পিএমইন্ডিয়া
জয় জগন্নাথ,
ওড়িশার রাজ্যপাল ডঃ জামির মহোদয়, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নবীন পট্টনায়ক, আমার মন্ত্রিসভা ও সংসদের সদস্যবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আমি অনেক সরকারি অনুষ্ঠান দেখেছি। কিন্তু এরকম পরিবেশ কোথাও দেখিনি। যেদিকেই তাকাচ্ছি দূরদূরান্ত অবধি শুধু মানুষের মাথা দেখতে পাচ্ছি। এটাই প্রমাণ করে যে, এই তৈল শোধনাগার ওড়িশার প্রত্যেক মানুষের জীবনে, ওড়িশার উন্নয়নে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
আমি এই উপলক্ষে উৎকলমণি পণ্ডিত গোপবন্ধু দাস, উৎকল গৌরব মধুসূদন দাস, সুরেন্দ্রজী এবং মহারাষ্ট্রের কৃষ্ণচন্দ্র গণপতির মতো মহাপুরুষদের প্রণাম জানাই।
হাজার হাজার বছর ধরে ওড়িশার বণিকরা সমুদ্রপথে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে – জাভা, বালি, সুমাত্রা, বোর্নিও’তে পৌঁছে গেছেন। আজও তাঁদের স্মরণে প্রত্যেক বছর পবিত্র কার্ত্তিক পূর্ণিমার সময়ে রাজ্যের প্রত্যেক প্রান্তে বোইত বন্দনা করা হয়। মহাকবি কালিদাস তাঁর রঘুবংশম কাব্যে কলিঙ্গের রাজাকে মহোদধিপতি বা সমুদ্রের অধীশ্বর রূপে বর্ণনা করেছেন। আমি এই পারাদীপের জগৎসিংহপুর জেলার মাটিকে পবিত্র ক্ষেত্র বলে মনে করি। এই মাটিতেই শুদ্রমুনি সারলা দাস সম্পূর্ণ মহাভারত রচনা করেছিলেন। সংস্কৃত ছাড়া যে কোনও ভারতীয় ভাষায় এটিই সর্বপ্রথম মহাভারত। অত্যন্ত বিনম্রচিত্তে আমি আজ উৎকল কেশরী হরিকৃষ্ণ মেহতা এবং উৎকলের মহান সন্তান বিজুবাবুকে স্মরণ করছি। এই মহাপুরুষরাই পারাদীপকে রক্ষা করার জন্য এখানে বন্দর স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। এই জগতসিংহপুরের মাটি দেশকে ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রীযুক্ত নবকৃষ্ণ চৌধুরী, স্বাধীনতা সংগ্রামী গোপবন্ধু দাস মহাশয়, মালতিদেবী, বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক প্রাণকৃষ্ণ পারিজার মতো মহামানব দিয়েছে। আমি এই ভূমিকে প্রণাম জানাই।
ভাই ও বোনেরা, এই তৈল শোধনাগার প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে উঠেছে। আজ এই অত্যাধুনিক তৈল শোধনাগারটি দেশের জন্য উৎসর্গ করতে পারার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন আমার প্রেরণা পুরুষ ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। সেই মহাপুরুষের স্পর্শে যে কাজ শুরু হয়েছিল তা পরিপূর্ণ করার সৌভাগ্য আমাকে জীবনের অত্যন্ত আনন্দঘন একটি মূহুর্ত উপহার দিয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, এই প্রকল্পে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সেজন্য পারাদীপ তৈল শোধনাগার হয়ে উঠবে ওড়িশার বিকাশ দীপ, ওড়িশার নবীন প্রজন্মের ভাগ্যদীপ। ভারতের কোটি কোটি গরিব মা ও বোনেরা, কাঠের উনুন জ্বালিয়ে রান্না করেন, ধোঁয়ায় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে এমনকি নিজেরাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই গরিব মায়েদের জীবনে আশা জাগাবে এই পারাদীপ তৈল শোধনাগার থেকে উৎপন্ন গ্যাস সিলিন্ডার।
