ও সম্পৃক্ত বিষয়। ইয়ম, নিয়ম এবং প্রত্যাহার – এই তিনটি মতাদর্শ আমাদের শিক্ষা দেয় শৃঙ্খলা, মিতাচার এবং সংযমের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক’ মহাত্মা গান্ধী বলতেন যে প্রাকৃতিক সম্পদের অছি হিসেবে যথেষ্ট সাবধানতার সঙ্গে আমাদের তা ব্যবহার করা উচিত। আমাদের নৈতিক দায়িত্বই হল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে আমাদের এই বসুন্ধরাকে এক সুস্থ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে সাজিয়ে তোলা।

পরিবেশ রক্ষার কাজে দারিদ্র্যকে এক বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্যের অন্যতম হল দারিদ্র্য দূর করা। আমাদের আন্তরিক মূল্যবোধকে অবলম্বন করে এই লক্ষ্য পূরণে আমরা কাজ করে চলেছি সততার সঙ্গে। ১২৫ কোটি ভারতবাসীর জন্য এমন এক অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা আগ্রহী যাতে সকলেই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে পারেন। শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল যোগাযোগ এবং শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রগুলিকে আমরা উৎসাহদান করে চলেছি। কারণ আমরা চাই আমাদের যুবসমাজের জন্য এক পরিবেশ-অনুকূল পরিস্থিতি সম্ভব করে তুলতে। আর এ সমস্ত কিছুই আমরা করতে ইচ্ছুক নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে। আমাদের এই উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে শক্তি তথা জ্বালানির লক্ষ্য পূরণআরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এই কারণেই আমাদের মূল চ্যালেঞ্জগুলির অন্যতম হল পুনর্নবীকরণ জ্বালানি শক্তিকে ১৭৫ গিগাওয়াটে উন্নীত করা। এই উদ্দেশ্য পূরণে এখনও পর্যন্ত আমরা সাফল্যের সঙ্গেই এগিয়ে চলেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বচ্ছ ভারত’ এবং ‘গঙ্গা শোধন’ আমাদের আরও দুটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। দেশের কোটি কোটি মানুষ সাগ্রহে এগিয়ে এসেছেন পরিচ্ছন্নতা রক্ষার অভিযানে। আমাদের এই সমবেত প্রচেষ্টাকে কিভাবে আরও সফল করে তোলা যায় সে কথা চিন্তাভাবনা করতে হবে সকলকেই। দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর সম্মেলনে ফলপ্রসূ আলোচনা হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই ধরনের উদ্যোগগুলিকে আরও জোরদার করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শদান ও মত বিনিময়ের জন্য আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

শ্রী মোদী বলেন, ভারতে বর্তমানে আমরা যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন তা এক কথায় অভাবনীয়। পৃথিবীর অন্যান্য সভ্য দেশও এই ধরনের সমস্যা সাফল্যের সঙ্গে অতিক্রম করে আসতে পেরেছে। আমাদের সমবেত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমরাও যে এব্যাপারে সফল হয়ে উঠব এই বিশ্বাস আমার রয়েছে। উন্নয়নের প্রচেষ্টায় যাবতীয় দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, মতবিরোধ আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে। কারণ আমাদের সংস্কৃতি আমাদের শিক্ষাও দিয়েছে ব্যক্তি ও সমষ্টির মধ্যে সমন্বয়ের। যদি আমরা সকলে এক ও অভিন্ন হয়ে উঠতে পারি তাহলে স্বার্থেস্বার্থেদ্বন্দ্ব ও সংঘাতের অবসান ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে আমাদের সরকার একটি সমস্যা হিসেবে নয়, একটি সুযোগ হিসেবেই গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। ‘যোগঃকর্মসু কৌশলম’– এই দর্শনে আমাদের বিশ্বাসী হয়ে উঠতে হবে। আমাদের এমন কৌশল অবলম্বন করতে হবে যাতে পরিবেশ রক্ষার কাজে কোনরকম ত্রুটি বা ঘাটতি না থাকে। অর্থাৎ, ক্ষতির মাত্রা যাতে হয় ন্যূনতম। আর তাই হল কৌশলগত পারদর্শিতা। একই কথা আমি বলতে চাই উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রেওযাতেপ্রতিটি উৎপাদিত পণ্য হয়ে উঠতে পারে ত্রুটিহীন এবং পরিবেশ রক্ষার কাজে অনুকূল। ‘কনভিনিয়েন্ট অ্যাকশন’ নামে তাঁর একটি গ্রন্থে এই সমস্ত চিন্তাভাবনারই প্রতিফলন ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন অনুযায়ী একজনের অপরাধে অন্যজনকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়। আমাদের একথা স্বীকার করতে হবে যে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সকলেই সমানভাবে দায়ী নয়। এখনও অনেকেই রয়েছেন যাঁরা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আর তাঁরাই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ক্ষতি স্বীকার করেন সবথেকে বেশি। খরা, বন্যা, তাপপ্রবাহ, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদির প্রথম শিকার হয়ে পড়েন তাঁরাই। অর্থাৎ, দরিদ্র, বঞ্চিত এবং প্রান্তিক গোষ্ঠীর মানুষই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের প্রথম শিকার। কারণ, এই ধরনের বিপর্যয় মোকাবিলার মতো সহায়সম্পদ থেকে বঞ্চিত তাঁরা। আর এই কারণেই জলবায়ুর প্রতি সুবিচারের দিকে আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। একটি দেশের ক্ষেত্রে যে নিয়ম, কানুন, প্রথা কিংবা নীতি প্রচলিত রয়েছে তা একইভাবে প্রয়োগ করা যায় না অন্যকোন দেশের ক্ষেত্রে। প্রত্যেকটি দেশেরই রয়েছে নিজস্ব কিছু চ্যালেঞ্জ যা তাদের মোকাবিলা করতে হয় নিজেদের মতো করেই। একই নিয়মনীতি যদি আমরা প্রয়োগ করতে চাই সকল দেশের ক্ষেত্রেই, তাহলে কাজের কাজ কিছুই হবে না।

শ্রী মোদী বলেন, উন্নয়নকে নিরন্তর করে তোলা আমাদের এক দায়িত্ব বিশেষ। আমি বিশ্বাস করি যে সমবেতভাবে এই দায়িত্ব পালনে সফল আমরা হবই। শুধু তাই নয়, প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখেই উন্নয়নের কাজ আমরা চালিয়ে যেতে পারব।

পরিশেষে, ‘উন্নয়নের লক্ষ্যে আইনের শাসন’ শীর্ষক সম্মেলনটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

PG/SKD/DM/