Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

নয়া দিল্লির দ্বারকায়‘প্রদর্শনী ও সম্মেলন কেন্দ্র’-র উন্নয়নের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা


 নয়াদিল্লি: ১০ নভেম্বর:  

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্রমোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা শুক্রবার শিল্প-নীতি ও প্রসার দফতরেরনিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দিল:  

(ক)  দ্বারকার‘প্রদর্শনী ও সম্মেলন কেন্দ্র’ (ই.সি.সি.) এবং পি.পি.পি. এবং নন-পি.পি.পি. মুডে এরসংশ্লিষ্ট পরিকাঠামোর উন্নয়নে অনুমোদন দিল| যার ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫,৭০৩ কোটি টাকাএবং তা ২০২৫ সালের মধ্যে সমাপ্ত করার লক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে| এর মধ্যে রয়েছেপ্রদর্শনী ও সম্মেলনের স্থান, এরিনা, ট্রাঙ্ক-ইনফ্রাস্ট্রাকচার,মেট্রো/এন.এইচ.এ.আই. সংযোগ, হোটেল, অফিস, খুচরা বিক্রির কেন্দ্র ইত্যাদি|  

(খ)  শিল্প-নীতিও প্রসার দফতরের অধীনে সরকার থেকে ১০০ শতাংশ ইক্যুইটির মাধ্যমে প্রকল্পের রূপায়ণ ওউন্নয়নের জন্য একটি স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল (এস.পি.ভি.) হিসেবে একটি নতুন সরকারি কোম্পানিগঠন করা| সরকার তিন বছর ধরে ট্রাঙ্ক পরিকাঠামোর ইক্যুইটি হিসেবে এস.পি.ভি.-কে২০৩৭.৩৯ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে| যে পরিকাঠামোর মধ্যে প্রদর্শনীকেন্দ্রের অংশ যেমন হলঘর, সম্মেলন কক্ষ, মেট্রো সংযোগ, জাতীয় সড়কের সংযোগ, জমিঅধিগ্রহণ, জল ও পয়প্রণালীর পরিকাঠামো ইত্যাদি রয়েছে|  

(গ)  সরকারিগ্যারান্টিযুক্ত ঋণ হিসেবে বাজার থেকে ১,৩১৮ কোটি টাকা তোলা এবং সরকারি জমিরনগদিকরণের মাধ্যমে ৪,০০০ কোটি টাকার ব্যবহার এবং এস.পি.ভি.’র দ্বারা সংগৃহীতবার্ষিক প্রকল্পের রাজস্ব সংগ্রহ|  

(ঘ)  ডি.এম.আই.সি.ডি.সি.এই প্রকল্পের জন্য বার্ষিক ফি অনুসারে নলেজ পার্টনার হিসেবে কাজ করবে, যা ১ শতাংশহারে অভ্যন্তরীণ বৃদ্ধি হবে এবং তা প্রাথমিকভাবে দশ বছরের জন্য সর্বনিম্ন ৫ কোটিটাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা বার্ষিক হারে হবে|  

(ঙ)  এস.পি.ভি.-রপর্ষদ বিস্তৃত আনুমানিক খরচ, প্রকল্পের পর্যায় সহ সমস্ত রকম বিষয়ের দায়িত্বেথাকবে| বাজারের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ঋণ ওঠাবে বা জমির নগদিকরণ করবে|  

প্রকল্পের প্রথম পর্যায় শেষহবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে| দ্বিতীয় পর্যায় শেষ হবে ২০২৫ সালের মধ্যে| ধারণাকরা হচ্ছে যে, প্রস্তাবিত ই.সি.সি. সুবিধা সার্বিকভাবে কাজ করতে শুরু করলে প্রতিবছর ১০০ টির বেশি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রদর্শনীর চাহিদা পূরণ করবে| বার্ষিকহিসেবে প্রদর্শনীর সুবিধা পরিদর্শনের জন্য প্রথম পর্যায় (২০১৯-২০) শেষ হলে এককোটির বেশি মানুষ এবং দ্বিতীয় পর্যায় (২০২৫) শেষ হলে দুই কোটি ত্রিশ লক্ষের বেশিমানুষ আসবেন বলে আশা করা যাচ্ছে|   

তাছাড়া এই প্রকল্প প্রত্যক্ষও পরোক্ষভাবে পাঁচ লক্ষের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে বলে আশা করা যচ্ছে|সম্মেলন ও প্রদর্শনী হচ্ছে দেশীয় নির্মাতাদের সঙ্গে বৈশ্বিক ক্রেতাদের সঙ্গেসংযুক্তি এবং বাণিজ্যের নানা ধারণার আদান-প্রদানের এক প্রধান মাধ্যম| দ্বারকার এইই.সি.সি. কেন্দ্রের কাজ শেষ হয়ে গেলে প্রদর্শনী বাজারের ক্ষেত্রে সাংহাই, হংকংসিঙ্গাপুরের সঙ্গে ভারত এক সারিতে এসে যাবে|  

A.D.