সরকারের সদিচ্ছা থাকলে কত দ্রুত কাজ হতে পারে তার উদাহরণ আপনাদের সামনে রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক প্রকল্প গত ৪০-৫০ বছর ধরে শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা রকতেই লাগে পাঁচ থেকে দশ বছর। তারপর, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন থেকে প্রকল্প চালু করার মাঝে কয়েক যুগ পেরিয়ে যায়, কয়েক প্রজন্মের মানুষ কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত থেকে যান। কিন্তু কাজ সম্পূর্ণ হয় না। আজকাল আমি কোনও প্রকল্প উদ্বোধন করতে গেলেই আমার অনেক কংগ্রেসী বন্ধু দ্রুত বক্তব্য রাখেন যে, এটার কাজ তো আমাদের সময়েই শুরু হয়েছিল। ভাই ও বোনেরা, কোন প্রকল্পের উদ্বোধন করে আমি যত আনন্দ পাই, তার থেকে অনেক বেশি আনন্দ পেতাম যদি এই প্রকল্পগুলি আজ থেকে ১৫ বছর আগে বাস্তবায়িত হত, লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হতো।
আমাদের দেশে প্রকল্পগুলির রূপায়ণের বিলম্ব, থেমে থাকা, দরপত্র প্রক্রিয়ার জটিলতা, আইনি নানা জটিলতা, নানা গণআন্দোলনে সমস্যার সমাধান না করতে পারার ফলে খরচ ক্রমে বাড়তে থাকে। দেশের উন্নয়নে দেশবাসী, আমলাতন্ত্র, শিল্পপতি এবং নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে এমন সমন্বয়ের সংস্কৃতির জন্ম দেওয়া উচিৎ, যাতে এই বিলম্বের মুখোমুখী না হতে হয়।
ভাই ও বোনেরা, আমরা এমনই কর্মসংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। এই তৈল শোধনাগার থেকে ৭৮ কোটি কেজি এল পি জি, ৫০০ কোটি লিটার পেট্রোল, ৬৬০ কোটি লিটার ডিজেল, ২৫০ কোটি লিটার কেরোসিন এবং এ টি এফ, ২৭ লক্ষ ক্যুইন্টাল সালফার এবং ১২০ লক্ষ ক্যুইন্টাল পেট্রোলিয়াম কোক উৎপাদন হবে। ভাবতে পারেন, এরফলে দেশের আর্থিক উন্নয়নে কতটা গতি আসবে।
ভারতের পূর্বপ্রান্তে ওড়িশার মাটিতে সূর্যের প্রথম কিরণ আসে। এখন এই মাটি থেকেই দেশ নতুন জ্বালানি পাবে। এই শক্তি পারাদীপ করে দেখিয়েছে। এখান থেকে যে কাঁচামাল উৎপাদিত হবে, সেই কাঁচামাল থেকে অনেক ছোট ছোট প্লাস্টিকের কারখানা গড়ে উঠতে পারে। সেজন্য সরকার দক্ষতা উন্নয়নের প্রকল্প শুরু করেছে। মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া’র মাধ্যমে নবীন বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার ও স্বউদ্যোগ গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। সেজন্যই পারাদীপ তৈল শোধনাগার তার দীর্ঘ যাত্রায় ওড়িশার ভাগ্য বদলে দেওয়ার কাজ করবে।
ভাই ও বোনেরা, আমাদের মায়েরা কাঠের উনুনে রান্না করার সময় এক ঘন্টায় যতটা দূষণের শিকার হন, তা ৪০০টি সিগারেট পানের সমান ক্ষতিকারক। সেজন্য গরিব মায়েদের কাছে এল পি জি গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা আমরা চালাচ্ছি।
ভাই ও বোনেরা, আমাদের দেশের কৃষকদের ইউরিয়া সার চাই। ইউরিয়া উৎপাদনেও গ্যাস জরুরি। পূর্ব ভারতের উন্নয়নে পারাদীপের এই তৈল শোধনাগার থেকে উৎপাদিত গ্যাস সার কারখানাগুলিকে সুলভে গ্যাসের যোগান দিতে পারবে। সম্প্রতি, আমি উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। আমি তাঁদের বলেছি ২০২২ সালে স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনের আগেই আমাদের পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ আমদানিখাতে ন্যূনতম ১০ শতাংশ খরচ বাঁচাতে হবে। সেজন্য আখচাষীদের উৎসাহিত করতে হবে। দেশে যত চিনির প্রয়োজন ততটা চিনি উৎপাদনের পর উদ্বৃত্ত আখের রস থেকে ইথানল উৎপন্ন করতে পারলে সেই ইথানল মেশানো পেট্রোলে গাড়ি চালালে পরিবেশ দূষণ কমবে। এতে আখচাষীদেরও বাজারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না এমনকি আত্মহত্যাও করতে হবে না। তেমনই ছত্তিশগড়ের আদিবাসী অঞ্চল ও সংলগ্ন ওড়িশায় ভালো জ্যাট্রোফা উৎপন্ন হয়। এই জ্যাট্রোফার রস পেট্রোলের বিকল্প হিসেবে অত্যন্ত উপযোগী। আমরা রেড়ির তেল উৎপাদনেও উৎসাহ জোগাচ্ছি। পাশাপাশি, সৌরশক্তি উৎপাদনে জোর দিচ্চি, যাতে ভারত জ্বালানি ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।
ভাই ও বোনেরা, আমাদের দেশের কৃষকের পরিবারে ১০০ একর জমি থাকলে, তিনি চাইবেন, তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে একজনই গ্রামে থেকে চাষবাস করুক। আর বাকি দুই সন্তান শহরে গিয়ে লেখাপড়া শিখে চাকরি করুক। এই পারাদীপ তৈল শোধনাগার গড়ে না উঠলে এখানকার ৩ হাজার একর জমিতে কোনওভাবেই লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব হতো না। এই পারাদীপ তৈল শোধনাগার ভারতের গরিব কৃষকদের শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের সুযোগ এনে দিয়েছে।
ভারত নবীন দেশ। দেশের ৬৫ শতাংশ জনসংখ্যার মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নীচে। যে দেশে এত নবীন মানুষ রয়েছে, সেদেশের স্বপ্নও নবীন, সেদেশের সংকল্পও নবীন। এই সংকল্প থেকেই যে ইচ্ছাশক্তি উৎপন্ন হবে, তা দেশের ভাগ্য বদলে দেবে। সেজন্যই আমরা নবীন প্রজন্মের মানুষদের স্বনির্ভর করে তুলতে ‘মুদ্রা যোজনা’ শুরু করেছি, যাতে তাদের ঘুরে বেড়াতে না হয়। তারা নিজের ব্যবসায় অন্যদের কর্মসংস্থান করে দিতে পারবেন। সেজন্য আমরা ইতিমধ্যেই প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা ঋণদানের ব্যবস্থা করেছি। একটু আগেই ধর্মেন্দ্রজী আমাকে বলছিলেন, বিগত ৬০ বছরে গোটা ওড়িশায় মোট ২৬ লক্ষ মানুষ গ্যাস সিলিন্ডার পেয়েছেন। আর শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হঅয়ার পর গত এক বছরে ১১ লক্ষ দরিদ্র পরিবার গ্যাস সিলিন্ডার পেয়েছেন। কাজের গতি দেখুন, ৬০ বছরে ২৬ লক্ষ আর এক বছরে ১১ লক্ষ। আমরা এভাবেই কাজ করি। আমাদের দেশের অর্থনীতিবিদরা এতদিন দুটি ক্ষেত্রের কথা বলতেন, প্রথমটি পাবলিক সেক্টর আর দ্বিতীয়টি প্রাইভেট সেক্টর। আমরা ‘প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা’র মাধ্যমে পার্সোনাল সেক্টরকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছি। আমরা মনে করি, প্রত্যেক ব্যক্তির অগ্রগতি একেকটি পরিবারকে উন্নত করবে। আমাদের সরকার এভাবেই এগিয়ে চলেছে।
ভাই ও বোনেরা, আজ আমি আমাদের বৈজ্ঞানিকদের নবীন প্রজন্মের মানুষদের কৃতজ্ঞতা জানাই। পারাদীপ তৈল শোধনাগার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। এক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক দেশ এগিয়ে রয়েছে কিন্তু ভারতের বৈজ্ঞানিকরা ‘ইন্ডম্যাক্স’ প্রকল্পের মাধ্যমে কাঁচামালকে প্রক্রিয়াকরণের যে নতুন প্রযুক্তি গড়ে তুলেছেন – তা-ই এই তৈল শোধনাগার গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়েছে।
এই প্রয়োগ গোটা বিশ্বকে বিস্মিত করে তুলেছে। এই প্রযুক্তির গতি ও উৎপাদনের মাত্রা এত বেশি, এত নিখুঁত প্রক্রিয়াকরণ ও উৎপাদিত পণ্যের বিভাজন পারাদীপ তৈল শোধনাগারকে বিশ্বের সামনে উদাহরণস্বরূপ করে তুলেছি।
সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারে এল পি জি উৎপাদনের মাত্রাও বাড়বে। দেশের অর্থিক সাশ্রয় হবে। সেজন্যই ভাই ও বোনেরা, আমি আপনাদের পক্ষ থেকে শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং তাঁর দলকে দ্রুতগতিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই। সমস্ত বৈজ্ঞানিকদের অভিনন্দন জানাই।
পারাদীপে এই সম্ভাবনার প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত হয়েছে। শতাব্দীকাল পূর্বে ওড়িশায় স্বর্ণযুগ ছিল। আজ পারাদীপে আরেকটি স্বর্ণযুগের সূচনা হল। এক্ষেত্রে ভারত সরকার যা করতে পারে তা থেকে পিছিয়ে থাকবে না।
ভারত সরকারের পূর্ণ সহযোগে ওড়িশার নবীন প্রজন্ম গোটা ভারতের ভাগ্য পরিবর্তনে এগিয়ে এসেছেন। আমরা তাদেরকে সেই সুযোগ দিতে চাই।
আমি আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
জয় জগন্নাথ, জয় জগন্নাথ, জয় জগন্নাথ।
PG/SB/SB
Am sure the Paradip Refinery will unleash a new wave of industrialisation in hydrocarbon sector & enhance economic progress in Eastern India
— Narendra Modi (@narendramodi) February 7, 2016
People of Odisha know the importance of this refinery & how this refinery will contribute to the development of Odisha: PM begins his speech
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
You have come here in large numbers. You are supporting such an important development initiative: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
Today I remember the great Harekrushna Mahatab and the great Biju Babu: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
The Shilanyas for this was done by Shri Atal Bihari Vajpayee, our inspiration: PM @narendramodi at Paradip https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
This Paradip refinery is the Vikas Deep for Odisha and the youth of Odisha: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
This will take gas cylinders to the homes of the poor: PM @narendramodi at Paradip, Odisha https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
Initiatives have to be futuristic and completed before the designated time period. Delays shouldn't occur: PM @narendramodi in Paradip
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
MUDRA Yojana has given opportunity to India's youth to stand on their own feet and become job creators, not job seekers: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
Paradip refinery has established a records of sorts when it comes to #makeinindia: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2016
Paradip Refinery is Odisha's Vikas Deep. It will fulfil several aspirations of Odisha's bright youngsters. https://t.co/heL3AApJAc
— Narendra Modi (@narendramodi) February 7, 2016
Emphasised on vitality of futuristic projects, completed on time. Noted with joy how Paradip Refinery is a great example of #makeinindia.
— Narendra Modi (@narendramodi) February 7, 2016